জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব পদপ্রার্থী এবং সেনেগালের সাবেক প্রেসিডেন্ট ম্যাকি সাল এক-চীন নীতির প্রতি তার দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। একই সঙ্গে তিনি বহুপক্ষবাদ জোরদার এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জাতিসংঘের কেন্দ্রীয় ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন।
সোমবার (২৯ জুন) বেইজিংয়ে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইর সঙ্গে বৈঠকে এসব মন্তব্য করেন ম্যাকি সাল। বৈঠকে গিনি-বিসাউয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট উমারো সিসোকো এমবালোও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে ম্যাকি সাল বলেন, জাতিসংঘের সংস্কার ধাপে ধাপে এবং বাস্তবধর্মী উপায়ে এগিয়ে নেওয়া উচিত। পাশাপাশি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের কর্তৃত্ব ও কার্যকারিতা অক্ষুণ্ন রেখে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন এজেন্ডাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, তিনি কঠোরভাবে এক-চীন নীতি অনুসরণ করেন এবং বহুপক্ষবাদ এগিয়ে নেওয়া ও জাতিসংঘের কেন্দ্রীয় ভূমিকাকে সমর্থন জানাতে চীনের দীর্ঘদিনের অঙ্গীকারের প্রশংসা করেন।
ম্যাকি সাল চীনের চারটি প্রধান বৈশ্বিক উদ্যোগের প্রতিও সমর্থন জানান। একই সঙ্গে জাতিসংঘের অভ্যন্তরে ঐক্য জোরদার এবং দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা আরও গভীর করতে চীনসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
বৈঠকে ওয়াং ই বলেন, জাতিসংঘকে রক্ষা, পুনরুজ্জীবিত এবং আরও শক্তিশালী করা সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অভিন্ন প্রত্যাশা। চীন ভবিষ্যতেও আরও বেশি দেশকে একত্রিত করে জাতিসংঘের উন্নয়ন ও কার্যকারিতা বাড়াতে কাজ করবে।
তিনি আরও বলেন, পরবর্তী মহাসচিবের উচিত সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রত্যাশার প্রতি ইতিবাচক সাড়া দেওয়া এবং বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোর ন্যায্য দাবি ও স্বার্থকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া।
ওয়াং ই জানান, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হিসেবে চীন আফ্রিকান দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় এবং মহাসচিব নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবে।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬
জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব পদপ্রার্থী এবং সেনেগালের সাবেক প্রেসিডেন্ট ম্যাকি সাল এক-চীন নীতির প্রতি তার দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। একই সঙ্গে তিনি বহুপক্ষবাদ জোরদার এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জাতিসংঘের কেন্দ্রীয় ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন।
সোমবার (২৯ জুন) বেইজিংয়ে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইর সঙ্গে বৈঠকে এসব মন্তব্য করেন ম্যাকি সাল। বৈঠকে গিনি-বিসাউয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট উমারো সিসোকো এমবালোও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে ম্যাকি সাল বলেন, জাতিসংঘের সংস্কার ধাপে ধাপে এবং বাস্তবধর্মী উপায়ে এগিয়ে নেওয়া উচিত। পাশাপাশি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের কর্তৃত্ব ও কার্যকারিতা অক্ষুণ্ন রেখে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন এজেন্ডাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, তিনি কঠোরভাবে এক-চীন নীতি অনুসরণ করেন এবং বহুপক্ষবাদ এগিয়ে নেওয়া ও জাতিসংঘের কেন্দ্রীয় ভূমিকাকে সমর্থন জানাতে চীনের দীর্ঘদিনের অঙ্গীকারের প্রশংসা করেন।
ম্যাকি সাল চীনের চারটি প্রধান বৈশ্বিক উদ্যোগের প্রতিও সমর্থন জানান। একই সঙ্গে জাতিসংঘের অভ্যন্তরে ঐক্য জোরদার এবং দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা আরও গভীর করতে চীনসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
বৈঠকে ওয়াং ই বলেন, জাতিসংঘকে রক্ষা, পুনরুজ্জীবিত এবং আরও শক্তিশালী করা সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অভিন্ন প্রত্যাশা। চীন ভবিষ্যতেও আরও বেশি দেশকে একত্রিত করে জাতিসংঘের উন্নয়ন ও কার্যকারিতা বাড়াতে কাজ করবে।
তিনি আরও বলেন, পরবর্তী মহাসচিবের উচিত সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রত্যাশার প্রতি ইতিবাচক সাড়া দেওয়া এবং বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোর ন্যায্য দাবি ও স্বার্থকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া।
ওয়াং ই জানান, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হিসেবে চীন আফ্রিকান দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় এবং মহাসচিব নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবে।
