বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
সংসদে পাস ৯.৩৮ লাখ কোটি টাকার বাজেট, কার্যকর ১ জুলাই

কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ বাতিল

সংসদে পাস ৯.৩৮ লাখ কোটি টাকার বাজেট, কার্যকর ১ জুলাই

ঢাকা: জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস হয়েছে। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট। মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও বাজেট অধিবেশনে নির্দিষ্টকরণ বিল, ২০২৬ পাসের মাধ্যমে বাজেটের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন বাজেট কার্যকর হবে।এর আগে সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে অর্থ বিল, ২০২৬ পাস হয়। এতে করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধি, বিভিন্ন খাতে কর ছাড় এবং মোট ৬৪টি সংশোধনী অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। ‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা’ শিরোনামে প্রস্তাবিত এ বাজেটের ব্যয় বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় প্রায় ১৯ শতাংশ বেশি। বাজেটের আকার দেশের মোট জিডিপির ১৩ দশমিক ৭৩ শতাংশ।পাস হওয়া অর্থবিলে ব্যক্তির করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে আবাসন খাতে বিনা প্রশ্নে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ বাতিল করা হয়েছে।এ ছাড়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজের করপোরেট কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। খুচরা ব্যবসায়ীদের ওপর ভ্যাট আরোপের প্রস্তাবও বাদ দেওয়া হয়েছে। অর্থবিল পাসের মাধ্যমে কর ও শুল্কসংক্রান্ত সব প্রস্তাব চূড়ান্ত হয়েছে।বাজেটের ওপর আলোচনায় বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রী বাজেট আলোচনায় কালো টাকা সাদা করার সুযোগ বাতিল, নতুন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে টিআইএন সনদ বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব প্রত্যাহার এবং করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর সুপারিশ করেন। পরবর্তীতে এসব বিষয়ে সংশোধনী আনা হয়।উল্লেখ্য, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেটের আকার ছিল ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা, যা সংশোধিত হয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকায় নেমে আসে। নতুন অর্থবছরের বাজেট সেই তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বড়।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে হাসপাতালে রফিকুল ইসলাম মিয়ার খোঁজ নিলেন ডা. মনোয়ারুল কাদির

দ্রুত সুস্থতা কামনায় প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা / প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে হাসপাতালে রফিকুল ইসলাম মিয়ার খোঁজ নিলেন ডা. মনোয়ারুল কাদির

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় তাকে আইসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে।তার অসুস্থতার খবর জানার পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তার সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির (বিটু) হাসপাতালে গিয়ে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।হাসপাতালে তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসার সর্বশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ সুস্থতা কামনা করে শুভেচ্ছা ও শুভকামনার বার্তা পৌঁছে দেন।এ সময় ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির (বিটু) বলেন, দেশের একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ, সাবেক মন্ত্রী এবং জাতীয় জীবনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা ব্যক্তিত্বের অসুস্থতায় প্রধানমন্ত্রী গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তার নির্দেশনায় সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সঙ্গে প্রয়োজনীয় আলোচনা করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার দ্রুত ও সম্পূর্ণ সুস্থতা কামনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি তার পরিবারের সদস্যদের প্রতিও আন্তরিক সহমর্মিতা জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া গ্রেপ্তার হওয়ার পর তার পক্ষে আইনজীবী হিসেবে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

খামেনির জানাজায় ইরান যাচ্ছে জামায়াতের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল

৩ জুলাই ঢাকা ত্যাগ, সফর চলবে ৯ জুলাই পর্যন্ত / খামেনির জানাজায় ইরান যাচ্ছে জামায়াতের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে পরিচিত আয়াতুল্লাহ সাইয়্যিদ আলী হুসাইনি খামেনির জানাজা ও রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানে অংশ নিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল ইরান সফরে যাচ্ছে।মঙ্গলবার (৩০ জুন) দলটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।বার্তায় বলা হয়, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান সরকারের আমন্ত্রণে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপির নেতৃত্বে চার সদস্যের প্রতিনিধিদল আগামী ৩ জুলাই ঢাকা ত্যাগ করবে। সফর শেষে তারা ৯ জুলাই দেশে ফিরবেন।প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা হলেন মো. নুরুল আমীন এমপি, ড. মো. কেরামত আলী এমপি এবং ডা. এসএম খালিদুজ্জামান।জামায়াতে ইসলামী জানিয়েছে, সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো ইরানের সরকার ও জনগণের প্রতি গভীর শোক, সমবেদনা এবং সংহতি প্রকাশ করা। একই সঙ্গে প্রতিনিধিদল জানাজা ও রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানে অংশ নেবে।এ ছাড়া সরকারি কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিনিধিদল ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবে। এ সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ইরানের জনগণের মধ্যে দীর্ঘদিনের ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক, পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে দলটি। বার্তায় গুরুত্বপূর্ণ এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো এবং সফর সফল করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের জন্য ইরান সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

সামাজিক আন্দোলন ছাড়া মাদক নির্মূল সম্ভব নয়: ইউএনও কামরুল ইসলাম

আইনশৃঙ্খলা সভায় কর্মসংস্থানের ওপর জোর / সামাজিক আন্দোলন ছাড়া মাদক নির্মূল সম্ভব নয়: ইউএনও কামরুল ইসলাম

সামাজিক আন্দোলন ও জনসচেতনতা ছাড়া মাদক নির্মূল সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এটিএম কামরুল ইসলাম। তিনি বলেন, বেকার যুবক-যুবতীরা হতাশা থেকে মাদকে জড়িয়ে পড়ছে। তাদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা গেলে মাদকাসক্তি অনেকাংশে কমে আসবে।মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সঞ্চালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকিয়া সরওয়ার লিমা।ইউএনও এটিএম কামরুল ইসলাম বলেন, মাদক ব্যবসা, সেবন ও পরিবহন নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, সাংবাদিক, শিক্ষকসহ সমাজের সচেতন ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ইউনিয়নভিত্তিক প্রতি মাসে মাদকবিরোধী সভা ও সেমিনার আয়োজন করা প্রয়োজন। এতে মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে মানুষ আরও সচেতন হবে।সভায় বক্তব্য দেন কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেজওয়ানা রশীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলু হক কাজী এবং কালীগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. আল-আমিন দেওয়ান।এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোরসালিন মেহেদী, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার মো. আবুল হোসেন, সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহমুদা বেগম, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার, উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা বিথী রানী দাসসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।সভায় বক্তারা বলেন, বর্তমানে কালীগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। যানজট নিরসন, শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন, অনিয়ম-দুর্নীতি ও মাদক নির্মূলসহ অপরাধ প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হবে। সচেতনতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত কালীগঞ্জ গড়ে তোলার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করা হয়।

শেষ মুহূর্তের গোলে ইতিহাস গড়ল কানাডা, প্রথমবার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয়

দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় কানাডা / শেষ মুহূর্তের গোলে ইতিহাস গড়ল কানাডা, প্রথমবার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয়

যোগ করা সময়ের নাটকীয় এক গোলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে কানাডা। লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে শেষ ৩২-এর ম্যাচে স্টিফেন ইউস্তাকিওর একমাত্র গোলেই ইতিহাস গড়ে সহ-আয়োজক দলটি।ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর অপেক্ষায় থাকলেও যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে আসে নির্ধারক গোল। দক্ষিণ আফ্রিকার রক্ষণ থেকে ক্লিয়ার হওয়া বল বক্সের বাইরে পেয়ে বুক দিয়ে নিয়ন্ত্রণে এনে জোরালো শট নেন স্টিফেন ইউস্তাকিও। গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামসের নাগালের বাইরে চলে যাওয়া বল জালে জড়াতেই উল্লাসে ফেটে পড়ে কানাডার খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও সমর্থকরা।পুরো ম্যাচজুড়েই আক্রমণে এগিয়ে ছিল কানাডা। প্রথমার্ধে কর্নার থেকে ময়িজ বোম্বিতোর হেড গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দেন অবারি মোদিবা। পরে তাজন বুকানানের প্রচেষ্টাও রুখে দেন গোলরক্ষক উইলিয়ামস।বিরতির আগে রিচি লারেয়াকে বক্সে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় কানাডা পেনাল্টির দাবি তুললেও ভিএআর পর্যালোচনার পর রেফারি আগের সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন।দ্বিতীয়ার্ধেও একাধিক সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা পাচ্ছিল না কানাডা। তানি ওলুওয়াসেয়ির শট দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন উইলিয়ামস। ফিরতি বলে জোনাথন ডেভিডের প্রচেষ্টাও শেষ মুহূর্তে রুখে দেন এমবেকেজেলি এমবোকাজি।৭৫ মিনিটে চোট কাটিয়ে মাঠে নামেন আলফোনসো ডেভিস। তাঁর উপস্থিতিতে কানাডার আক্রমণে নতুন গতি আসে। ডেভিসের পাস থেকে প্রমিস ডেভিড ভালো সুযোগ পেলেও লক্ষ্যে শট রাখতে পারেননি।দক্ষিণ আফ্রিকা পুরো ম্যাচে রক্ষণে শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকলেও আক্রমণে তেমন কার্যকর হতে পারেনি। মফোকেং, মাসেকো ও অ্যাপোলিস কয়েকবার চেষ্টা করলেও কানাডার রক্ষণ ভাঙতে ব্যর্থ হন।ম্যাচের পরিসংখ্যানেও কানাডার আধিপত্য স্পষ্ট ছিল। তুলনামূলক কম সময় বল দখলে রেখেও তারা বেশি শট, লক্ষ্যে বেশি শট এবং বেশি গোলের সুযোগ তৈরি করে। শেষ পর্যন্ত ইউস্তাকিওর দুর্দান্ত গোলেই সেই আধিপত্যের প্রতিফলন ঘটে।এই জয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জয় তুলে নিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে কানাডা। অন্যদিকে প্রথমবার নকআউটে ওঠা দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হলো হতাশার হার দিয়ে।শেষ ষোলোর পরবর্তী ম্যাচে কানাডা মুখোমুখি হবে নেদারল্যান্ডস ও মরক্কোর মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ী দলের।

৫০ পেরিয়েও চিরতরুণ মহেশ বাবু, জানুন ফিটনেসের গোপন রহস্য

মহেশ বাবুর ফিটনেস রুটিন / ৫০ পেরিয়েও চিরতরুণ মহেশ বাবু, জানুন ফিটনেসের গোপন রহস্য

দক্ষিণী সুপারস্টার মহেশ বাবুকে দেখে বোঝার উপায় নেই, তিনি ৫০ বছর পেরিয়ে গেছেন। বড় পর্দায় এখনো তিনি যেন এক টগবগে তরুণ। বয়সকে হার মানানো তাঁর ফিটনেস ও তারুণ্যের রহস্য জানতে ভক্তদের আগ্রহের শেষ নেই।সম্প্রতি এস এস রাজামৌলির নতুন সিনেমার প্রচারে হায়দরাবাদে অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার সঙ্গে উপস্থিত হয়ে নতুন করে আলোচনায় আসেন মহেশ বাবু। সিনেমায় ‘রুদ্র’ চরিত্রে তাঁর লুক দেখে ভক্তরা মুগ্ধ হন। এরপর থেকেই তাঁর ফিটনেস রুটিন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা।ভারতীয় এক গণমাধ্যমে মহেশ বাবুর ফিটনেস ট্রেইনার কুমার মান্নভা জানান, ফিটনেস তাঁর কাছে কোনো নির্দিষ্ট সিনেমার প্রস্তুতি নয়; বরং এটি দৈনন্দিন জীবনযাপনের অংশ। সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন তিনি নিয়মিত ব্যায়াম করেন এবং প্রতিদিন প্রায় এক থেকে দেড় ঘণ্টা সময় দেন শরীরচর্চায়।মহেশ বাবুর ব্যায়ামের রুটিনে রয়েছে কার্ডিও, স্কোয়াট, স্ট্রেংথ ট্রেনিং ও স্ট্রেচিং। বিশেষ করে স্ট্রেচিং তাঁর অন্যতম পছন্দের অনুশীলন, যা শরীরের নমনীয়তা ও পেশির কার্যকারিতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।শুধু ব্যায়াম নয়, সুষম খাদ্যাভ্যাসও তাঁর ফিটনেসের অন্যতম ভিত্তি। ট্রেইনারের মতে, কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর চর্বির ভারসাম্য বজায় রেখে তিনি প্রতিদিন ৫ থেকে ৬ বার অল্প অল্প করে খাবার খান। পাশাপাশি পুষ্টিকর সাপ্লিমেন্ট শেকও গ্রহণ করেন, যা অতিরিক্ত ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করে।প্রতিদিন সকালের নাশতায় থাকে ওটস, সেদ্ধ ডিম, শুকনো ফল ও মৌসুমি ফল। দুপুরে তিনি ব্রাউন রাইস, মাছ কিংবা মাংসের সঙ্গে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খান। রাতের খাবারেও থাকে ব্রাউন ব্রেড, সেদ্ধ ডিম অথবা চিকেন স্টুর মতো হালকা কিন্তু পুষ্টিকর খাবার।ট্রেইনার কুমার মান্নভা বলেন, মহেশ বাবু সারা বছরই শরীরচর্চা ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ থাকেন। নিয়মিত ব্যায়াম এবং খাদ্যনিয়ন্ত্রণই তাঁর সুস্বাস্থ্যের মূল রহস্য।আজকের ব্যস্ত জীবনে দ্রুত ফল পাওয়ার আশায় অনেকেই শর্টকাট পথ খুঁজলেও, মহেশ বাবুর উদাহরণ দেখায়-সুস্থ ও ফিট থাকতে নিয়মিত ব্যায়াম, সুষম খাদ্য এবং শৃঙ্খলিত জীবনযাপনের বিকল্প নেই।

অনলাইন জরিপ
২৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !