শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
চেকপোস্ট
‘স্বৈরাচার ও গুপ্ত আবারও এক হয়েছে’: তারেক রহমান

অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক বক্তব্য

‘স্বৈরাচার ও গুপ্ত আবারও এক হয়েছে’: তারেক রহমান

স্বৈরাচার ও ‘গুপ্ত দল’ আবারও এক হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, অতীতেও তারা স্বৈরাচারের সঙ্গে তলে তলে একসঙ্গে ছিল। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে ফেনীর ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাইস্কুল মাঠে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ এবং মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর ফেনী সফর ও কর্মসূচির বিষয়টি সরকারি ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে। তারেক রহমান বলেন, গত ১৭ বছর বিএনপির নেতাকর্মীরা যখন জুলুম-নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তখন সমালোচিত ওই রাজনৈতিক গোষ্ঠী কোথায় ছিল—এ প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর দাবি, ওই গোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থ ও ক্ষমতায় যাওয়ার লক্ষ্যেই রাজনীতি করে।তিনি আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচনের আগে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি ও বক্তব্যের মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে। দেশে অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির যে কোনো প্রচেষ্টার বিষয়ে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি দেশের উন্নয়নের রাজনীতি করে। তাঁর বক্তব্যে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বন্ধ কলকারখানা চালু এবং বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।ফেনী সফরে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ করা হয়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ফুলগাজীতে ৫১০ জন ফ্যামিলি কার্ড এবং পুরো ফেনী জেলায় ৭ হাজার ৬৪৩ জন কৃষক কার্ড পাওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া ফুলগাজীর ২৩৮ জন ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও পুরোহিতকে সম্মানি দেওয়ার কর্মসূচি ছিল। অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী ভার্চুয়ালি দেশের ৭৭টি উপজেলায় কৃষি ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

৪৫৯২ জনবলের সাইবার পুলিশ ইউনিট! এবার এক ছাতার নিচে সাইবার অপরাধ দমন

অতিরিক্ত আইজিপির নেতৃত্বে সদর দপ্তর / ৪৫৯২ জনবলের সাইবার পুলিশ ইউনিট! এবার এক ছাতার নিচে সাইবার অপরাধ দমন

সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় ৪ হাজার ৫৯২ জনবলের বিশেষায়িত সাইবার পুলিশ ইউনিট গঠন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সাইবার পুলিশ ইউনিটের ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নতুন ইউনিটের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন একজন অতিরিক্ত আইজিপি। বিভাগীয় ও সদর দপ্তর পর্যায়ে ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজি এবং জেলা পর্যায়ে পুলিশ সুপার পর্যায়ের কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করবেন। থানায় ইউনিটটির জন্য পৃথক সাব-ইন্সপেক্টর, এএসআই ও কনস্টেবল থাকবে।অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী নতুন ইউনিটে মোট ৪ হাজার ৫৯২ জন জনবল নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের বিদ্যমান জনবল থেকে সদস্য নিয়ে কার্যক্রম শুরু করা হবে। পরে নিয়োগের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ জনবল গঠন করা হবে।নতুন সাইবার পুলিশ ইউনিটে বিভিন্ন প্রযুক্তি ও অপরাধ বিশ্লেষণ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ নিয়োগের সুযোগ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সাইবার সিকিউরিটি এক্সপার্ট, ফিন্যান্সিয়াল ডেটা অ্যানালিস্ট, ক্রিপ্টো অ্যানালিস্ট, ম্যালওয়্যার অ্যানালিস্ট, ডার্ক ওয়েব অ্যানালিস্ট, নেটওয়ার্ক অ্যাডমিনিস্ট্রেটর, ডিজাস্টার রিকভারি এক্সপার্ট ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যানালিস্ট।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, প্রয়োজন অনুযায়ী বিশেষজ্ঞদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া যাবে। তাদের বেতন-ভাতার কাঠামো নিয়মিত পুলিশ সদস্যদের তুলনায় আলাদা হবে। পুলিশের মধ্যেও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষ ও প্রশিক্ষণে আগ্রহী সদস্যদের নতুন ইউনিটে যুক্ত করা হবে।উপযুক্ত কর্মকর্তাদের দেশে ও বিদেশে উচ্চতর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও থাকবে বলে জানান তিনি।সাইবার সিকিউরিটি আইন আরও আধুনিকায়নের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।তিনি বলেন, আইন সংশোধনের বিষয়ে সাংবাদিক, সম্পাদক ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে একাধিকবার মতবিনিময় হয়েছে। ভবিষ্যতেও সংশ্লিষ্টদের মতামত নেওয়া হবে।নতুন আইনে সাইবার অপরাধগুলো আরও সুনির্দিষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং আইনের অপপ্রয়োগে নিরপরাধ ব্যক্তিদের হয়রানি বন্ধের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগে সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট বিচ্ছিন্নভাবে কাজ করত। এতে সমন্বয়হীনতা তৈরি হতো। নতুন ইউনিটের মাধ্যমে এসব কার্যক্রমকে একটি সংগঠিত কাঠামোর আওতায় আনা হবে।নতুন কাঠামোয় ঢাকায় সদর দপ্তর অতিরিক্ত আইজিপির নেতৃত্বে পরিচালিত হবে। বিভাগীয় পর্যায়ে ডিআইজি এবং জেলা পর্যায়ে এসপি পর্যায়ের কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করবেন। থানায় ইন্সপেক্টরের নেতৃত্বে সাব-ইন্সপেক্টর, এএসআইসহ অন্যান্য সদস্য কাজ করবেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সাইবার-সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ড বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফরেনসিক ও ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার আরও বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। মাদক, জুয়া, সন্ত্রাস, মানি লন্ডারিং ও আর্থিক অপরাধ মোকাবিলাতেও ডিজিটাল ও ফরেনসিক ল্যাবের প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে বলে জানান তিনি।

‘বিএনপির পায়ের নিচে মাটি নেই’, সাদিক কায়েম

বঞ্চনার অভিযোগ ডাকসুর / ‘বিএনপির পায়ের নিচে মাটি নেই’, সাদিক কায়েম

বিএনপি জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে দাবি করে দলটির সমালোচনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। তিনি বলেছেন, ‘বিএনপির পায়ের নিচে আর মাটি নেই।’ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ৪৯তম বিসিএসের চূড়ান্ত গেজেট থেকে ৫৭ জন বাদ পড়ার প্রতিবাদে ডাকসুর বিক্ষোভ মিছিল শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। সাদিক কায়েম বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিএনপি জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং এ কারণেই দলটি অস্বাভাবিক আচরণ করছে বলে তিনি মনে করেন।তিনি আরও অভিযোগ করেন, সংবিধানের ২৯ নম্বর ধারার সমান সুযোগের নীতি উপেক্ষা করে রাজনৈতিক বিবেচনায় বিরোধী মতাদর্শের শিক্ষার্থীদের চাকরি থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি, সার সংকট ও লোডশেডিং নিয়েও সরকারের সমালোচনা করেন তিনি। ডাকসুর এজিএস মহিউদ্দিন খানও বিভিন্ন নিয়োগে দলীয়করণের অভিযোগ তুলে চাকরির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয়ের পরিবর্তে মেধাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান।এর আগে ৪৯তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষার চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়। পিএসসির সুপারিশপ্রাপ্ত ৬৬৮ জনের মধ্যে ৬১১ জনকে বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অর্জনকারীসহ ৫৭ জনের নাম চূড়ান্ত গেজেটে রাখা হয়নি। বাদ পড়ার নির্দিষ্ট কারণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ও ছাত্রসংসদের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

নাসিরনগরে উঠান বৈঠকের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করলেন শাহ আলম পাঠান

নাসিরনগরে উঠান বৈঠকের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করলেন শাহ আলম পাঠান

ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার নাসিরনগর উপজেলার চাতলপাড় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে উঠান বৈঠকের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শাহ আলম পাঠান।শুক্রবার (২ অক্টোবর) চাতলপাড় ইউনিয়নের গুজিয়াখাইল চকবাজার এলাকায় আয়োজিত এ উঠান বৈঠকে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল।আশরাফ উদ্দিন নুরু মাস্টারের সভাপতিত্বে এবং নুরুল আমিন পাঠানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে বক্তব্য দেন সাবেক এমপি এস এম শাফি মাহমুদ, সাবেক মেম্বার শিশু ভুঁইয়া, বর্তমান মেম্বার খায়রুল ইসলাম পাঠান, মাওলানা শেখ আব্দুল্লাহ, ইদ্রিস আলী মিয়া, বাচ্চু ভুঁইয়া, সিরাজ মিয়া, হায়দার মিয়া, খসরু মিয়া, আলতাব হোসেন পাঠান মাস্টার, আলমগীর পাঠান ও বশির আহমেদসহ আরও অনেকে।বক্তারা শাহ আলম পাঠানের সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরে তাঁর পক্ষে বক্তব্য দেন। তাঁরা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি এলাকার অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোসহ বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে তিনি এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।শাহ আলম পাঠান নাসিরনগর উপজেলার চাতলপাড় ইউনিয়নের গুজিয়াখাইল এলাকার বাসিন্দা। তিনি নাসিরনগর উপজেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব ও ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।উঠান বৈঠকে শাহ আলম পাঠান বলেন, চাতলপাড় ইউনিয়নের অনেক এলাকার রাস্তাঘাট দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। সামান্য বৃষ্টিতেই কাঁচা সড়কগুলো চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এ ছাড়া শিক্ষা, যোগাযোগ, কৃষি ও নাগরিক সুবিধার ক্ষেত্রেও ইউনিয়নটি পিছিয়ে রয়েছে।তিনি আরও বলেন, জনগণের ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে অবহেলিত এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, শিক্ষার মান বৃদ্ধি, যুবসমাজের কর্মসংস্থান, কৃষকের স্বার্থরক্ষা এবং আধুনিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করবেন। পাশাপাশি দল-মতনির্বিশেষে পুরো ইউনিয়নের মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।উঠান বৈঠক শেষে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন শাহ আলম পাঠান।

সিটির শিরোপা নিয়ে সুর বদলালেন ক্লপ, ‘অপেক্ষায় নেই’

সিটির ফুটবলের প্রশংসা / সিটির শিরোপা নিয়ে সুর বদলালেন ক্লপ, ‘অপেক্ষায় নেই’

ম্যানচেস্টার সিটির শিরোপা কেড়ে নেওয়া হলে লিভারপুলকে ট্রফি দেওয়ার পর উৎসবে যোগ দেওয়ার কথা একসময় মজা করে বলেছিলেন ইয়ুর্গেন ক্লপ। তবে সিটির বিরুদ্ধে আর্থিক বিধিভঙ্গের রায়ের পর সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছেন সাবেক লিভারপুল কোচ।বর্তমানে জার্মানি জাতীয় দলের কোচের দায়িত্বে থাকা ক্লপ বুধবার সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিয়ে বলেন, এমন কোনো অতিরিক্ত শিরোপার অপেক্ষায় তিনি নেই।স্বাধীন কমিশনের রায়ে ম্যানচেস্টার সিটি গুরুতর আর্থিক বিধিভঙ্গের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। তবে এখনো কোনো শাস্তি ঘোষণা হয়নি এবং রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার কথা জানিয়েছে সিটি।সিটির সঙ্গে লিভারপুলের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে ক্লপ জানান, বিষয়টি তিনি দেখেছেন, তবে খুব বেশি ভাবেননি।নিজের পুরোনো মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগে তিনি বলেছিলেন সিটির শিরোপা কেড়ে নিয়ে লিভারপুলকে দেওয়া হলে প্যারেডে যোগ দেবেন। কিন্তু এখন আর বিষয়টি সেভাবে দেখছেন না।২০২৪ সালে লিভারপুল ছাড়ার সময় এক অনুষ্ঠানে ক্লপ মজা করে বলেছিলেন, এমন পরিস্থিতি হলে ওপেন-টপ বাস প্যারেডে তিনি থাকবেন। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতেও একই প্রসঙ্গে মায়োর্কার বাড়িতে সবাইকে ডেকে বিয়ার খাওয়ানোর কথা বলেছিলেন তিনি।বর্তমান অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ক্লপ ম্যানচেস্টার সিটি ও পেপ গার্দিওলার প্রতি নিজের শ্রদ্ধার কথা তুলে ধরেন।তিনি বলেন, গার্দিওলার প্রতি তার শ্রদ্ধা এবং সিটি যে ফুটবল খেলেছে, তা এতটাই বেশি যে এ বিষয়ে এখন আর কিছু বলতে চান না।ক্লপের মতে, সিটি তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে সর্বোচ্চ পর্যায়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে এবং ফুটবলকে বিশেষভাবে উপস্থাপন করেছে।সিটির বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত কী ধরনের শাস্তি আসে, সেটিকে নিজের বিষয় হিসেবে দেখছেন না ক্লপ। পুরো আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগে এ নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তে যেতে চান না তিনি।লিভারপুলে নিজের অর্জন নিয়েই সন্তুষ্ট থাকার কথা জানিয়েছেন সাবেক এই কোচ। ক্লপের অধীনে লিভারপুল ২০১৮-১৯ ও ২০২১-২২ মৌসুমে মাত্র এক পয়েন্ট ব্যবধানে ম্যানচেস্টার সিটির পেছনে থেকে প্রিমিয়ার লিগে রানার্সআপ হয়েছিল। তবে সিটির বর্তমান মামলায় আলোচিত আর্থিক বিধিভঙ্গের মূল সময়কাল ২০০৯-১০ থেকে ২০১৭-১৮ মৌসুম পর্যন্ত।

পূজায় প্রেক্ষাগৃহে ‘কাট-পিস’, মুক্তি ১৬ অক্টোবর

পরিচালনায় বড় পর্দায় নতুন জুটি / পূজায় প্রেক্ষাগৃহে ‘কাট-পিস’, মুক্তি ১৬ অক্টোবর

গার্মেন্টের ঝুট ব্যবসাকে ঘিরে টাকা, ক্ষমতা, আধিপত্য ও সংঘাতের গল্প নিয়ে বড় পর্দায় আসছে সিনেমা ‘কাট-পিস’। নির্মাতা ইফফাত জাহান মম পরিচালিত সিনেমাটি আগামী ১৬ অক্টোবর দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।পোশাকশিল্পের ঝুটকে অনেক সময় ‘কাট-পিস’ নামেও ডাকা হয়। সেই ব্যবসাকে কেন্দ্র করেই সিনেমাটির গল্প তৈরি হয়েছে। রাজধানীর মিরপুরের ঝুটপট্টিকে ঘিরে নির্মিত গল্পে উঠে আসবে ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ, আধিপত্য ও সংঘাতের বিভিন্ন দিক।নির্মাতা জানিয়েছেন, সিনেমাটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা সত্য ঘটনা অবলম্বনে তৈরি নয়। ঝুট মার্কেট ঘুরে দেখার অভিজ্ঞতা থেকেই সিনেমাটি নির্মাণের ভাবনা আসে তাঁর। অ্যাকশনধর্মী গল্পের পাশাপাশি এতে থাকছে প্রেমের গল্পও।‘কাট-পিস’ ইফফাত জাহান মমর প্রথম সিনেমা। এর আগে তিনি মিউজিক ভিডিও, নাটক ও ওয়েব ফিল্ম নির্মাণ করেছেন। সিনেমাটি পরিচালনার পাশাপাশি প্রযোজনাও করেছেন তিনি।সিনেমার কেন্দ্রীয় দুই চরিত্র তাজ ও মালা। চরিত্র দুটিতে অভিনয় করেছেন সিফাত আমিন শুভ ও রাফাহ নানজীবা তোরসা। সিফাতের এটি প্রথম সিনেমা। অন্যদিকে ‘কাট-পিস’ দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক হচ্ছে রাফাহ নানজীবা তোরসার।সিনেমায় খল চরিত্রে দেখা যাবে ইমরান আহমেদ সওদাগরকে। আরও অভিনয় করেছেন এলিনা শাম্মী, বাপ্পী আশরাফ, সাইফুল কবির, শাহজাদা সম্রাট ও সামি দোহা।সিনেমাটির শুটিং হয়েছে বাস্তব লোকেশনে। মিরপুরের ঝুটের গোডাউনসহ বিভিন্ন স্থানে টানা ১১ দিন শুটিং করা হয়েছে। নির্মাতার ভাষ্য অনুযায়ী, অ্যাকশন দৃশ্যেও ডামি ব্যবহার না করে অভিনয়শিল্পীরাই অংশ নিয়েছেন।এর আগে ২০২৬ সালের রোজার ঈদে ‘কাট-পিস’ মুক্তির পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সম্ভাব্য ঈদের সিনেমার তালিকায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত সে সময়ে সিনেমাটি মুক্তি পায়নি। এবার নতুন মুক্তির তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। ব্ল্যাক পেপার ফিল্মসের ব্যানারে নির্মিত সিনেমাটি আগামী ১৬ অক্টোবর দেশের বিভিন্ন মাল্টিপ্লেক্স ও সিঙ্গেল-স্ক্রিন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে।

অনলাইন জরিপ
২৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ২ জন

সাক্ষাৎকার

কোন পোস্ট নেই !

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !