বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
তিক্ততা কাটিয়ে বোঝাপড়ায় ঢাকা-দিল্লি, সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে ভারতের উদ্যোগ

আলোচনায় গঙ্গা-তিস্তা ও সীমান্ত ইস্যু

তিক্ততা কাটিয়ে বোঝাপড়ায় ঢাকা-দিল্লি, সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে ভারতের উদ্যোগ

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সাম্প্রতিক টানাপোড়েন কাটিয়ে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে রাজনৈতিক যোগাযোগ ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার ওপর জোর দিচ্ছে উভয় পক্ষ। ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখতে দুই দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।গত ১০ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন ভারতীয় হাইকমিশনার। বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানসহ সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সম্পর্ক উন্নয়নে রাজনৈতিক যোগাযোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন ত্রিবেদী।বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণও জানানো হয়। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি বাংলাদেশ।ভারতীয় হাইকমিশনারের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা ছিল ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ। দুই দেশের মধ্যে থাকা জটিল বিষয়গুলোও আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।ঢাকায় ‘র’-প্রধানের সফরপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠকের সময়ই ঢাকায় অবস্থান করছিলেন ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর প্রধান পরাগ জৈন। তাঁর সফর নিয়ে শুরুতে সরকারের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো না হলেও গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর এটিকে নিয়মিত সফর হিসেবে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদুর রহমান।এদিকে গত ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার গঠনের পর বিভিন্ন সময়ে ভারতের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা ঢাকা সফর করেছেন। এসব সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক চায় ঢাকাএশিয়া পোস্টকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে সাবেক কূটনীতিক হুমায়ুন কবির বলেন, ২৪-পরবর্তী বাংলাদেশের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে মর্যাদা ও সমতার ভিত্তিতে ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে চাইলে ঢাকা ইতিবাচকভাবে এগিয়ে যেতে পারে।এর আগে গত ২৯ জুলাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে আলাদা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।সাক্ষাৎ শেষে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে এমন কোনো সমস্যা নেই, যা পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব নয়।দুই দেশের টানাপোড়েন প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির বলেন, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমস্যা থাকবেই। তবে পারস্পরিক স্বার্থ ও মর্যাদা সমুন্নত রেখে সেসব সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে।যেসব ইস্যুতে সমাধান চায় বাংলাদেশবাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এগিয়ে নিতে হলে একটি ‘সহায়ক পরিবেশ’ প্রয়োজন বলে গত ১০ আগস্ট মন্তব্য করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।তিনি গঙ্গার পানি, তিস্তা, সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইনসহ দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিষয়গুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেন।একই সঙ্গে ভারতে অবস্থান করে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়ার বিষয়েও বাংলাদেশের অসন্তোষের কথা স্পষ্ট করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, বিষয়টি শুধু ভারতের দুঃখ প্রকাশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বাংলাদেশের আদালতে দণ্ডিত একজন ব্যক্তির অবস্থান ও সেখান থেকে বক্তব্য দেওয়ার বিষয়টিও ঢাকার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।সাবেক কূটনীতিক হুমায়ুন কবির বলেন, শেখ হাসিনা ও ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের আসামিদের প্রত্যর্পণের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার নীতিগত অবস্থান জানিয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অনুরোধ ভারত রাখবে বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।নতুন অধ্যায়ের অপেক্ষাকূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের সাম্প্রতিক তৎপরতায় ঢাকার সঙ্গে দূরত্ব বাড়ানোর পরিবর্তে রাজনৈতিক যোগাযোগ ও পারস্পরিক সমঝোতার পথে এগিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তবে কূটনৈতিক যোগাযোগ কতটা বাস্তব অগ্রগতিতে রূপ নেয় এবং গঙ্গা-তিস্তা, সীমান্ত হত্যা, পুশ-ইনসহ দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিষয়গুলোতে কতটা সমাধান আসে—সেটিই এখন দেখার বিষয়। দুই দেশের সম্পর্ক সত্যিকার অর্থে নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করে কি না, তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরও কিছু সময়।

তিক্ততা কাটিয়ে বোঝাপড়ায় ঢাকা-দিল্লি, সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে ভারতের উদ্যোগ

আলোচনায় গঙ্গা-তিস্তা ও সীমান্ত ইস্যু / তিক্ততা কাটিয়ে বোঝাপড়ায় ঢাকা-দিল্লি, সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে ভারতের উদ্যোগ

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সাম্প্রতিক টানাপোড়েন কাটিয়ে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে রাজনৈতিক যোগাযোগ ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার ওপর জোর দিচ্ছে উভয় পক্ষ। ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখতে দুই দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।গত ১০ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন ভারতীয় হাইকমিশনার। বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানসহ সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সম্পর্ক উন্নয়নে রাজনৈতিক যোগাযোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন ত্রিবেদী।বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণও জানানো হয়। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি বাংলাদেশ।ভারতীয় হাইকমিশনারের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা ছিল ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ। দুই দেশের মধ্যে থাকা জটিল বিষয়গুলোও আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।ঢাকায় ‘র’-প্রধানের সফরপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠকের সময়ই ঢাকায় অবস্থান করছিলেন ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর প্রধান পরাগ জৈন। তাঁর সফর নিয়ে শুরুতে সরকারের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো না হলেও গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর এটিকে নিয়মিত সফর হিসেবে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদুর রহমান।এদিকে গত ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার গঠনের পর বিভিন্ন সময়ে ভারতের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা ঢাকা সফর করেছেন। এসব সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক চায় ঢাকাএশিয়া পোস্টকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে সাবেক কূটনীতিক হুমায়ুন কবির বলেন, ২৪-পরবর্তী বাংলাদেশের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে মর্যাদা ও সমতার ভিত্তিতে ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে চাইলে ঢাকা ইতিবাচকভাবে এগিয়ে যেতে পারে।এর আগে গত ২৯ জুলাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে আলাদা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।সাক্ষাৎ শেষে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে এমন কোনো সমস্যা নেই, যা পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব নয়।দুই দেশের টানাপোড়েন প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির বলেন, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমস্যা থাকবেই। তবে পারস্পরিক স্বার্থ ও মর্যাদা সমুন্নত রেখে সেসব সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে।যেসব ইস্যুতে সমাধান চায় বাংলাদেশবাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এগিয়ে নিতে হলে একটি ‘সহায়ক পরিবেশ’ প্রয়োজন বলে গত ১০ আগস্ট মন্তব্য করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।তিনি গঙ্গার পানি, তিস্তা, সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইনসহ দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিষয়গুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেন।একই সঙ্গে ভারতে অবস্থান করে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়ার বিষয়েও বাংলাদেশের অসন্তোষের কথা স্পষ্ট করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, বিষয়টি শুধু ভারতের দুঃখ প্রকাশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বাংলাদেশের আদালতে দণ্ডিত একজন ব্যক্তির অবস্থান ও সেখান থেকে বক্তব্য দেওয়ার বিষয়টিও ঢাকার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।সাবেক কূটনীতিক হুমায়ুন কবির বলেন, শেখ হাসিনা ও ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের আসামিদের প্রত্যর্পণের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার নীতিগত অবস্থান জানিয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অনুরোধ ভারত রাখবে বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।নতুন অধ্যায়ের অপেক্ষাকূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের সাম্প্রতিক তৎপরতায় ঢাকার সঙ্গে দূরত্ব বাড়ানোর পরিবর্তে রাজনৈতিক যোগাযোগ ও পারস্পরিক সমঝোতার পথে এগিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তবে কূটনৈতিক যোগাযোগ কতটা বাস্তব অগ্রগতিতে রূপ নেয় এবং গঙ্গা-তিস্তা, সীমান্ত হত্যা, পুশ-ইনসহ দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিষয়গুলোতে কতটা সমাধান আসে—সেটিই এখন দেখার বিষয়। দুই দেশের সম্পর্ক সত্যিকার অর্থে নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করে কি না, তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরও কিছু সময়।

আমি বড়ই একা, আপনাদের নিয়েই এগিয়ে যেতে চাই,এম পি নাছির চৌধুরী

আমি বড়ই একা, আপনাদের নিয়েই এগিয়ে যেতে চাই,এম পি নাছির চৌধুরী

সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনের সংসদ সদস্য নাছির উদ্দীন চৌধুরী বলেছেন, তিনি দুর্নীতিমুক্ত থেকে দিরাই-শাল্লার মানুষের সেবা করার চেষ্টা করেছেন এবং যতদিন বেঁচে থাকবেন, ততদিন এলাকায় কোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি হতে দেবেন না।বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দিরাই উপজেলা বিএনপির আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘জুলাই স্মরণ সমাবেশে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।নাছির চৌধুরী বলেন, আওয়ামী লীগ আমাদের শত্রু নয়, তারা আমাদের মিত্র। আমরা একসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ করেছি। সকল ভেদাভেদ ভুলে দিরাই-শাল্লার উন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।বক্তব্যের একপর্যায়ে আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, আমি বড়ই একা, আমার কেউ নেই, এমনকি আমার নিজের বাসাও নেই। আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে আমি একটি আধুনিক দিরাই-শাল্লা গড়ে তুলতে চাই।উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমির হোসেনের সভাপতিত্বে এবং পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক সরদার ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাব্বির মিয়ার যৌথ সঞ্চালনায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আব্দুর রশিদ চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির তালুকদার, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কবির মিয়া, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান গোলাপ মিয়া ও জালাল মিয়া।এ ছাড়া উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ সমাবেশে বক্তব্য দেন।

ভুরুঙ্গামারীতে ভয়াবহ বিদ্যুৎ সংকট, ২৪ ঘণ্টায় ১৮–১৯ ঘণ্টাই অন্ধকার

দ্রুত সমাধানের দাবি এলাকাবাসীর / ভুরুঙ্গামারীতে ভয়াবহ বিদ্যুৎ সংকট, ২৪ ঘণ্টায় ১৮–১৯ ঘণ্টাই অন্ধকার

কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলায় তীব্র বিদ্যুৎ সংকটে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। স্থানীয়দের অভিযোগ, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রায় ১৮ থেকে ১৯ ঘণ্টাই বিদ্যুৎ থাকে না, ফলে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও বিদ্যুৎনির্ভর পেশার মানুষ। পড়াশোনা থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্য ও দৈনন্দিন কাজেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।স্থানীয়রা জানান, রাতের বেলায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় অন্ধকারে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।বিদ্যুৎ সংকটের কারণে চিকিৎসাসেবা ও জরুরি কার্যক্রম নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকে। ছোট ব্যবসা ও প্রতিষ্ঠানগুলোও নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনায় সমস্যার মুখে পড়েছে।এলাকাবাসীর দাবি, ভুরুঙ্গামারীর বিদ্যুৎ পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করে নিয়মিত ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের এই বিদ্যুৎ ভোগান্তির অবসান ঘটিয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফাইনালের আগে মেসিদের ড্রেসিংরুমে কৌশল নিয়ে মতবিরোধ!

আর্জেন্টিনা শিবিরে কী ঘটেছিল? / ফাইনালের আগে মেসিদের ড্রেসিংরুমে কৌশল নিয়ে মতবিরোধ!

বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে আর্জেন্টিনার ড্রেসিংরুমে কৌশল নিয়ে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছিল বলে দাবি করেছেন আর্জেন্টাইন সাংবাদিক রেনজো পান্তিচ।তার দাবি, গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্তিনেজ রক্ষণাত্মক পরিকল্পনার পরিবর্তে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।আর্জেন্টিনার অনলাইন অনুষ্ঠান ‘নো পোদেমোস পেরদের’-এ পান্তিচ জানান, ম্যাচের আগে অনুশীলনে তিন ফুটবলার পেশির সমস্যায় পড়েছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন দুই ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেজ ও ক্রিস্তিয়ান ‘কুতি’ রোমেরো। তৃতীয় খেলোয়াড়ের নাম তিনি নিশ্চিত করতে পারেননি।পান্তিচের ভাষ্য অনুযায়ী, খেলোয়াড়দের শারীরিক অবস্থার বিষয়টি জানার পর কোচ লিওনেল স্কালোনি স্পেনের শক্তিশালী আক্রমণভাগ বিবেচনায় রক্ষণভিত্তিক কৌশল নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তার পরিকল্পনা ছিল ম্যাচকে দীর্ঘ করে অতিরিক্ত সময় বা প্রয়োজনে পেনাল্টি শুটআউট পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া।তবে দিবু মার্তিনেজ এই পরিকল্পনার সঙ্গে পুরোপুরি একমত ছিলেন না। তিনি মনে করতেন, বিশ্বকাপ ফাইনালের মতো ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে জয়ের লক্ষ্যেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে হবে। দলের আরেক অভিজ্ঞ খেলোয়াড়ও তার মতকে সমর্থন করেন বলে জানান পান্তিচ।এ সময় দলের পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে ভূমিকা রাখেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তিনি সতীর্থদের শান্ত থাকার এবং নিজেদের স্বাভাবিক খেলায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।তবে বিষয়টিকে স্কালোনি ও খেলোয়াড়দের মধ্যে বড় কোনো দ্বন্দ্ব হিসেবে দেখছেন না পান্তিচ। তার মতে, খেলোয়াড়দের মতামত শোনার অভ্যাস রয়েছে স্কালোনির এবং বড় ম্যাচের আগে কৌশল নিয়ে আলোচনা হওয়া স্বাভাবিক।ম্যাচে অবশ্য আর্জেন্টিনার দুই ডিফেন্ডারের চোটের বিষয়টি নিশ্চিত ছিল। প্রথমার্ধের শেষ দিকে লিসান্দ্রোর বদলি হিসেবে নিকোলাস ওতামেন্দি এবং দ্বিতীয়ার্ধে রোমেরোর বদলে ফাকুন্দো মেদিনা মাঠে নামেন।শেষ পর্যন্ত রক্ষণ সামলে ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে নেয় আর্জেন্টিনা। তবে ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় পেয়ে বিশ্বকাপ শিরোপা জেতে স্পেন। পান্তিচ আরও জানান, ম্যাচ ইচ্ছাকৃতভাবে হারার কোনো বিষয় ছিল না। তার বক্তব্য শুধু দলের চোট পরিস্থিতি ও কৌশলগত আলোচনাকে ঘিরে। তবে স্কালোনি, দিবু মার্তিনেজ বা আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য আসেনি।

ভোটার তালিকা থেকে বাদ প্রকাশ রাজের নাম, ক্ষোভ অভিনেতার

শুরু ‘খেলা’ / ভোটার তালিকা থেকে বাদ প্রকাশ রাজের নাম, ক্ষোভ অভিনেতার

ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা প্রকাশ রাজের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। কর্নাটকে চলমান স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় তার নাম বাদ পড়েছে বলে জানিয়েছেন এই অভিনেতা।মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা এক ভিডিওবার্তায় বিষয়টি জানান প্রকাশ রাজ।তিনি দাবি করেন, বেঙ্গালুরুর এসআইআর প্রক্রিয়ায় প্রায় ৬৫ লাখ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। সেই তালিকায় তার নামও রয়েছে।প্রকাশ রাজ বলেন, “এসআইআরের পরে বেঙ্গালুরু কেন্দ্রের যে ৬৫ লাখ ভোটারের ভোট দেওয়ার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে আমিও একজন।”নিজের নাম বাদ পড়ায় বিস্ময় প্রকাশ করে তিনি বলেন, তিনি বেঙ্গালুরুর এই কেন্দ্রেই জন্মেছেন, এখানেই পড়াশোনা করেছেন, থিয়েটার করেছেন এবং একই আসন থেকে লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থীও হয়েছিলেন।২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বেঙ্গালুরু সেন্ট্রাল আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন প্রকাশ রাজ। তিনি বিজেপির সমালোচক হিসেবেও পরিচিত।ভোটার তালিকায় নিজের নাম পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করতে কী ধরনের প্রক্রিয়া ও নথিপত্র প্রয়োজন হবে, তা জানার কথাও জানিয়েছেন তিনি।এর আগে প্রকাশ রাজের বিরুদ্ধে একাধিক ভোটার পরিচয়পত্র রাখার অভিযোগে আদালত থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল বলে জানা যায়। অভিযোগ ছিল, কর্নাটক, তেলঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তামিলনাড়ু এই চার রাজ্যে তার নামে ভোটার পরিচয়পত্র রয়েছে। তবে তিনি এ বিষয়ে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন। ভিডিওবার্তায় প্রকাশ রাজ নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) বিরোধী আন্দোলনের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও নাগরিকদের প্রতিবাদ থামানো যাবে না।

অনলাইন জরিপ
২৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !