রাজধানীর গুলশানের বার, রেস্তোরাঁ ও হোটেলে অ্যালকোহল ও অ্যালকোহলজাত পণ্যের অবৈধ উৎস, শুল্ক-মূসক ও আয়কর ফাঁকি এবং অননুমোদিত গ্রাহকের কাছে সরবরাহের অভিযোগ অনুসন্ধানে একযোগে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে গুলশানের র-ক্যানভাস রেস্তোরাঁ, হাবিব হোটেল ইন্টারন্যাশনাল, মার্গারিটা লাউঞ্জ এবং ফু-ওয়াং রোলিং অ্যান্ড সার্ভিস লিমিটেডে অভিযান শুরু হয়।এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আল-আমিন শেখ জানান, এনবিআরের আওতাধীন বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে চারটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে অ্যালকোহলের মজুদ, বৈধ উৎস, আমদানি ও ক্রয়সংক্রান্ত দলিল এবং প্রযোজ্য শুল্ক-মূসক ও কর পরিশোধের তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি) জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকার বিভিন্ন বার, রেস্তোরাঁ, ডিপ্লোম্যাটিক বন্ডেড ওয়্যারহাউস ও ডিউটি ফ্রি শপে অবৈধ উৎস থেকে অ্যালকোহল সংগ্রহ এবং রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ পাওয়া যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে অনুসন্ধান ও যাচাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়।অভিযানে সিআইআইডির চারটি পৃথক টিমের পাশাপাশি এনবিআরের আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি), মূসক নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এবং কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, ঢাকার (উত্তর) কর্মকর্তারা অংশ নেন।অভিযানসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানগুলোর মজুদে থাকা অ্যালকোহল ও অ্যালকোহলজাত পণ্যের উৎস, আমদানি বা ক্রয়ের বৈধ কাগজপত্র, শুল্ক-মূসক ও আয়কর পরিশোধের তথ্য যাচাই করছেন। একই সঙ্গে এসব পণ্য বৈধভাবে সংরক্ষণ ও সরবরাহ করা হচ্ছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।প্রয়োজন অনুযায়ী পণ্য আটক করার কার্যক্রমও নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে শুল্ক গোয়েন্দা। এনবিআর জানিয়েছে, অভিযান ও যাচাই-বাছাই শেষে প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য এবং সার্বিক ফলাফল নিয়ে রাতে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।