শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
নতুন সরকারের ১০০ দিনে বড় অগ্রগতি টিকা ও অর্থনীতিতে পরিবর্তনের চিত্র

প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দ্রুত পদক্ষেপ

নতুন সরকারের ১০০ দিনে বড় অগ্রগতি টিকা ও অর্থনীতিতে পরিবর্তনের চিত্র

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর নতুন সরকারের প্রথম ১০০ দিন পূর্ণ হয়েছে ২৮ মে। এই সময়ে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে একাধিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত তথ্যে জানানো হয়েছে।সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে ৫৩ হাজার ৯৬টি পরিবার ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পেয়েছে এবং ২০ হাজার ৭৪৮টি পরিবার ‘কৃষক কার্ড’ সুবিধার আওতায় এসেছে। পাশাপাশি দুই কোটির বেশি শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে।অর্থনৈতিক খাতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি কমে আসা এবং রাজস্ব আদায়ে প্রবৃদ্ধির মতো সূচকগুলোকে অগ্রগতির ইঙ্গিত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে একাধিক কেবিনেট সভায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার একটি অংশ ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে।অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে খাল খনন কার্যক্রম, বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগ, ক্রীড়া ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিও সম্প্রসারিত হয়েছে। সরকারের দাবি অনুযায়ী বিভিন্ন ভাতা ও সহায়তা কার্যক্রমও বাড়ানো হয়েছে।নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা, বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়। শিক্ষা, প্রযুক্তি ও সামাজিক সেবার সমন্বয়ে এই ১০০ দিনের কর্মসূচিকে একটি প্রাথমিক অগ্রগতির সূচক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

নতুন সরকারের ১০০ দিনে বড় অগ্রগতি টিকা ও অর্থনীতিতে পরিবর্তনের চিত্র

প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দ্রুত পদক্ষেপ / নতুন সরকারের ১০০ দিনে বড় অগ্রগতি টিকা ও অর্থনীতিতে পরিবর্তনের চিত্র

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর নতুন সরকারের প্রথম ১০০ দিন পূর্ণ হয়েছে ২৮ মে। এই সময়ে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে একাধিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত তথ্যে জানানো হয়েছে।সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে ৫৩ হাজার ৯৬টি পরিবার ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পেয়েছে এবং ২০ হাজার ৭৪৮টি পরিবার ‘কৃষক কার্ড’ সুবিধার আওতায় এসেছে। পাশাপাশি দুই কোটির বেশি শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে।অর্থনৈতিক খাতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি কমে আসা এবং রাজস্ব আদায়ে প্রবৃদ্ধির মতো সূচকগুলোকে অগ্রগতির ইঙ্গিত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে একাধিক কেবিনেট সভায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার একটি অংশ ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে।অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে খাল খনন কার্যক্রম, বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগ, ক্রীড়া ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিও সম্প্রসারিত হয়েছে। সরকারের দাবি অনুযায়ী বিভিন্ন ভাতা ও সহায়তা কার্যক্রমও বাড়ানো হয়েছে।নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা, বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়। শিক্ষা, প্রযুক্তি ও সামাজিক সেবার সমন্বয়ে এই ১০০ দিনের কর্মসূচিকে একটি প্রাথমিক অগ্রগতির সূচক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

ঈদে হাটে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে সাফল্য বিএনপি: রিজভী

অতীতের তুলনায় আইনশৃঙ্খলা ভালো দাবি / ঈদে হাটে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে সাফল্য বিএনপি: রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী দাবি করেছেন, ঈদুল আজহার সময় পশুর হাটগুলোতে অতীতের মতো চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবার আর দেখা যায়নি।শুক্রবার (২৯ মে) শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, অতীতে ঈদের সময় পশুর হাটে ভয়াবহ চাঁদাবাজি হলেও এবার তা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে এবং এ ক্ষেত্রে সরকারের দৃঢ় ভূমিকা ছিল। তার মতে, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেক উন্নত হয়েছে।রিজভী আরও বলেন, ঈদের সময় যানজট পরিস্থিতিও নিয়ন্ত্রণে ছিল এবং মানুষ নির্ধারিত সময়ে বাড়ি পৌঁছাতে পেরেছে। কোথাও বড় ধরনের ভোগান্তির খবর পাওয়া যায়নি বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

খানসামা–চিরিরবন্দরে ৬ হাজার পরিবারে কুরবানির মাংস বিতরণ

মানবিক উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিতদের পাশে সংস্থা / খানসামা–চিরিরবন্দরে ৬ হাজার পরিবারে কুরবানির মাংস বিতরণ

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দিনাজপুরের খানসামা ও চিরিরবন্দর উপজেলায় প্রায় ৬ হাজার অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে কুরবানির মাংস বিতরণ করা হয়েছে।আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সাদাকা ওয়েলফেয়ার ফান্ড এর উদ্যোগে এবং সাবাহ এর বাস্তবায়নে এই মানবিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। খানসামা উপজেলার আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নের সুবর্ণ খুলী সাবুদের হাট এলাকায় অবস্থিত সুবর্ণ খুলী নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় মাঠে এই বৃহৎ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। ঈদের আনন্দ সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সঙ্গে ভাগাভাগি করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কুরবানির মাংস প্রক্রিয়াজাত, প্যাকেটজাত ও বিতরণ করা হয়। স্বেচ্ছাসেবকরা সুশৃঙ্খলভাবে পুরো কার্যক্রম পরিচালনা করেন।আয়োজকরা জানান, দুই উপজেলার প্রায় ৬ হাজার পরিবারের মাঝে মাংস পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেওয়াই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য।স্থানীয়রা বলেন, এমন বড় পরিসরে সুশৃঙ্খল মানবিক উদ্যোগ এলাকায় বিরল এবং এটি সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

ফোর্বসের তালিকায় টানা শীর্ষে রিয়াল মাদ্রিদ, মূল্য ছাড়াল ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা

আর্থিক দাপটে আবারও লস ব্লাঙ্কোস শীর্ষে / ফোর্বসের তালিকায় টানা শীর্ষে রিয়াল মাদ্রিদ, মূল্য ছাড়াল ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা

ফোর্বসের সর্বশেষ মূল্যবান ফুটবল ক্লাবের তালিকায় আবারও শীর্ষে রয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদ সিএফ টানা পঞ্চমবারের মতো তালিকার প্রথম স্থানে থাকা ক্লাবটির বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ লাখ ১৬ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এফসি বার্সেলোনা, যার মূল্য প্রায় ৯২ হাজার ১০০ কোটি টাকা। অর্থাৎ চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়ালের চেয়ে প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা কম মূল্যায়িত হয়েছে কাতালান ক্লাবটি।স্পেনের আরেক ক্লাব অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ রয়েছে তালিকার শীর্ষ ৩০-এ, যার মূল্য প্রায় ৩৬ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। শীর্ষ দশে ইংলিশ ক্লাবগুলোর আধিপত্য বেশি, যেখানে রয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, লিভারপুল, আর্সেনাল, চেলসি ও টটেনহ্যামসহ একাধিক ক্লাব।ফোর্বসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪–২৫ মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের আয় প্রায় ১৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা, যা আগের মৌসুমের তুলনায় ১২ শতাংশ বেশি এবং ক্লাব ইতিহাসে রেকর্ড।চ্যাম্পিয়নস লিগে ফাইনালে না থাকলেও আর্থিক দিক থেকে রিয়াল এখনো বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে শক্তিশালী ক্লাব হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে। গত ১৩ বছরের মধ্যে ১০ বারই তারা এই তালিকার শীর্ষে ছিল। অন্যদিকে বার্সেলোনাও আয় ও ব্র্যান্ড ভ্যালুর দিক থেকে বড় মাইলফলক অর্জন করেছে, যা ইউরোপীয় ফুটবলে তাদের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।

শাকিবের ‘রকস্টার’ নিয়ে বিস্ফোরক নায়লা নাঈম: ভূতে ধরছে নাকি?

ফেসবুকে তীব্র সমালোচনা / শাকিবের ‘রকস্টার’ নিয়ে বিস্ফোরক নায়লা নাঈম: ভূতে ধরছে নাকি?

একটা সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় সাহসী ফটোসেশনের ছবি পোস্ট করে ঝড় তুলেছিলেন মডেল নায়লা নাঈম। সেই জনপ্রিয়তা পুঁজি করে একের পর এক বিজ্ঞাপন, নাটক ও চলচ্চিত্রেও কাজ করেছিলেন তিনি। পরবর্তীতে দন্ত চিকিৎসা পেশায় যুক্ত হন নায়লা। এ ছাড়া পথকুকুর-বিড়ালের জন্য কাজ করেন নায়লা নাঈম।এবার শাকিব খানের রকস্টার দেখে বেজায় চটেছেন এই মডেল। ঈদের সবচেয়ে আলোচিত সিনেমা রকস্টার। আজমান রুশো পরিচালিত সিনেমাটিতে শাকিবের সহঅভিনেত্রী তিনজন। তারা হলেন সাবিলা নূর, তানজিয়া মিথিলা ও সুনিধি নায়েক। এরই মধ্যে ঈদের দিন সিনেমাটি দেখে দর্শকরা একের পর এক নেটিবাচক রিভিউ দিয়েছেন। এবার সেই পথেই হাঁটলেন নায়লা।ফেসবুকে দীর্ঘ স্ট্যাটাসে নায়লা নাঈম লিখেছেন, শাকিবিয়ানদের সঙ্গে এভাবে ব্লাফ দেবে পরিচালক কোনোদিন কল্পনাও করিনি!সিনেমায় না ছিল কোনো কাহিনি, না ছিল গল্পের গভীরতা! আমার সঙ্গে যিনি গিয়েছিলেন মুভি দেখতে শেষের এক ঘণ্টা ঘুমিয়েছে। যেখানে প্রিয়তমার মতো মুভি দেখে তিনি কাঁদতে কাঁদতে হল থেকে বের হয়েছেন। প্রিয়তমা, রাজকুমার, বরবাদ এই ধরনের মুভি করার পর শাকিব খানকে কি ভূতে ধরছে যে তার ফ্যান ফলোয়ারদের এসব ফালতু অখাদ্য সিনেমা সে এক পর এক উপহার দিচ্ছে?তিনি আরও বলেন, পুরো মুভিতে শাকিব খান ছাড়া দেখার কিছু ছিল না। না হলে আল্লাহর কসম হল থেকে বের হয়ে টাকা ফেরত চাইতাম।মারিয়া মিমের সহজ সরল উক্তি ছিল শাকিব খানের সঙ্গে নাটকের নায়িকা প্রেম করছে... তাই তাকে ইধিকা পালের জায়গায় শাকিব খানের বিপরীতে পাওয়া যাচ্ছে।নায়লা নাঈম ক্ষোভ নিয়েই বলেন, মুভি দেখে উক্তিটি শতভাগ সঠিক মনে হয়েছে। প্রোডিউসারের পকেট কেটে কীভাবে ঘোড়ার ডিম বানানো যায় এ মুভি দেখলে বোঝা যাবে। মিউজিক নিয়ে ফিল্ম। অথচ মুভির নামের সঙ্গে যায় এরকম উল্লেখযোগ্য কোনো মিউজিকই নেই। ডিয়ার শাকিব খান, একজন ফ্যান হিসেবে হলে যাই আপনার মুভি দেখে হাসতে, কাঁদতে, পরিবারসহ আনন্দ করতে। পরিচালক এবং গল্প নির্বাচনে সতর্ক হোন... হিমেল আশরাফ বা মেহেদী হাসান হৃদয় বা রায়হান রাফী এসব পরিচালকরা আপনাকে বুঝে এবং বোঝে দর্শক হলে কি দেখতে যায়! টিকিটের টাকা এবং পপকন ড্রিংকসের টাকা পুরাটাই বৃথা গেল।

অনলাইন জরিপ
২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৪ পিএম
সরকার ও বিরোধী দলকে জ্বালানি খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করা উচিত বলে মনে করেন অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

সরকার ও বিরোধী দলকে জ্বালানি খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করা উচিত বলে মনে করেন অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !