বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

বিদ্যুৎ খাতে বড় বরাদ্দ

একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ৪৪২ মেগাওয়াট পিক সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণসহ ১৩টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।বুধবার (৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।অনুমোদিত ১৩ প্রকল্পের মধ্যে ১০টি নতুন, দুটি সংশোধিত এবং একটি মেয়াদ বৃদ্ধির প্রকল্প রয়েছে। মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ১০ হাজার ৬০০ কোটি ৮০ লাখ টাকা, প্রকল্প ঋণ ৪ হাজার ৮১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ১ হাজার ৫২৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা।যেসব বড় প্রকল্প অনুমোদনএকনেকে সবচেয়ে বেশি ব্যয় ধরা হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের দ্বিতীয় সংশোধনে। এতে ১ হাজার ৩১০ কোটি ৪০ লাখ টাকা বাড়িয়ে মোট ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার ৩৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা।এ ছাড়া সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও নওগাঁ জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে ৩ হাজার ৭৬৭ কোটি ৫০ লাখ টাকার নতুন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।বাংলাদেশ রেলওয়ের সক্ষমতা বাড়াতে ৩০টি মিটারগেজ ডিজেল-ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ সংগ্রহে ২ হাজার ৭৬৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে।রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট পিক সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে ২ হাজার ৪৯৮ কোটি ৭ লাখ ৯৩ হাজার টাকার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৯ সালের মার্চ পর্যন্ত বাস্তবায়নের কথা রয়েছে।গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ১ থেকে ৮ নম্বর জোনের রাস্তা, নর্দমা ও ফুটপাত উন্নয়নে ২ হাজার ৫৮৬ কোটি ৯৯ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে।ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নতুন পাঁচটি অঞ্চলের ১৮ ওয়ার্ডের সড়ক ও ড্রেনেজ উন্নয়নে ৭৮৪ কোটি ৪৯ লাখ ৮৭ হাজার টাকা এবং রংপুর সিটি করপোরেশনের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়নে ১ হাজার ৬০২ কোটি ৭৯ লাখ ৩ হাজার টাকার প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।এ ছাড়া রংপুর সিটির ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা পুনর্বাসনে ২১০ কোটি ৪৯ লাখ টাকা, বিআইডব্লিউটিসির জন্য বাণিজ্যিক ও সহায়ক জলযান সংগ্রহে সংশোধিত প্রকল্পে ২ হাজার ১৬৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা এবং প্যারিসে বাংলাদেশের চ্যান্সারি ভবন সংস্কার ও আধুনিকায়নে ২১১ কোটি ৩০ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে।পঞ্চগড়ের ভজনপুর-পঞ্চগড় সড়কের ১৫তম কিলোমিটারে দ্বিতীয় করতোয়া সেতু নির্মাণে ২০৩ কোটি ৫২ লাখ ৬৬ হাজার টাকা এবং থানচি-রিমাকরি-মদক-লিকরি সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধনে আরও ৩৬ কোটি ৫০ লাখ ৩২ হাজার টাকা বাড়ানোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।এ ছাড়া সমবায়ের মাধ্যমে নারীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা তৈরিতে ১৮৪ কোটি ৮৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকার নতুন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

বিদ্যুৎ খাতে বড় বরাদ্দ / একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ৪৪২ মেগাওয়াট পিক সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণসহ ১৩টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।বুধবার (৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।অনুমোদিত ১৩ প্রকল্পের মধ্যে ১০টি নতুন, দুটি সংশোধিত এবং একটি মেয়াদ বৃদ্ধির প্রকল্প রয়েছে। মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ১০ হাজার ৬০০ কোটি ৮০ লাখ টাকা, প্রকল্প ঋণ ৪ হাজার ৮১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ১ হাজার ৫২৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা।যেসব বড় প্রকল্প অনুমোদনএকনেকে সবচেয়ে বেশি ব্যয় ধরা হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের দ্বিতীয় সংশোধনে। এতে ১ হাজার ৩১০ কোটি ৪০ লাখ টাকা বাড়িয়ে মোট ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার ৩৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা।এ ছাড়া সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও নওগাঁ জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে ৩ হাজার ৭৬৭ কোটি ৫০ লাখ টাকার নতুন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।বাংলাদেশ রেলওয়ের সক্ষমতা বাড়াতে ৩০টি মিটারগেজ ডিজেল-ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ সংগ্রহে ২ হাজার ৭৬৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে।রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট পিক সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে ২ হাজার ৪৯৮ কোটি ৭ লাখ ৯৩ হাজার টাকার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৯ সালের মার্চ পর্যন্ত বাস্তবায়নের কথা রয়েছে।গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ১ থেকে ৮ নম্বর জোনের রাস্তা, নর্দমা ও ফুটপাত উন্নয়নে ২ হাজার ৫৮৬ কোটি ৯৯ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে।ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নতুন পাঁচটি অঞ্চলের ১৮ ওয়ার্ডের সড়ক ও ড্রেনেজ উন্নয়নে ৭৮৪ কোটি ৪৯ লাখ ৮৭ হাজার টাকা এবং রংপুর সিটি করপোরেশনের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়নে ১ হাজার ৬০২ কোটি ৭৯ লাখ ৩ হাজার টাকার প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।এ ছাড়া রংপুর সিটির ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা পুনর্বাসনে ২১০ কোটি ৪৯ লাখ টাকা, বিআইডব্লিউটিসির জন্য বাণিজ্যিক ও সহায়ক জলযান সংগ্রহে সংশোধিত প্রকল্পে ২ হাজার ১৬৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা এবং প্যারিসে বাংলাদেশের চ্যান্সারি ভবন সংস্কার ও আধুনিকায়নে ২১১ কোটি ৩০ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে।পঞ্চগড়ের ভজনপুর-পঞ্চগড় সড়কের ১৫তম কিলোমিটারে দ্বিতীয় করতোয়া সেতু নির্মাণে ২০৩ কোটি ৫২ লাখ ৬৬ হাজার টাকা এবং থানচি-রিমাকরি-মদক-লিকরি সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধনে আরও ৩৬ কোটি ৫০ লাখ ৩২ হাজার টাকা বাড়ানোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।এ ছাড়া সমবায়ের মাধ্যমে নারীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা তৈরিতে ১৮৪ কোটি ৮৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকার নতুন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে কী হচ্ছে, প্রশ্ন জামায়াত আমিরের

মব তৈরি করে উপাচার্যকে হুমকি / রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে কী হচ্ছে, প্রশ্ন জামায়াত আমিরের

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. জাওয়াদুল হককে সংঘবদ্ধভাবে চাপ প্রয়োগ করে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করার অভিযোগে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাত ৯টা ৪৪ মিনিটে নিজের ফেসবুক পেজে এ বিষয়ে একটি পোস্ট দেন তিনি।ডা. শফিকুর রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন ব্যক্তি জোর করে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের অস্থায়ী কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। এ সময় উপাচার্যের ব্যক্তিগত পিএস নাজমুল হোসাইনকে শারীরিকভাবে নাজেহাল করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।পরে উপাচার্যকে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন জামায়াত আমির। এর আগে মানববন্ধন করে উপাচার্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগ দাবি করা হয় বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।উপাচার্য অধ্যাপক ডা. জাওয়াদুল হকের বক্তব্যের বরাত দিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এর আগেও কয়েকবার একই ধরনের বিশৃঙ্খল আচরণ ও হুমকি-ধমকির ঘটনা ঘটেছে। পরে উপাচার্য সংবাদ সম্মেলনে ঘটনাগুলোর বিস্তারিত তুলে ধরেন এবং বিষয়টি স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে অবহিত করেছেন বলে জানান।এদিকে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিভিন্ন পরীক্ষা চলমান রয়েছে উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এ-সংক্রান্ত কাজে ব্যবহৃত কম্পিউটারের সিপিইউ চুরি করে নেওয়ার অভিযোগও করেছেন উপাচার্য। বিষয়টিকে তিনি উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেন।স্বাস্থ্য খাতে এর আগেও বিভিন্ন ধরনের ‘মব’ তৈরির ঘটনা ঘটেছে দাবি করে তিনি হাসপাতাল ভাঙচুর, মেডিকেল কলেজ বন্ধ করে দেওয়া এবং চিকিৎসাকর্মীদের হয়রানির বিভিন্ন অভিযোগের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। ঢাকায় রাড্ডা মেডিকেল সেন্টার ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগও তার বক্তব্যে উঠে আসে।এসব কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে সরকারের কাছে ঘটনার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করেন জামায়াত আমির। তিনি আরও বলেন, সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে স্বাস্থ্য খাতে এ ধরনের ‘মব’ তৈরির পেছনে স্বার্থের ভাগ-বাটোয়ারার অভিযোগ উঠে এসেছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে দেশের স্বাস্থ্য খাত আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং জনগণের ভোগান্তি বাড়বে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সুনামগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ৩ জন আটক

মোবাইল কোর্টে কারাদণ্ড / সুনামগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ৩ জন আটক

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্ট অভিযান চালিয়ে ৯ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। পরে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।বুধবার (৭ অক্টোবর) সুনামগঞ্জ সদর থানাধীন ইব্রাহীমপুর, মইনপুর, হালুয়ারগাঁও ও হালুয়ারঘাট এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।বিজ্ঞ সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাকিবুর রহমানের নেতৃত্বে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, সুনামগঞ্জের ‘খ’ সার্কেলের সমন্বয়ে অভিযানটি পরিচালিত হয়।আটকরা হলেন—সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের মহিনপুর গ্রামের আব্দুল হাইয়ের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম (৩২), একই গ্রামের মৃত আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে মো. জুয়েল মিয়া (৩৫) এবং ইব্রাহীমপুর গ্রামের ফজল হকের ছেলে মো. সাজিদ মিয়া (২৫)।অভিযানকালে সাইফুল ইসলাম ও জুয়েল মিয়ার কাছ থেকে ৩ পিস ইয়াবা এবং সাজিদ মিয়ার কাছ থেকে কমলা বর্ণের ৪ পিস ও সবুজ বর্ণের ২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে ৯ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, জব্দ করা ইয়াবা ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়েছে।মাদক সেবনের অপরাধে মোবাইল কোর্ট সাইফুল ইসলাম ও জুয়েল মিয়াকে ৩০ দিন করে এবং সাজিদ মিয়াকে ৯০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। পাশাপাশি তিনজনের কাছ থেকে মোট ২২০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।পরে দণ্ডপ্রাপ্ত তিনজনকে সুনামগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।অভিযানে প্রসিকিউশন প্রদান করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক মো. আতাউর রহমান সজীব। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, সুনামগঞ্জের উপপরিচালক মো. আবুল হোসেন।

বিদায়ের আগে মেসি: ‘আমি শান্ত মনে বিদায় নিচ্ছি’

মেসির আন্তর্জাতিক অধ্যায় / বিদায়ের আগে মেসি: ‘আমি শান্ত মনে বিদায় নিচ্ছি’

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা। এরপরই প্রিয় আকাশি-সাদা জার্সিকে বিদায় বলবেন আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি। বিদায়ী ম্যাচের আগে নিজের অনুভূতির কথা জানিয়েছেন তিনি। মেসির ভাষ্য, কোনো আক্ষেপ নয়, বরং পূর্ণতার অনুভূতি নিয়েই জাতীয় দলকে বিদায় জানাচ্ছেন তিনি।বেনিনের বিপক্ষে বিদায়ী ম্যাচের আগে অ্যাডিডাসের প্রকাশিত এক ভিডিওতে মেসি বলেন, ‘সময়টা এসে গেছে। আমি শান্ত মনে বিদায় নিচ্ছি, সবটুকু দিয়েছি।’আর্জেন্টিনার জার্সির সঙ্গে নিজের দীর্ঘ সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেছেন আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই তারকা। তিনি বলেন, ‘এই জার্সিটা ছিল আমার স্বপ্ন, আমার গর্ব এবং আমার জীবন। আমাকে এতটা ভালোবাসার জন্য ধন্যবাদ। তোমাদের খুব মিস করব।’মেসির বিদায় উপলক্ষে বিশেষ জার্সি তৈরি করেছে ক্রীড়াসামগ্রী প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাস। প্রতিষ্ঠানটির প্রকাশিত ভিডিওতেই মেসির বিদায়ী বার্তা আসে। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই জার্সির ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, ‘শেষ ম্যাচ... সারাজীবনের জার্সি।’মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ৮টায় বুয়েনস এইরেসের মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে বেনিনের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। বাংলাদেশ সময় ম্যাচটি শুরু হবে বুধবার ভোর ৫টায়। জাতীয় দলের হয়ে এটি হবে মেসির ২০৮তম ও শেষ ম্যাচ।২০০৫ সালে হাঙ্গেরির বিপক্ষে অভিষেকের পর দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে মেসি এখন পর্যন্ত ২০৭ ম্যাচে করেছেন ১২৫ গোল। আর্জেন্টিনার হয়ে তিনিই সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা ও সর্বোচ্চ গোল করা ফুটবলার।তবে মেসির জাতীয় দলের পথচলা শুধু সাফল্যে ভরা ছিল না। বিশ্বকাপ ও কোপা আমেরিকার একাধিক ফাইনালে হার, জাতীয় দল ছাড়ার ঘোষণা এবং দীর্ঘ শিরোপা-অপেক্ষাও ছিল তার ক্যারিয়ারের অংশ।অবশেষে ২০২১ সালে ব্রাজিলকে হারিয়ে কোপা আমেরিকা জয়ের মাধ্যমে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটে। এরপর ২০২২ সালে ফিনালিসিমা ও কাতার বিশ্বকাপ এবং ২০২৪ সালে আরেকটি কোপা আমেরিকার শিরোপা জেতেন মেসি।২০২৬ বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে নিয়ে যান তিনি। তবে স্পেনের কাছে হেরে দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের সুযোগ হারানোর কয়েক সপ্তাহ পর জাতীয় দল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত জানান মেসি। এবার বেনিনের বিপক্ষে শেষবারের মতো আর্জেন্টিনার জার্সিতে মাঠে নামবেন তিনি শেষ হবে দুই দশকেরও বেশি সময়ের এক অবিস্মরণীয় আন্তর্জাতিক অধ্যায়।

বঙ্গে মুক্তি পেল ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ চ্যাপ্টার ১৩

১৬ জুলাই আসছে / বঙ্গে মুক্তি পেল ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ চ্যাপ্টার ১৩

অবশেষে দর্শকদের অপেক্ষার অবসান। জনপ্রিয় নির্মাতা কাজল আরেফিন অমির অসুস্থতার কারণে সাময়িকভাবে স্থগিত থাকা জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন ৫’-এর বহুল প্রতীক্ষিত ‘চ্যাপ্টার ১৩’ মুক্তি পেয়েছে। আজ ৯ জুলাই থেকে স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম বঙ্গ-তে দেখা যাচ্ছে নতুন এই পর্বগুলো।এবারের চ্যাপ্টারে দর্শকদের জন্য রয়েছে বিশেষ চমক। পুরো গল্প সাজানো হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের আবহে। প্রিয় চরিত্রগুলোকে দেখা যাবে ফুটবল মাঠে মুখোমুখি হতে। ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার জার্সিতে ব্যাচেলরদের অংশগ্রহণে তৈরি হয়েছে উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘মোস্ট ওয়ান্টেড ম্যাচ: আর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিল’।সম্প্রতি শুটিং চলাকালে গলায় পলিপজনিত সমস্যায় অসুস্থ হয়ে পড়েন নির্মাতা কাজল আরেফিন অমি। চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে সম্পূর্ণ কথা বলা থেকে বিরত থাকতে এবং বিশ্রামে থাকতে হয়েছিল। এ কারণে ‘চ্যাপ্টার ১৩’-এর শুটিং শেষ করতে বিলম্ব হয় এবং এর মুক্তিও পিছিয়ে যায়।তবে দর্শকদের ভালোবাসার কথা বিবেচনা করে সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার আগেই সীমিত পরিসরে কাজ শুরু করেন অমি। শেষ পর্যন্ত ভক্তদের জন্য বিশেষ উপহার হিসেবে মুক্তি পেল বহুল প্রতীক্ষিত এই চ্যাপ্টার।নির্মাতার পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, ৯ জুলাই ‘চ্যাপ্টার ১৩’-এর প্রথম ৪টি পর্ব ৯৭ থেকে ১০০ নম্বর পর্ব বঙ্গে মুক্তি পেয়েছে। আর বাকি ৪টি পর্ব ১০১ থেকে ১০৪ আগামী ১৬ জুলাই দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। ফুটবল, হাস্যরস ও ব্যাচেলরদের নতুন কাণ্ডকারখানা নিয়ে এবারের চ্যাপ্টার দর্শকদের কতটা মাতাতে পারে, এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা।

অনলাইন জরিপ
২৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ২ জন

সাক্ষাৎকার

কোন পোস্ট নেই !

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !