বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
মুখপোড়া হনুমান পাচারে আন্তর্জাতিক চক্র: ৫ হাজারে কিনে লাখে বিক্রি

স্থানীয় শিকারি থেকে ঢাকার সিন্ডিকেট

মুখপোড়া হনুমান পাচারে আন্তর্জাতিক চক্র: ৫ হাজারে কিনে লাখে বিক্রি

কক্সবাজারের মহেশখালীর পাহাড়ি বন থেকে কমে যাচ্ছে বিপন্ন মুখপোড়া হনুমান। স্থানীয় শিকারিদের মাধ্যমে এসব প্রাণী ধরার পর কয়েক দফা হাতবদল হয়ে চট্টগ্রাম ও ঢাকা হয়ে ভারতসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পাচার করা হচ্ছে বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্টদের তথ্য থেকে জানা গেছে।পাচারচক্রের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় শিকারিদের কাছ থেকে একটি হনুমান ৫ থেকে ১০ হাজার টাকায় কেনা হয়। পরে আকার, স্বাস্থ্য ও প্রজাতি অনুযায়ী ভারতসহ বিভিন্ন বাজারে তা ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়।বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক অসিম মল্লিকের তথ্য অনুযায়ী, মহেশখালীসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে সংগ্রহ করা হনুমানের বড় অংশ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে পাচার হয়। ভারত ছাড়াও চীন, কোরিয়া, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডে বন্যপ্রাণী পাচারের তথ্য রয়েছে।পাচারচক্রের সদস্যদের বর্ণনা অনুযায়ী, দিনের বেলায় পাহাড়ে হনুমানের অবস্থান ও চলাচল পর্যবেক্ষণ করা হয়। পরে রাতে টর্চের আলো ব্যবহার করে ঘুমন্ত হনুমান ধরে বস্তা বা খাঁচায় বন্দী করা হয়।স্থানীয় পর্যায়ে ধরা প্রাণীগুলো পরে বিভিন্ন দলের মাধ্যমে চট্টগ্রাম ও ঢাকায় পাঠানো হয়। পাচারকারীরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়াতে অ্যাম্বুলেন্স, হাইয়েস, ট্রাক ও সিএনজিসহ বিভিন্ন যানবাহন ব্যবহার করত বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।স্থানীয় পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক বছরে মহেশখালী থেকে অন্তত ২০০টি হনুমান পাচার হয়েছে। বন বিভাগের অভিযানে প্রায় ৫০টি হনুমান উদ্ধার করে বনে অবমুক্ত করা হয়েছে।২০২৪ সালের নভেম্বরে শাপলাপুর এলাকায় পৃথক দুটি অভিযানে ২৫টি মুখপোড়া হনুমান উদ্ধারের পর পাচারচক্রের তৎপরতা নতুন করে সামনে আসে।স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, শাপলাপুরের নাকাটার মোড়, কালামাদিয়া, বারিয়াছড়ি, জামেরছড়ি, মৌলভীকাটা ও দিনেশপুরের জামবাগান এলাকায় হনুমান শিকারের ঘটনা ঘটেছে। কোথাও কোথাও ইলিশ ধরার জাল ব্যবহার করেও প্রাণীগুলো ধরার অভিযোগ রয়েছে।আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম, লোহাগাড়া, লামা, আলীকদম, চকরিয়া ও মহেশখালী ঘিরে কয়েকটি গ্রুপের একটি নেটওয়ার্ক সক্রিয় রয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে শিকার ও পরিবহনের পর প্রাণীগুলো বড় চক্রের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্টদের তথ্য।বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, কয়েকজন সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী পাচারের মামলা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজন গ্রেপ্তারও হয়েছেন। হাদিসুর রহমান নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বন্য পাখি পাচারের মামলার পাশাপাশি হনুমান পাচারের একটি মামলাও বিচারাধীন রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বন্যপ্রাণী পাচারের তথ্য আদান-প্রদান হচ্ছে। ভারতীয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ইন্টারপোলের সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগের কথাও জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ফরিদ আহসানের মতে, মহেশখালীর বনাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর উপস্থিতি রয়েছে। প্রাণীর সংখ্যা কমে গেলে প্রাকৃতিক ভারসাম্যেও প্রভাব পড়ে।অন্যদিকে, শাপলাপুরের বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, সীমিত জনবল নিয়ে বিশাল বনাঞ্চল পাহারা দিতে হচ্ছে। একটি বিট এলাকায় মাত্র কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকায় নিয়মিত নজরদারি ও পাচার প্রতিরোধে চ্যালেঞ্জ রয়েছে। বন বিভাগ জানিয়েছে, বন্যপ্রাণী পাচার বন্ধে স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা ও নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি অভিযানে জোর দেওয়া হচ্ছে।

জাতিসংঘ সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন বুধবার

৩টায় তেজগাঁওয়ে সংবাদ সম্মেলন / জাতিসংঘ সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন বুধবার

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণ এবং নিউইয়র্ক সফরের সার্বিক বিষয় তুলে ধরতে বুধবার সংবাদ সম্মেলন করবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। সেখানে অধিবেশনের বিভিন্ন কার্যক্রম ও বিশ্বনেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক নিয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হবে। বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টায় তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘করবী হলে’ সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হবে বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ও কার্যালয়ের মুখপাত্র সালেহ শিবলী এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বক্তব্য দেবেন। প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফর ঘিরে এর আগে মাহদী আমিন জানিয়েছিলেন, সফরে ১১টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকসহ মোট ৩০টি আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জনশক্তি রপ্তানি, জ্বালানি নিরাপত্তা, রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু ও আন্তর্জাতিক শান্তিসহ বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় আসে।

পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিস্ট ফিরে আসার নজির নেই: আমান উল্লাহ আমান

ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান / পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিস্ট ফিরে আসার নজির নেই: আমান উল্লাহ আমান

দেশকে অস্থিতিশীল করতে পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের অপচেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমান উল্লাহ আমান। তিনি বলেছেন, ইতিহাসে দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিস্ট শক্তির ফিরে আসার নজির নেই। শেখ হাসিনাও দেশে ফিরতে পারবেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে এসব কথা বলেন আমান উল্লাহ আমান।তিনি বলেন, দেশের গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। বিএনপি বিভিন্ন সময় দেশের সংকটে জনগণের পাশে ছিল বলেও দাবি করেন তিনি।১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং জিয়াউর রহমানের ভূমিকা তুলে ধরে আমান উল্লাহ আমান বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণা মুক্তিযুদ্ধে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করেছিল। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কথাও তুলে ধরেন তিনি।জিয়াউর রহমানের শাসনামলের বিভিন্ন কর্মসূচির উল্লেখ করে তিনি বলেন, খাল খননসহ নানা উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।১৯৮২ সালে সামরিক শাসন জারির পর গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের কথাও তুলে ধরেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, শহীদ জিহাদ ও ডা. শামসুল আলম খান মিলনসহ আন্দোলনে নিহতদের আত্মত্যাগ গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথ তৈরি করে।বর্তমান রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রসঙ্গে আমান বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির নেতাকর্মীরা ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চালিয়ে গেছেন। এ সময় দলের বিভিন্ন নেতাকর্মী গুম ও হত্যার শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।তিনি আরও বলেন, জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়ন বিএনপির অন্যতম লক্ষ্য। কৃষক, সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচির কথাও তুলে ধরেন তিনি।দেশের বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে আমান উল্লাহ আমান বলেন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন, মানুষের কথা বলার অধিকার এবং রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।শেখ হাসিনার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিস্ট শক্তি আবার ফিরে আসার চেষ্টা করছে। এ ধরনের রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের নজির ইতিহাসে নেই এমন মন্তব্যের পাশাপাশি বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগও করেন তিনি। আমানের এ ধরনের বক্তব্যের অনুরূপ মন্তব্য তিনি এর আগেও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে করেছেন। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে আমান বলেন, ওই সময় মানুষ যেভাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল, একইভাবে দেশের স্থিতিশীলতা ও গণতন্ত্র রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।বিএনপির নেতাকর্মীদের জনগণের পাশে থেকে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কেউ যেন গণতন্ত্রের ওপর আঘাত হানতে বা পরিকল্পিতভাবে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে না পারে।তবে আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আমান বলেন, অপরাধে জড়িত কাউকে দেখলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তুলে দিতে হবে। মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন মেনে চলার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি। ঢাকা মহানগর উত্তর মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক আমির হোসেন আমিরের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ এমপি, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সফুসহ মৎস্যজীবী দলের কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের নেতারা।

মুখপোড়া হনুমান পাচারে আন্তর্জাতিক চক্র: ৫ হাজারে কিনে লাখে বিক্রি

স্থানীয় শিকারি থেকে ঢাকার সিন্ডিকেট / মুখপোড়া হনুমান পাচারে আন্তর্জাতিক চক্র: ৫ হাজারে কিনে লাখে বিক্রি

কক্সবাজারের মহেশখালীর পাহাড়ি বন থেকে কমে যাচ্ছে বিপন্ন মুখপোড়া হনুমান। স্থানীয় শিকারিদের মাধ্যমে এসব প্রাণী ধরার পর কয়েক দফা হাতবদল হয়ে চট্টগ্রাম ও ঢাকা হয়ে ভারতসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পাচার করা হচ্ছে বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্টদের তথ্য থেকে জানা গেছে।পাচারচক্রের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় শিকারিদের কাছ থেকে একটি হনুমান ৫ থেকে ১০ হাজার টাকায় কেনা হয়। পরে আকার, স্বাস্থ্য ও প্রজাতি অনুযায়ী ভারতসহ বিভিন্ন বাজারে তা ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়।বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক অসিম মল্লিকের তথ্য অনুযায়ী, মহেশখালীসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে সংগ্রহ করা হনুমানের বড় অংশ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে পাচার হয়। ভারত ছাড়াও চীন, কোরিয়া, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডে বন্যপ্রাণী পাচারের তথ্য রয়েছে।পাচারচক্রের সদস্যদের বর্ণনা অনুযায়ী, দিনের বেলায় পাহাড়ে হনুমানের অবস্থান ও চলাচল পর্যবেক্ষণ করা হয়। পরে রাতে টর্চের আলো ব্যবহার করে ঘুমন্ত হনুমান ধরে বস্তা বা খাঁচায় বন্দী করা হয়।স্থানীয় পর্যায়ে ধরা প্রাণীগুলো পরে বিভিন্ন দলের মাধ্যমে চট্টগ্রাম ও ঢাকায় পাঠানো হয়। পাচারকারীরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়াতে অ্যাম্বুলেন্স, হাইয়েস, ট্রাক ও সিএনজিসহ বিভিন্ন যানবাহন ব্যবহার করত বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।স্থানীয় পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক বছরে মহেশখালী থেকে অন্তত ২০০টি হনুমান পাচার হয়েছে। বন বিভাগের অভিযানে প্রায় ৫০টি হনুমান উদ্ধার করে বনে অবমুক্ত করা হয়েছে।২০২৪ সালের নভেম্বরে শাপলাপুর এলাকায় পৃথক দুটি অভিযানে ২৫টি মুখপোড়া হনুমান উদ্ধারের পর পাচারচক্রের তৎপরতা নতুন করে সামনে আসে।স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, শাপলাপুরের নাকাটার মোড়, কালামাদিয়া, বারিয়াছড়ি, জামেরছড়ি, মৌলভীকাটা ও দিনেশপুরের জামবাগান এলাকায় হনুমান শিকারের ঘটনা ঘটেছে। কোথাও কোথাও ইলিশ ধরার জাল ব্যবহার করেও প্রাণীগুলো ধরার অভিযোগ রয়েছে।আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম, লোহাগাড়া, লামা, আলীকদম, চকরিয়া ও মহেশখালী ঘিরে কয়েকটি গ্রুপের একটি নেটওয়ার্ক সক্রিয় রয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে শিকার ও পরিবহনের পর প্রাণীগুলো বড় চক্রের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্টদের তথ্য।বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, কয়েকজন সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী পাচারের মামলা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজন গ্রেপ্তারও হয়েছেন। হাদিসুর রহমান নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বন্য পাখি পাচারের মামলার পাশাপাশি হনুমান পাচারের একটি মামলাও বিচারাধীন রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বন্যপ্রাণী পাচারের তথ্য আদান-প্রদান হচ্ছে। ভারতীয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ইন্টারপোলের সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগের কথাও জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ফরিদ আহসানের মতে, মহেশখালীর বনাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর উপস্থিতি রয়েছে। প্রাণীর সংখ্যা কমে গেলে প্রাকৃতিক ভারসাম্যেও প্রভাব পড়ে।অন্যদিকে, শাপলাপুরের বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, সীমিত জনবল নিয়ে বিশাল বনাঞ্চল পাহারা দিতে হচ্ছে। একটি বিট এলাকায় মাত্র কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকায় নিয়মিত নজরদারি ও পাচার প্রতিরোধে চ্যালেঞ্জ রয়েছে। বন বিভাগ জানিয়েছে, বন্যপ্রাণী পাচার বন্ধে স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা ও নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি অভিযানে জোর দেওয়া হচ্ছে।

ফোন ফেরত চেয়ে তদন্তের কারণ জানতে চাইলেন রিজওয়ান

তদন্তের লিখিত ব্যাখ্যাও চাইলেন তিনি / ফোন ফেরত চেয়ে তদন্তের কারণ জানতে চাইলেন রিজওয়ান

মোবাইল ফোন ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি চলমান তদন্তের কারণ লিখিতভাবে জানাতে পাকিস্তানের ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির (এনসিসিআইএ) কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন পাকিস্তানের উইকেটকিপার ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ান।জিও নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এনসিসিআইএকে পাঠানো দ্বিতীয় চিঠিতে এসব দাবি জানিয়েছেন রিজওয়ান। তার হাতে এখনো তদন্তের কোনো লিখিত বিবরণ দেওয়া হয়নি এবং পরবর্তী প্রক্রিয়া নিয়েও সংস্থাটি তার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন তিনি।রিজওয়ানের দাবি, গত ৩১ আগস্ট ইংল্যান্ডে তার মোবাইল ফোন নেওয়া হয়। সে সময় তিনি ফোনের পাসওয়ার্ড দেন এবং তার উপস্থিতিতেই ডিভাইসটি পরীক্ষা করা হয়।এরপর ১০ সেপ্টেম্বর এনসিসিআইএর সামনে হাজির হওয়ার সময়ও কর্মকর্তারা তার আনলক করা ফোনে প্রবেশাধিকার পেয়েছিলেন বলে দাবি করেন ৩৪ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কর্মকর্তারা ফোনের বার্তা ও অন্যান্য তথ্য দেখেছেন এবং কোনো পর্যায়েই তিনি পাসওয়ার্ড দিতে অস্বীকৃতি জানাননি।চিঠিতে রিজওয়ান আরও দাবি করেন, ৩১ আগস্ট তাকে জানানো হয়েছিল তিন ঘণ্টার মধ্যে ফোনটি ফেরত দেওয়া হবে। একই সঙ্গে ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষাও দ্রুত শেষ করার কথা বলা হয়েছিল।এখন তদন্তের কারণ এবং ভবিষ্যতে তাকে আবার হাজির হতে হলে তারিখ ও সময় লিখিতভাবে জানানোর অনুরোধ করেছেন রিজওয়ান।পাশাপাশি দ্রুত তার মোবাইল ফোন ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক সাদা বলের অধিনায়ক। ভবিষ্যতে তার সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে এবং তার বাসার ঠিকানায় পাঠানোর অনুরোধও করেছেন তিনি। তবে জিও নিউজের প্রতিবেদনে রিজওয়ানের বিরুদ্ধে চলমান তদন্তটি ঠিক কোন অভিযোগ বা ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

নেকড়ের অভিশাপে রবার্ট এগার্সের ‘ওয়্যারউলফ’

সিনেমায় আবারও তিন তারকা / নেকড়ের অভিশাপে রবার্ট এগার্সের ‘ওয়্যারউলফ’

ফোক হরর ঘরানায় স্বতন্ত্র নির্মাণশৈলীর জন্য পরিচিত পরিচালক রবার্ট এগার্স এবার নিয়ে আসছেন নতুন সিনেমা ‘ওয়্যারউলফ’। ‘দ্য উইচ’, ‘দ্য লাইটহাউস’ ও ‘নসফেরাতু’র পর তার নতুন এই সিনেমা ঘিরে ইতোমধ্যে দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।১৩ শতকের ইংল্যান্ডকে পটভূমি করে নির্মিত ‘ওয়্যারউলফ’-এর ট্রেলারে দেখা গেছে এক রহস্যময় অভিশাপের গল্প। অ্যারন টেলর-জনসন অভিনীত চরিত্রটি ধীরে ধীরে রক্তপিপাসু নেকড়ের মতো প্রাণীতে রূপান্তরিত হতে থাকে।তার স্ত্রী চরিত্রে রয়েছেন লিলি-রোজ ডেপ। স্বামীকে ভয়ংকর এই অভিশাপ থেকে রক্ষা করতে মরিয়া হয়ে উঠতে দেখা যায় তাকে।সিনেমাটিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন উইলেম ড্যাফো। লোকালয়ে আতঙ্ক ছড়ানো নেকড়েদের বিরুদ্ধে লড়াই করা এক যোদ্ধার ভূমিকায় দেখা যাবে তাকে। ট্রেলারে তার কণ্ঠে শোনা যায়, ‘প্রতিটি নেকড়েই মরবে!’ট্রেলারের শেষদিকে অ্যারন টেলর-জনসনের চরিত্রের ভয়ংকর রূপান্তরের আভাসও পাওয়া যায়। কাঁপতে থাকা শরীর ও অস্বাভাবিক পশুর রূপ নেওয়ার দৃশ্য সিনেমাটির ভৌতিক আবহকে আরও স্পষ্ট করেছে।‘ওয়্যারউলফ’-এ আবারও একসঙ্গে অভিনয় করছেন অ্যারন টেলর-জনসন, লিলি-রোজ ডেপ ও উইলেম ড্যাফো। এর আগে রবার্ট এগার্সের ‘নসফেরাতু’ সিনেমায় একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল এই তিন অভিনেতাকে।‘নসফেরাতু’ ২০২৪ সালের ক্রিসমাসে মুক্তির পর বিশ্বব্যাপী প্রায় ১৮ কোটি ডলার আয় করে এবং চারটি কারিগরি বিভাগে অস্কার মনোনয়ন পায়। সেই সাফল্যের পর একই তিন অভিনেতাকে নিয়ে এবার ভিন্ন এক লোককথাভিত্তিক ভৌতিক গল্প পর্দায় আনছেন রবার্ট এগার্স। ‘ওয়্যারউলফ’ আগামী ২৫ ডিসেম্বর বড়দিনে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির কথা রয়েছে।

অনলাইন জরিপ
২৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ২ জন

সাক্ষাৎকার

কোন পোস্ট নেই !

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !