সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
৭ ধাপে ইউপি নির্বাচনের ভোটগ্রহণের তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন ইসি

৪ হাজার ৫৮০ ইউনিয়নে ভোট

৭ ধাপে ইউপি নির্বাচনের ভোটগ্রহণের তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন ইসি

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের ভোটগ্রহণের তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সারাদেশের ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদে মোট সাত ধাপে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।তিনি জানান, প্রথম ধাপে দেশের ৮০টি উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদে ভোটগ্রহণ হবে। আগামী ১২ নভেম্বর এ ধাপের ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।ইসি ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, দ্বিতীয় ধাপে ভোট হবে ১৩ ডিসেম্বর, তৃতীয় ধাপে ৩০ ডিসেম্বর, চতুর্থ ধাপে ১৭ জানুয়ারি, পঞ্চম ধাপে ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপে ২২ এপ্রিল এবং সপ্তম ও শেষ ধাপে ভোটগ্রহণ হবে ২৭ মে।নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, প্রথম ধাপে ৮০টি উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দীর্ঘ প্রক্রিয়া শুরু করা হতে পারে। এ বিষয়ে কমিশন প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপস্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও সার্বজনীন করতে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করবে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পুরো কার্যক্রমের তৃতীয় ধাপে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক সংলাপে বসবে ইসি।এর আগে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছিলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি।সরকারের ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজন করা হবে। এরপর কয়েকটি ধাপে সারাদেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।বিদ্যমান আইনেই নির্বাচনইউপি নির্বাচনের আইনি কাঠামো নিয়েও কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ। আইন সংশোধনের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আইনে নতুন কোনো পরিবর্তন বা সংশোধন না এলে বিদ্যমান আইন অনুযায়ীই নির্বাচন পরিচালনা করবে কমিশন। তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ে ভোট আয়োজনের ক্ষেত্রে আইনি বা কার্যগত কোনো জটিলতা থাকবে না।

৭ ধাপে ইউপি নির্বাচনের ভোটগ্রহণের তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন ইসি

৪ হাজার ৫৮০ ইউনিয়নে ভোট / ৭ ধাপে ইউপি নির্বাচনের ভোটগ্রহণের তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন ইসি

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের ভোটগ্রহণের তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সারাদেশের ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদে মোট সাত ধাপে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।তিনি জানান, প্রথম ধাপে দেশের ৮০টি উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদে ভোটগ্রহণ হবে। আগামী ১২ নভেম্বর এ ধাপের ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।ইসি ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, দ্বিতীয় ধাপে ভোট হবে ১৩ ডিসেম্বর, তৃতীয় ধাপে ৩০ ডিসেম্বর, চতুর্থ ধাপে ১৭ জানুয়ারি, পঞ্চম ধাপে ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপে ২২ এপ্রিল এবং সপ্তম ও শেষ ধাপে ভোটগ্রহণ হবে ২৭ মে।নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, প্রথম ধাপে ৮০টি উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দীর্ঘ প্রক্রিয়া শুরু করা হতে পারে। এ বিষয়ে কমিশন প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপস্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও সার্বজনীন করতে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করবে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পুরো কার্যক্রমের তৃতীয় ধাপে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক সংলাপে বসবে ইসি।এর আগে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছিলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি।সরকারের ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজন করা হবে। এরপর কয়েকটি ধাপে সারাদেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।বিদ্যমান আইনেই নির্বাচনইউপি নির্বাচনের আইনি কাঠামো নিয়েও কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ। আইন সংশোধনের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আইনে নতুন কোনো পরিবর্তন বা সংশোধন না এলে বিদ্যমান আইন অনুযায়ীই নির্বাচন পরিচালনা করবে কমিশন। তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ে ভোট আয়োজনের ক্ষেত্রে আইনি বা কার্যগত কোনো জটিলতা থাকবে না।

বিদেশে সম্পদ দেখাতে পারলে রাজনীতি ছাড়বেন: আসিফ মাহমুদ

প্রমাণ মিললে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা / বিদেশে সম্পদ দেখাতে পারলে রাজনীতি ছাড়বেন: আসিফ মাহমুদ

দেশের বাইরে নিজের কোনো সম্পদ বা বিনিয়োগের প্রমাণ দিতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টা ২ মিনিটে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ চ্যালেঞ্জ জানান।আসিফ মাহমুদ বলেন, দেশের বাইরে তার কোনো বিনিয়োগ, ব্যাংকে অর্থ, ভিলা বা জমি থাকার প্রমাণ কেউ দিতে পারলে তিনি সঙ্গে সঙ্গে রাজনীতি ছেড়ে দেবেন। পাশাপাশি প্রযোজ্য শাস্তিও মেনে নেওয়ার কথা জানান তিনি।তিনি দাবি করেন, দেশের বাইরে রাজনীতিক ও ব্যবসায়ীদের সম্পদের তথ্য অনুসন্ধান করে বের করার সক্ষমতা সরকারের রয়েছে। এ জন্য অনুসন্ধান করাকে তিনি ‘রকেট সায়েন্স’ নয় বলেও মন্তব্য করেন।দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) উদ্দেশ করে আসিফ মাহমুদ অভিযোগ করেন, রাজনৈতিকভাবে ব্যর্থ হয়ে তার বিরুদ্ধে পুরোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টের ভিত্তিতে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে।তার ভাষ্য, বিরোধী দলকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলায় ব্যর্থতা এবং সরকারের বিভিন্ন বিষয়ে সমালোচনা থেকে দৃষ্টি সরাতেই এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।এর আগে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচারসহ দুর্নীতির একাধিক অভিযোগ পাওয়ার কথা জানায় দুদক। সংস্থাটি জানিয়েছে, এসব অভিযোগ আগে থেকে চলমান একটি অনুসন্ধানের সঙ্গে যুক্ত করে খতিয়ে দেখা হবে।দুদকের তথ্য অনুযায়ী, নিয়োগ, বদলি, পদায়ন, উন্নয়ন প্রকল্প ও দরপত্রে অর্থ লেনদেনসহ বিভিন্ন অভিযোগ এসেছে। বিদেশে বিপুল অর্থ পাচার ও সম্পদ অর্জনের অভিযোগও রয়েছে।তবে দুদক স্পষ্ট করেছে, এসব অভিযোগ এখনো অনুসন্ধানের পর্যায়ে রয়েছে এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়নি।এর আগে ২ সেপ্টেম্বর যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতিতে অনিয়মের অভিযোগে আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক।

আটোয়ারীকে বিদায় জানালেন মানবিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো শাহাজাহান মানিক

‘নির্বাচন পরিবারে’ আবেগঘন সংবর্ধনা / আটোয়ারীকে বিদায় জানালেন মানবিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো শাহাজাহান মানিক

দীর্ঘ ও সফল কর্মজীবন শেষে সহকর্মী ও আটোয়ারীবাসীর ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে আটোয়ারী উপজেলা নির্বাচন অফিসকে বিদায় জানালেন সদ্য সাবেক উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. শাহাজাহান মানিক।বদলিজনিত বিদায় উপলক্ষে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) আটোয়ারী উপজেলা নির্বাচন পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁকে এক আবেগঘন সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে তাঁর সততা, পেশাদারিত্ব ও মানবিক আচরণের নানা দিক স্মরণ করেন সহকর্মীরা।বিদায়ী সংবর্ধনায় উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় ব্যক্তিরা বলেন, শাহাজাহান মানিক শুধু একজন দক্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ছিলেন না, তিনি ছিলেন সৎ, নিষ্ঠাবান ও মানবিক একজন মানুষ। দায়িত্ব পালনকালে সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে তাঁর সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ এবং নির্বাচন অফিসের কর্মপরিবেশ গতিশীল রাখতে তাঁর ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে।অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাঁর কর্মজীবনের বিভিন্ন স্মৃতি তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য শুভকামনা জানান। বক্তারা বলেন, তাঁর মতো সৎ ও মিষ্টভাষী কর্মকর্তার কাছ থেকে কাজ শেখা এবং মাঠপর্যায়ে সেবা দেওয়ার অভিজ্ঞতা আটোয়ারী নির্বাচন পরিবারের জন্য দীর্ঘদিন অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।বিদায়বেলায় আবেগাপ্লুত হয়ে শাহাজাহান মানিক আটোয়ারীবাসী ও সহকর্মীদের সহযোগিতা এবং ভালোবাসার কথা স্মরণ করেন।তিনি বলেন, “আটোয়ারীতে দায়িত্ব পালনকালের প্রতিটি মুহূর্ত আমার স্মৃতিতে অমলিন হয়ে থাকবে। এখানকার মানুষের সহযোগিতা ও সহকর্মীদের আন্তরিকতা আমি কখনো ভুলব না।”তাঁর বিদায়ে সহকর্মীদের মাঝে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

টেস্ট ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত স্মিথের, লক্ষ্য ২০২৮ অলিম্পিক

নিশ্চিত নন অজি তারকা / টেস্ট ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত স্মিথের, লক্ষ্য ২০২৮ অলিম্পিক

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে আর কতদিন টেস্ট খেলবেন, তা এখনো নিশ্চিত নন স্টিভ স্মিথ। এমনকি ২০২৭ সালের অ্যাশেজেও তাকে দেখা যাবে কি না, সেটি নিয়ে সংশয়ে আছেন ৩৭ বছর বয়সী এই তারকা ব্যাটার। তবে আপাতত তার বড় লক্ষ্য ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক।বর্তমানে ইউরোপিয়ান টি-টোয়েন্টি প্রিমিয়ার লিগে আমস্টারডাম ফ্লেমসের হয়ে খেলছেন স্মিথ। ‘দ্য টেলিগ্রাফ’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, টেস্ট ক্যারিয়ার নিয়ে এখন সিরিজ ধরে ধরে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।২০২৭ সালের অ্যাশেজ প্রসঙ্গে স্মিথ বলেন, তখন তিনি খেলবেন কি না, সেটি নিজেও জানেন না। তবে ইংল্যান্ডের মাটিতে অ্যাশেজ জেতার ইচ্ছা রয়েছে তার।স্মিথের সামনে এখন সবচেয়ে বড় লক্ষ্য অলিম্পিক। ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে ক্রিকেট ফিরছে টি-টোয়েন্টি সংস্করণে। সেখানে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলতে চান তিনি। এ কারণেই নিয়মিত টি-টোয়েন্টি খেলার ওপর জোর দিচ্ছেন এই ব্যাটার।টেস্ট থেকে অবসরের কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমাও ঠিক করেননি স্মিথ। বরং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাশাপাশি ভবিষ্যতে ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টিতে আরও সময় দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন।অস্ট্রেলিয়ার হয়ে এখন পর্যন্ত ১২৫ টেস্টে ৩৭টি সেঞ্চুরি করেছেন স্মিথ। পুরুষদের টেস্ট ব্যাটিং র‍্যাঙ্কিংয়েও হ্যারি ব্রুকের পর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন তিনি।অক্টোবরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিন টেস্টের সিরিজ খেলবে অস্ট্রেলিয়া। ২০১৮ সালের বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারির পর প্রথমবার টেস্ট সিরিজ খেলতে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবেন স্মিথ। তবে পুরোনো ঘটনা নিয়ে বাড়তি আবেগ না দেখিয়ে এটিকে সাধারণ একটি সিরিজ হিসেবেই দেখছেন তিনি।

যে ভিলেনকে সত্যিই ভয় পেত দর্শক, তিনি সাদেক বাচ্চু

বাস্তবে ছিলেন গুণী শিল্পী / যে ভিলেনকে সত্যিই ভয় পেত দর্শক, তিনি সাদেক বাচ্চু

একজন অভিনেতার অভিনয় কতটা জীবন্ত হলে দর্শক পর্দার চরিত্রকেই বাস্তব মানুষ ভেবে বসেন? সাদেক বাচ্চুর অভিনয়জীবনের একটি ঘটনা যেন সেই প্রশ্নেরই উত্তর।এক টেলিভিশন ধারাবাহিকে রাজাকারের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। নাটকের একটি দৃশ্যে তাঁর চরিত্র একজনকে নির্মমভাবে হত্যা করে। পরদিন বোনকে আনতে ট্রেনে জামালপুর যাওয়ার সময় স্টেশনে দর্শকদের ক্ষোভের মুখে পড়েন সাদেক বাচ্চু। কেউ ছুড়ে দেন বাদামের খোসা, কেউ পাথর। চরিত্র আর অভিনেতাকে এক করে ফেলেছিলেন দর্শক।ঘটনাটি মজার স্মৃতি হলেও এর ভেতরে লুকিয়ে আছে তাঁর অভিনয়ক্ষমতার বড় স্বীকৃতি। চরিত্রকে এতটাই বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে পেরেছিলেন যে দর্শক কিছু সময়ের জন্য ভুলেই গিয়েছিলেন—পর্দার মানুষটি বাস্তবের সাদেক বাচ্চু নন।আজ ১৪ সেপ্টেম্বর, তাঁর ষষ্ঠ প্রয়াণ দিবস। ২০২০ সালের এই দিনে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৬৫ বছর বয়সে মারা যান এই জনপ্রিয় অভিনেতা।মাহবুব থেকে সাদেক বাচ্চু১৯৫৫ সালের ১ জানুয়ারি চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে জন্ম নেওয়া সাদেক বাচ্চুর আসল নাম মাহবুব আহমেদ সাদেক। চলচ্চিত্র পরিচালক এহতেশাম ‘চাঁদনী’ ছবিতে অভিনয়ের সময় তাঁর নাম দেন ‘সাদেক বাচ্চু’। পরে এই নামেই পরিচিতি পান তিনি।বাবার মৃত্যুর পর মাত্র ১৫ বছর বয়সে চাকরিতে যোগ দেন। বাংলাদেশ ডাক বিভাগে চাকরির পাশাপাশি পড়াশোনা চালিয়ে যান এবং টি অ্যান্ড টি নাইট কলেজ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। ২০১৩ সালে চাকরি থেকে অবসর নেন।বেতার থেকে রুপালি পর্দায়সাদেক বাচ্চুর অভিনয়জীবন শুরু হয় বেতারে। মাত্র আট বছর বয়সে ১৯৬৩ সালে ‘খেলাঘর’ নাটকের মাধ্যমে অভিনয়ে পা রাখেন। পরে মঞ্চে সক্রিয় হন এবং গণনাট্য পরিষদসহ বিভিন্ন নাট্যদলের সঙ্গে কাজ করেন।১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ‘মতিঝিল থিয়েটার’। অভিনয়ের পাশাপাশি নাট্যরচনা ও নির্দেশনাতেও যুক্ত ছিলেন তিনি।১৯৭৪ সালে ‘প্রথম অঙ্গীকার’ নাটকের মাধ্যমে টেলিভিশনে অভিষেকের পর অসংখ্য নাটকে অভিনয় করেন। বিভিন্ন সূত্রে তাঁর টেলিভিশন নাটকের সংখ্যা এক হাজারের বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।নায়ক থেকে জনপ্রিয় খলনায়ক১৯৮৫ সালে শহীদুল আমিনের ‘রামের সুমতি’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় সাদেক বাচ্চুর। শুরুতে নায়ক ও ইতিবাচক চরিত্রেও অভিনয় করেছেন।তবে এহতেশামের ‘চাঁদনী’ তাঁর ক্যারিয়ারে বড় পরিবর্তন আনে। এরপর একের পর এক চলচ্চিত্রে নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের মনে স্থায়ী জায়গা করে নেন তিনি।তাঁর চোখের দৃষ্টি, কণ্ঠস্বর, সংলাপ বলার ধরন ও শরীরী ভাষা খলচরিত্রগুলোকে করে তুলত আরও জীবন্ত। ফলে ‘ভিলেন’ পরিচয়টিই হয়ে ওঠে তাঁর অভিনয় ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় পরিচিতি।পাঁচ শতাধিক ছবির অভিনয়দীর্ঘ ক্যারিয়ারে পাঁচ শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন সাদেক বাচ্চু। ‘আনন্দ অশ্রু’, ‘কোটি টাকার কাবিন’, ‘আমার প্রাণের স্বামী’, ‘জজ ব্যারিস্টার পুলিশ কমিশনার’, ‘লাভ ম্যারেজ’, ‘রাজাবাবু-দ্য পাওয়ার’, ‘পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনি ২’সহ বহু জনপ্রিয় সিনেমায় দেখা গেছে তাঁকে।শুধু খল চরিত্র নয়, ইতিবাচক, পার্শ্ব ও কৌতুকধর্মী চরিত্রেও অভিনয় করেছেন তিনি।শেষদিকে মিলেছে বড় স্বীকৃতি২০১৫ সালে ‘লাভ ম্যারেজ’ সিনেমার জন্য বাচসাস পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতার স্বীকৃতি পান। ২০১৮ সালে ‘একটি সিনেমার গল্প’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ খল অভিনেতা হন।দীর্ঘ অভিনয়জীবনের শেষদিকে পাওয়া এই পুরস্কার যেন তাঁর ক্যারিয়ারের বড় স্বীকৃতিগুলোর একটি হয়ে আসে।চলে গিয়েও পর্দায় অমলিন২০২০ সালের ৬ সেপ্টেম্বর করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন সাদেক বাচ্চু। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আইসিইউতে নেওয়া হয় তাঁকে। ১৪ সেপ্টেম্বর ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।সাদেক বাচ্চু নেই ছয় বছর। কিন্তু তাঁর অভিনীত চরিত্রগুলো এখনো বাংলা নাটক ও চলচ্চিত্রের দর্শকের স্মৃতিতে জীবন্ত।একজন অভিনেতার জন্য এর চেয়ে বড় সাফল্য হয়তো আর কিছু নেই—দর্শক তাঁকে দেখে ভয় পেয়েছিল, রাগ করেছিল, কখনো ঘৃণাও করেছিল; কারণ তিনি তাঁর চরিত্রকে সত্যি করে তুলতে পেরেছিলেন।

অনলাইন জরিপ
২৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !