ঢাকা-সিলেট-ঢাকা রুটে যাত্রীসেবা বাড়াতে সরকার নতুন বিরতিহীন আন্তঃনগর ট্রেন ‘টাঙ্গুয়ার এক্সপ্রেস’ চালুর অনুমোদন দিয়েছে। তবে প্রস্তাবিত এই ট্রেনে শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনে কোনো স্টপেজ না থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, শায়েস্তাগঞ্জ দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রেল জংশন। এখান থেকে হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজারসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলার হাজারো যাত্রী প্রতিদিন ট্রেনে যাতায়াত করেন। তাই নতুন ট্রেনটিতে অন্তত দুই মিনিটের একটি যাত্রাবিরতি রাখা হলে সাধারণ যাত্রীরা ব্যাপকভাবে উপকৃত হবেন।তাদের মতে, শায়েস্তাগঞ্জে স্টপেজ না থাকলে নতুন ট্রেনটির সুবিধা থেকে বৃহৎ একটি জনগোষ্ঠী বঞ্চিত হবে। ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, শিক্ষার্থী ও রোগীদের ঢাকা-সিলেট যাতায়াতে অতিরিক্ত ভোগান্তির মুখে পড়তে হবে।স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনের কৌশলগত গুরুত্ব, যাত্রীসংখ্যা এবং আঞ্চলিক যোগাযোগব্যবস্থার কথা বিবেচনায় নিয়ে ট্রেনটির সময়সূচি পুনর্বিবেচনা করা উচিত।এদিকে রেল মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘টাঙ্গুয়ার এক্সপ্রেস’ চালুর নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হলেও ইঞ্জিন ও কোচ সংকট কাটিয়ে প্রয়োজনীয় রোলিং স্টক সংগ্রহের পর ট্রেনটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হবে।শায়েস্তাগঞ্জবাসীর প্রত্যাশা, ট্রেনটি চূড়ান্তভাবে চালুর আগেই রেল কর্তৃপক্ষ তাদের যৌক্তিক দাবি বিবেচনায় নিয়ে শায়েস্তাগঞ্জ রেলস্টেশনে একটি স্টপেজ সংযোজন করবে।