বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
জুলাইযোদ্ধাদের সাংবিধানিক দায়মুক্তি, ফিরছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার

গণভোট ফিরছে সংবিধানে

জুলাইযোদ্ধাদের সাংবিধানিক দায়মুক্তি, ফিরছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার

নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ও বাধ্যতামূলক গণভোটের বিধান সংবিধানে ফিরছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভাপতি সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া যোদ্ধাদের সুরক্ষা ও দায়মুক্তি সাংবিধানিকভাবে নিশ্চিত করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির ষষ্ঠ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন সালাহউদ্দিন আহমদ।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়ে ভবিষ্যতে যাতে কোনো বিতর্ক তৈরি না হয়, সে লক্ষ্যে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত নেওয়া হচ্ছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার কীভাবে গঠিত হবে এবং কারা এতে থাকবেন, তা সংসদে আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।তিনি বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, সাবেক বিচারপতি, আইনজীবী, আইন বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষাবিদদের কাছ থেকে প্রস্তাব নেওয়া হচ্ছে। এসব মতামত পর্যালোচনা করে এমন একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রণয়নের লক্ষ্য রয়েছে, যা ভবিষ্যতে বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকবে।তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতিকে সর্বশেষ বিকল্প হিসেবে রাখার বিধান নিয়েও আলোচনা হয়েছে জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অতীতে এ বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক হয়েছে। তাই রাষ্ট্রপতিকে সর্বশেষ বিকল্প হিসেবে না রাখার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের পাশাপাশি ভবিষ্যতে যাতে সহজে এ ব্যবস্থা পরিবর্তন করা না যায়, সেটিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। এ ক্ষেত্রে জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া যোদ্ধাদের সুরক্ষা ও দায়মুক্তি সাংবিধানিকভাবে নিশ্চিত করার উদ্যোগের কথাও জানান কমিটির সভাপতি।তিনি বলেন, জুলাই যোদ্ধাদের সুরক্ষার জন্য যে আইন করা হয়েছিল, তা ইতোমধ্যে অধ্যাদেশ থেকে আইনে পরিণত হয়েছে। এখন তাদের সুরক্ষা ও দায়মুক্তি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।বৈঠকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অবদান রাখা শহীদ পরিবারের সদস্য, আহত জুলাইযোদ্ধা ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিসহ মোট ৬৩ জন অংশ নেন। তারা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সাংবিধানিক স্বীকৃতি, জুলাই ঘোষণাপত্রকে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা, যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা ও দায়মুক্তি, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার এবং আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিয়ে মতামত দেন।বৈঠকে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করার পাশাপাশি বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব উঠে আসে। সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ বিধান পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোটের বিধান রাখার বিষয়েও মতামত দেওয়া হয়।এ ছাড়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নারীদের অংশগ্রহণ বিবেচনায় নিয়ে রাজনীতিতে তাদের জন্য নিরাপদ ও বৈষম্যহীন পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।গণ-অভ্যুত্থানকালে সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার দ্রুত শেষ করার দাবি প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এ ধরনের অপরাধে যারা দায়ী, তাদের বিচার ত্বরান্বিত করার বিষয়ে সরকার আন্তরিক।তিনি জানান, বিচারপ্রক্রিয়া স্বাধীনভাবে চলছে এবং নির্ধারিত আইন অনুযায়ী আদালত কাজ করবে। তদন্ত, প্রসিকিউশন ও অভিযোগ গঠনসহ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।কমিটির কাছে বৈঠকে উপস্থাপিত প্রস্তাবগুলো বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা হয়েছে। আলোচনার বাইরে কারও লিখিত প্রস্তাব থাকলে তা কমিটির কাছে পাঠানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কমিটি এখনো চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। সংবিধান বিশেষজ্ঞ, সাবেক বিচারপতি, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, আইন বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষাবিদদের কাছ থেকে আরও গুরুত্বপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য প্রস্তাব পাওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মব করে রামেবি ভিসিকে পদত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগ, এনডিএফের প্রতিবাদ

তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা / মব করে রামেবি ভিসিকে পদত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগ, এনডিএফের প্রতিবাদ

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (রামেবি) উপাচার্য অধ্যাপক জাওয়াদুল হককে সংঘবদ্ধভাবে চাপ সৃষ্টি করে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করার অভিযোগে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম (এনডিএফ)।মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাতে সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক ডা. এ কে এম জিয়াউল হকের পাঠানো এক বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানানো হয়। বিবৃতিতে এনডিএফের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম ও জেনারেল সেক্রেটারি অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেনের বক্তব্য তুলে ধরা হয়।বিবৃতিতে এনডিএফ নেতারা দাবি করেন, প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জনের একটি দল বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জড়ো হয়ে মব তৈরি করে উপাচার্যের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে তাকে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ করেন তারা।এ সময় অধ্যাপক মোফাখখারুল ইসলামও সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। তবে তিনি এ বিষয়ে আগে কিছু জানতেন না বলে জানিয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।এনডিএফ নেতারা বলেন, কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে চাপ, ভয়ভীতি বা সংঘবদ্ধ মবের মাধ্যমে পদত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। উচ্চশিক্ষা ও চিকিৎসা শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে আইন, বিধি ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা জরুরি।তারা অভিযোগটির দ্রুত, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন। কারা কীভাবে সেখানে জড়ো হয়েছিল, কীভাবে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল এবং উপাচার্যকে পদত্যাগে কোনো ধরনের চাপ দেওয়া হয়েছিল কি না তদন্তের মাধ্যমে এসব বিষয় স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।এনডিএফ আরও বলেছে, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর রাজনৈতিক কিংবা প্রভাবশালী পরিচয় যেন তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে না পারে, সরকারকে তা নিশ্চিত করতে হবে।চিকিৎসক নেতারা বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে তারা আশা করেন। একই সঙ্গে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাবান্ধব, নিরাপদ ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা। মব-তৎপরতার বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যও সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম।

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে কী হচ্ছে, প্রশ্ন জামায়াত আমিরের

মব তৈরি করে উপাচার্যকে হুমকি / রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে কী হচ্ছে, প্রশ্ন জামায়াত আমিরের

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. জাওয়াদুল হককে সংঘবদ্ধভাবে চাপ প্রয়োগ করে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করার অভিযোগে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাত ৯টা ৪৪ মিনিটে নিজের ফেসবুক পেজে এ বিষয়ে একটি পোস্ট দেন তিনি।ডা. শফিকুর রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন ব্যক্তি জোর করে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের অস্থায়ী কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। এ সময় উপাচার্যের ব্যক্তিগত পিএস নাজমুল হোসাইনকে শারীরিকভাবে নাজেহাল করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।পরে উপাচার্যকে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন জামায়াত আমির। এর আগে মানববন্ধন করে উপাচার্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগ দাবি করা হয় বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।উপাচার্য অধ্যাপক ডা. জাওয়াদুল হকের বক্তব্যের বরাত দিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এর আগেও কয়েকবার একই ধরনের বিশৃঙ্খল আচরণ ও হুমকি-ধমকির ঘটনা ঘটেছে। পরে উপাচার্য সংবাদ সম্মেলনে ঘটনাগুলোর বিস্তারিত তুলে ধরেন এবং বিষয়টি স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে অবহিত করেছেন বলে জানান।এদিকে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিভিন্ন পরীক্ষা চলমান রয়েছে উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এ-সংক্রান্ত কাজে ব্যবহৃত কম্পিউটারের সিপিইউ চুরি করে নেওয়ার অভিযোগও করেছেন উপাচার্য। বিষয়টিকে তিনি উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেন।স্বাস্থ্য খাতে এর আগেও বিভিন্ন ধরনের ‘মব’ তৈরির ঘটনা ঘটেছে দাবি করে তিনি হাসপাতাল ভাঙচুর, মেডিকেল কলেজ বন্ধ করে দেওয়া এবং চিকিৎসাকর্মীদের হয়রানির বিভিন্ন অভিযোগের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। ঢাকায় রাড্ডা মেডিকেল সেন্টার ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগও তার বক্তব্যে উঠে আসে।এসব কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে সরকারের কাছে ঘটনার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করেন জামায়াত আমির। তিনি আরও বলেন, সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে স্বাস্থ্য খাতে এ ধরনের ‘মব’ তৈরির পেছনে স্বার্থের ভাগ-বাটোয়ারার অভিযোগ উঠে এসেছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে দেশের স্বাস্থ্য খাত আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং জনগণের ভোগান্তি বাড়বে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ, জেনিয়া ওভারসিজের প্রতি রেহেনা পরিবারের কৃতজ্ঞতা

বৃহস্পতিবার দেশে ফিরছেন রেহেনা / প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ, জেনিয়া ওভারসিজের প্রতি রেহেনা পরিবারের কৃতজ্ঞতা

সম্প্রতি সৌদি আরবে গৃহকর্মী হিসেবে কর্মরত রেহেনা আক্তারের নির্যাতনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন গণমাধ্যমে রিক্রুটিং এজেন্সি জেনিয়া ওভারসিজ-এর বিরুদ্ধে কিছু আপত্তিকর ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে বলে দাবি করেছে রেহেনার পরিবার।পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সৌদি আরবে অবস্থানকালে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ও অসুস্থ বোধ করায় রেহেনা আক্তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য দিয়েছিলেন। তবে এসব বক্তব্যের ভিত্তিতে জেনিয়া ওভারসিজের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো সঠিকভাবে উপস্থাপিত হয়নি বলে দাবি পরিবারের।পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, জেনিয়া ওভারসিজের তৎপরতা ও সহযোগিতায় এবং সংশ্লিষ্টদের সহায়তায় রেহেনা আক্তারকে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হয়েছে।জানা গেছে, আগামী বৃহস্পতিবার হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার কমলপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে ফিরবেন রেহেনা।পরিবারের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, জেনিয়া ওভারসিজ দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে জনশক্তি রপ্তানির কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এদিকে রেহেনা আক্তারের পরিবার ও তার স্বামী আলী আহমদ দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়ায় সহযোগিতার জন্য জেনিয়া ওভারসিজ কর্তৃপক্ষের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

বিদায়ের আগে মেসি: ‘আমি শান্ত মনে বিদায় নিচ্ছি’

মেসির আন্তর্জাতিক অধ্যায় / বিদায়ের আগে মেসি: ‘আমি শান্ত মনে বিদায় নিচ্ছি’

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা। এরপরই প্রিয় আকাশি-সাদা জার্সিকে বিদায় বলবেন আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি। বিদায়ী ম্যাচের আগে নিজের অনুভূতির কথা জানিয়েছেন তিনি। মেসির ভাষ্য, কোনো আক্ষেপ নয়, বরং পূর্ণতার অনুভূতি নিয়েই জাতীয় দলকে বিদায় জানাচ্ছেন তিনি।বেনিনের বিপক্ষে বিদায়ী ম্যাচের আগে অ্যাডিডাসের প্রকাশিত এক ভিডিওতে মেসি বলেন, ‘সময়টা এসে গেছে। আমি শান্ত মনে বিদায় নিচ্ছি, সবটুকু দিয়েছি।’আর্জেন্টিনার জার্সির সঙ্গে নিজের দীর্ঘ সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেছেন আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই তারকা। তিনি বলেন, ‘এই জার্সিটা ছিল আমার স্বপ্ন, আমার গর্ব এবং আমার জীবন। আমাকে এতটা ভালোবাসার জন্য ধন্যবাদ। তোমাদের খুব মিস করব।’মেসির বিদায় উপলক্ষে বিশেষ জার্সি তৈরি করেছে ক্রীড়াসামগ্রী প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাস। প্রতিষ্ঠানটির প্রকাশিত ভিডিওতেই মেসির বিদায়ী বার্তা আসে। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই জার্সির ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, ‘শেষ ম্যাচ... সারাজীবনের জার্সি।’মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ৮টায় বুয়েনস এইরেসের মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে বেনিনের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। বাংলাদেশ সময় ম্যাচটি শুরু হবে বুধবার ভোর ৫টায়। জাতীয় দলের হয়ে এটি হবে মেসির ২০৮তম ও শেষ ম্যাচ।২০০৫ সালে হাঙ্গেরির বিপক্ষে অভিষেকের পর দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে মেসি এখন পর্যন্ত ২০৭ ম্যাচে করেছেন ১২৫ গোল। আর্জেন্টিনার হয়ে তিনিই সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা ও সর্বোচ্চ গোল করা ফুটবলার।তবে মেসির জাতীয় দলের পথচলা শুধু সাফল্যে ভরা ছিল না। বিশ্বকাপ ও কোপা আমেরিকার একাধিক ফাইনালে হার, জাতীয় দল ছাড়ার ঘোষণা এবং দীর্ঘ শিরোপা-অপেক্ষাও ছিল তার ক্যারিয়ারের অংশ।অবশেষে ২০২১ সালে ব্রাজিলকে হারিয়ে কোপা আমেরিকা জয়ের মাধ্যমে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটে। এরপর ২০২২ সালে ফিনালিসিমা ও কাতার বিশ্বকাপ এবং ২০২৪ সালে আরেকটি কোপা আমেরিকার শিরোপা জেতেন মেসি।২০২৬ বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে নিয়ে যান তিনি। তবে স্পেনের কাছে হেরে দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের সুযোগ হারানোর কয়েক সপ্তাহ পর জাতীয় দল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত জানান মেসি। এবার বেনিনের বিপক্ষে শেষবারের মতো আর্জেন্টিনার জার্সিতে মাঠে নামবেন তিনি শেষ হবে দুই দশকেরও বেশি সময়ের এক অবিস্মরণীয় আন্তর্জাতিক অধ্যায়।

বঙ্গে মুক্তি পেল ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ চ্যাপ্টার ১৩

১৬ জুলাই আসছে / বঙ্গে মুক্তি পেল ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ চ্যাপ্টার ১৩

অবশেষে দর্শকদের অপেক্ষার অবসান। জনপ্রিয় নির্মাতা কাজল আরেফিন অমির অসুস্থতার কারণে সাময়িকভাবে স্থগিত থাকা জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন ৫’-এর বহুল প্রতীক্ষিত ‘চ্যাপ্টার ১৩’ মুক্তি পেয়েছে। আজ ৯ জুলাই থেকে স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম বঙ্গ-তে দেখা যাচ্ছে নতুন এই পর্বগুলো।এবারের চ্যাপ্টারে দর্শকদের জন্য রয়েছে বিশেষ চমক। পুরো গল্প সাজানো হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের আবহে। প্রিয় চরিত্রগুলোকে দেখা যাবে ফুটবল মাঠে মুখোমুখি হতে। ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার জার্সিতে ব্যাচেলরদের অংশগ্রহণে তৈরি হয়েছে উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘মোস্ট ওয়ান্টেড ম্যাচ: আর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিল’।সম্প্রতি শুটিং চলাকালে গলায় পলিপজনিত সমস্যায় অসুস্থ হয়ে পড়েন নির্মাতা কাজল আরেফিন অমি। চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে সম্পূর্ণ কথা বলা থেকে বিরত থাকতে এবং বিশ্রামে থাকতে হয়েছিল। এ কারণে ‘চ্যাপ্টার ১৩’-এর শুটিং শেষ করতে বিলম্ব হয় এবং এর মুক্তিও পিছিয়ে যায়।তবে দর্শকদের ভালোবাসার কথা বিবেচনা করে সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার আগেই সীমিত পরিসরে কাজ শুরু করেন অমি। শেষ পর্যন্ত ভক্তদের জন্য বিশেষ উপহার হিসেবে মুক্তি পেল বহুল প্রতীক্ষিত এই চ্যাপ্টার।নির্মাতার পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, ৯ জুলাই ‘চ্যাপ্টার ১৩’-এর প্রথম ৪টি পর্ব ৯৭ থেকে ১০০ নম্বর পর্ব বঙ্গে মুক্তি পেয়েছে। আর বাকি ৪টি পর্ব ১০১ থেকে ১০৪ আগামী ১৬ জুলাই দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। ফুটবল, হাস্যরস ও ব্যাচেলরদের নতুন কাণ্ডকারখানা নিয়ে এবারের চ্যাপ্টার দর্শকদের কতটা মাতাতে পারে, এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা।

অনলাইন জরিপ
২৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ২ জন

সাক্ষাৎকার

কোন পোস্ট নেই !

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !