রোববার, ৩১ মে ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
দেশের সামনে কঠিন সময় অপেক্ষা করছে: তারেক রহমান

কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপির আলোচনা

দেশের সামনে কঠিন সময় অপেক্ষা করছে: তারেক রহমান

তারেক রহমান বলেছেন, দেশের সামনে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে এবং এ সময়ে দায়িত্বশীলভাবে কাজ না করলে দেশের ক্ষতি হতে পারে।রোববার (৩১ মে) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিএনপির এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশ গঠনের চেষ্টা করেছিলেন, বর্তমান নেতৃত্বকেও সেই পথ অনুসরণ করা উচিত।তারেক রহমান আরও বলেন, মানুষ তাদের কাছেই প্রত্যাশা করে, যাদের কাছ থেকে তারা সমাধান ও সহায়তা পেতে পারে। কঠোর পরিশ্রম ও সততার মাধ্যমে জিয়াউর রহমান দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছিলেন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।তিনি বলেন, বর্তমানে সমাজে সামাজিক, ধর্মীয় ও পারিবারিক মূল্যবোধের ঘাটতি দেখা যাচ্ছে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। এ বিষয়ে তথ্য ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।সভায় তিনি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও সততার পথ অনুসরণ করে দেশ গঠনের আহ্বান জানান।

দেশের সামনে কঠিন সময় অপেক্ষা করছে: তারেক রহমান

কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে বিএনপির আলোচনা / দেশের সামনে কঠিন সময় অপেক্ষা করছে: তারেক রহমান

তারেক রহমান বলেছেন, দেশের সামনে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে এবং এ সময়ে দায়িত্বশীলভাবে কাজ না করলে দেশের ক্ষতি হতে পারে।রোববার (৩১ মে) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিএনপির এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। জিয়াউর রহমান যেভাবে দেশ গঠনের চেষ্টা করেছিলেন, বর্তমান নেতৃত্বকেও সেই পথ অনুসরণ করা উচিত।তারেক রহমান আরও বলেন, মানুষ তাদের কাছেই প্রত্যাশা করে, যাদের কাছ থেকে তারা সমাধান ও সহায়তা পেতে পারে। কঠোর পরিশ্রম ও সততার মাধ্যমে জিয়াউর রহমান দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছিলেন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।তিনি বলেন, বর্তমানে সমাজে সামাজিক, ধর্মীয় ও পারিবারিক মূল্যবোধের ঘাটতি দেখা যাচ্ছে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। এ বিষয়ে তথ্য ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।সভায় তিনি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও সততার পথ অনুসরণ করে দেশ গঠনের আহ্বান জানান।

জিয়াউর রহমানই প্রথম বিদেশে শ্রমিক পাঠান: ফজলুল হক মিলন

বিএনপির আলোচনা সভা / জিয়াউর রহমানই প্রথম বিদেশে শ্রমিক পাঠান: ফজলুল হক মিলন

গাজীপুরের কালীগঞ্জে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে বক্তব্য দিয়েছেন গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব একেএম ফজলুল হক মিলন।রোববার বিকেলে উপজেলা অডিটোরিয়ামে কালীগঞ্জ উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান অল্প সময় দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলেও দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন।ফজলুল হক মিলন বলেন, জিয়াউর রহমান প্রথম বিদেশে শ্রমিক পাঠানোর উদ্যোগ নেন এবং রপ্তানিমুখী অর্থনীতির ভিত্তি গড়ে তোলেন। কৃষি, গার্মেন্টস শিল্প ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রে তাঁর অবদান বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।তিনি আরও বলেন, ১৯৮১ সালের এই দিনে একদল বিপথগামী সেনা সদস্যের হাতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিহত হন। তাঁর মৃত্যু দেশের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করেছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. হুমায়ুন কবির মাস্টারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব খালেকুজ্জামান বাবলু এবং পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মোহাম্মদ হোসেন আরমান মাস্টার। এছাড়া স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। আলোচনা সভা শেষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, আরাফাত রহমান কোকোসহ দেশের কল্যাণ কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

চারঘাটে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে যুবতীর অনশন, পরিবার নিয়ে উধাও

বিয়ের আশ্বাসে প্রতারণার অভিযোগ / চারঘাটে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে যুবতীর অনশন, পরিবার নিয়ে উধাও

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার ইউসুফপুর এলাকায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন শুরু করেছেন এক যুবতী। রোববার (৩১ মে) দুপুর থেকে তিনি অভিযুক্ত যুবক তাইজুল ইসলামের বাড়িতে অবস্থান নেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত তাইজুল ইসলাম ইউসুফপুর গ্রামের আব্দুল হালিমের ছেলে। যুবতীর অভিযোগ, প্রায় ১০ মাস আগে মাদ্রাসায় পড়াশোনার সময় তাদের পরিচয় হয় এবং পরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাইজুল তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন বলে দাবি করেন তিনি।ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, রোববার তাদের বিয়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই তাইজুল মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেন। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একটি সালিশী বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও বিয়ের বিষয়ে কোনো সমাধান হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।এ ঘটনার পর অভিযুক্ত যুবক ও তার পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে তালা দিয়ে অন্যত্র চলে গেছেন বলে স্থানীয়দের দাবি।যুবতী অভিযোগ করেন, বর্তমানে তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি না পাওয়া পর্যন্ত তিনি আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।স্থানীয় সালিশ কমিটির সভাপতি আফাজ উদ্দিন মণ্ডল জানান, বিষয়টি সমাধানের জন্য উভয় পক্ষকে নিয়ে আলোচনা করা হলেও কোনো সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। তিনি মেয়ের পরিবারকে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।ভুক্তভোগী যুবতীর খালা মোসাঃ মুনিয়া জানান, ছেলের পরিবারের পক্ষ থেকে বিয়ের বিষয়ে পাঁচ দিনের সময় চাওয়া হয়েছে। এ কারণে আপাতত মামলা করা হয়নি। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমাধান না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এ বিষয়ে আইনজীবী রজব আলী বলেন, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ তদন্ত ও আদালতে প্রমাণিত হলে তা আইনগতভাবে গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তদন্ত ও আদালতের রায়ের ওপর নির্ভর করবে। চারঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল মালেক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি পুলিশ অবগত রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

গোপালগঞ্জে ব্রাজিলকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিল আর্জেন্টিনা দর্শকদের উচ্ছ্বাস

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা প্রতীকী ম্যাচ / গোপালগঞ্জে ব্রাজিলকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিল আর্জেন্টিনা দর্শকদের উচ্ছ্বাস

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের উন্মাদনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে এক ব্যতিক্রমধর্মী প্রতীকী ফুটবল ম্যাচ। রোববার (৩১ মে) উপজেলার পারুলিয়া স্কুল মাঠে আয়োজিত ম্যাচে ব্রাজিলকে ৩-০ গোলে পরাজিত করেছে আর্জেন্টিনা।খেলাকে ঘিরে এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের পাশাপাশি আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত দর্শক মাঠে এসে খেলা উপভোগ করেন।রাবেয়া-মোদাচ্ছের ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এই ম্যাচে দেশের খ্যাতনামা ফুটবলারদের পাশাপাশি কয়েকজন বিদেশি খেলোয়াড়ও অংশ নেন। ফলে গ্রামীণ পরিবেশের মাঠে তৈরি হয় আন্তর্জাতিক মানের ফুটবল লড়াইয়ের আবহ।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেলিমুজ্জামান সেলিম। এছাড়া জেলার বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তি, ক্রীড়া সংগঠক ও ফুটবলপ্রেমীরা উপস্থিত থেকে খেলা উপভোগ করেন।রাবেয়া-মোদাচ্ছের ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মফিজুর রহমান বলেন, আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি এবং আনন্দ ছড়িয়ে দিতেই এই আয়োজন করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এমন ক্রীড়া আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

নায়িকা হওয়ার চিন্তা ছিল না: অপু বিশ্বাসের শৈশবের অজানা গল্প

স্কুলজীবনের স্মৃতি শেয়ার / নায়িকা হওয়ার চিন্তা ছিল না: অপু বিশ্বাসের শৈশবের অজানা গল্প

ঢালিউড কুইনখ্যাত অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস জানিয়েছেন, তিনি কখনও নায়িকা হওয়ার কথা ভাবেননি। ছোটবেলায় তার স্বপ্ন ছিল একজন নৃত্যশিল্পী হিসেবে নাচের মাধ্যমে ভালো কিছু করা।এশিয়া পোস্টের ঈদুল আজহার বিনোদন আয়োজন ‘এপি স্টার’-এ এসে তিনি তার শৈশব ও ব্যক্তিগত জীবনের নানা অজানা কথা তুলে ধরেন।অপু বিশ্বাস বলেন, ছোটবেলা থেকেই তিনি নাচ করতেন এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিতেন। তবে নায়িকা হওয়ার মতো কোনো পরিকল্পনা তার ছিল না। বরং নাচের মাধ্যমেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন।তিনি আরও জানান, আলাদা গেটআপ ও মেকআপের কারণে ছোটবেলায় বন্ধু ও প্রতিবেশীরা তাকে ‘নায়িকা’ বলে ডাকত, যা তাকে আলাদা অনুভব করাত। তবে এটি কখনও ভবিষ্যতের লক্ষ্য হিসেবে কাজ করেনি।সিনেমা দেখা নিয়েও নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে অপু বলেন, সিনেমায় আসার আগে খুব বেশি সিনেমা দেখা হয়নি, মায়ের সঙ্গে একবার হলে গিয়ে সিনেমা দেখেছিলেন।শৈশবের খেলাধুলা ও পড়াশোনা নিয়ে তিনি বলেন, নাচ শেখা ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের কারণে খেলাধুলার সময় খুব কম পেতেন। স্কুলজীবনে তিনি ছিলেন দায়িত্বশীল ও প্রতিবাদী ছাত্রী হিসেবে পরিচিত।তিনি জানান, ক্লাস ক্যাপ্টেন থাকাকালীন স্কুলের বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও পরিকল্পনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখতেন এবং স্যারদের সঙ্গে মিলে নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন করতেন।অপু বিশ্বাস আরও বলেন, তিনি ক্লাস ফাইভে বৃত্তি পেয়েছিলেন এবং পড়াশোনায় মোটামুটি ভালো ছিলেন।শৈশবের স্মৃতি তুলে ধরে তিনি জানান, ছোটবেলায় তাকে অনেকে ছেলে ভেবে ডাকত এবং তিনি নিজেও ছিলেন বেশ ডানপিটে স্বভাবের। তবে কখনও স্কুল পালানো বা বড় ধরনের শাস্তির মুখোমুখি হননি।ঢালিউডের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী জানান, শৈশব ও কৈশোর কেটেছে বগুড়ায়। পরে নৃত্যশিল্পী হিসেবে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে ধীরে ধীরে চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ করেন।

অনলাইন জরিপ
২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৪ পিএম
সরকার ও বিরোধী দলকে জ্বালানি খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করা উচিত বলে মনে করেন অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

সরকার ও বিরোধী দলকে জ্বালানি খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করা উচিত বলে মনে করেন অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !