সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর, নেপথ্যে কী?

এবার মন্ত্রিসভা ছাড়ার নির্দেশ

ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর, নেপথ্যে কী?

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে ইশরাককে ডেকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সরকার-সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে।এর আগে শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে লাইসেন্স করা আগ্নেয়াস্ত্র হাতে নেওয়ার ঘটনা নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন ইশরাক। আত্মরক্ষার প্রয়োজনেই তিনি অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেছিলেন বলে দাবি করেন ঢাকা-৬ আসনের এই সংসদ সদস্য।অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় ইশরাকের ব্যাখ্যারোববার দুপুর ১২টা ২৭ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইশরাক দাবি করেন, গেন্ডারিয়ায় অভিযানের সময় ৩০ থেকে ৩৫ জন ব্যক্তি তাঁদের গাড়িবহরের দিকে মারমুখী ভঙ্গিতে এগিয়ে আসেন। এতে হামলার আশঙ্কা তৈরি হলে তিনি ও তাঁর সরকারি নিরাপত্তারক্ষীরা গাড়ি থেকে নেমে অল্প সময়ের জন্য আত্মরক্ষার্থে অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেন।ইশরাকের ভাষ্য, অভিযানে যাওয়ার আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নিজস্ব গোয়েন্দা সূত্র থেকে নিরাপত্তাঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছিল। মাদক কারবারিদের পক্ষ থেকে ভবনের ছাদ থেকে আকস্মিক গুলিবর্ষণের আশঙ্কার কথাও তাঁকে জানানো হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।তাঁর দাবি, সম্ভাব্য বিপদ কেটে যাওয়ার পর অস্ত্র যথাস্থানে রাখা হয়। আগ্নেয়াস্ত্রটি বৈধ লাইসেন্সপ্রাপ্ত এবং আত্মরক্ষার উদ্দেশ্যেই তা প্রদর্শন করা হয়েছিল বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করেন তিনি।সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে অপতথ্যের অভিযোগইশরাক অভিযোগ করেন, প্রথম আলো, দ্য ডেইলি স্টার, দৈনিক ইত্তেফাক ও দৈনিক কালবেলাসহ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম ঘটনাটির খণ্ডিত চিত্র প্রকাশ করেছে। তাঁর দাবি, এতে অভিযানের পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়নি।তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যমগুলো অভিযানে মাদক ও অস্ত্র উদ্ধারের পাশাপাশি ছয়জনকে আটকের বিষয়টি উপেক্ষা করে শুধু তাঁর অস্ত্র হাতে থাকার দৃশ্যকে গুরুত্ব দিয়েছে। এ ধরনের উপস্থাপনাকে তিনি স্বাধীন ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পরিপন্থি বলে মন্তব্য করেন।একই সঙ্গে সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট তুলে ধরার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।অভিযানে মাদক ও অস্ত্র উদ্ধারের দাবিবিবৃতিতে ইশরাক জানান, ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পরপরই গেন্ডারিয়া থানা-পুলিশকে অবহিত করা হয়। পরে পুলিশের উপস্থিতি ও সহযোগিতায় সন্দেহভাজন কয়েকটি আস্তানায় যৌথ অভিযান চালানো হয়।তাঁর দাবি, অভিযানে চার থেকে পাঁচটি অবৈধ ও অস্থায়ী মাদকের আস্তানা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এসব স্থান থেকে হেরোইন বা হেরোইনজাতীয় মাদক, বিদেশি মদ, মাদকসেবনের সরঞ্জাম, দেশীয় ধারালো অস্ত্র, মাদক বিক্রির নগদ অর্থ এবং ছিনতাই করা মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।এ ঘটনায় ছয়জন মাদক কারবারিকে হাতেনাতে আটক করে জব্দ করা আলামতসহ গেন্ডারিয়া থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযান কেন?ইশরাকের ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই গেন্ডারিয়ার ঘণ্টিঘর, মুন্সিটেক, করাতিটোলা ও আশপাশের এলাকায় মাদক কেনাবেচা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদকের বিস্তার নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে আসছেন তিনি।তাঁর দাবি, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর এলাকাটি মাদক কারবারিদের অন্যতম ট্রানজিট পয়েন্টে পরিণত হয়। গত জুনে মাদকসংক্রান্ত সহিংসতায় তিনজন নাগরিক গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তিনি এলাকাটি পরিদর্শন করেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক সমন্বয় সভা করেন।ইশরাক আরও জানান, পুলিশের জনবলসংকট দূর করা এবং মাদকের আস্তানার কাছে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট থানাকে আধাসরকারি পত্র (ডিও লেটার) দেওয়া হয়েছিল। তবে বিষয়টি এখনো বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণাইশরাকের দাবি, পুলিশ প্রশাসন এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতাদের যৌথ সিদ্ধান্তে সাধারণ নাগরিকদের অংশগ্রহণে সমন্বিত সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচির অংশ হিসেবেই শনিবারের অভিযান পরিচালিত হয়।মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ঢাকা-৬ আসনকে মাদকমুক্ত করা তাঁর অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার। একটি ঘটনাকে খণ্ডিতভাবে উপস্থাপন করে মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন থামানো যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।জনস্বার্থে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রতিমন্ত্রী।উল্লেখ্য, ইশরাকের পদত্যাগের নির্দেশ পাওয়ার খবরটি সরকার-সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

ইশরাকের পদত্যাগের নির্দেশের খবর গুজব, অডিও বার্তায় দাবি

এখনো কোনো সত্যতা নেই / ইশরাকের পদত্যাগের নির্দেশের খবর গুজব, অডিও বার্তায় দাবি

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এমন খবরের সত্যতা নেই বলে দাবি করেছেন ইশরাক নিজেই। বিষয়টিকে গুজব হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।রোববার (১৮ অক্টোবর) রাতে দেওয়া এক অডিও বার্তায় তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান।‘এখনো কোনো সত্যতা নেই’অডিও বার্তায় ইশরাক বলেন, আমি দয়া করে সবাইকে অনুরোধ জানাচ্ছি, এ বিষয়টিকে আপনারা অবশ্যই গুজব হিসেবে ধরবেন। এর কোনো সত্যতা এখনো নেই।তিনি আরও বলেন, দল থেকে এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা অনানুষ্ঠানিক বা সূত্রবিহীন খবরের মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে না। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হলে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সবাইকে জানানো হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।এ ধরনের খবর প্রচারের ক্ষেত্রে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে ইশরাক বলেন, একসঙ্গে সবার ফোনকলের উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়। তবে পরিস্থিতির সবশেষ তথ্য তিনি জানিয়ে রাখবেন।পদত্যাগের নির্দেশের খবর অস্বীকার প্রেস কর্মকর্তারইশরাক হোসেনের প্রেস কর্মকর্তা মাহফুজ কবির মুক্তা এক বার্তায় জানান, রোববার বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ কিংবা তাঁকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার বিষয়ে প্রচারিত সংবাদ সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।বার্তায় দাবি করা হয়, ইশরাক তাঁর সরকারি ও রাজনৈতিক দায়িত্ব নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে পালন করছেন। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে তাঁকে পদত্যাগের কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি এবং তাঁর পদত্যাগের প্রশ্নও ওঠেনি।এ ধরনের খবর ছড়িয়ে জনসাধারণের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তাঁর প্রেস কর্মকর্তা।মাদকবিরোধী অভিযানের ঘটনার প্রসঙ্গবার্তায় আরও বলা হয়, শনিবার (১৭ অক্টোবর) নিজ সংসদীয় আসনে মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচিতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আত্মরক্ষার্থে আইনসম্মতভাবে অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনা নিয়ে ইশরাক আগেই নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।প্রেস কর্মকর্তার দাবি, ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগের খবর প্রচার করা বিভ্রান্তিকর এবং সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থি।সংবাদ প্রত্যাহারের আহ্বান, আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারিযেসব গণমাধ্যমে পদত্যাগের নির্দেশসংক্রান্ত খবর প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো অবিলম্বে প্রত্যাহার করে সঠিক তথ্য তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছে ইশরাকের পক্ষ।বার্তায় বলা হয়, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার অব্যাহত থাকলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তবে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়নি এটি ইশরাক ও তাঁর প্রেস কর্মকর্তার বক্তব্য। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

পিএসসিতে দলীয় নিয়োগের চেষ্টা মানবে না ছাত্রশিবির

রাজপথে প্রতিরোধের হুঁশিয়ারি / পিএসসিতে দলীয় নিয়োগের চেষ্টা মানবে না ছাত্রশিবির

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান ও সদস্যদের পদত্যাগের ঘটনায় সরকারের বিরুদ্ধে দলীয়করণের অপচেষ্টার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। প্রয়োজনীয় সংস্কার ছাড়া পিএসসিতে কোনো দলীয় ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া হলে তা মেনে নেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা।রোববার (১৮ অক্টোবর) এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।পিএসসিতে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কাবিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের নেতারা বলেন, পিএসসি রাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। ৫৪ বছরের ইতিহাসে প্রতিষ্ঠানটিকে বারবার রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন। তাঁদের মতে, এর ফলে মেধাভিত্তিক নিয়োগব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।নেতৃদ্বয় বলেন, ছাত্র-জনতার জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান আকাঙ্ক্ষা ছিল মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ গঠন এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর আমূল সংস্কার। কিন্তু জুলাই সনদের আলোকে পিএসসিকে স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও গতিশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার পরিবর্তে সেখানে আবারও দলীয় ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চলছে বলে তাঁদের আশঙ্কা।তাঁদের অভিযোগ, মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই চেয়ারম্যান ও একের পর এক সদস্যকে কৌশলে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনা এ আশঙ্কাকে আরও জোরালো করেছে।বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের অভিযোগছাত্রশিবিরের নেতারা অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রীয় সংস্কারের কথা বলা হলেও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোতে দলীয় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চলছে। তাঁদের দাবি, উচ্চ আদালত, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও মাঠ প্রশাসনের শীর্ষ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধা ও জ্যেষ্ঠতা উপেক্ষা, প্রশ্নফাঁস, ভেরিফিকেশনের নামে মেধাবীদের বাদ দেওয়া এবং দলীয় বিবেচনায় নিয়োগের মতো ঘটনা এ প্রবণতার বহিঃপ্রকাশ।তাঁরা আরও বলেন, স্বাধীন ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ও রাষ্ট্র সংস্কারের অঙ্গীকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। পিএসসির শীর্ষ নেতৃত্বে ধারাবাহিক পরিবর্তনও এমন কোনো পরিকল্পনার অংশ কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।মন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, কঠোর হুঁশিয়ারিবিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের নেতারা দাবি করেন, তাঁরা জানতে পেরেছেন, একজন মন্ত্রী পিএসসির সদস্যদের ডেকে রাজনৈতিক সরকারের ইচ্ছা অনুযায়ী কাজ করার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তবে বিবৃতিতে ওই মন্ত্রীর নাম উল্লেখ করা হয়নি।নেতৃদ্বয় বলেন, পিএসসি কোনো মন্ত্রীর ব্যক্তিগত বা পারিবারিক প্রতিষ্ঠান নয়। সাংবিধানিক এ প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক সরকারের ইচ্ছা পূরণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের অধিকার কারও নেই।তাঁরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, প্রয়োজনীয় সংস্কার ছাড়া পিএসসিতে কোনো দলীয় ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। রাজনৈতিক স্বার্থে প্রতিষ্ঠানটিকে ব্যবহার করার চেষ্টা করা হলে ছাত্র-জনতা রাজপথে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

নলছিটিতে ২০০ পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক, মোটরসাইকেল জব্দ

অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয় / নলছিটিতে ২০০ পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক, মোটরসাইকেল জব্দ

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় ২০০ পিস ইয়াবাসহ মো. রেদওয়ান মাহমুদ ওরফে হিমেল (৩২) নামে এক যুবককে আটকের খবর পাওয়া গেছে। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) সকালে উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের ভরতকাঠি গ্রামের আকন বাড়িতে অভিযান চালায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি দল।অভিযানে তাঁর বসবাসের ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে একটি সুজুকি জিক্সার এসএফ মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. তানভী হোসেন খানের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও নির্দেশনায় অভিযানটি পরিচালিত হয়।আটক রেদওয়ান মাহমুদ ওরফে হিমেল ভরতকাঠি গ্রামের আকন বাড়ির বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মো. ফরিদ আকন এবং মায়ের নাম আসমা।মোটরসাইকেল জব্দ, এজাহারে বিস্তারিতঅভিযানের সময় ইয়াবা উদ্ধারের পাশাপাশি একটি সুজুকি জিক্সার এসএফ মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়ের করা এজাহারে ইয়াবা উদ্ধারের বিষয়ে বিস্তারিত উল্লেখ রয়েছে বলে জানা গেছে।ঘটনাটি নিয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপের বিস্তারিত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া যাবে।মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহতমাদক নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক কারবার প্রতিরোধ এবং তরুণ সমাজকে মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষায় আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

বাংলাদেশের ফুটবলে আরও বিনিয়োগের আশ্বাস ইনফান্তিনোর

অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্ব ফিফার / বাংলাদেশের ফুটবলে আরও বিনিয়োগের আশ্বাস ইনফান্তিনোর

বাংলাদেশের ফুটবলের উন্নয়নে আরও বিনিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ছেলেদের ও মেয়েদের ফুটবল, স্কুল পর্যায়ে খেলার প্রসার, প্রশিক্ষণকেন্দ্র এবং অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।ভুটান যাওয়ার পথে রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে মাত্র দুই ঘণ্টার যাত্রাবিরতিতে ঢাকায় আসেন ফিফা সভাপতি। এ সময় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল ও অন্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন তিনি।বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমের প্রশংসা ইনফান্তিনোরমরক্কো থেকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে ইনফান্তিনোকে স্বাগত জানান বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালসহ ফেডারেশনের কর্মকর্তারা।বাংলাদেশের মানুষের ফুটবলপ্রেমের প্রশংসা করে ফিফা সভাপতি বলেন, বাংলাদেশে আসতে পেরে তিনি আনন্দিত। বিমান থেকে নামার পর থেকেই মানুষের সঙ্গে কথা বলে ফুটবলের প্রতি তাঁদের ভালোবাসা অনুভব করেছেন বলেও জানান তিনি।বাফুফের বর্তমান নেতৃত্বের প্রশংসা করে ইনফান্তিনো বলেন, তাবিথ আউয়াল ও তাঁর দল বাংলাদেশের ফুটবলকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যেতে কাজ করছেন। সঠিক পরিকল্পনা ও বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশের ফুটবলে আরও অগ্রগতি সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।ছেলে-মেয়েদের ফুটবল ও অবকাঠামোয় গুরুত্বইনফান্তিনো জানান, বাংলাদেশের ফুটবলের উন্নয়নে ছেলেদের ও মেয়েদের ফুটবল, স্কুল পর্যায়ের কার্যক্রম, অবকাঠামো এবং প্রশিক্ষণকেন্দ্র নিয়ে বিভিন্ন প্রকল্প ও বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে।তিনি বলেন, এসব বিষয় নিয়ে বাফুফের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।কক্সবাজারে প্রশিক্ষণকেন্দ্র, সিলেটে হাইব্রিড মাঠের পরিকল্পনাবাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল জানিয়েছেন, ফিফার অর্থায়নে দেশের ফুটবল অবকাঠামো উন্নয়নে কয়েকটি প্রকল্প এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কক্সবাজারে আধুনিক প্রশিক্ষণকেন্দ্র নির্মাণ, সিলেটে হাইব্রিড মাঠ স্থাপন এবং দুটি স্টেডিয়াম সংস্কার।ফিফার ফরোয়ার্ড কর্মসূচির আওতায় বরাদ্দ পাওয়া অর্থের একটি অংশ দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করতে পারেনি বাফুফে। চলতি বছরের মধ্যেই ওই অর্থ কাজে লাগিয়ে প্রকল্পগুলো এগিয়ে নেওয়ার আশা করছেন তাবিথ আউয়াল।তবে নতুন করে নির্দিষ্ট কোনো অর্থ বরাদ্দ কিংবা প্রকল্প অনুমোদনের ঘোষণা দেওয়া হয়নি।সান মারিনোর বিপক্ষে জয়ের স্মৃতিচারণবাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে আলোচনায় গত জুনে সান মারিনোর বিপক্ষে জাতীয় দলের ২-১ গোলের জয়ের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন ইনফান্তিনো।তিনি জানান, ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশি সমর্থকেরা ওই ম্যাচ দেখতে গিয়েছিলেন। তাঁদের উপস্থিতি সান মারিনো ও প্রতিবেশী ইতালিতে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি করেছিল।ইনফান্তিনোর মতে, ওই ম্যাচ ফুটবলের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষকে এক করার একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। বাংলাদেশের ফুটবলের সামনে আরও ভালো সম্ভাবনা রয়েছে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।প্রকল্পে অগ্রগতি হলে বাংলাদেশে আসতে পারেন ফিফা সভাপতিবাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল জানান, পরিকল্পিত উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর কোনো একটিতে দৃশ্যমান অগ্রগতি হলে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিক সফরে আসতে পারেন ইনফান্তিনো। সে সময় কোনো প্রকল্পের উদ্বোধনেও অংশ নিতে পারেন ফিফা সভাপতি।

মিম-পূজার পূজার সাজ, ঢাকাতেই থাকছেন অপু বিশ্বাস

মায়ের স্মৃতি নিয়ে এবারের পূজা / মিম-পূজার পূজার সাজ, ঢাকাতেই থাকছেন অপু বিশ্বাস

বছর ঘুরে আবারও এসেছে দুর্গাপূজা। মণ্ডপে মণ্ডপে দেবী বন্দনা, নতুন পোশাকে সাজসজ্জা আর উৎসবের আনন্দে মেতেছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। পূজার এই আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে শোবিজ অঙ্গনেও। চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম ও পূজা চেরি সামাজিক মাধ্যমে ভাগ করে নিয়েছেন উৎসবের মুহূর্ত। অন্যদিকে, এবারের পূজার ছুটি ঢাকাতেই কাটানোর পরিকল্পনা করেছেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস।লাল শাড়িতে মিমের পূজার সাজউৎসব উদযাপনে বরাবরই আগ্রহী চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম। ভ্রমণ কিংবা বিশেষ কোনো উৎসবের মুহূর্ত প্রায়ই ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন তিনি।এবার দুর্গাপূজায় লাল পাড়ের শাড়িতে ঐতিহ্যবাহী বাঙালি সাজে দেখা গেছে মিমকে। মণ্ডপে গিয়ে তোলা বেশ কয়েকটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন এই অভিনেত্রী।ছবিগুলোতে ফুটে উঠেছে পূজার চিরচেনা আমেজ ও বাঙালিয়ানার ছাপ। মিমের এই সাজ ভক্তদের সামনে তুলে ধরেছে উৎসবের এক আনন্দময় মুহূর্ত।পূজার শুভেচ্ছায় নারীর সাহসের বার্তাদুর্গাপূজার আনন্দে শামিল হয়েছেন চিত্রনায়িকা পূজা চেরিও। প্রতিমার সামনে তোলা কয়েকটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করে ভক্তদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি।তবে পূজার শুভেচ্ছাবার্তার পাশাপাশি নারীর সাহস, প্রতিবাদ ও ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তির কথাও তুলে ধরেছেন এই অভিনেত্রী।পূজা লিখেছেন, ‘দেবী শুধু প্রতিমায় নন, প্রতিটি নারীর সাহসে, প্রতিটি প্রতিবাদে, প্রতিটি নতুন করে উঠে দাঁড়ানোর গল্পে! আলোয় সাজুক শহর, ফুলে সাজুক পথ, আর মায়ের আশীর্বাদে শান্তি খুঁজে পাক প্রতিটি ক্লান্ত হৃদয়! শুভ সপ্তমী।’তাঁর এই বার্তায় দেবী দুর্গার শক্তির সঙ্গে নারীর আত্মবিশ্বাস ও সংগ্রামের বিষয়টি উঠে এসেছে।পূজার ছুটিতে ঢাকাতেই অপু বিশ্বাসএকসময় দুর্গাপূজার আনন্দে মেতে উঠতেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসও। তবে মাকে হারানোর পর উৎসবের দিনগুলো তাঁর কাছে আগের মতো আনন্দময় নেই বলে ধারণা করা হয়।সম্প্রতি অপু জানিয়েছেন, এবারের পূজার ছুটি ঢাকাতেই কাটাবেন তিনি। বিশেষ কোনো আয়োজনের পরিকল্পনা না থাকলেও সবার জীবনে আনন্দ, ভালোবাসা ও সম্প্রীতি ছড়িয়ে পড়ুক এমন প্রত্যাশা তাঁর।এদিকে, অপুর ফেসবুক পেজে ঐতিহ্যবাহী সাজে নতুন একটি ফটোশুটের ছবি দেখা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত মণ্ডপে গিয়ে পূজা উদযাপনের কোনো মুহূর্ত প্রকাশ করেননি এই অভিনেত্রী।তারকাদের পূজার আনন্দে ভক্তদের নজরদুর্গাপূজাকে ঘিরে মিম ও পূজা চেরির সামাজিক মাধ্যমের পোস্টে দেখা মিলেছে উৎসবের রঙিন মুহূর্ত। অন্যদিকে, ঢাকায় থেকে পূজার ছুটি কাটানোর পরিকল্পনা করেছেন অপু বিশ্বাস।উৎসবের বাকি দিনগুলোতে তারকারা তাঁদের পূজা উদযাপনের আরও কী কী মুহূর্ত ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন, এখন সেই অপেক্ষাতেই রয়েছেন অনুরাগীরা।

অনলাইন জরিপ
২৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৩ জন

সাক্ষাৎকার

কোন পোস্ট নেই !

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !