বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
আনন্দ স্কুল প্রকল্পে অনিয়ম, ফেরত গেল ২২ কোটি টাকার বৈদেশিক সহায়তা

স্কুল প্রকল্পে কোটি টাকার অনিয়ম ফাঁস

আনন্দ স্কুল প্রকল্পে অনিয়ম, ফেরত গেল ২২ কোটি টাকার বৈদেশিক সহায়তা

দরিদ্র ও ঝরে পড়া শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে চালু হওয়া ‘আনন্দ স্কুল’ (রস্ক-২) প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্বল তদারকি ও বাস্তবায়ন ব্যর্থতার কারণে প্রায় ১ দশমিক ৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বৈদেশিক সহায়তা ফেরত গেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ২১ কোটি ৮৯ লাখ ১ হাজার ৫৬৪ টাকা।পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) পরিচালিত প্রভাব মূল্যায়ন সমীক্ষার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই শেষে গত জুনে প্রতিবেদনটি চূড়ান্ত করা হয়।২০১৩ সালে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে শুরু হওয়া এ প্রকল্পের লক্ষ্য ছিল গ্রামীণ অনগ্রসর এলাকা, শহুরে বস্তি ও রোহিঙ্গা শিবিরের প্রায় সাড়ে ৭ লাখ শিশুকে প্রাথমিক শিক্ষার আওতায় আনা। তবে মাঠপর্যায়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থতা, দুর্বল তদারকি, ভুয়া শিক্ষার্থী, ভূতুড়ে স্কুল এবং আর্থিক অনিয়মে প্রকল্পটির উদ্দেশ্য বড় ধরনের বাধার মুখে পড়ে।ভ্রমণ ভাতা থেকে প্রকল্প তহবিলে অনিয়মআইএমইডির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তা প্রকৃত ভ্রমণ ছাড়াই ৩ লাখ ১০ হাজার টাকা ভ্রমণ ভাতা উত্তোলন করেছেন। এছাড়া জ্বালানি ও যাতায়াত ব্যয়ে বাজেটের বাইরে অতিরিক্ত ব্যয় দেখানো হয়েছে।নিয়ম লঙ্ঘন করে প্রকল্পের তহবিল থেকে ১ কোটি টাকা অন্য একটি প্রকল্পে ঋণ হিসেবে স্থানান্তর করা হয়। একই সঙ্গে ব্যাংকে জমা সুদের ৫০ লাখ ২৪ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠে এসেছে।কেনাকাটায় নিয়ম ভঙ্গপ্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস (পিপিআর-২০০৮) অনুসরণ না করে আইডি কার্ড ও প্রশিক্ষণসামগ্রী কেনায় প্রায় ১৮ লাখ ১৪ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে। প্রকল্পের শেষ সময়ে অপ্রয়োজনীয়ভাবে ক্রয় পরামর্শক নিয়োগ দিয়ে আরও ১৯ লাখ ৬৪ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়, যা প্রকল্পের লক্ষ্য অর্জনে কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।ভূতুড়ে স্কুল ও ভুয়া শিক্ষার্থীসমীক্ষায় সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে ভুয়া শিক্ষার্থী ও ভূতুড়ে লার্নিং সেন্টারের বিষয়টি। অনেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষার্থীকেই আনন্দ স্কুলের শিক্ষার্থী দেখিয়ে উপবৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণের অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।অনিয়ম বাড়তে থাকায় প্রকল্প চলাকালেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় ৫৮১টি আনন্দ স্কুল বা লার্নিং সেন্টার বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।ব্যর্থতায় ফেরত গেল ২২ কোটি টাকালক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং বরাদ্দকৃত অর্থ যথাসময়ে ব্যয় করতে না পারায় আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীর ১.৭৭ মিলিয়ন ডলার ফেরত দিতে হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যালয় সংস্কার, শিক্ষক নিয়োগ এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহেও লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি।কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতিসোনালী ব্যাংকের সার্ভিস চার্জ থেকে যথাযথভাবে ভ্যাট ও আয়কর না কাটায় সরকারের ১ কোটি ৬৫ লাখ ৩৮ হাজার ২৫০ টাকা রাজস্ব ক্ষতির তথ্যও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বহিঃনিরীক্ষায় ভ্যাট-ট্যাক্স ফাঁকি, পিপিআর লঙ্ঘন ও অতিরিক্ত অর্থ প্রদানের প্রমাণ পাওয়া গেলেও প্রকল্পের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষায় বড় কোনো অনিয়ম ধরা পড়েনি বলে দাবি করা হয়েছিল।আইএমইডির সুপারিশআইএমইডি ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রকল্পে ডিজিটাল আর্থিক ট্র্যাকিং ব্যবস্থা, প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য ইউনিক আইডি ব্যবহার করে সরাসরি উপবৃত্তি প্রদান এবং অডিট আপত্তির দ্রুত নিষ্পত্তির সুপারিশ করেছে। একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নে তদারকি ও জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।প্রকল্পের সাবেক পরিচালক মো. দেলোয়ার হোসেন অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিক মন্তব্য করতে রাজি হননি। অন্যদিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসি জানান, প্রতিবেদন হাতে পেলে তা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আনন্দ স্কুল প্রকল্পে অনিয়ম, ফেরত গেল ২২ কোটি টাকার বৈদেশিক সহায়তা

স্কুল প্রকল্পে কোটি টাকার অনিয়ম ফাঁস / আনন্দ স্কুল প্রকল্পে অনিয়ম, ফেরত গেল ২২ কোটি টাকার বৈদেশিক সহায়তা

দরিদ্র ও ঝরে পড়া শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে চালু হওয়া ‘আনন্দ স্কুল’ (রস্ক-২) প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্বল তদারকি ও বাস্তবায়ন ব্যর্থতার কারণে প্রায় ১ দশমিক ৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বৈদেশিক সহায়তা ফেরত গেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ২১ কোটি ৮৯ লাখ ১ হাজার ৫৬৪ টাকা।পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) পরিচালিত প্রভাব মূল্যায়ন সমীক্ষার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই শেষে গত জুনে প্রতিবেদনটি চূড়ান্ত করা হয়।২০১৩ সালে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে শুরু হওয়া এ প্রকল্পের লক্ষ্য ছিল গ্রামীণ অনগ্রসর এলাকা, শহুরে বস্তি ও রোহিঙ্গা শিবিরের প্রায় সাড়ে ৭ লাখ শিশুকে প্রাথমিক শিক্ষার আওতায় আনা। তবে মাঠপর্যায়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থতা, দুর্বল তদারকি, ভুয়া শিক্ষার্থী, ভূতুড়ে স্কুল এবং আর্থিক অনিয়মে প্রকল্পটির উদ্দেশ্য বড় ধরনের বাধার মুখে পড়ে।ভ্রমণ ভাতা থেকে প্রকল্প তহবিলে অনিয়মআইএমইডির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তা প্রকৃত ভ্রমণ ছাড়াই ৩ লাখ ১০ হাজার টাকা ভ্রমণ ভাতা উত্তোলন করেছেন। এছাড়া জ্বালানি ও যাতায়াত ব্যয়ে বাজেটের বাইরে অতিরিক্ত ব্যয় দেখানো হয়েছে।নিয়ম লঙ্ঘন করে প্রকল্পের তহবিল থেকে ১ কোটি টাকা অন্য একটি প্রকল্পে ঋণ হিসেবে স্থানান্তর করা হয়। একই সঙ্গে ব্যাংকে জমা সুদের ৫০ লাখ ২৪ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠে এসেছে।কেনাকাটায় নিয়ম ভঙ্গপ্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস (পিপিআর-২০০৮) অনুসরণ না করে আইডি কার্ড ও প্রশিক্ষণসামগ্রী কেনায় প্রায় ১৮ লাখ ১৪ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে। প্রকল্পের শেষ সময়ে অপ্রয়োজনীয়ভাবে ক্রয় পরামর্শক নিয়োগ দিয়ে আরও ১৯ লাখ ৬৪ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়, যা প্রকল্পের লক্ষ্য অর্জনে কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।ভূতুড়ে স্কুল ও ভুয়া শিক্ষার্থীসমীক্ষায় সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে ভুয়া শিক্ষার্থী ও ভূতুড়ে লার্নিং সেন্টারের বিষয়টি। অনেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষার্থীকেই আনন্দ স্কুলের শিক্ষার্থী দেখিয়ে উপবৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণের অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।অনিয়ম বাড়তে থাকায় প্রকল্প চলাকালেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় ৫৮১টি আনন্দ স্কুল বা লার্নিং সেন্টার বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।ব্যর্থতায় ফেরত গেল ২২ কোটি টাকালক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং বরাদ্দকৃত অর্থ যথাসময়ে ব্যয় করতে না পারায় আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীর ১.৭৭ মিলিয়ন ডলার ফেরত দিতে হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যালয় সংস্কার, শিক্ষক নিয়োগ এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহেও লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি।কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতিসোনালী ব্যাংকের সার্ভিস চার্জ থেকে যথাযথভাবে ভ্যাট ও আয়কর না কাটায় সরকারের ১ কোটি ৬৫ লাখ ৩৮ হাজার ২৫০ টাকা রাজস্ব ক্ষতির তথ্যও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বহিঃনিরীক্ষায় ভ্যাট-ট্যাক্স ফাঁকি, পিপিআর লঙ্ঘন ও অতিরিক্ত অর্থ প্রদানের প্রমাণ পাওয়া গেলেও প্রকল্পের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষায় বড় কোনো অনিয়ম ধরা পড়েনি বলে দাবি করা হয়েছিল।আইএমইডির সুপারিশআইএমইডি ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রকল্পে ডিজিটাল আর্থিক ট্র্যাকিং ব্যবস্থা, প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য ইউনিক আইডি ব্যবহার করে সরাসরি উপবৃত্তি প্রদান এবং অডিট আপত্তির দ্রুত নিষ্পত্তির সুপারিশ করেছে। একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নে তদারকি ও জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।প্রকল্পের সাবেক পরিচালক মো. দেলোয়ার হোসেন অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিক মন্তব্য করতে রাজি হননি। অন্যদিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসি জানান, প্রতিবেদন হাতে পেলে তা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তারেক রহমানের গাড়িবহরে হামলার প্রতিবাদে রাজধানীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল

গ্রেপ্তারের দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ / তারেক রহমানের গাড়িবহরে হামলার প্রতিবাদে রাজধানীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল

বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের গাড়িবহরে হামলার ঘটনার প্রতিবাদ এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবিতে রাজধানীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার (১৫ জুলাই ২০২৬) সকাল ১০টায় রাজধানীর জাতীয় ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী জিয়া সৈনিক দল মিডিয়া সেলের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী জিয়া সৈনিক দল কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক মো. এনামুল হক মোলা। সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মো. মাহবুব আলম এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মিডিয়া সেলের সদস্য লিয়াকত আলী।কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, রাজনৈতিক সহিংসতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারেক রহমানের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।বক্তারা আরও বলেন, রাজনৈতিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে হামলা ও সহিংসতার সংস্কৃতি বন্ধে সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।

১৬ জুলাই ঘিরে গোপালগঞ্জে নিরাপত্তা জোরদার, মোতায়েন ৫ প্লাটুন বিজিবি

মাঠে বিজিবি-র‌্যাব-পুলিশের যৌথ টহল / ১৬ জুলাই ঘিরে গোপালগঞ্জে নিরাপত্তা জোরদার, মোতায়েন ৫ প্লাটুন বিজিবি

১৬ জুলাইকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জ জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন। এ লক্ষ্যে পাঁচ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি র‌্যাব ও পুলিশের সমন্বিত টহল কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে।বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল থেকে গোপালগঞ্জ শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বিভিন্ন এলাকায় বিজিবির সদস্যদের টহল দিতে দেখা যায়। তাদের সঙ্গে র‌্যাব ও পুলিশের সদস্যরাও যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও প্রবেশপথে পুলিশি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও মাঠে কাজ করছেন, যাতে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা যায়।জেলার পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ জানান, ১৬ জুলাই উপলক্ষে প্রায় পাঁচ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, সম্প্রতি একটি লাইভ মিছিল-সংক্রান্ত ঘটনায় কাশিয়ানী উপজেলা থেকে ১৫ জন এবং গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে বুধবার তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।পুলিশ সুপার বলেন, নিয়মিত পুলিশি টহলের পাশাপাশি বিজিবিও সমন্বিতভাবে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করবে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, গোপালগঞ্জের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে এবং জেলার মানুষ শান্তিপ্রিয়। তাই ১৬ জুলাইকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই এনসিপির পথযাত্রাকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় পাঁচজন নিহত হন। গত বছরের সেই ঘটনার অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নিয়ে এবার আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন, যাতে কোনো ধরনের নাশকতা বা আইনশৃঙ্খলার অবনতি না ঘটে।

বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল স্পেন বনাম ফ্রান্স: অনলাইনে লাইভ দেখার সহজ উপায়

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ / বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল স্পেন বনাম ফ্রান্স: অনলাইনে লাইভ দেখার সহজ উপায়

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের দুই পরাশক্তি স্পেন ও ফ্রান্স। বাংলাদেশ সময় বুধবার রাত ১টায় ডালাস স্টেডিয়ামে শুরু হবে বহুল প্রতীক্ষিত এই লড়াই। টেলিভিশনের পাশাপাশি অনলাইনেও সহজেই ম্যাচটি উপভোগ করতে পারবেন দর্শকরা।বাংলাদেশে টফি, বায়োস্কোপ প্লাস এবং মাই রবি অ্যাপের মাধ্যমে ম্যাচটি সরাসরি দেখা যাবে। তবে প্ল্যাটফর্মভেদে নির্দিষ্ট সাবস্ক্রিপশন বা প্যাকেজ সক্রিয় থাকতে হবে।টফিতে যেভাবে দেখবেনটফি অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে 'FIFA World Cup 2026' বিভাগে গেলে স্পেন–ফ্রান্স সেমিফাইনালের লাইভ স্ট্রিম পাওয়া যাবে। মোবাইলের পাশাপাশি ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ থেকেও ওয়েব সংস্করণে খেলা উপভোগ করা যাবে।বায়োস্কোপ প্লাসে লাইভবায়োস্কোপ প্লাস বিশ্বকাপের সব ম্যাচ সম্প্রচার করছে। বিশেষ করে গ্রামীণফোন গ্রাহকদের জন্য প্রয়োজনীয় প্যাকেজ সক্রিয় করে ম্যাচটি দেখা সম্ভব। ম্যাচ শুরুর আগে সাবস্ক্রিপশন চালু আছে কি না, তা যাচাই করে নেওয়া ভালো।মাই রবিতে সরাসরিরবি গ্রাহকেরা মাই রবি অ্যাপের World Cup বা Live Sports বিভাগ থেকে স্পেন–ফ্রান্স সেমিফাইনাল সরাসরি দেখতে পারবেন। প্রয়োজনীয় প্যাকেজ সক্রিয় আছে কি না, তা আগেই নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।ম্যাচ শুরুর ঠিক আগে সার্ভারের চাপ এড়াতে আগেভাগেই অ্যাপ আপডেট, লগইন এবং প্রয়োজনীয় সাবস্ক্রিপশন সম্পন্ন করে রাখা ভালো। এছাড়া নিরবচ্ছিন্ন স্ট্রিমিংয়ের জন্য স্থিতিশীল ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করা জরুরি।নকআউট ম্যাচ হওয়ায় খেলা অতিরিক্ত সময় কিংবা টাইব্রেকারে গড়াতে পারে। তাই পর্যাপ্ত মোবাইল ডাটা বা নিরবচ্ছিন্ন ওয়াই-ফাই সংযোগ রাখার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।স্মার্ট টিভিতে সংশ্লিষ্ট অ্যাপ থাকলে বড় পর্দায় সরাসরি ম্যাচ উপভোগ করা যাবে। অ্যাপ না থাকলে মোবাইল বা ল্যাপটপ থেকে স্ক্রিন কাস্ট করেও খেলা দেখা সম্ভব। নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন সম্প্রচারের জন্য অননুমোদিত লিংকের পরিবর্তে বৈধ স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

৪৫০ কোটির ‘কিং’! শাহরুখের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সিনেমা আসছে

প্রথমবার বড় পর্দায় একসঙ্গে শাহরুখ ও সুহানা খান / ৪৫০ কোটির ‘কিং’! শাহরুখের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সিনেমা আসছে

দীর্ঘ বিরতির পর ‘কিং’ সিনেমার মাধ্যমে আবারও বড় পর্দায় ফিরছেন বলিউড বাদশা শাহরুখ খান। তিন বছর পর নতুন এই অ্যাকশন থ্রিলারে প্রথমবারের মতো তার সঙ্গে অভিনয় করছেন মেয়ে সুহানা খান, যা ইতোমধ্যেই সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে।জানা গেছে, সিনেমাটির শুটিং চলবে প্রায় ১৫০ দিন। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন লোকেশনে দৃশ্যধারণ শেষে চলতি বছরের আগস্টে শুটিং শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর শুরু হবে পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ।রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট-এর ব্যানারে গৌরী খান প্রযোজিত এবং সিদ্ধার্থ আনন্দ পরিচালিত ‘কিং’-এর নির্মাণ বাজেট ধরা হয়েছে ৪৫০ কোটি রুপি। ফলে এটি শাহরুখ খানের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সিনেমাগুলোর একটি। এর আগে ‘জাওয়ান’-এর বাজেট ছিল প্রায় ৪০০ কোটি রুপি এবং ‘পাঠান’ নির্মিত হয়েছিল ৩৫০ কোটি রুপি ব্যয়ে।নির্মাতাদের দাবি, ‘কিং’-এর অ্যাকশন দৃশ্যগুলো আন্তর্জাতিক স্টান্ট টিমের তত্ত্বাবধানে তৈরি হচ্ছে এবং বলিউডে এর আগে এমন ভিজ্যুয়াল অ্যাকশন খুব কমই দেখা গেছে।সিনেমাটির নাম নিয়েও রয়েছে ভিন্ন গল্প। একসময় প্রযোজক সাজিদ নাদিয়াদওয়ালা একই নামে একটি সিনেমা নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিলেন। পরে সেই নামের স্বত্ব রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট অধিগ্রহণ করে।পারিবারিক আবহের এই অ্যাকশন থ্রিলারে শাহরুখ ও সুহানার পাশাপাশি অভিনয় করছেন দীপিকা পাড়ুকোন, অভিষেক বচ্চন, রানী মুখার্জি, অনিল কাপুর এবং জ্যাকি শ্রফ। সবকিছু ঠিক থাকলে বহুল প্রতীক্ষিত ‘কিং’ আগামী ২৪ ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী মুক্তি পাবে।

অনলাইন জরিপ
২৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !