বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
কোটালীপাড়ায় কালিমাখচিত পতাকা নিয়ে ব্যতিক্রমী মোটরসাইকেল র‍্যালি

কালিমার পতাকা র‍্যালি

কোটালীপাড়ায় কালিমাখচিত পতাকা নিয়ে ব্যতিক্রমী মোটরসাইকেল র‍্যালি

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় ধর্মীয় পরিচয়, ঐক্য ও মূল্যবোধের বার্তা ছড়িয়ে দিতে কালিমাখচিত পতাকা বহন করে একটি ব্যতিক্রমী মোটরসাইকেল র‍্যালি ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে উপজেলার পৌর মার্কেট এলাকা থেকে র‍্যালিটি শুরু হয়। এতে বিপুলসংখ্যক মোটরসাইকেল আরোহী অংশগ্রহণ করেন। র‍্যালিটি উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।আয়োজকরা জানান, আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, বিশেষ করে ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে বিদেশি দেশের পতাকা ব্যবহারের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় মুসলিমদের ধর্মীয় পরিচয় ও আদর্শ সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে সচেতন করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।রাজিয়া খাতুন কওমি মহিলা মাদ্রাসার মুহতামিম ক্বারী বশির বিন সামসুদ্দিন বলেন, এই কর্মসূচির সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য জড়িত নয়। মুসলিম সমাজে ঐক্য, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরাই ছিল এর মূল লক্ষ্য।র‍্যালি চলাকালে সড়কের বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষকে কর্মসূচি পর্যবেক্ষণ করতে দেখা যায়। অংশগ্রহণকারী ও স্থানীয়রা জানান, এ ধরনের আয়োজন ধর্মীয় মূল্যবোধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। একইসঙ্গে তারা সমাজে সম্প্রীতি, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত মুসল্লি, মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা কর্মসূচিতে অংশ নেন।

রোহিঙ্গাদের জন্য ১৩৭ কোটি টাকার সহায়তা, চুক্তি সই অস্ট্রেলিয়া-ইউনিসেফের

চুক্তি সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী / রোহিঙ্গাদের জন্য ১৩৭ কোটি টাকার সহায়তা, চুক্তি সই অস্ট্রেলিয়া-ইউনিসেফের

মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবনমান উন্নয়নে ১৩৭ কোটি টাকার (১৬ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার) মানবিক সহায়তা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে অস্ট্রেলিয়া সরকার ও ইউনিসেফ।বুধবার (২৪ জুন) বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে চুক্তিতে সই করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।চুক্তির আওতায় পাওয়া অর্থ রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, পুষ্টি, শিশু সুরক্ষা, নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন এবং হাইজিন কার্যক্রমে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে অস্ট্রেলিয়া সরকারের এই সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি এ সহায়তার জন্য অস্ট্রেলিয়া সরকারকে ধন্যবাদ জানান এবং রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশন এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, এই চুক্তি মিয়ানমার ও বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য অস্ট্রেলিয়ার ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের ৩ হাজার ১৬২ কোটি টাকার (৩৭০ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার) মানবিক সহায়তা প্যাকেজের অংশ।এর আগে ২০১৭ সাল থেকে চলমান রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় অস্ট্রেলিয়া মোট ১০ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা (১.২৬ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার) মানবিক সহায়তা প্রদান করেছে।

গোপালগঞ্জে মাদক-সন্ত্রাসবিরোধী কর্মসূচিতে বিএনপির শক্ত অবস্থান

সমাজ থেকে সন্ত্রাস নির্মূলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান / গোপালগঞ্জে মাদক-সন্ত্রাসবিরোধী কর্মসূচিতে বিএনপির শক্ত অবস্থান

মাদক, সন্ত্রাস এবং সাম্প্রতিক নৈরাজ্যকর কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও প্রতিবাদ জানাতে গোপালগঞ্জে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে সদর উপজেলা বিএনপি। কর্মসূচিতে দলটির নেতারা সমাজ থেকে মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরেন।বুধবার (২৪ জুন) সকালে শহরের পাঁচুড়িয়া এলাকায় অবস্থিত উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে নেতাকর্মীরা সমবেত হন। পরে সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।মিছিল শেষে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বক্তব্য দেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর। তিনি মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি দলের নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও জোরদারের নির্দেশনা দেন।সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শরীফ রফিকুজ্জামান, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট কাজী আবুল খায়ের, বিএনপি নেতা জিয়াউল কবির বিপ্লব, অ্যাডভোকেট মো. তৌফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সিকদার শহিদুল ইসলাম লেলিন, সাধারণ সম্পাদক ফজলুর রহমান দারা এবং জেলা যুবদলের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন লিপটনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।বক্তারা বলেন, মাদক ও সন্ত্রাস সমাজের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব অপরাধ দমনে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।কর্মসূচিতে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। নেতারা মাদক, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে জনসম্পৃক্ত আন্দোলন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

নাসিরনগরে শাশুড়ির সঙ্গে ঝগড়া, বিষপানে গৃহবধূর মৃত্যু

শাশুড়ির সঙ্গে কথাকাটাকাটি / নাসিরনগরে শাশুড়ির সঙ্গে ঝগড়া, বিষপানে গৃহবধূর মৃত্যু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে শাশুড়ির সঙ্গে পারিবারিক কলহের জেরে ইঁদুর মারার বিষ পান করে সুজিনা আক্তার (২৫) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। এর আগে বুধবার রাতে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।নিহত সুজিনা আক্তার উপজেলার ফান্দাউক ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের মধ্যপাড়া এলাকার টাইলস মিস্ত্রি ছানাউল মিয়ার স্ত্রী। তিনি কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার বাটশালা গ্রামের মন্নর আলীর মেয়ে।পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় আট বছর আগে পারিবারিকভাবে সুজিনার সঙ্গে ছানাউল মিয়ার বিয়ে হয়। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।নিহতের স্বামী জানান, বুধবার সন্ধ্যায় সন্তানদের বিষয় নিয়ে সুজিনার সঙ্গে তার মা আছিয়া বেগমের কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে অভিমান করে সুজিনা ইঁদুর মারার কীটনাশক পান করেন।পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। চিকিৎসকরা তার পাকস্থলী পরিষ্কার (স্টমাক ওয়াশ) করলেও অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তার মৃত্যু হয়।নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনুল ইসলাম জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছিল। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিশ্বকাপে হতে পারে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা মহারণ, উন্মাদনায় ফুটবল বিশ্ব

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা লড়াই। / বিশ্বকাপে হতে পারে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা মহারণ, উন্মাদনায় ফুটবল বিশ্ব

ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও আলোচিত দ্বৈরথগুলোর একটি ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনা। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াই ঘিরে সবসময়ই থাকে বাড়তি উত্তেজনা। আর সেটি যদি বিশ্বকাপের মঞ্চে হয়, তাহলে আগ্রহ পৌঁছে যায় ভিন্ন মাত্রায়।সবশেষ ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপে মুখোমুখি হয়েছিল ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। এরপর কেটে গেছে প্রায় ৩৬ বছর। দীর্ঘ এই অপেক্ষার অবসান ঘটতে পারে চলমান বিশ্বকাপে। টুর্নামেন্টের সমীকরণ ঠিক থাকলে সেমিফাইনালে দেখা হতে পারে দুই ফুটবল পরাশক্তির।গ্রুপ পর্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে ‘জে’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আর্জেন্টিনা। টানা দুই ম্যাচ জয়ের পর শেষ ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ জর্ডান। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই নকআউট পর্বে যাওয়ার পথে রয়েছে আলবিসেলেস্তেরা। দ্বিতীয় রাউন্ডে তাদের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হতে পারে ‘এইচ’ গ্রুপের রানার্সআপ দল, যেখানে উরুগুয়ে এগিয়ে রয়েছে।অন্যদিকে শুরুতে কিছুটা হোঁচট খেলেও দ্রুত ঘুরে দাঁড়িয়েছে ব্রাজিল। হাইতিকে হারানোর পর শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষস্থান নিশ্চিত করেছে সেলেসাওরা। নকআউট পর্বে তাদের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হতে পারে জাপান।দুই দলই যদি দ্বিতীয় রাউন্ড, কোয়ার্টার ফাইনাল এবং পরবর্তী ধাপের বাধা পেরোতে পারে, তাহলে সেমিফাইনালে ফুটবল বিশ্বের বহুল প্রতীক্ষিত ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা মহারণ দেখা যেতে পারে।বিশ্বকাপের মূল পর্বে দুই দলের সর্বশেষ সাক্ষাৎ হয়েছিল ১৯৯০ সালের ২৪ জুন। ইতালির তুরিনে অনুষ্ঠিত সেই রাউন্ড অব সিক্সটিন ম্যাচে আর্জেন্টিনা ১-০ গোলে হারিয়েছিল ব্রাজিলকে। ম্যাচের ৮১তম মিনিটে কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার অসাধারণ অ্যাসিস্ট থেকে জয়সূচক গোলটি করেছিলেন ক্লদিও ক্যানিজিয়া।বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সেটিই এখন পর্যন্ত দুই দলের একমাত্র লড়াই। ফলে সম্ভাব্য সেমিফাইনালে ব্রাজিল চাইবে সেই হারের প্রতিশোধ নিতে, আর আর্জেন্টিনা চাইবে আরেকবার জয় তুলে নিয়ে শিরোপার পথে আরও একধাপ এগিয়ে যেতে।এখন ফুটবলপ্রেমীদের চোখ সম্ভাব্য সেই মহারণের দিকে, যেখানে বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও মুখোমুখি হতে পারে ফুটবলের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী।

আমার সন্তান এখন এতিমের মতো’ আদালতে আবেগঘন বক্তব্য জাহের আলভীর

আমি বাঁচতে চাই সন্তানের জন্য / আমার সন্তান এখন এতিমের মতো’ আদালতে আবেগঘন বক্তব্য জাহের আলভীর

রিমান্ড শুনানিতে আদালতের অনুমতি নিয়ে আবেগঘন বক্তব্য দিয়েছেন অভিনেতা জাহের আলভী। তিনি বলেন, তিনি জামিনের জন্য নয়, বরং নিজের সন্তানের দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাওয়ার জন্য আদালতের কাছে আবেদন জানাচ্ছেন।আদালতে জাহের আলভী বলেন, আমি কাজে মনোযোগ দিতে চাই। অভিনয়ে ফিরতে চাই। আমার সন্তান তার মাকে হারিয়েছে। আমিও যদি না থাকি, তাহলে সে এতিমের মতো হয়ে যাবে। তাকে এখন সবচেয়ে বেশি সাপোর্ট দেওয়া দরকার। আমি এমন একটি পরিস্থিতির মধ্যে আছি, যেখানে বুঝতে পারছি না শোক পালন করবো নাকি মামলার আইনি প্রক্রিয়া সামলাবো।তিনি আরও বলেন, আমি বাঁচতে চাই আমার সন্তানের জন্য। এখন আমার সন্তানকে দেখভাল করার মতো আর কেউ নেই।স্ত্রী ইকরার সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে জাহের আলভী দাবি করেন, তাদের দাম্পত্য জীবন স্বাভাবিক ছিল। তিনি বলেন, আমার ও ইকরার সম্পর্ক খুবই স্মুথ ছিল। আত্মহত্যার মতো কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। সংসারে ছোটখাটো মনোমালিন্য সবার মধ্যেই থাকে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন তথ্য নিয়েও বক্তব্য দেন তিনি। আলভীর দাবি, তাকে ঘিরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হয়েছে।তিনি বলেন, আমি মিডিয়ায় কাজ করি। এখানে যেমন শুভাকাঙ্ক্ষী আছে, তেমনি হেটারও আছে। একটি এআই-জেনারেটেড মেহেদিওয়ালা ছবি ব্যবহার করে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চালানো হয়েছে। আসল ছবিটি আমার আইনজীবীর কাছে রয়েছে।এদিকে অভিনেত্রী ইফফাত আরা তিথির সঙ্গে নেপাল সফরের প্রসঙ্গও উঠে আসে শুনানিতে। এ বিষয়ে জাহের আলভী বলেন, আমার বিরুদ্ধে বলা হচ্ছে আমি নায়িকাকে নিয়ে নেপালে গিয়েছি। অথচ আমি ছয়টি নাটকের শুটিংয়ের কাজে প্রডাকশন টিমের সঙ্গে সেখানে গিয়েছিলাম। সেখানে শুধু তিথি নন, পুরো প্রডাকশন ইউনিট উপস্থিত ছিল।উল্লেখ্য, মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন। আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত অভিযোগ ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার আওতায় রয়েছে।

অনলাইন জরিপ
২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৪ পিএম
সরকার ও বিরোধী দলকে জ্বালানি খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করা উচিত বলে মনে করেন অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

সরকার ও বিরোধী দলকে জ্বালানি খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করা উচিত বলে মনে করেন অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !