শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
৮ কোটি নাগরিকের এনআইডি ফরমের হদিস নেই,

এনআইডি তথ্য ফরম নিয়ে ধোঁয়াশা

৮ কোটি নাগরিকের এনআইডি ফরমের হদিস নেই,

দেশে বর্তমানে ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। এর মধ্যে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি নাগরিকের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশ্লিষ্ট মূল তথ্য ফরম (ফরম-২) নির্বাচন কমিশনের সার্ভারে সংরক্ষিত আছে। তবে বাকি প্রায় ৮ কোটি নাগরিকের তথ্য ফরমের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য নেই নির্বাচন কমিশনের (ইসি)।সম্প্রতি এসব হারিয়ে যাওয়া বা অনুপস্থিত ফরমের খোঁজে মাঠে নেমেছে ইসি। কমিশনের কর্মকর্তারা বলছেন, এই ৮ কোটি নাগরিক ২০০৭–০৮ সালে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হন এবং সে সময় দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই তাদের এনআইডি প্রদান করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে অনেক ক্ষেত্রে তথ্য ভুল থাকায় সংশোধনের প্রয়োজন হয়, তখনই ফরম-২ না পাওয়ার জটিলতা দেখা দেয়।ইসি সূত্র জানায়, ২০০৮ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা নির্বাচন অফিসে এসব ফরম সংরক্ষণ করা হয়েছিল। তবে সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করায় কোথাও নষ্ট হয়েছে, কোথাও বৃষ্টির পানি, উইপোকা বা ইঁদুরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, আবার কিছু ফরম অগ্নিকাণ্ডে ধ্বংস হয়েছে বলেও জানা গেছে।এ অবস্থায় ওই সময়ের ভোটারদের ফরম-২ স্ক্যানিং ও ডিজিটাল আকারে সার্ভারে আপলোডের কাজ ৩০ জুনের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।ইসি কর্মকর্তাদের মতে, ফরম-২ ছাড়া এনআইডি সংশোধন প্রক্রিয়া জটিল হয়ে যাচ্ছে। যদিও কিছু ক্ষেত্রে ফি ছাড়াই সংশোধনের সুযোগ থাকছে, কিন্তু নথির অভাবে অনেক নাগরিক সেই সুবিধা পাচ্ছেন না।বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম জানান, অধিকাংশ উপজেলা অফিসে স্ক্যানিং কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। তবে কত ফরম হারিয়েছে তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।সাতক্ষীরা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান জানান, জেলায় প্রায় ৩০ শতাংশ স্ক্যানিং শেষ হয়েছে এবং আনুমানিক ৮০ শতাংশ ফরম পাওয়া গেছে। তবে চূড়ান্ত হিসাব এখনও নির্ধারণ করা হয়নি।শ্যামনগর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, প্রায় দুই লাখ ফরম আপলোডের বাইরে ছিল, যার মধ্যে এক লাখ ৫৫ হাজারের মতো পাওয়া গেছে এবং বাকি অংশের কাজ চলছে।ইসির অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ বলেন, দীর্ঘদিনের এই ফরমগুলো সার্ভারে আপলোড করার কাজ চলমান রয়েছে এবং সার্ভারের সক্ষমতাও বাড়ানো হয়েছে। জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের সিস্টেম ম্যানেজার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন জানান, ৮ কোটি নাগরিকের তথ্য স্ক্যান ও আপলোডের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ চলছে, তবে কতটা হারিয়েছে তা সম্পূর্ণ কাজ শেষে বোঝা যাবে।তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ

৮ কোটি নাগরিকের এনআইডি ফরমের হদিস নেই,

এনআইডি তথ্য ফরম নিয়ে ধোঁয়াশা / ৮ কোটি নাগরিকের এনআইডি ফরমের হদিস নেই,

দেশে বর্তমানে ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। এর মধ্যে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি নাগরিকের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশ্লিষ্ট মূল তথ্য ফরম (ফরম-২) নির্বাচন কমিশনের সার্ভারে সংরক্ষিত আছে। তবে বাকি প্রায় ৮ কোটি নাগরিকের তথ্য ফরমের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য নেই নির্বাচন কমিশনের (ইসি)।সম্প্রতি এসব হারিয়ে যাওয়া বা অনুপস্থিত ফরমের খোঁজে মাঠে নেমেছে ইসি। কমিশনের কর্মকর্তারা বলছেন, এই ৮ কোটি নাগরিক ২০০৭–০৮ সালে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হন এবং সে সময় দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই তাদের এনআইডি প্রদান করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে অনেক ক্ষেত্রে তথ্য ভুল থাকায় সংশোধনের প্রয়োজন হয়, তখনই ফরম-২ না পাওয়ার জটিলতা দেখা দেয়।ইসি সূত্র জানায়, ২০০৮ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা নির্বাচন অফিসে এসব ফরম সংরক্ষণ করা হয়েছিল। তবে সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করায় কোথাও নষ্ট হয়েছে, কোথাও বৃষ্টির পানি, উইপোকা বা ইঁদুরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, আবার কিছু ফরম অগ্নিকাণ্ডে ধ্বংস হয়েছে বলেও জানা গেছে।এ অবস্থায় ওই সময়ের ভোটারদের ফরম-২ স্ক্যানিং ও ডিজিটাল আকারে সার্ভারে আপলোডের কাজ ৩০ জুনের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।ইসি কর্মকর্তাদের মতে, ফরম-২ ছাড়া এনআইডি সংশোধন প্রক্রিয়া জটিল হয়ে যাচ্ছে। যদিও কিছু ক্ষেত্রে ফি ছাড়াই সংশোধনের সুযোগ থাকছে, কিন্তু নথির অভাবে অনেক নাগরিক সেই সুবিধা পাচ্ছেন না।বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম জানান, অধিকাংশ উপজেলা অফিসে স্ক্যানিং কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। তবে কত ফরম হারিয়েছে তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।সাতক্ষীরা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান জানান, জেলায় প্রায় ৩০ শতাংশ স্ক্যানিং শেষ হয়েছে এবং আনুমানিক ৮০ শতাংশ ফরম পাওয়া গেছে। তবে চূড়ান্ত হিসাব এখনও নির্ধারণ করা হয়নি।শ্যামনগর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, প্রায় দুই লাখ ফরম আপলোডের বাইরে ছিল, যার মধ্যে এক লাখ ৫৫ হাজারের মতো পাওয়া গেছে এবং বাকি অংশের কাজ চলছে।ইসির অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ বলেন, দীর্ঘদিনের এই ফরমগুলো সার্ভারে আপলোড করার কাজ চলমান রয়েছে এবং সার্ভারের সক্ষমতাও বাড়ানো হয়েছে। জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের সিস্টেম ম্যানেজার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন জানান, ৮ কোটি নাগরিকের তথ্য স্ক্যান ও আপলোডের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ চলছে, তবে কতটা হারিয়েছে তা সম্পূর্ণ কাজ শেষে বোঝা যাবে।তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ

এনসিপিতে বড় সাংগঠনিক পরিবর্তন

থাকছে না মুখ্য সংগঠক ও মুখপাত্র পদ / এনসিপিতে বড় সাংগঠনিক পরিবর্তন

ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি) তাদের সাংগঠনিক কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দলটির ইসি কমিটির সভায় গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদ বিলুপ্ত করে নতুন কাঠামোয় কমিটি গঠনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে দলীয় একাধিক বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে।বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাত ৮টায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ইসি কমিটির সভা শুরু হয়। সূত্র জানায়, ৬১ সদস্যের ইসি কমিটির অর্ধেকের বেশি সদস্য সভায় উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘ আলোচনা শেষে বর্তমান সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্বিন্যাসের বিষয়ে অধিকাংশ সদস্য ঐকমত্যে পৌঁছান।সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এনসিপির ‘মুখ্য সংগঠক’ মুখ্য সমন্বয়ক’ ও ‘মুখপাত্র’ পদ বিলুপ্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি ‘মুখ্য সমন্বয়ক (উত্তরাঞ্চল)’ ও ‘মুখ্য সমন্বয়ক (দক্ষিণাঞ্চল)’ পদও আর রাখা হচ্ছে না।নতুন প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, পুরো কমিটি আহ্বায়ক কমিটি হিসেবে পরিচালিত হবে। এতে থাকবেন আহ্বায়ক, যুগ্ম আহ্বায়ক, সদস্য সচিব, যুগ্ম সদস্য সচিব ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্যরা।এ ছাড়া দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরে একজন করে সাংগঠনিক সম্পাদক ও দুজন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক দায়িত্ব পালন করবেন।সভা সূত্রে আরও জানা গেছে, শুক্রবার দলের সাধারণ সভায় এসব প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে। সেখানে অনুমোদন পেলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই নতুন কাঠামো অনুযায়ী কমিটি গঠন করা হতে পারে। পরবর্তী জাতীয় সম্মেলন পর্যন্ত এই কমিটি দায়িত্ব পালন করবে বলেও জানা গেছে। তবে সভায় উপস্থিত অধিকাংশ সদস্য প্রস্তাবগুলোর পক্ষে মত দিলেও কয়েকজন সদস্য বর্তমান সাংগঠনিক কাঠামো বহাল রাখার পক্ষে মতামত দিয়েছেন বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে।

গোপালগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ১৪তম সুকান্ত মেলা

সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় মুখর ছিল মেলা প্রাঙ্গণ / গোপালগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ১৪তম সুকান্ত মেলা

আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো ১৪তম সুকান্ত মেলা–২০২৬। আলোচনা সভা ও মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে ঘিরে পুরো আয়োজন পরিণত হয় উৎসবমুখর মিলনমেলায়। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানস্থল হয়ে ওঠে প্রাণচঞ্চল ও আনন্দঘন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা জনাব রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি তার বক্তব্যে তরুণ প্রজন্মের মাঝে সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধ ছড়িয়ে দিতে সুকান্ত মেলার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এ ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম ও সাংস্কৃতিক চর্চায় আরও উৎসাহিত করবে।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব সেলিমুজ্জামান সেলিম, গোপালগঞ্জ-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর এবং গোপালগঞ্জ-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব এস এম জিলানী। অতিথিরা তাদের বক্তব্যে সুকান্ত মেলার ধারাবাহিক আয়োজনের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ বিপুল সংখ্যক দর্শক ও শুভানুধ্যায়ী।আলোচনা সভা শেষে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় গান, কবিতা আবৃত্তি ও নৃত্যে মুগ্ধ হন উপস্থিত দর্শকরা। পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল শৃঙ্খলা, সৌহার্দ্য ও প্রাণের উচ্ছ্বাস।সুকান্ত মেলা শুধু একটি সাংস্কৃতিক আয়োজন নয়, এটি গোপালগঞ্জের ঐতিহ্য, সাহিত্যচর্চা ও সামাজিক সম্প্রীতির এক অনন্য প্রতীক—এমনটাই মনে করছেন উপস্থিত অতিথি ও দর্শনার্থীরা।

টাকা দিলে কেস ‘মিটবে’-অভিযোগে নতুন বিতর্কে সাকিব

নিষেধাজ্ঞা না উঠলে দেশে ফেরা কঠিন / টাকা দিলে কেস ‘মিটবে’-অভিযোগে নতুন বিতর্কে সাকিব

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান দাবি করেছেন, অর্থের বিনিময়ে মামলা থেকে তার নাম সরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, একটি মহল থেকে তাকে জানানো হয়েছে-১ কোটি টাকা দিলে তার নাম মামলা থেকে উঠিয়ে দেওয়া সম্ভব। তবে তিনি মনে করেন, যারা এ প্রস্তাব দিয়েছে তারা বিষয়টি বাস্তবসম্মতভাবে বোঝে না।সাকিব বলেন, কোনো মামলার নাম প্রত্যাহারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পুলিশের তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে। তাই টাকা দিয়ে এমন কিছু করা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তিনি আরও জানান, এফআইআরে বাদীপক্ষের যোগাযোগের জন্য যার নাম ছিল, তার মাধ্যমে কয়েকজনের মধ্যস্থতায় এই প্রস্তাব পৌঁছায়। তবে বিস্তারিত পরিচয় প্রকাশ করতে চাননি তিনি।এ ধরনের প্রস্তাবের জবাবে সাকিব বলেন, টাকা দেওয়া মানে তো আমি দোষ স্বীকার করছি-এমনটা কেন করব?দেশে ফেরার প্রসঙ্গে তিনি জানান, ইচ্ছা করলে ফিরতে পারেন, তবে নিরাপত্তা ও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হলে তা সম্ভব নয়। সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকির কথাও তুলে ধরেন তিনি। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর হত্যা ও দুর্নীতিসহ একাধিক মামলায় আসামি করা হয়েছে সাকিব আল হাসানকে।

অভিযোগের মুখে মুক্তি আটকালো হাসান জাহাঙ্গীরের সিনেমা

নাটক বলে চুক্তি, পরে সিনেমা-বিতর্কে নির্মাতা / অভিযোগের মুখে মুক্তি আটকালো হাসান জাহাঙ্গীরের সিনেমা

অভিনেতা ও নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীর পরিচালিত ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ চলচ্চিত্রের সেন্সর অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে। সহ-অভিনেত্রী জেবা জান্নাত-এর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।বুধবার (১৩ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন Bangladesh Film Development Corporation-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা রাহমান তানি।তিনি জানান, চলচ্চিত্রটি শুরুতে সেন্সর অনুমোদন পেলেও পরে অভিযোগ আসায় সেটি বাতিল করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ প্রকল্পটি নাটক হিসেবে চুক্তিবদ্ধ করা হয়েছিল, কিন্তু পরে তা সিনেমা হিসেবে মুক্তির পরিকল্পনা করা হয়।এই প্রজেক্টে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মৌসুমী। তিনিও বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন। এক অডিও বার্তায় তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে একটি ছোট গল্পভিত্তিক নাটক হিসেবে কাজটি শুরু হয়েছিল। পরে সেটিকে টেলিফিল্ম হিসেবে প্রচারের কথা বলা হলেও হঠাৎ সিনেমা হিসেবে মুক্তির খবর দেখে তিনি বিস্মিত হন।অভিযোগকারী জেবা জান্নাতের দাবি, তাকে নাটকের কথা বলে কাজ করানো হয়, কিন্তু পরবর্তীতে সেটিকে চলচ্চিত্র হিসেবে মুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়। এতে তিনি প্রতারিত বোধ করেন এবং বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানান। উল্লেখ্য, ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’-এ মৌসুমী, হাসান জাহাঙ্গীর ও জেবা জান্নাত গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন।

অনলাইন জরিপ
২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৪ পিএম
সরকার ও বিরোধী দলকে জ্বালানি খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করা উচিত বলে মনে করেন অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

সরকার ও বিরোধী দলকে জ্বালানি খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করা উচিত বলে মনে করেন অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

সম্পাদকীয়

কোন পোস্ট নেই !

সাক্ষাৎকার

কোন পোস্ট নেই !

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !