মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
সীমান্তে কড়া নজরদারি, তবু ভারতীয় চোরাই মোবাইলের রমরমা ব্যবসা

বিজিবির চোখ ফাঁকি

সীমান্তে কড়া নজরদারি, তবু ভারতীয় চোরাই মোবাইলের রমরমা ব্যবসা

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশইন ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও কঠোর নজরদারি জারি থাকলেও থেমে নেই ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোনের অবৈধ বাণিজ্য। বিজিবির টহল, চেকপোস্ট ও গোয়েন্দা নজরদারির মধ্যেও চোরাকারবারিরা সীমান্ত পেরিয়ে দেশে আনছে ব্যবহৃত, রিফারবিশড ও নন-রেজিস্টার্ড মোবাইল ফোন।জেলার প্রায় ১৮৪ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে দায়িত্ব পালন করছে বিজিবির ১৬, ৫৩ ও ৫৯ ব্যাটালিয়ন। তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, শিবগঞ্জের কানসাট, শিবগঞ্জ পৌর বাজার, সাহাপাড়া, মনাকষা, সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ও শহরের নিউমার্কেট এলাকায় সক্রিয় রয়েছে চোরাই মোবাইলের শক্তিশালী সিন্ডিকেট।অভিযোগ রয়েছে, বৈধ ব্যবসার আড়ালে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী গোপনে এসব মোবাইল বিক্রি করছে। দোকানে প্রকাশ্যে না রেখে পরিচিত গ্রাহক ও নিজস্ব ক্যারিয়ার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে হাতবদল করা হচ্ছে চোরাই হ্যান্ডসেট। এমনকি ছোট ছোট মোবাইল সার্ভিসিং দোকানও এই অবৈধ বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।চোরাকারবারিরা এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সক্রিয়। ফেসবুক পেজ, বাই-সেল গ্রুপ, মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে কম দামে আইফোন, স্যামসাং ও ওয়ানপ্লাসসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ফোন বিক্রির বিজ্ঞাপন দেওয়া হচ্ছে। পরে কুরিয়ার সার্ভিস কিংবা নির্জন স্থানে সরাসরি ডেলিভারির মাধ্যমে ক্রেতাদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে এসব হ্যান্ডসেট।কম দামের লোভে অনেক ক্রেতা প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। কয়েকজন ভুক্তভোগী জানিয়েছেন, কেনার কিছুদিন পরই ফোনের নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে যাওয়া, আইএমইআই লক হওয়া কিংবা নকল যন্ত্রাংশ ব্যবহারের বিষয়টি সামনে আসে। ফলে ওয়ারেন্টিবিহীন এসব ফোন কিনে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন তারা।এদিকে বিজিবি নিয়মিত অভিযান চালিয়ে চোরাই মোবাইল জব্দ করছে। গত ২৩ এপ্রিল মাসুদপুর সীমান্ত থেকে ৮৮টি ভারতীয় মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ২৮ লাখ টাকা। এছাড়া চলতি বছরের প্রথম কয়েক মাসেই ৫৩ ও ৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়ন যৌথভাবে শতাধিক মোবাইল ফোন জব্দ করেছে।চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান জানান, সীমান্ত সুরক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে অতিরিক্ত টহল, চেকপোস্ট এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। অন্যদিকে ৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, চোরাচালান ও অনুপ্রবেশ রোধে বিজিবি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে কঠোর অভিযান পরিচালনা করছে। স্থানীয়দের দাবি, সীমান্ত এলাকায় চোরাই মোবাইল সিন্ডিকেট ভাঙতে শুধু অভিযান নয়, অনলাইন বিক্রি ও অবৈধ নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে আরও সমন্বিত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হবে কি? সিদ্ধান্ত আদালতের: তথ্য উপদেষ্টা

বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি নিষিদ্ধ / আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হবে কি? সিদ্ধান্ত আদালতের: তথ্য উপদেষ্টা

কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ দল হিসেবে নিষিদ্ধ হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত আদালতই নেবেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।মঙ্গলবার (২৩ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকবে। এই অবস্থায় দলটির কোনো কর্মসূচি আইনবহির্ভূত হিসেবে বিবেচিত হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে সরকার।ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগকে ঘিরে বর্তমানে যে আইনি প্রক্রিয়া চলছে, তার ফলাফলের ওপরই নির্ভর করবে দলটির ভবিষ্যৎ। দল হিসেবে নিষিদ্ধ করার প্রশ্নে আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে।তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে সংগঠনগত সম্পৃক্ততার অভিযোগ বিচারাধীন রয়েছে। আদালত যদি প্রমাণ পান যে দলটি সংগঠন হিসেবে এসব অপরাধে জড়িত ছিল, তাহলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।সেনা মোতায়েন প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কিছু জেলায় অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে সরকার মনে করে না যে আওয়ামী লীগ বড় ধরনের কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে সক্ষম।তিনি জানান, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে সমাজে নানা মতামত রয়েছে। কেউ এর পক্ষে, কেউ বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তবে বিষয়টির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হবে আদালতের রায়ের মাধ্যমে।তথ্য উপদেষ্টা বলেন, একটি সভ্য রাষ্ট্রে আদালতের রায়কে সম্মান জানানোই গণতান্ত্রিক চর্চার অংশ। তাই আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে যেকোনো সিদ্ধান্তের জন্য বিচারিক প্রক্রিয়ার ফলাফলের অপেক্ষা করতে হবে।

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে হাই অ্যালার্ট টুঙ্গিপাড়া

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া টহল / আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে হাই অ্যালার্ট টুঙ্গিপাড়া

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সম্ভাব্য যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত টুঙ্গিপাড়ার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ, পাটগাতী বাসস্ট্যান্ড, বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি ছিল দৃশ্যমান। সেনাবাহিনী, আনসার এবং পুলিশের যৌথ টহল কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে।প্রশাসনের সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে ঘিরে সম্ভাব্য অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগের রাত থেকেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হয়। জনসমাগমস্থলগুলোতে সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা হচ্ছে।টুঙ্গিপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আইয়ুব আলী জানান, এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো ধরনের মিছিল, সমাবেশ বা অপ্রীতিকর ঘটনার তথ্য পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি শান্ত ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বিতভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে এবং প্রয়োজন হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে।তবে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যেও টুঙ্গিপাড়ায় সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা স্বাভাবিক রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা থাকলেও এলাকায় বড় ধরনের কোনো অস্থিরতার খবর পাওয়া যায়নি।

সীমান্তে কড়া নজরদারি, তবু ভারতীয় চোরাই মোবাইলের রমরমা ব্যবসা

বিজিবির চোখ ফাঁকি / সীমান্তে কড়া নজরদারি, তবু ভারতীয় চোরাই মোবাইলের রমরমা ব্যবসা

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশইন ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও কঠোর নজরদারি জারি থাকলেও থেমে নেই ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোনের অবৈধ বাণিজ্য। বিজিবির টহল, চেকপোস্ট ও গোয়েন্দা নজরদারির মধ্যেও চোরাকারবারিরা সীমান্ত পেরিয়ে দেশে আনছে ব্যবহৃত, রিফারবিশড ও নন-রেজিস্টার্ড মোবাইল ফোন।জেলার প্রায় ১৮৪ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে দায়িত্ব পালন করছে বিজিবির ১৬, ৫৩ ও ৫৯ ব্যাটালিয়ন। তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, শিবগঞ্জের কানসাট, শিবগঞ্জ পৌর বাজার, সাহাপাড়া, মনাকষা, সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ও শহরের নিউমার্কেট এলাকায় সক্রিয় রয়েছে চোরাই মোবাইলের শক্তিশালী সিন্ডিকেট।অভিযোগ রয়েছে, বৈধ ব্যবসার আড়ালে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী গোপনে এসব মোবাইল বিক্রি করছে। দোকানে প্রকাশ্যে না রেখে পরিচিত গ্রাহক ও নিজস্ব ক্যারিয়ার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে হাতবদল করা হচ্ছে চোরাই হ্যান্ডসেট। এমনকি ছোট ছোট মোবাইল সার্ভিসিং দোকানও এই অবৈধ বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।চোরাকারবারিরা এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সক্রিয়। ফেসবুক পেজ, বাই-সেল গ্রুপ, মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে কম দামে আইফোন, স্যামসাং ও ওয়ানপ্লাসসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ফোন বিক্রির বিজ্ঞাপন দেওয়া হচ্ছে। পরে কুরিয়ার সার্ভিস কিংবা নির্জন স্থানে সরাসরি ডেলিভারির মাধ্যমে ক্রেতাদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে এসব হ্যান্ডসেট।কম দামের লোভে অনেক ক্রেতা প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। কয়েকজন ভুক্তভোগী জানিয়েছেন, কেনার কিছুদিন পরই ফোনের নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে যাওয়া, আইএমইআই লক হওয়া কিংবা নকল যন্ত্রাংশ ব্যবহারের বিষয়টি সামনে আসে। ফলে ওয়ারেন্টিবিহীন এসব ফোন কিনে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন তারা।এদিকে বিজিবি নিয়মিত অভিযান চালিয়ে চোরাই মোবাইল জব্দ করছে। গত ২৩ এপ্রিল মাসুদপুর সীমান্ত থেকে ৮৮টি ভারতীয় মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ২৮ লাখ টাকা। এছাড়া চলতি বছরের প্রথম কয়েক মাসেই ৫৩ ও ৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়ন যৌথভাবে শতাধিক মোবাইল ফোন জব্দ করেছে।চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান জানান, সীমান্ত সুরক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে অতিরিক্ত টহল, চেকপোস্ট এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। অন্যদিকে ৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, চোরাচালান ও অনুপ্রবেশ রোধে বিজিবি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে কঠোর অভিযান পরিচালনা করছে। স্থানীয়দের দাবি, সীমান্ত এলাকায় চোরাই মোবাইল সিন্ডিকেট ভাঙতে শুধু অভিযান নয়, অনলাইন বিক্রি ও অবৈধ নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে আরও সমন্বিত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

পেনাল্টি মিসের পর ইতিহাস গড়লেন মেসি: বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের নতুন রেকর্ড

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ / পেনাল্টি মিসের পর ইতিহাস গড়লেন মেসি: বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের নতুন রেকর্ড

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে পেনাল্টি মিসের হতাশা বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেননি আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। ম্যাচের ৩৮ মিনিটে দুর্দান্ত এক গোল করে তিনি গড়লেন নতুন ইতিহাস।ম্যাচের শুরুতেই ভিএআর রিভিউয়ের পর আর্জেন্টিনা পায় পেনাল্টি। শট নেন মেসি, তবে তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। সেই মিসে তিনি মিরোস্লাভ ক্লোসের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ হারান।কিন্তু কিছুক্ষণ পরই আর্জেন্টিনার আক্রমণ থেকে আসে কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। এনজো ফার্নান্দেসের ক্রস থেকে সুযোগ বুঝে বল জালে পাঠান মেসি। অস্ট্রিয়ার গোলরক্ষকের কোনো প্রতিক্রিয়ার সুযোগ ছিল না।এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে নিজের ১৭তম গোল করেন মেসি, আর এককভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে বসেন তিনি, পেছনে ফেলেন জার্মান কিংবদন্তি ক্লোসেকে।মেসির বিশ্বকাপ যাত্রা ২০০৬ থেকে শুরু হয়ে ২০২৬ পর্যন্ত ছয়টি আসর জুড়ে বিস্তৃত। ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর এবার তিনি যোগ করলেন আরেকটি ঐতিহাসিক অর্জন। পেনাল্টি মিসের পরও মানসিক দৃঢ়তা দেখিয়ে গোল করা মেসির ক্যারিয়ারের আরেকটি স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকল।

নির্বাচন বাতিলের ষড়যন্ত্র? অনন্য মামুন–হিরো আলম অডিও ভাইরাল

আগামী ৩ জুলাই শিল্পী সমিতির ভোট / নির্বাচন বাতিলের ষড়যন্ত্র? অনন্য মামুন–হিরো আলম অডিও ভাইরাল

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটি অডিও ফাঁস হওয়াকে ঘিরে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। আগামী ৩ জুলাই বিএফডিসিতে ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের নির্বাহী কমিটি গঠনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।ফাঁস হওয়া অডিওতে নির্মাতা অনন্য মামুন ও আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলমের মধ্যে কথোপকথন রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। সেখানে নির্বাচন বানচাল ও আইনি পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।অডিওর একটি অংশে অনন্য মামুনকে হিরো আলমকে উদ্দেশ করে বলতে শোনা যায় তাকে ভয় না পেয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় চ্যালেঞ্জ করতে এবং সদস্যপদ না দিলে মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কথোপকথনে আইনজীবীর সহায়তার কথাও উল্লেখ করা হয়।অন্যদিকে কথিত অডিওতে হিরো আলমকে বলতে শোনা যায়, তিনি আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলবেন এবং প্রয়োজন হলে আদালতে গিয়ে নির্বাচন বন্ধের আবেদন করবেন।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চলচ্চিত্র অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। নির্বাচন ঘিরে ইতোমধ্যেই দুইটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছে একটি ‘আরমান–মুক্তি প্যানেল এবং অন্যটি শিবা শানু ও জয় চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন প্যানেল।নির্বাচনকে ঘিরে তৈরি হওয়া এই নতুন বিতর্ক শিল্পী সমিতির ভোটের উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অনলাইন জরিপ
২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৪ পিএম
সরকার ও বিরোধী দলকে জ্বালানি খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করা উচিত বলে মনে করেন অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

সরকার ও বিরোধী দলকে জ্বালানি খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করা উচিত বলে মনে করেন অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !