শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
ঢাকা-সিলেট বিরতিহীন ট্রেন: টাঙ্গুয়ার এক্সপ্রেসে শায়েস্তাগঞ্জে স্টপেজ নেই, ক্ষোভে স্থানীয়রা

মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ চান বাসিন্দারা

ঢাকা-সিলেট বিরতিহীন ট্রেন: টাঙ্গুয়ার এক্সপ্রেসে শায়েস্তাগঞ্জে স্টপেজ নেই, ক্ষোভে স্থানীয়রা

ঢাকা-সিলেট-ঢাকা রুটে যাত্রীসেবা বাড়াতে সরকার নতুন বিরতিহীন আন্তঃনগর ট্রেন ‘টাঙ্গুয়ার এক্সপ্রেস’ চালুর অনুমোদন দিয়েছে। তবে প্রস্তাবিত এই ট্রেনে শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনে কোনো স্টপেজ না থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, শায়েস্তাগঞ্জ দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রেল জংশন। এখান থেকে হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজারসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলার হাজারো যাত্রী প্রতিদিন ট্রেনে যাতায়াত করেন। তাই নতুন ট্রেনটিতে অন্তত দুই মিনিটের একটি যাত্রাবিরতি রাখা হলে সাধারণ যাত্রীরা ব্যাপকভাবে উপকৃত হবেন।তাদের মতে, শায়েস্তাগঞ্জে স্টপেজ না থাকলে নতুন ট্রেনটির সুবিধা থেকে বৃহৎ একটি জনগোষ্ঠী বঞ্চিত হবে। ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, শিক্ষার্থী ও রোগীদের ঢাকা-সিলেট যাতায়াতে অতিরিক্ত ভোগান্তির মুখে পড়তে হবে।স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনের কৌশলগত গুরুত্ব, যাত্রীসংখ্যা এবং আঞ্চলিক যোগাযোগব্যবস্থার কথা বিবেচনায় নিয়ে ট্রেনটির সময়সূচি পুনর্বিবেচনা করা উচিত।এদিকে রেল মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘টাঙ্গুয়ার এক্সপ্রেস’ চালুর নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হলেও ইঞ্জিন ও কোচ সংকট কাটিয়ে প্রয়োজনীয় রোলিং স্টক সংগ্রহের পর ট্রেনটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হবে।শায়েস্তাগঞ্জবাসীর প্রত্যাশা, ট্রেনটি চূড়ান্তভাবে চালুর আগেই রেল কর্তৃপক্ষ তাদের যৌক্তিক দাবি বিবেচনায় নিয়ে শায়েস্তাগঞ্জ রেলস্টেশনে একটি স্টপেজ সংযোজন করবে।

আনন্দ স্কুল প্রকল্পে অনিয়ম, ফেরত গেল ২২ কোটি টাকার বৈদেশিক সহায়তা

স্কুল প্রকল্পে কোটি টাকার অনিয়ম ফাঁস / আনন্দ স্কুল প্রকল্পে অনিয়ম, ফেরত গেল ২২ কোটি টাকার বৈদেশিক সহায়তা

দরিদ্র ও ঝরে পড়া শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে চালু হওয়া ‘আনন্দ স্কুল’ (রস্ক-২) প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্বল তদারকি ও বাস্তবায়ন ব্যর্থতার কারণে প্রায় ১ দশমিক ৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বৈদেশিক সহায়তা ফেরত গেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ২১ কোটি ৮৯ লাখ ১ হাজার ৫৬৪ টাকা।পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) পরিচালিত প্রভাব মূল্যায়ন সমীক্ষার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই শেষে গত জুনে প্রতিবেদনটি চূড়ান্ত করা হয়।২০১৩ সালে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে শুরু হওয়া এ প্রকল্পের লক্ষ্য ছিল গ্রামীণ অনগ্রসর এলাকা, শহুরে বস্তি ও রোহিঙ্গা শিবিরের প্রায় সাড়ে ৭ লাখ শিশুকে প্রাথমিক শিক্ষার আওতায় আনা। তবে মাঠপর্যায়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থতা, দুর্বল তদারকি, ভুয়া শিক্ষার্থী, ভূতুড়ে স্কুল এবং আর্থিক অনিয়মে প্রকল্পটির উদ্দেশ্য বড় ধরনের বাধার মুখে পড়ে।ভ্রমণ ভাতা থেকে প্রকল্প তহবিলে অনিয়মআইএমইডির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তা প্রকৃত ভ্রমণ ছাড়াই ৩ লাখ ১০ হাজার টাকা ভ্রমণ ভাতা উত্তোলন করেছেন। এছাড়া জ্বালানি ও যাতায়াত ব্যয়ে বাজেটের বাইরে অতিরিক্ত ব্যয় দেখানো হয়েছে।নিয়ম লঙ্ঘন করে প্রকল্পের তহবিল থেকে ১ কোটি টাকা অন্য একটি প্রকল্পে ঋণ হিসেবে স্থানান্তর করা হয়। একই সঙ্গে ব্যাংকে জমা সুদের ৫০ লাখ ২৪ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠে এসেছে।কেনাকাটায় নিয়ম ভঙ্গপ্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস (পিপিআর-২০০৮) অনুসরণ না করে আইডি কার্ড ও প্রশিক্ষণসামগ্রী কেনায় প্রায় ১৮ লাখ ১৪ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে। প্রকল্পের শেষ সময়ে অপ্রয়োজনীয়ভাবে ক্রয় পরামর্শক নিয়োগ দিয়ে আরও ১৯ লাখ ৬৪ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়, যা প্রকল্পের লক্ষ্য অর্জনে কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।ভূতুড়ে স্কুল ও ভুয়া শিক্ষার্থীসমীক্ষায় সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে ভুয়া শিক্ষার্থী ও ভূতুড়ে লার্নিং সেন্টারের বিষয়টি। অনেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষার্থীকেই আনন্দ স্কুলের শিক্ষার্থী দেখিয়ে উপবৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণের অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।অনিয়ম বাড়তে থাকায় প্রকল্প চলাকালেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় ৫৮১টি আনন্দ স্কুল বা লার্নিং সেন্টার বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।ব্যর্থতায় ফেরত গেল ২২ কোটি টাকালক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং বরাদ্দকৃত অর্থ যথাসময়ে ব্যয় করতে না পারায় আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীর ১.৭৭ মিলিয়ন ডলার ফেরত দিতে হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যালয় সংস্কার, শিক্ষক নিয়োগ এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহেও লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি।কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতিসোনালী ব্যাংকের সার্ভিস চার্জ থেকে যথাযথভাবে ভ্যাট ও আয়কর না কাটায় সরকারের ১ কোটি ৬৫ লাখ ৩৮ হাজার ২৫০ টাকা রাজস্ব ক্ষতির তথ্যও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বহিঃনিরীক্ষায় ভ্যাট-ট্যাক্স ফাঁকি, পিপিআর লঙ্ঘন ও অতিরিক্ত অর্থ প্রদানের প্রমাণ পাওয়া গেলেও প্রকল্পের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষায় বড় কোনো অনিয়ম ধরা পড়েনি বলে দাবি করা হয়েছিল।আইএমইডির সুপারিশআইএমইডি ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রকল্পে ডিজিটাল আর্থিক ট্র্যাকিং ব্যবস্থা, প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য ইউনিক আইডি ব্যবহার করে সরাসরি উপবৃত্তি প্রদান এবং অডিট আপত্তির দ্রুত নিষ্পত্তির সুপারিশ করেছে। একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নে তদারকি ও জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।প্রকল্পের সাবেক পরিচালক মো. দেলোয়ার হোসেন অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিক মন্তব্য করতে রাজি হননি। অন্যদিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসি জানান, প্রতিবেদন হাতে পেলে তা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হেফাজতের উদ্যোগে এক হচ্ছে সাত ইসলামি দল, আসছে নতুন জোট?

নেতৃত্ব নিয়ে চলবে আরও আলোচনা / হেফাজতের উদ্যোগে এক হচ্ছে সাত ইসলামি দল, আসছে নতুন জোট?

কওমি ধারার সাতটি ইসলামি রাজনৈতিক দল ভবিষ্যতে একসঙ্গে চলার বিষয়ে নীতিগতভাবে একমত হয়েছে। হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের উদ্যোগে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়া শেষ পর্যন্ত নতুন একটি রাজনৈতিক জোটে রূপ নিতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির ঐতিহ্যবাহী বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।বৈঠকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ইসলামী ঐক্যজোট এবং নেজামে ইসলাম পার্টির তিনজন করে প্রতিনিধি অংশ নেন। হেফাজতের পক্ষ থেকেও জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।সভা শেষে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা সাজিদুর রহমান বলেন, সাতটি দল একসঙ্গে থাকার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে ঐক্যের কাঠামো ও কার্যপদ্ধতি কী হবে, তা শিগগিরই আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হেফাজতের আমির প্রতিটি দলের কাছে লিখিত প্রস্তাব চেয়েছেন। আগামী আগস্টের শুরুতে আরেকটি বৈঠকে ঐক্যের রূপরেখা ও সম্ভাব্য নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা হতে পারে।এদিকে, এই উদ্যোগের ফলে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক জোটে থাকা কয়েকটি কওমি দলের ভবিষ্যৎ অবস্থান নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট নেতারা জানিয়েছেন, বিদ্যমান জোট ছাড়ার বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী বলেন, সম্ভাব্য জোটের নেতৃত্ব রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারাই নির্ধারণ করবেন। হেফাজতের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী সরাসরি রাজনৈতিক জোটের নেতৃত্বে থাকবেন না; তিনি পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দেবেন।অন্যদিকে, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমদ বলেন, বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল ইসলামি দলগুলোর মধ্যে তৈরি হওয়া দূরত্ব কমানো এবং পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টি করা। জোট গঠন বা নেতৃত্ব চূড়ান্ত করার মতো কোনো সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।

হবিগঞ্জে গ্যারেজে আগুনে ৪টি সিএনজি ২াট টমটম সহ প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

মালিকদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ / হবিগঞ্জে গ্যারেজে আগুনে ৪টি সিএনজি ২াট টমটম সহ প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার রতনপুর বাসস্টপ এলাকার একটি গ্যারেজে অগ্নিকাণ্ডে চারটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় গ্যারেজ মালিকদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ চালক।অভিযোগে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে ভাড়ায় অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন মো. আব্দুল আহাদ, মো. জামাল মিয়া, মো. কুদ্দুছ মিয়া, ওয়েব মিয়া ও মো. রাহেদ আলী। প্রতিদিনের মতো তারা রতনপুর বাসস্টপ এলাকার ওই গ্যারেজে নিজেদের গাড়ি পার্কিং করে রাখতেন।ভুক্তভোগীদের দাবি, গ্যারেজের মালিক ইসলাম আলী ও লুৎফুর মিয়া সেখানে ঝুঁকিপূর্ণভাবে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চার্জ দেওয়ার পাশাপাশি ভাঙারি মালামাল ও কাপড়ের জুট সংরক্ষণ করতেন। এতে শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের আশঙ্কা থাকায় একাধিকবার সতর্ক করা হলেও তা আমলে নেওয়া হয়নি। বরং কোনো ক্ষতি হলে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, ১৭ জুলাই ২০২৬ রাত আনুমানিক ২টার দিকে গ্যারেজে আগুন লাগে। ধারণা করা হচ্ছে, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চার্জিং লাইনে শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।এ ঘটনায় গ্যারেজে থাকা ৫টি অটোরিকশা সম্পূর্ণ পুড়ে যায়, যার ফলে প্রায় ১৬ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে হবিগঞ্জ সদর থানা পুলিশও।ক্ষতিগ্রস্ত চালকদের অভিযোগ, আগের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ চাইলে গ্যারেজ মালিকরা তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। পাশাপাশি তাদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন ভুক্তভোগীরা।তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত গ্যারেজ মালিকদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল স্পেন বনাম ফ্রান্স: অনলাইনে লাইভ দেখার সহজ উপায়

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ / বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল স্পেন বনাম ফ্রান্স: অনলাইনে লাইভ দেখার সহজ উপায়

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের দুই পরাশক্তি স্পেন ও ফ্রান্স। বাংলাদেশ সময় বুধবার রাত ১টায় ডালাস স্টেডিয়ামে শুরু হবে বহুল প্রতীক্ষিত এই লড়াই। টেলিভিশনের পাশাপাশি অনলাইনেও সহজেই ম্যাচটি উপভোগ করতে পারবেন দর্শকরা।বাংলাদেশে টফি, বায়োস্কোপ প্লাস এবং মাই রবি অ্যাপের মাধ্যমে ম্যাচটি সরাসরি দেখা যাবে। তবে প্ল্যাটফর্মভেদে নির্দিষ্ট সাবস্ক্রিপশন বা প্যাকেজ সক্রিয় থাকতে হবে।টফিতে যেভাবে দেখবেনটফি অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে 'FIFA World Cup 2026' বিভাগে গেলে স্পেন–ফ্রান্স সেমিফাইনালের লাইভ স্ট্রিম পাওয়া যাবে। মোবাইলের পাশাপাশি ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ থেকেও ওয়েব সংস্করণে খেলা উপভোগ করা যাবে।বায়োস্কোপ প্লাসে লাইভবায়োস্কোপ প্লাস বিশ্বকাপের সব ম্যাচ সম্প্রচার করছে। বিশেষ করে গ্রামীণফোন গ্রাহকদের জন্য প্রয়োজনীয় প্যাকেজ সক্রিয় করে ম্যাচটি দেখা সম্ভব। ম্যাচ শুরুর আগে সাবস্ক্রিপশন চালু আছে কি না, তা যাচাই করে নেওয়া ভালো।মাই রবিতে সরাসরিরবি গ্রাহকেরা মাই রবি অ্যাপের World Cup বা Live Sports বিভাগ থেকে স্পেন–ফ্রান্স সেমিফাইনাল সরাসরি দেখতে পারবেন। প্রয়োজনীয় প্যাকেজ সক্রিয় আছে কি না, তা আগেই নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।ম্যাচ শুরুর ঠিক আগে সার্ভারের চাপ এড়াতে আগেভাগেই অ্যাপ আপডেট, লগইন এবং প্রয়োজনীয় সাবস্ক্রিপশন সম্পন্ন করে রাখা ভালো। এছাড়া নিরবচ্ছিন্ন স্ট্রিমিংয়ের জন্য স্থিতিশীল ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করা জরুরি।নকআউট ম্যাচ হওয়ায় খেলা অতিরিক্ত সময় কিংবা টাইব্রেকারে গড়াতে পারে। তাই পর্যাপ্ত মোবাইল ডাটা বা নিরবচ্ছিন্ন ওয়াই-ফাই সংযোগ রাখার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।স্মার্ট টিভিতে সংশ্লিষ্ট অ্যাপ থাকলে বড় পর্দায় সরাসরি ম্যাচ উপভোগ করা যাবে। অ্যাপ না থাকলে মোবাইল বা ল্যাপটপ থেকে স্ক্রিন কাস্ট করেও খেলা দেখা সম্ভব। নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন সম্প্রচারের জন্য অননুমোদিত লিংকের পরিবর্তে বৈধ স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

৪৫০ কোটির ‘কিং’! শাহরুখের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সিনেমা আসছে

প্রথমবার বড় পর্দায় একসঙ্গে শাহরুখ ও সুহানা খান / ৪৫০ কোটির ‘কিং’! শাহরুখের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সিনেমা আসছে

দীর্ঘ বিরতির পর ‘কিং’ সিনেমার মাধ্যমে আবারও বড় পর্দায় ফিরছেন বলিউড বাদশা শাহরুখ খান। তিন বছর পর নতুন এই অ্যাকশন থ্রিলারে প্রথমবারের মতো তার সঙ্গে অভিনয় করছেন মেয়ে সুহানা খান, যা ইতোমধ্যেই সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে।জানা গেছে, সিনেমাটির শুটিং চলবে প্রায় ১৫০ দিন। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন লোকেশনে দৃশ্যধারণ শেষে চলতি বছরের আগস্টে শুটিং শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর শুরু হবে পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ।রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট-এর ব্যানারে গৌরী খান প্রযোজিত এবং সিদ্ধার্থ আনন্দ পরিচালিত ‘কিং’-এর নির্মাণ বাজেট ধরা হয়েছে ৪৫০ কোটি রুপি। ফলে এটি শাহরুখ খানের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সিনেমাগুলোর একটি। এর আগে ‘জাওয়ান’-এর বাজেট ছিল প্রায় ৪০০ কোটি রুপি এবং ‘পাঠান’ নির্মিত হয়েছিল ৩৫০ কোটি রুপি ব্যয়ে।নির্মাতাদের দাবি, ‘কিং’-এর অ্যাকশন দৃশ্যগুলো আন্তর্জাতিক স্টান্ট টিমের তত্ত্বাবধানে তৈরি হচ্ছে এবং বলিউডে এর আগে এমন ভিজ্যুয়াল অ্যাকশন খুব কমই দেখা গেছে।সিনেমাটির নাম নিয়েও রয়েছে ভিন্ন গল্প। একসময় প্রযোজক সাজিদ নাদিয়াদওয়ালা একই নামে একটি সিনেমা নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিলেন। পরে সেই নামের স্বত্ব রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট অধিগ্রহণ করে।পারিবারিক আবহের এই অ্যাকশন থ্রিলারে শাহরুখ ও সুহানার পাশাপাশি অভিনয় করছেন দীপিকা পাড়ুকোন, অভিষেক বচ্চন, রানী মুখার্জি, অনিল কাপুর এবং জ্যাকি শ্রফ। সবকিছু ঠিক থাকলে বহুল প্রতীক্ষিত ‘কিং’ আগামী ২৪ ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী মুক্তি পাবে।

অনলাইন জরিপ
২৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !