বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
এনসিপির গাড়িবহরে হামলা: ছাত্রদল সভাপতি সহ ১০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

এনসিপির গাড়িবহরে হামলা: ছাত্রদল সভাপতি সহ ১০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগনকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় ছাত্রদলের আরও কয়েকজন নেতার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা প্রায় ১০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। হামলার ঘটনার পর থেকেই হবিগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করলেও দিনভর নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।বুধবার (২৯ জুলাই) রাতে বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদের কাছে এজাহার জমা দেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা। মামলার বাদী হয়েছেন হবিগঞ্জ জেলা যুবশক্তির আহ্বায়ক তন্ময় তাহের।এজাহারে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগনকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়া হবিগঞ্জ বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান রিয়াদসহ মোট ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতপরিচয় আরও প্রায় ১০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরের টাউন হল এলাকায় এনসিপির পথসভা শেষে কেন্দ্রীয় নেতারা সার্কিট হাউসের উদ্দেশে রওনা দিলে তাদের গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার সময় উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা গাড়িতে ছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে তারা শহরের সোনালী ব্যাংকের প্রধান শাখায় আশ্রয় নেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের উদ্ধার করে নিরাপদে সার্কিট হাউসে নিয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ একটি সাউন্ড গ্রেনেডও নিক্ষেপ করে।হামলার পর এনসিপি অভিযোগ করে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে সমালোচনামূলক বক্তব্য দেওয়ার জেরেই পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। সারজিস আলম অভিযোগ করেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও হুইপ জি কে গউছের অনুসারী এবং ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এ হামলার সঙ্গে জড়িত।হামলায় জেলা এনসিপির সদস্যসচিব মাহবুবুল বারী চৌধুরী মুবিনের হাত ভেঙে যায়। গুরুতর আহত হন কর্মী আলিফ আহমেদ। তার একটি চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রথমে সিলেটে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে রাজধানীর জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। এছাড়া সারজিস আলম নিজেও হাতে আঘাত পান বলে জানান।হামলার প্রতিবাদে বুধবার হবিগঞ্জে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করে এনসিপি। অন্যদিকে তারেক রহমানকে নিয়ে 'মিথ্যাচারের' অভিযোগ তুলে পৃথক কর্মসূচির ডাক দেয় জেলা ছাত্রদল, যুবদল ও পৌর বিএনপি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক জালাল আহমেদ এবং সদস্য সচিব শফিকুর রহমান সিতুসহ বিভিন্ন নেতার কর্মসূচির ঘোষণা ছড়িয়ে পড়ে। একই সময়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মীকেও বিভিন্ন পোস্ট দিতে দেখা যায়।দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিলে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. জি এম সরফরাজ হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি করেন।বুধবার সকাল থেকেই টাউন হল, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, সদর মডেল থানা, আদালত এলাকা, চৌধুরীবাজার, কালীবাড়ি রোড, রাজনগর, শায়েস্তানগরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর সদস্যদেরও দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়।এদিকে বিকেলে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জে প্রবেশের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তবে দুই জেলার মধ্যবর্তী সাতগাঁও এলাকায় পুলিশ তাদের গাড়িবহর আটকে দেয়।পরে নেতাকর্মীরা সড়কে অবস্থান নিলে পুলিশের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই সড়কে বসে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা। এ সময় হাসনাত আব্দুল্লাহ অভিযোগ করেন, পুলিশ নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন না করে বিএনপির পক্ষে কাজ করছে।পরে সন্ধ্যার দিকে এনসিপির নেতারা পুলিশের ব্যারিকেড অতিক্রম করে হবিগঞ্জে প্রবেশের চেষ্টা করলে কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদ। বৈঠক শেষে এনসিপির পক্ষ থেকে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহার পুলিশের কাছে জমা দেওয়া হয়।এজাহার জমা দেওয়ার পর রাতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, "রাতের মধ্যেই যদি হামলার সঙ্গে জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়, তাহলে আমরা ধরে নেব দেশে অন্তত কিছুটা হলেও আইনের শাসন রয়েছে। আর যদি কাউকে গ্রেপ্তার না করা হয়, তাহলে আমরা ধরে নেব এটি একটি মাফিয়া সরকার।"এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা বহাল রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকায় আসছেন মার্কিন দূত সার্জিও গোর

রোহিঙ্গা ক্যাম্পেও যাবেন / বৃহস্পতিবার ঢাকায় আসছেন মার্কিন দূত সার্জিও গোর

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পর্যালোচনা করতে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ঢাকায় আসছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোর।বুধবার (২৯ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।সফরকালে সার্জিও গোর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। পাশাপাশি সরকারের কয়েকজন মন্ত্রীর সঙ্গেও তার বৈঠক হতে পারে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।ঢাকা সফরের অংশ হিসেবে সার্জিও গোর কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন। এছাড়া দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে।বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রভাবশালী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের কোনো কর্মকর্তার এটিই প্রথম ঢাকা সফর বলে জানা গেছে।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফর এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তির সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ বাড়ার প্রেক্ষাপটে সার্জিও গোরের সফরকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা। বিশ্লেষকদের মতে, সফরে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি, আঞ্চলিক ভারসাম্য ও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হতে পারে। অন্যদিকে বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরা হতে পারে।

কাশিয়ানীতে আওয়ামী লীগের তিন নেতার পদত্যাগের ঘোষণা

ব্যস্ততার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ / কাশিয়ানীতে আওয়ামী লীগের তিন নেতার পদত্যাগের ঘোষণা

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের তিন নেতা দলীয় পদ ও প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে কাশিয়ানী প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেন।পদত্যাগকারী নেতারা হলেন রাতইল ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম, একই ওয়ার্ডের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. বদরুল ইসলাম এবং কার্যনির্বাহী সদস্য মো. নয়ন মোল্যা।সংবাদ সম্মেলনে মো. শফিকুল ইসলাম জানান, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি স্বেচ্ছায় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব ও দলীয় সদস্যপদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। ভবিষ্যতে কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ডে যুক্ত হবেন না বলেও তিনি জানান।এদিকে মো. বদরুল ইসলাম ও মো. নয়ন মোল্যা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতা ও ব্যবসায়িক ব্যস্ততার কারণে তারা দলীয় কার্যক্রমে সক্রিয় থাকতে পারেননি। এ কারণে স্বেচ্ছায় নিজ নিজ পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।তারা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে দলীয় দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচয়ে রেল কারখানায়, সৈয়দপুরে ২ জন আটক

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পুলিশে সোপর্দ / প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচয়ে রেল কারখানায়, সৈয়দপুরে ২ জন আটক

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা পরিচয়ে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) এর সঙ্গে দেখা করতে আসা দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার ২ নম্বর গেট সংলগ্ন ওয়েলফেয়ার কার্যালয় থেকে তাদের আটক করা হয়। পরে তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।আটক ব্যক্তিরা হলেন— রাজবাড়ী জেলার ঝড়ু মন্ডলের ছেলে আনন্দ মন্ডল (৪৫) এবং বরিশালের সামসুল হকের ছেলে মাসুম বিল্লাহ সাজিদ (৩০)।আটকের পর আনন্দ মন্ডল নিজেকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অথৈ এন্টারপ্রাইজের চেয়ারম্যান এবং মাসুম বিল্লাহ সাজিদকে মেসার্স এম নুরুদ্দিন কোম্পানির অ্যাকাউন্টস ম্যানেজার হিসেবে পরিচয় দেন।ঘটনার সূত্রে জানা যায়, আনন্দ মন্ডল সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার ডিএস শাহ সুফী নুর মুহাম্মদের মোবাইলে ফোন করে নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে আসা ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় দেন। পরে ডিএস কারখানার ২ নম্বর গেটের পাশে ওয়েলফেয়ার অফিসে গিয়ে তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।সেসময় কারখানায় শ্রমিক কল্যাণ ট্রাস্টের প্রতিনিধি নির্বাচন চলছিল। তাই ডিএস তাদের নিজ কার্যালয়ে না নিয়ে ওয়েলফেয়ার অফিসে বসেন বলে জানা গেছে।এদিকে ওয়েলফেয়ার অফিসে ডিএসের সঙ্গে দুই ব্যক্তিকে কথা বলতে দেখে উপস্থিত কয়েকজন তাদের পরিচয় জানতে চান। একপর্যায়ে তাদের পরিচয় নিয়ে সন্দেহ তৈরি হলে সেখানে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।পরে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময় আনন্দ মন্ডল নিজেকে ব্যবসায়ী ও ঠিকাদার হিসেবে পরিচয় দেন এবং জানান, কারখানায় ব্যবসায়িক বিষয়ে আলোচনার জন্য ডিএসের সঙ্গে দেখা করতে এসেছেন।জেলা বিএনপির নেতাদের উপস্থিতিতে আনন্দ মন্ডল রাজবাড়ী জেলা বিএনপির আহ্বায়কের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলিয়ে দেন। তবে তিনি ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত হলেও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কেউ নন বলে জানানো হয়।এ সময় জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আরমান হোসেন দাবি করেন, এর আগেও পার্বতীপুর রেলওয়ের কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানায় (কেলোকা) আনন্দ মন্ডল ভিন্ন পরিচয় দিয়েছিলেন। পরে তার পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।পরে স্থানীয়রা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দুইজনকে সৈয়দপুর থানায় নিয়ে যায়।আনন্দ মন্ডল জানান, তিনি রেলওয়ের ঠিকাদারি কাজের বিষয়ে আলোচনার জন্য সৈয়দপুরে এসেছেন। তিনি দাবি করেন, তার আওয়ামী লীগের সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা নেই এবং বিএনপির অনেক নেতাই তাকে চেনেন।প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, কারখানায় নতুন ক্যারেজ শপ স্থাপন সংক্রান্ত কাজের বিষয়েই ডিএসের সঙ্গে কথা বলতে এসেছিলেন।অন্যদিকে মাসুম বিল্লাহ সাজিদ জানান, তিনি কোম্পানির নির্দেশে আনন্দ মন্ডলের সঙ্গে এসেছেন। এর আগে কখনো সৈয়দপুরে আসেননি বলেও দাবি করেন তিনি।সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার ডিএস শাহ সুফী নুর মুহাম্মদ বলেন, আনন্দ মন্ডল পূর্ব পরিচিত একজন ঠিকাদার। তবে তিনি ফোনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লোক পরিচয় দেওয়ায় বিষয়টি ভিন্নভাবে দেখা হয়েছে। পরে পরিস্থিতির কারণে পুলিশ তাদের নিয়ে গেছে।সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা জানান, পরিস্থিতি শান্ত রাখতে তাদের থানায় আনা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি যাচাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ব্রাজিলের জার্সিকে বিদায় জানালেন নেইমার শেষ হলো ১৬ বছরের অধ্যায়

৮০ গোলের রেকর্ড নিয়ে বিদায় নেইমারের / ব্রাজিলের জার্সিকে বিদায় জানালেন নেইমার শেষ হলো ১৬ বছরের অধ্যায়

বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায়ের পর দেওয়া ইঙ্গিত এবার আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন নেইমার। ব্রাজিলিয়ান এই তারকা জানিয়েছেন, জাতীয় দলের হয়ে তার পথচলা শেষ হয়েছে। তবে পেশাদার ফুটবল চালিয়ে যাবেন তিনি।মঙ্গলবার কোপা সুদামেরিকানার প্লে-অফ ম্যাচে ইউনিভার্সিদাদ সেন্ট্রালকে ৪-২ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করে সান্তোস। ম্যাচ শেষে ২০৩০ বিশ্বকাপে খেলার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জাতীয় দল ছাড়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান নেইমার।তিনি বলেন, “জাতীয় দলের সঙ্গে আমার অধ্যায় শেষ। সেখানে আমি ইতিহাস গড়েছি এবং খুব সুখী ছিলাম। হলুদ জার্সির জন্য নিজের সবকিছু দিয়েছি। কিন্তু এখন আর চালিয়ে যেতে চাই না।”এর আগে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিদায় নেয় ব্রাজিল। সেই ম্যাচে বদলি হিসেবে নেমে যোগ করা সময়ে পেনাল্টি থেকে দলের একমাত্র গোলটি করেছিলেন নেইমার। ম্যাচ শেষে আবেগাপ্লুত হয়ে জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি।নেইমারের বাবা তাকে খেলা চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করায় তার জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছিল। তবে এবার নিজেই সব জল্পনার অবসান ঘটালেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড।২০১০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ব্রাজিলের জার্সিতে অভিষেক হয় নেইমারের। ১৬ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ১৩০ ম্যাচে তিনি করেছেন ৮০ গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন ৫৮টি গোল।ব্রাজিলের পুরুষ ফুটবল দলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবেই বিদায় নিচ্ছেন নেইমার। জাতীয় দলের হয়ে তিনি ২০১৩ সালের কনফেডারেশনস কাপ ও ২০১৬ রিও অলিম্পিকের স্বর্ণপদক জিতেছেন।তবে বিশ্বকাপ ও কোপা আমেরিকার শিরোপা জয়ের স্বপ্ন অপূর্ণই রয়ে গেছে তার। জাতীয় দলকে বিদায় জানালেও ক্লাব ফুটবলে সান্তোসের হয়ে খেলা চালিয়ে যাবেন নেইমার। ক্লাবটির সঙ্গে তার বর্তমান চুক্তি চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত রয়েছে।

১০০ মিলিয়ন ক্লাবে ধ্রুব গুহর ‘যে পাখি ঘর বোঝেনা’

সাফল্যে যোগ হলো নতুন অধ্যায় / ১০০ মিলিয়ন ক্লাবে ধ্রুব গুহর ‘যে পাখি ঘর বোঝেনা’

জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ধ্রুব গুহর আলোচিত গান ‘যে পাখি ঘর বোঝেনা’ ইউটিউবে ১০০ মিলিয়ন বা ১০ কোটি ভিউয়ের মাইলফলক অর্জন করেছে।২০১৫ সালের ১৮ জুলাই ইউটিউবে প্রকাশের পর থেকেই গানটি শ্রোতাদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। এক দশক পেরিয়েও গানটির আবেদন কমেনি; বরং নতুন প্রজন্মের শ্রোতাদের কাছেও এটি সমানভাবে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছে।দীর্ঘ সময় ধরে শ্রোতাদের ভালোবাসা ধরে রেখে অবশেষে গানটি ইউটিউবের ১০০ মিলিয়ন ভিউয়ের বিশেষ ক্লাবে জায়গা করে নিয়েছে।‘যে পাখি ঘর বোঝেনা’ গানটির কথা ও সুর করেছেন প্লাবন কোরেশি। সংগীতায়োজন করেছেন তরিক আল ইসলাম। শুভব্রত সরকারের পরিচালনায় নির্মিত গল্পনির্ভর মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করেছেন তারেক ও তারিন। পাশাপাশি ধ্রুব গুহর উপস্থিতিও দর্শকদের নজর কেড়েছে।এই অর্জন নিয়ে ধ্রুব গুহ বলেন, “একটি গান যখন বছরের পর বছর মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকে, একজন শিল্পীর জন্য এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কিছু হতে পারে না। দেশ-বিদেশের সব বাংলাভাষী শ্রোতার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।”তিনি আরও বলেন, এই সাফল্য শুধু তার একার নয়, বরং গানটির সঙ্গে যুক্ত সব কলাকুশলীর। বাংলা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ১০০ মিলিয়ন ভিউ অতিক্রম করা গানের সংখ্যা এখনো সীমিত। সেই তালিকায় ‘যে পাখি ঘর বোঝেনা’র যুক্ত হওয়া বাংলা গানের আন্তর্জাতিক ডিজিটাল অঙ্গনে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

অনলাইন জরিপ
২৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !