মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
৭ জেলায় বন্যা, বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৫৪, ক্ষতিগ্রস্ত ৬ লাখের বেশি মানুষ

৫৮ উপজেলা এখনো দুর্যোগে।

৭ জেলায় বন্যা, বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৫৪, ক্ষতিগ্রস্ত ৬ লাখের বেশি মানুষ

দেশে টানা অতিবৃষ্টি, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং পাহাড়ধসের কারণে সৃষ্ট বন্যায় এখন পর্যন্ত ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ৩৯ জন। দুর্যোগে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩১১টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এবং মোট ৬ লাখ ৯ হাজার ৪১১ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।সোমবার (১৩ জুলাই) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ—এই সাতটি জেলা বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে। এসব জেলার ৫৮টি উপজেলা, ৩৩৪টি ইউনিয়ন এবং ১২টি পৌরসভা বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, বর্তমানে বন্যাকবলিত এলাকায় ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩১১টি পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। পাহাড়ি ঢল ও বন্যার কারণে সাত জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা বেড়ে ৬ লাখ ৯ হাজার ৪১১ জনে পৌঁছেছে।জেলাভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে কক্সবাজারে, যেখানে ৩১ জন মারা গেছেন। এছাড়া চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন, রাঙামাটিতে ৩ জন এবং মৌলভীবাজারে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।আহতদের মধ্যে কক্সবাজারে ২৪ জন, চট্টগ্রামে ১২ জন, বান্দরবানে ২ জন এবং খাগড়াছড়িতে ১ জন রয়েছেন।দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য সারা দেশে ১ হাজার ৪২টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে বর্তমানে ৩৮ হাজার ৪২২ জন আশ্রয় নিয়েছেন।সরকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় ত্রাণ বিতরণ, উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সার্বক্ষণিক কাজ করছে।

সংসদে আখতারের প্রশ্ন, বিএনপি কি একদলীয় শাসনব্যবস্থা তৈরি করতে চায়

ব্যাখ্যা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। / সংসদে আখতারের প্রশ্ন, বিএনপি কি একদলীয় শাসনব্যবস্থা তৈরি করতে চায়

বিরোধী দলের নির্বাচনী এলাকায় বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে জাতীয় সংসদে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। তিনি জানতে চান, এভাবে দায়িত্ব বণ্টনের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে কি না।সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে তিনি এ প্রশ্ন তোলেন।এর আগে প্রশ্নোত্তর পর্বে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য জিবা আমিনা খান তার অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত পীরগঞ্জ ও মিঠাপুকুর এলাকার সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে একটি সম্পূরক প্রশ্ন করেন। এরপরই বিষয়টি সংসদীয় এখতিয়ার ও দায়িত্ব বণ্টনের প্রসঙ্গ তুলে আপত্তি জানান আখতার হোসেন।জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যরাও পূর্ণাঙ্গ সংসদ সদস্য। তারা সরকারি বরাদ্দ দেশের যেকোনো এলাকায় দিতে পারেন এবং জনগণের জন্য কাজ করার সাংবিধানিক অধিকার রাখেন।তিনি আরও বলেন, কোনো সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য যদি নির্দিষ্ট একটি বা দুটি এলাকাকে নিজের দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকা হিসেবে উল্লেখ করেন, তাহলে তিনি নিজেই নিজের কার্যপরিধি সীমিত করেন। সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানার ধারণা প্রযোজ্য নয়; পুরো বাংলাদেশই তাদের দায়িত্বের পরিধি।এ বিষয়ে সংসদে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যদের দায়িত্ব ও ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়।

পরাজিত শক্তির অপচেষ্টা জুলাইয়ের ঐক্য আরও শক্তিশালী করবে: মঞ্জু

রাজনীতিতে এগোনোর ঘোষণা এবি পার্টির / পরাজিত শক্তির অপচেষ্টা জুলাইয়ের ঐক্য আরও শক্তিশালী করবে: মঞ্জু

এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, পরাজিত শক্তির আস্ফালন নতুন কিছু নয়। তবে তাদের সব ধরনের অপচেষ্টা জুলাইপন্থী শক্তির ঐক্যকে আরও সুসংহত করবে। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে সমুন্নত রেখে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠাই এবি পার্টির প্রধান রাজনৈতিক লক্ষ্য।সোমবার (১৩ জুলাই) রাজধানীর বিজয়নগরে এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক সেলিম খান।মঞ্জু বলেন, জুলাই আন্দোলনের কোথাও কোনো সীমাবদ্ধতা থাকলে তা গঠনমূলকভাবে আলোচনা করা যেতে পারে, তবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে হেয় করার কোনো অপচেষ্টা মেনে নেওয়া হবে না। যারা আজ জুলাইকে খাটো করার চেষ্টা করছেন, অতীতে তারাই গণঅভ্যুত্থানবিরোধী অবস্থানে ছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি।তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। জনগণের গণঅভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতাসীন সরকারকে দেশ ছাড়তে হয়েছিল। তার ভাষায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে জনগণের প্রতিষেধক।এবি পার্টির ভূমিকার কথা তুলে ধরে মঞ্জু বলেন, দলটি শুরু থেকেই ঝুঁকি নিয়ে আন্দোলনে অংশ নিয়েছে। কারফিউ উপেক্ষা করে মিছিল, গুলিবিদ্ধ নেতাকর্মী এবং গোয়েন্দা নজরদারির মধ্যেও তারা আন্দোলন চালিয়ে গেছে। আন্দোলন ব্যর্থ হলে দলের অস্তিত্বই সংকটে পড়তে পারত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তিনি জানান, এবি পার্টি এখন রাজনীতির দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। জনগণের আস্থা অর্জন এবং গণভিত্তিক ও ভোটের রাজনীতির মাধ্যমে দলকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করবে।সভায় দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবিএম খালিদ হাসান, মো. আলতাফ হোসাইন, যুব পার্টির আহ্বায়ক শাহাদাতুল্লাহ টুটুলসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন।

মাধবপুরে র‌্যাব-৯ ও ভোক্তা অধিকারের অভিযানে ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

র‌্যাব বলছে, জনস্বার্থে এমন অভিযান চলবে। / মাধবপুরে র‌্যাব-৯ ও ভোক্তা অধিকারের অভিযানে ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

হবিগঞ্জের মাধবপুর পৌরসভা বাজারে বিভিন্ন অনিয়ম, ওজনে কারচুপি এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে র‌্যাব-৯ ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানিক দল।সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুর ১টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত র‌্যাব-৯, সিপিসি-৩, শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্প এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, হবিগঞ্জ যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে।অভিযানে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪৫ ও ৪৬ ধারায় তিনটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়।জরিমানাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—প্রথাফুড কোম্পানির মালিক হরিপাল — ২৫ হাজার টাকাঅন্তর স্টোরের মালিক রায়হান — ১০ হাজার টাকাপূজা কসমেটিক্সের মালিক গোবিন্দ — ১০ হাজার টাকাঅভিযান পরিচালনাকারীরা জানান, পণ্যের ওজনে কারচুপি, ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণা এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী বিভিন্ন বিধান লঙ্ঘনের দায়ে এসব জরিমানা করা হয়েছে।র‌্যাব-৯ জানায়, জনস্বার্থে ভেজাল, ওজনে কারচুপি, মূল্য তালিকা না রাখা এবং ভোক্তা অধিকারবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও যৌথ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং ভোক্তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ চালিয়ে যাবে র‌্যাব।

গুগলে ‘চোরের দলের ম্যাচ’ সার্চে কেন আসে আর্জেন্টিনা? জানুন আসল কারণ

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ / গুগলে ‘চোরের দলের ম্যাচ’ সার্চে কেন আসে আর্জেন্টিনা? জানুন আসল কারণ

বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সেমিফাইনালকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন একটি বিষয় ব্যাপক আলোচনায় এসেছে। গুগলে ‘চোরের দলের ফুটবল খেলা কবে’ লিখে সার্চ করলে অনেক ব্যবহারকারীর কাছে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের তথ্য দেখা যাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা ধরনের আলোচনা ও বিভ্রান্তিও ছড়িয়েছে।তবে এর অর্থ এই নয় যে, গুগল আর্জেন্টিনাকে ‘চোরের দল’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। বাস্তবে গুগলের সার্চ অ্যালগরিদম এমন কোনো মূল্যায়ন করে না। এটি ইন্টারনেটে থাকা কনটেন্ট, ব্যবহারকারীদের সার্চের ধরণ এবং বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ভিডিও ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য বিশ্লেষণ করে সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক ফলাফল দেখানোর চেষ্টা করে।সাম্প্রতিক সময়ে ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে আর্জেন্টিনাকে নিয়ে অসংখ্য ট্রল, মিম ও ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে। এসব পোস্টে বারবার ‘চোরের দল’ শব্দটির সঙ্গে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনালের উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে গুগলের স্বয়ংক্রিয় সার্চ সিস্টেম এই শব্দগুচ্ছের সঙ্গে ওই ম্যাচের একটি সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছে বলে প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের ধারণা।এছাড়া একই বাক্য ব্যবহার করে বিপুল সংখ্যক মানুষ সার্চ করা এবং সেই ফলাফলে ক্লিক করায় গুগলের এআই-ভিত্তিক সার্চ সিস্টেম ওই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী হিসেবে বিবেচনা করতে পারে। ফলে অনেক ব্যবহারকারীর কাছে একই ধরনের সার্চ ফলাফল দেখা যাচ্ছে।এই ট্রলের পেছনে রয়েছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের দীর্ঘদিনের ফুটবল প্রতিদ্বন্দ্বিতাও। ১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনা হাত দিয়ে করা বিতর্কিত গোলটি পরে ‘হ্যান্ড অব গড’ নামে পরিচিতি পায়। একই ম্যাচে তিনি আরেকটি অসাধারণ একক নৈপুণ্যের গোল করেন, যা পরে ‘শতাব্দীর সেরা গোল’ হিসেবে স্বীকৃতি পায়।চার দশক পর আবারও বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। সেই পুরোনো বিতর্ককে সামনে এনে প্রতিপক্ষ সমর্থকদের তৈরি মিম ও ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট থেকেই ‘চোরের দলের খেলা কবে’ বাক্যটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।তবে এই সার্চ ফলাফল সবার জন্য এক রকম নাও হতে পারে। গুগল ব্যবহারকারীর অবস্থান, ভাষা, সার্চ ইতিহাস, ডিভাইসের সেটিংস এবং সাম্প্রতিক ট্রেন্ডের ভিত্তিতে ভিন্ন ভিন্ন ফলাফল দেখাতে পারে। তাই একজন ব্যবহারকারী যে ফল দেখছেন, অন্যজনের ক্ষেত্রে তা ভিন্ন হওয়াই স্বাভাবিক।

৪৫০ কোটির ‘কিং’! শাহরুখের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সিনেমা আসছে

প্রথমবার বড় পর্দায় একসঙ্গে শাহরুখ ও সুহানা খান / ৪৫০ কোটির ‘কিং’! শাহরুখের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সিনেমা আসছে

দীর্ঘ বিরতির পর ‘কিং’ সিনেমার মাধ্যমে আবারও বড় পর্দায় ফিরছেন বলিউড বাদশা শাহরুখ খান। তিন বছর পর নতুন এই অ্যাকশন থ্রিলারে প্রথমবারের মতো তার সঙ্গে অভিনয় করছেন মেয়ে সুহানা খান, যা ইতোমধ্যেই সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে।জানা গেছে, সিনেমাটির শুটিং চলবে প্রায় ১৫০ দিন। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন লোকেশনে দৃশ্যধারণ শেষে চলতি বছরের আগস্টে শুটিং শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর শুরু হবে পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ।রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট-এর ব্যানারে গৌরী খান প্রযোজিত এবং সিদ্ধার্থ আনন্দ পরিচালিত ‘কিং’-এর নির্মাণ বাজেট ধরা হয়েছে ৪৫০ কোটি রুপি। ফলে এটি শাহরুখ খানের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সিনেমাগুলোর একটি। এর আগে ‘জাওয়ান’-এর বাজেট ছিল প্রায় ৪০০ কোটি রুপি এবং ‘পাঠান’ নির্মিত হয়েছিল ৩৫০ কোটি রুপি ব্যয়ে।নির্মাতাদের দাবি, ‘কিং’-এর অ্যাকশন দৃশ্যগুলো আন্তর্জাতিক স্টান্ট টিমের তত্ত্বাবধানে তৈরি হচ্ছে এবং বলিউডে এর আগে এমন ভিজ্যুয়াল অ্যাকশন খুব কমই দেখা গেছে।সিনেমাটির নাম নিয়েও রয়েছে ভিন্ন গল্প। একসময় প্রযোজক সাজিদ নাদিয়াদওয়ালা একই নামে একটি সিনেমা নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিলেন। পরে সেই নামের স্বত্ব রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট অধিগ্রহণ করে।পারিবারিক আবহের এই অ্যাকশন থ্রিলারে শাহরুখ ও সুহানার পাশাপাশি অভিনয় করছেন দীপিকা পাড়ুকোন, অভিষেক বচ্চন, রানী মুখার্জি, অনিল কাপুর এবং জ্যাকি শ্রফ। সবকিছু ঠিক থাকলে বহুল প্রতীক্ষিত ‘কিং’ আগামী ২৪ ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী মুক্তি পাবে।

অনলাইন জরিপ
২৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !