বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
জাতীয় সংসদে কর ফাঁকি রোধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের ঘোষণা

২০৩৫ সালের মধ্যে ১৫% কর

জাতীয় সংসদে কর ফাঁকি রোধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের ঘোষণা

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ এ বাজেট অধিবেশনে কর ফাঁকি রোধ এবং কর-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধির লক্ষ্যে একগুচ্ছ পরিকল্পনা তুলে ধরেন তারেক রহমান।তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে কর-জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে এটি ১৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব পরিকল্পনার কথা জানান। লিখিত জবাবে বলা হয়, কর ফাঁকি রোধে কার্যকর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ জোরদার করা হচ্ছে এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ইতোমধ্যে মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি রেভিনিউ কৌশল গ্রহণ করেছে।সরকার কর ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল করার উদ্যোগ নিয়েছে। অনলাইন ট্যাক্স কাটা ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, কর আইন সহজীকরণ, কর অব্যাহতি যৌক্তিকীকরণ এবং ঝুঁকিভিত্তিক অডিট কার্যক্রম জোরদার করার কথা উল্লেখ করা হয়।এছাড়া এআই-ভিত্তিক অনলাইন সেবা, করদাতাদের তথ্যভান্ডার উন্নয়ন এবং কর সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রমও চলমান রয়েছে বলে জানানো হয়।সরকারের পরিকল্পনায় কাস্টমস ও ট্যারিফ নীতির আধুনিকায়ন, বকেয়া রাজস্ব আদায় জোরদার এবং বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাজস্ব বৃদ্ধি নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। তারেক রহমান বলেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে কর-জিডিপি অনুপাত ধাপে ধাপে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

মাদক ও ধর্ষণ মামলায় তদবির করলে নেতারাও যাবে হাজতে: কড়া হুঁশিয়ারি আইনমন্ত্রীর

জিরো টলারেন্স নীতি জোরদার / মাদক ও ধর্ষণ মামলায় তদবির করলে নেতারাও যাবে হাজতে: কড়া হুঁশিয়ারি আইনমন্ত্রীর

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, মাদক ও ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধে জড়িতদের পক্ষে কোনো রাজনৈতিক তদবির করা হলে সংশ্লিষ্ট নেতাদেরও একই মামলায় জড়িয়ে হাজতে পাঠানো হবে।বুধবার (১৭ জুন) ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কঠোর হুঁশিয়ারি দেন।মন্ত্রী বলেন, ধর্ষক ও মাদক কারবারিরা কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পদ নয়। অপরাধীদের দমনে সরকার কোনো ধরনের আপস করবে না, এমনকি নিজের দলের নেতা হলেও রেহাই দেওয়া হবে না।তিনি আরও জানান, প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে এবং রাজনৈতিক তদবির কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না।দুর্নীতির বিষয়ে সতর্ক করে আইনমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র এখন অত্যাধুনিক নজরদারি ব্যবস্থার মাধ্যমে সব ধরনের অনিয়ম পর্যবেক্ষণ করছে, যা এড়ানো সম্ভব নয়।সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি জানান, মাদক কারবারিরা এখন আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করছে, এমনকি ড্রোনের মাধ্যমে পাচারের চেষ্টা করছে। তবে সরকার আরও কঠোর অবস্থান নেবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সভায় তিনি মাদক ও ধর্ষণবিরোধী মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন এবং প্রশাসনকে আরও কার্যকর ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান।

আ.লীগ ছাড়া স্থিতিশীলতা অসম্ভব! বিস্ফোরক মন্তব্য জি এম কাদেরের

বিনিয়োগ ও স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন বিতর্ক / আ.লীগ ছাড়া স্থিতিশীলতা অসম্ভব! বিস্ফোরক মন্তব্য জি এম কাদেরের

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগের মতো একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলকে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা হলে দেশে স্থিতিশীলতা অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে।সোমবার (১৫ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির মিলনায়তনে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।জি এম কাদের বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ছাড়া দেশে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। বৃহৎ জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক ও সামাজিক অংশগ্রহণ বাধাগ্রস্ত হলে তা দীর্ঘমেয়াদে সংকট তৈরি করতে পারে।তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, কোনো বড় রাজনৈতিক শক্তিকে দমন বা তাদের অধিকার সীমিত করা হলে সমাজে অসন্তোষ বাড়তে পারে, যা ভবিষ্যতে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে।প্রস্তাবিত বাজেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাজেটে বাস্তবায়নের স্পষ্ট দিকনির্দেশনা নেই। পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে বিপুল অঙ্কের হলেও তা কমানোর সুযোগ খুবই সীমিত।তিনি আরও বলেন, রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য বাস্তবসম্মত নয় এবং দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এত বড় রাজস্ব আদায় কঠিন হবে। ফলে বাজেট ঘাটতি আরও বাড়তে পারে এবং সরকারকে অতিরিক্ত ঋণের ওপর নির্ভর করতে হতে পারে।জি এম কাদেরের মতে, অতিরিক্ত ঋণনির্ভর বাজেট দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করবে এবং সামাজিক ও রাজনৈতিক সংকট আরও বাড়াতে পারে।তিনি বলেন, রাজনৈতিক ঐকমত্য ছাড়া এ ধরনের বাজেট সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। বৈশ্বিক অস্থিরতা ও সম্ভাব্য অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাবও বাজেটে যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি। সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পার্টির শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

কুড়িগ্রামে অবৈধ পোল্ট্রি ফার্মে অভিযান, জরিমানা ও বন্ধের নির্দেশ

জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে ফার্ম বন্ধের নির্দেশ / কুড়িগ্রামে অবৈধ পোল্ট্রি ফার্মে অভিযান, জরিমানা ও বন্ধের নির্দেশ

কুড়িগ্রামে পরিবেশ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই পরিচালিত একটি পোল্ট্রি ফার্মকে জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষার স্বার্থে প্রতিষ্ঠানটি অবিলম্বে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের হেমেরকুটি গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।পরিবেশ অধিদপ্তর কুড়িগ্রাম জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, আবাসিক এলাকায় পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়াই ‘মালেকা পোল্ট্রি ফার্ম’ পরিচালনার মাধ্যমে বায়ুদূষণ সৃষ্টি করা হচ্ছিল। এ অভিযোগের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালায়।অভিযানে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০)-এর ১৫(২) ধারা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়।এছাড়া স্থানীয় জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বিবেচনায় ফার্মটি দ্রুত বন্ধ করার নির্দেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।অভিযানে বিচারিক দায়িত্ব পালন করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম। প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জেলা পুলিশসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানালেন মেসি, হ্যাটট্রিকের রাতেই বড় ঘোষণা

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ / ২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানালেন মেসি, হ্যাটট্রিকের রাতেই বড় ঘোষণা

আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে আবারও নিজের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিয়েছেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনার ৩-০ গোলের জয়ে তিন গোল করে তিনি বিশ্বকাপ গোলসংখ্যা ১৬-তে নিয়ে গেছেন, ছুঁয়েছেন মিরোস্লাভ ক্লোসের রেকর্ডও।ম্যাচ শেষে ২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই মেসি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তিনি সেখানে খেলবেন না। হাসিমুখে তিনি বলেন, না, না, সেটা নিশ্চিতভাবেই নয়।২০২৬ বিশ্বকাপে খেলেই ইতিহাস গড়েছেন মেসি। এটি তার ষষ্ঠ বিশ্বকাপ, যা তাকে ফুটবল ইতিহাসে আরও অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। ২০০৬ সালে শুরু হওয়া তার বিশ্বকাপ যাত্রা এখন ২০২৬ পর্যন্ত বিস্তৃত।প্রায় ৩৯ বছর বয়সেও তার পারফরম্যান্স দেখে ভক্তদের মধ্যে ২০৩০ বিশ্বকাপে তাকে দেখার আশা তৈরি হয়েছিল। তবে মেসির সাম্প্রতিক মন্তব্য সেই সম্ভাবনাকে কার্যত শেষ করে দিল।মেসি জানিয়েছেন, তার লক্ষ্য এখন চলমান বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে যত দূর সম্ভব এগিয়ে নেওয়া। ২০২২ সালের শিরোপার পর এবারও দলটি শিরোপা ধরে রাখার মিশনে রয়েছে। এদিকে, বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার রেকর্ডও এখন মেসির নাগালের মধ্যে। আর মাত্র একটি গোল করলেই তিনি ক্লোসেকে ছাড়িয়ে এককভাবে শীর্ষে উঠবেন।

সোশ্যাল মিডিয়া কি বদলে দিচ্ছে অভিনেতাদের পরিচয়? প্রশ্ন হাজরা ইয়ামিনের

অভিনয় ও ইনফ্লুয়েন্সিংকে দেখছেন ভিন্ন পেশা হিসেবে / সোশ্যাল মিডিয়া কি বদলে দিচ্ছে অভিনেতাদের পরিচয়? প্রশ্ন হাজরা ইয়ামিনের

পাকিস্তানি জনপ্রিয় অভিনেত্রী হাজরা ইয়ামিন বিনোদন অঙ্গনে অভিনেতাদের ক্রমবর্ধমান ইনফ্লুয়েন্সার হয়ে ওঠার প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তার মতে, অভিনয় ও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সিং সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি পেশা হলেও বর্তমানে এ দুই ক্ষেত্রের সীমারেখা ধীরে ধীরে মুছে যাচ্ছে।সম্প্রতি পাকিস্তানের জনপ্রিয় টক শো গাপ শাব-এ অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে হাজরা ইয়ামিন বলেন, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের উত্থানের ফলে তারকাদের মূল্যায়নের ধরন বদলে যাচ্ছে।থিয়েটার ব্যাকগ্রাউন্ড ও শক্তিশালী অভিনয়ের জন্য পরিচিত এই অভিনেত্রী বলেন, অভিনেতাদের প্রধান দায়িত্ব হলো গল্প বলা ও চরিত্রকে জীবন্ত করে তোলা। অন্যদিকে ইনফ্লুয়েন্সাররা ব্যক্তিগত ব্র্যান্ডিং এবং অনলাইনে সক্রিয় উপস্থিতির মাধ্যমে দর্শকদের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করেন।হাজরা ইয়ামিনের মতে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্র্যান্ড কোলাবোরেশন, স্পনসরড কনটেন্ট এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক সুযোগ বৃদ্ধির কারণে অনেক অভিনেতা এখন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বেশি সময় দিচ্ছেন। ফলে অভিনয়ের পাশাপাশি অনলাইন প্রচারণাও তাদের ব্যস্ততার বড় অংশ হয়ে উঠছে।তবে এই পরিবর্তনের নেতিবাচক দিকও তুলে ধরেন তিনি। তার ভাষায়, সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে তারকারা এখন অতিরিক্ত সমালোচনা ও ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণের মুখোমুখি হচ্ছেন। অনেক সময় দর্শকরা অভিনয় দক্ষতার চেয়ে তাদের ব্যক্তিগত মতামত, জীবনধারা কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট নিয়েই বেশি আলোচনা করেন। হাজরা ইয়ামিনের এই মন্তব্য ইতোমধ্যে পাকিস্তানের শোবিজ অঙ্গন ও ভক্তদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। দ্রুত পরিবর্তনশীল ডিজিটাল যুগে শিল্পীদের পেশাগত পরিচয় ও সৃজনশীল অবস্থান ধরে রাখার বিষয়টি এখন নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে।

অনলাইন জরিপ
২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৪ পিএম
সরকার ও বিরোধী দলকে জ্বালানি খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করা উচিত বলে মনে করেন অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

সরকার ও বিরোধী দলকে জ্বালানি খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করা উচিত বলে মনে করেন অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !