পরিবেশ সুরক্ষায় সেন্ট মার্টিন দ্বীপ-এ পর্যটন নিয়ন্ত্রণের অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু।বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জার্মানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে-কে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ তথ্য জানান।মন্ত্রী বলেন, দ্বীপটির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে পর্যটন নিয়ন্ত্রণ অত্যাবশ্যক। বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণায় দেখা গেছে, বছরে ৯ মাস পর্যটন বন্ধ রাখার ফলে দ্বীপের পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন সর্বোচ্চ দুই হাজার পর্যটক সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ভ্রমণের সুযোগ পান। আর পর্যটনের প্রভাবে সৃষ্ট ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ফেব্রুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত টানা ৯ মাস দ্বীপে পর্যটন সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়।এই সময়ের মধ্যে দ্বীপটি প্রাকৃতিকভাবে তার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধারের সুযোগ পায় বলে জানান পরিবেশমন্ত্রী। তার মতে, এই নীতির ফলে ইতোমধ্যে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে এবং এ বিষয়ে সরেজমিনে বৈজ্ঞানিক গবেষণাও হয়েছে।তিনি আরও বলেন, তিন মাসের বেশি সময় পর্যটন চালু থাকলে দ্বীপটির অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়তে পারে। তাই উন্মুক্ত সাগরের বুকে বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হিসেবে এর প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় বর্তমান ব্যবস্থা চালু রাখা জরুরি। তবে এ সিদ্ধান্ত নিয়ে ভিন্নমতও রয়েছে। দ্বীপের স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করছেন, পর্যটন সীমিত হওয়ায় তাদের প্রধান আয়ের উৎস ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে স্থানীয় অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং অনেক পরিবার আর্থিক সংকটে পড়েছে।