রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
গুলশানে বার-ক্লাবে এনবিআরের একযোগে অভিযান, মদের উৎস খুঁজছে কর্মকর্তারা

বৈধ উৎস খতিয়ে দেখছে যৌথ টিম

গুলশানে বার-ক্লাবে এনবিআরের একযোগে অভিযান, মদের উৎস খুঁজছে কর্মকর্তারা

রাজধানীর গুলশানের বার, রেস্তোরাঁ ও হোটেলে অ্যালকোহল ও অ্যালকোহলজাত পণ্যের অবৈধ উৎস, শুল্ক-মূসক ও আয়কর ফাঁকি এবং অননুমোদিত গ্রাহকের কাছে সরবরাহের অভিযোগ অনুসন্ধানে একযোগে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে গুলশানের র-ক্যানভাস রেস্তোরাঁ, হাবিব হোটেল ইন্টারন্যাশনাল, মার্গারিটা লাউঞ্জ এবং ফু-ওয়াং রোলিং অ্যান্ড সার্ভিস লিমিটেডে অভিযান শুরু হয়।এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আল-আমিন শেখ জানান, এনবিআরের আওতাধীন বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে চারটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে অ্যালকোহলের মজুদ, বৈধ উৎস, আমদানি ও ক্রয়সংক্রান্ত দলিল এবং প্রযোজ্য শুল্ক-মূসক ও কর পরিশোধের তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি) জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকার বিভিন্ন বার, রেস্তোরাঁ, ডিপ্লোম্যাটিক বন্ডেড ওয়্যারহাউস ও ডিউটি ফ্রি শপে অবৈধ উৎস থেকে অ্যালকোহল সংগ্রহ এবং রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ পাওয়া যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে অনুসন্ধান ও যাচাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়।অভিযানে সিআইআইডির চারটি পৃথক টিমের পাশাপাশি এনবিআরের আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি), মূসক নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এবং কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, ঢাকার (উত্তর) কর্মকর্তারা অংশ নেন।অভিযানসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানগুলোর মজুদে থাকা অ্যালকোহল ও অ্যালকোহলজাত পণ্যের উৎস, আমদানি বা ক্রয়ের বৈধ কাগজপত্র, শুল্ক-মূসক ও আয়কর পরিশোধের তথ্য যাচাই করছেন। একই সঙ্গে এসব পণ্য বৈধভাবে সংরক্ষণ ও সরবরাহ করা হচ্ছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।প্রয়োজন অনুযায়ী পণ্য আটক করার কার্যক্রমও নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে শুল্ক গোয়েন্দা। এনবিআর জানিয়েছে, অভিযান ও যাচাই-বাছাই শেষে প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য এবং সার্বিক ফলাফল নিয়ে রাতে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।

জেলের পায়ুপথে ঢুকল জীবন্ত বাইম, অস্ত্রোপচারে উদ্ধার

অস্ত্রোপচারে মিলল জীবিত / জেলের পায়ুপথে ঢুকল জীবন্ত বাইম, অস্ত্রোপচারে উদ্ধার

বাংলাদেশের ৫৫ বছর বয়সী এক জেলের শরীরে অস্বাভাবিকভাবে প্রবেশ করা একটি জীবন্ত বাইম মাছ অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে বের করেছেন চিকিৎসকেরা। মাছটি অন্ত্রের দেয়াল ফুটো করে পেটের ভেতরে চলে যাওয়ার পর তীব্র পেটব্যথায় হাসপাতালে ভর্তি হন ওই জেলে।ঘটনাটি নিয়ে ‘ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব সার্জারি কেস রিপোর্টস’-এ একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে।গবেষণাপত্র অনুযায়ী, মাছ ধরার সময় বাইম মাছটি প্রথমে ওই জেলের লুঙ্গির ভেতরে ঢুকে যায়। পরে মাছটি পায়ুপথ দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে। মাছটি নিজে থেকেই বের হয়ে যাবে এমন ধারণায় তিনি তাৎক্ষণিক চিকিৎসা নেননি।পরদিন তীব্র পেটব্যথা শুরু হলে হাসপাতালে যান তিনি। পরীক্ষায় চিকিৎসকেরা পেট শক্ত হয়ে যাওয়া, চাপ দিলে তীব্র ব্যথা এবং পেরিটোনাইটিসের লক্ষণ দেখতে পান। এক্স-রে পরীক্ষায় পেটের ভেতরে অস্বাভাবিক গ্যাস জমার পাশাপাশি ইলের মতো একটি অস্পষ্ট ছায়া দেখা যায়।অন্ত্র ফুটো হওয়ার আশঙ্কায় দ্রুত অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকেরা। অস্ত্রোপচারের সময় দেখা যায়, সিগময়েড কোলনের সামনের দেয়ালে ছিদ্র হয়েছে এবং সেই পথ দিয়ে বাইম মাছটি পেটের ভেতরে চলে গেছে।সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় ছিল, প্রায় ২৬ ইঞ্চি লম্বা মাছটি তখনো জীবিত ছিল। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মাছটি বের করে পেটের ভেতরের মলজাতীয় পদার্থ পরিষ্কার করা হয়। অন্ত্রের ক্ষত সারাতে রোগীর সিগময়েড কলোস্টোমি করা হয়।অস্ত্রোপচারের পর রোগীর কোনো জটিলতা দেখা দেয়নি। চার দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।চিকিৎসকদের মতে, জীবন্ত কোনো প্রাণী, বিশেষ করে মাছের কারণে অন্ত্র ফুটো হওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল। গবেষণাপত্রে বাংলাদেশের ঘটনাটিকে ইলের কারণে অন্ত্র ফুটো হওয়ার দ্বিতীয় নথিভুক্ত ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে ২০০৪ সালে হংকংয়ে ৫০ বছর বয়সী এক ব্যক্তির ক্ষেত্রে একই ধরনের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছিল।গবেষণায় চিকিৎসকেরা অস্বাভাবিক পেটব্যথার রোগীদের ক্ষেত্রে পেশা, সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড এবং কোনো অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটেছিল কি না এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানতে গুরুত্ব দিয়েছেন। কারণ বিব্রতকর পরিস্থিতির কারণে রোগীরা অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করতে পারেন। গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, অন্ত্র ফুটো হওয়ার সন্দেহ থাকলে দ্রুত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসা প্রয়োজন। গুরুতর পেরিটোনাইটিস বা সেপসিসের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত অস্ত্রোপচার জটিলতা ও জীবনহানির ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বিমানবন্দর নিয়ে সাদিকের প্রশ্ন, ‘ট্রলি সামলাতে না পারলে রাষ্ট্র চালাবে কীভাবে?’

প্রবাসীদের ভোগান্তি ও বিমানবন্দর / বিমানবন্দর নিয়ে সাদিকের প্রশ্ন, ‘ট্রলি সামলাতে না পারলে রাষ্ট্র চালাবে কীভাবে?’

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকট নিয়ে প্রতিবাদকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের গ্রেপ্তার ও রিমান্ডের সমালোচনা করেছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। শুক্রবার (২ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে তিনি বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপনা ও প্রবাসীদের ভোগান্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। সাদিক কায়েম বলেন, প্রবাসীরা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন এবং তাদের ভোগান্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলা নাগরিকদের অধিকার। তাঁর বক্তব্যের কেন্দ্রবিন্দু ছিল বিমানবন্দরের লাগেজ ও ট্রলি ব্যবস্থাপনা।তিনি প্রশ্ন করেন, ‘যে সরকার একটা বিমানবন্দরে ল্যাগেজ ও ট্রলি ম্যানেজমেন্ট করতে পারে না, সেই সরকার ৫ বছর ঠিকঠাক রাষ্ট্র চালাবে কীভাবে?’—এটি তাঁর রাজনৈতিক বক্তব্য ও প্রশ্ন হিসেবে উদ্ধৃত হয়েছে। এদিকে বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে করা মামলায় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে আরও কিছু অভিযোগ আনা হয়েছে, যেগুলো তদন্তাধীন। শনিবার (৩ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর শুনানি শেষে আখতারুজ্জামানের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে পুলিশ পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিল। সাদিক কায়েম তাঁর পোস্টে বিএনপি সরকারের প্রবাসী নীতি ও বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপনা নিয়েও সমালোচনা করেন। তিনি দাবি করেন, প্রবাসীদের ভোগান্তি নিয়ে কথা বলার কারণে একজন সিনিয়র নাগরিক ও মুক্তিযোদ্ধাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে এসব মন্তব্য সাদিক কায়েমের রাজনৈতিক বক্তব্য। অন্যদিকে আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে করা মামলায় পুলিশ যে অভিযোগগুলো করেছে, সেগুলোর সত্যতা বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।

বানিয়াচংয়ে ইউপি সদস্যার বাড়িতে পুলিশের অভিযান, যুবক-যুবতী আটক

ইউপি সদস্যাকে আটক না করায় নানা প্রশ্ন / বানিয়াচংয়ে ইউপি সদস্যার বাড়িতে পুলিশের অভিযান, যুবক-যুবতী আটক

হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলা সদরের ৪ নম্বর দক্ষিণ-পশ্চিম ইউনিয়নের এক নারী ইউপি সদস্যের বাড়িতে পুলিশের অভিযান চালিয়ে কথিত অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে এক যুবক ও এক যুবতীকে আটক করা হয়েছে। তবে অভিযুক্ত ইউপি সদস্যা ও ওই বাড়ির গৃহকর্তী দোলেনা বেগমকে আটক না করায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলা সদরের রায়েরপাড়া মহল্লায় ইউপি সদস্যা দোলেনা বেগমের বাড়িতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ নাজমুল হকের নেতৃত্বে এসআই হাদিউল মিয়াসহ একদল পুলিশ অভিযান চালায় বলে জানা গেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে—এমন অভিযোগ করে আসছিলেন স্থানীয়রা। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার দুপুরে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় বাড়ির একটি কক্ষ থেকে এক যুবক ও এক যুবতীকে আটক করা হয়।অভিযানের খবর পেয়ে স্থানীয় নারী-পুরুষের বিপুলসংখ্যক মানুষ বাড়িটির আশপাশে জড়ো হন। পরে পুলিশ আটক দুজনকে থানায় নিয়ে যায়। তবে বাড়ির মালিক ইউপি সদস্যা দোলেনা বেগমকে আটক বা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়নি বলে স্থানীয়রা জানান।স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, ওই বাড়িতে বিভিন্ন বয়সী পুরুষের যাতায়াত ছিল এবং সেখানে অর্থের বিনিময়ে নারীদের এনে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হতো। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন কোনো প্রমাণ তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, অতীতেও কয়েকবার বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানানো হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।এদিকে ইউপি সদস্যাকে আটক না করার বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ তাকে আটক না করার পেছনে প্রভাব বা আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তুলেছেন। তবে এ অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং পুলিশও এমন কোনো অভিযোগ স্বীকার করেনি।অভিযানে থাকা এসআই হাদিউল মিয়া দুইজনকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ইউপি সদস্যার বাড়িতে কথিত অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে এক যুবক ও এক যুবতীকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে তখনও মামলা রুজু হয়নি। পরদিন আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া নেওয়া হবে।আটক ব্যক্তিদের নাম-ঠিকানা জানতে চাইলে তিনি তখন একটি দরবারে ব্যস্ত থাকার কথা জানিয়ে পরে তথ্য দেওয়ার কথা বলেন। পরে যোগাযোগ করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের নাম-ঠিকানা পাওয়া যায়নি।এ বিষয়ে বানিয়াচং থানার ওসি শেখ নাজমুল হকের বক্তব্য জানতে সরকারি মুঠোফোন নম্বর ও মেসেঞ্জার-হোয়াটসঅ্যাপে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিভিল প্রশাসনের দায়িত্বশীল এক ব্যক্তি জানান, আটক যুবক-যুবতীর স্বজনরা তাদের ছাড়িয়ে নিতে যোগাযোগ করেছেন এবং এ নিয়ে একাধিকবার বৈঠক হয়েছে। ইউপি সদস্যাকে আটক না করার বিষয়টিও তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানিয়েছেন বলে দাবি করেন। তবে ইউপি সদস্যার কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়ার যে অভিযোগ তিনি পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন, সেটিও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।উল্লেখ্য, বানিয়াচং থানার বর্তমান ওসি শেখ নাজমুল হক ২০২৬ সালের মে মাসে দায়িত্ব নেওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে অনিয়ম ও অবৈধ তদবিরের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছিলেন।

রোনালদোর ‘লাইক’ ঘিরে তোলপাড়, সতীর্থদের সমালোচনায় নতুন বিতর্ক

ক্যাম্প ছাড়ার পরও নীরব রোনালদো / রোনালদোর ‘লাইক’ ঘিরে তোলপাড়, সতীর্থদের সমালোচনায় নতুন বিতর্ক

পর্তুগাল জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে হঠাৎ চলে যাওয়ার পর থেকেই ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে ঘিরে আলোচনা থামছে না। এবার সতীর্থদের আচরণ ও কোচ জর্জ জেসুসের সমালোচনা করা সাবেক ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার ফেলিপে মেলোর একটি ভিডিওতে রোনালদোর ‘লাইক’ দেওয়াকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।মেলোর ভিডিওতে পর্তুগালের হয়ে রোনালদোর প্রতি আচরণের সমালোচনা করা হয়। পাশাপাশি আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে লিওনেল মেসি যে সম্মান পান, তার সঙ্গে রোনালদোর পরিস্থিতির তুলনা করেন সাবেক এই ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার।মেলো বলেন, পর্তুগিজরা রোনালদোর সঙ্গে যেভাবে আচরণ করছে এবং আর্জেন্টাইনরা মেসির সঙ্গে যেভাবে আচরণ করছে, দুটির মধ্যে বড় পার্থক্য রয়েছে।পর্তুগাল দলের সতীর্থদের নিয়েও কড়া মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর দাবি, প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়দের কাছ থেকেও রোনালদো যতটা সম্মান পান, নিজের জাতীয় দলের সতীর্থদের কাছ থেকে ততটা সম্মান পান না।রোনালদোর জাতীয় দল থেকে বিদায়ের ধরন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মেলো। তাঁর মতে, ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এবং পর্তুগালের ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড়দের একজন রোনালদোর বিদায় এভাবে হওয়া উচিত নয়।জর্জ জেসুস প্রসঙ্গেও নিজের অবস্থান জানান মেলো। রোনালদো ও জেসুসের মধ্যে একজনকে বেছে নিতে হলে তিনি রোনালদোর পক্ষ নেবেন বলে জানান সাবেক এই ফুটবলার।আর এই ভিডিওতেই রোনালদোর ‘লাইক’ নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এএসসহ একাধিক সংবাদমাধ্যম রোনালদোর অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, রোনালদো নিজে সরাসরি সতীর্থদের বিরুদ্ধে কোনো মন্তব্য করেননি।নেশন্স লিগে নরওয়ের বিপক্ষে পর্তুগালের ২-১ গোলের জয়ের ম্যাচে পুরো সময় বেঞ্চে ছিলেন রোনালদো। দীর্ঘ সময় পর জাতীয় দলের হয়ে কোনো মিনিট মাঠে না কাটানোর পর থেকেই কোচ জর্জ জেসুসের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।৩০ সেপ্টেম্বর পর্তুগালের ক্যাম্প ছেড়ে যান রোনালদো। এর আগে সংবাদ সম্মেলনে জেসুস স্বীকার করেন, বেঞ্চে থাকায় রোনালদো অসন্তুষ্ট ছিলেন। তবে তাঁদের মধ্যে ব্যক্তিগত বিরোধ থাকার কথা অস্বীকার করেন তিনি।ক্যাম্প ছাড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অবস্থানও জানান রোনালদো। পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি পেদ্রো প্রোয়েন্সার সঙ্গে কথা বলেই তিনি ক্যাম্প ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান। তবে সিদ্ধান্তের বিস্তারিত কারণ প্রকাশ করেননি।রোনালদো জানিয়েছিলেন, উপযুক্ত সময়ে পুরো সত্য প্রকাশ করবেন। একই সঙ্গে জাতীয় দলের প্রতি ভালোবাসা এবং সতীর্থদের জন্য শুভকামনাও জানান তিনি।এদিকে মেলোর পাশাপাশি চিলির সাবেক তারকা আর্তুরো ভিদালও রোনালদোর পাশে দাঁড়িয়েছেন। জর্জ জেসুসের সমালোচনা করে ভিদাল রোনালদোর মতো একজন খেলোয়াড়ের জাতীয় দল ছাড়ার ঘটনাকে ‘লজ্জাজনক’ বলে মন্তব্য করেন।অন্যদিকে রোনালদোকে ছাড়াই পর্তুগাল মাঠের লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। তবে জাতীয় দলের সর্বোচ্চ গোলদাতার ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা এখনো অব্যাহত। মেলোর বিতর্কিত মন্তব্যে রোনালদোর একটি ‘লাইক’ তাই নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে—পর্তুগাল শিবিরে আসলে কী চলছে?

পোশাকে নয়, ব্যক্তিত্বে আভিজাত্য: মোশাররফ করিম

ছবি প্রকাশের পর প্রশংসায় ভক্তরা / পোশাকে নয়, ব্যক্তিত্বে আভিজাত্য: মোশাররফ করিম

পোশাকে নয়, ব্যক্তিত্বেই আভিজাত্য এমন বার্তাই দিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিম। সাবলীল অভিনয় ও ভিন্নধর্মী ব্যক্তিত্ব দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়া এই অভিনেতা এবার সামাজিকমাধ্যমে নিজের একটি ছবি ও ক্যাপশন দিয়ে আলোচনায় এসেছেন।সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি শেয়ার করেন মোশাররফ করিম। ছবিতে তাকে প্রকৃতির শান্ত পরিবেশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। পরনে ছিল ছাই রঙের সাধারণ পাঞ্জাবি, চোখে সানগ্লাস। সাদামাটা সাজেও তার অভিব্যক্তিতে ফুটে উঠেছে স্বাভাবিক ও গম্ভীর ব্যক্তিত্ব।ছবির ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘আভিজাত্য পোশাকে নয়, প্রকাশ পায় ব্যক্তিত্বে।’ছবিটি প্রকাশের পরপরই ভক্তদের মন্তব্যে ভরে ওঠে পোস্টের কমেন্টস বক্স। অনেকে অভিনেতার ব্যক্তিত্ব ও সরল উপস্থিতির প্রশংসা করেছেন।অর্বীনা মুন্নি নামের এক ভক্ত মন্তব্য করেন, ব্যক্তিত্ব সুন্দরই আছে। যখন চেতাইবো অসুন্দর হইয়া যাইবো।আবু তাহের বিজয় নামের আরেক ভক্ত লিখেছেন, “পৃথিবীর ১০ জন শ্রেষ্ঠ অভিনেতার মধ্যে একজন।” মোশাররফ করিমের সাদামাটা লুক এবং ছোট্ট কিন্তু অর্থবহ ক্যাপশনটি ভক্তদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে। তার ব্যক্তিত্বপূর্ণ উপস্থিতি ও বার্তাকে প্রশংসায় স্বাগত জানিয়েছেন অনুরাগীরা।

অনলাইন জরিপ
২৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ২ জন

সাক্ষাৎকার

কোন পোস্ট নেই !

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !