সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
শায়েস্তাগঞ্জে ঘনঘন লোডশেডিংয়ে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা

ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

শায়েস্তাগঞ্জে ঘনঘন লোডশেডিংয়ে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় প্রতিদিনই বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ও আংশিক লোডশেডিংয়ের কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দিনের বিভিন্ন সময়ে বিদ্যুৎ চলে যাওয়া এবং দীর্ঘ সময় পর পুনরায় সরবরাহ চালু হওয়ায় জনজীবনে দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় বাসাবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে গরমের সময়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের বেশি সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।ব্যবসায়ীরা জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় দোকানপাট ও ছোট ব্যবসায়িক কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাতেও বিঘ্ন ঘটছে বলে জানিয়েছেন অভিভাবকরা।এলাকাবাসীর দাবি, বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার সমস্যাগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সরবরাহ ব্যবস্থার ত্রুটি, রক্ষণাবেক্ষণ কাজ বা চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকলে সাময়িকভাবে লোডশেডিং হতে পারে। তবে সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সরাসরি জাহাজ চালু নিয়ে আলোচনা

মালদ্বীপের সঙ্গে বৈঠক / বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সরাসরি জাহাজ চালু নিয়ে আলোচনা

মালদ্বীপের সঙ্গে সরাসরি জাহাজ চলাচল চালুর বিষয়ে আলোচনা করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। রোববার (২৬ জুলাই) মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদামের সঙ্গে বৈঠকে এ বিষয়টি উঠে আসে।বৈঠকে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে অভিবাসন ও প্রবাসী কল্যাণ, পর্যটন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নীল অর্থনীতি এবং সামুদ্রিক যোগাযোগসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়।দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময়ের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করেন। পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও যোগাযোগ সম্প্রসারণে সরাসরি জাহাজ চলাচলের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান সরকারের ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ পররাষ্ট্রনীতি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক সম্পর্ক আরও গভীর করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।বৈঠকে মালদ্বীপের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টেট মিনিস্টার ড. মোহাম্মদ ফাহমি হাসান এবং মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নজমুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরাসরি জাহাজ যোগাযোগ চালু হলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, পর্যটন ও জনসম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

বিএনপিতে ভিন্নমত দমনে ‘মব কালচার’ তৈরি হয়েছে: ইসহাক সরকার

সহনশীলতার আহ্বান এনসিপির / বিএনপিতে ভিন্নমত দমনে ‘মব কালচার’ তৈরি হয়েছে: ইসহাক সরকার

বিএনপির ভেতরে ভিন্নমতের নেতাদের বিরুদ্ধে ‘মব কালচার’ তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা দক্ষিণ এনসিপির আহ্বায়ক ইসহাক সরকার।সম্প্রতি এশিয়া পোস্টের ‘আলাপন’ অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।ইসহাক সরকার বলেন, ভিন্নমত পোষণকারীদের ঢালাওভাবে ‘পাকিস্তানের চর’ বা ‘গুপ্ত’ আখ্যা দিয়ে হেয় করার প্রবণতা উদ্বেগজনক।তিনি বলেন, দীর্ঘদিন একটি রাজনৈতিক সংগঠনের জন্য কাজ করার পরও অনেক নেতাকে এখন নানা অপবাদ শুনতে হচ্ছে। তার দাবি, দলের ভেতরে থাকা কিছু অনুপ্রবেশকারী সুবিধা নেওয়া এবং নির্যাতিত নেতাদের দুর্বল করতেই এ ধরনের প্রচারণা চালাচ্ছে।ইসহাক সরকার আরও বলেন, ৫ আগস্টের আন্দোলনের সময় বিভিন্ন স্লোগানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদের পতন নিশ্চিত হয়েছিল। কিন্তু স্বাধীনতার দীর্ঘ সময় পরও পুরোনো বিতর্ক সামনে এনে যদি মব কালচার তৈরি করা হয়, তাহলে জনগণ আবারও রাজপথে নামতে বাধ্য হতে পারে। তিনি রাজনৈতিক অঙ্গনে ভিন্নমতের প্রতি সহনশীলতা ও গণতান্ত্রিক চর্চার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

ঘুষের টাকা গুনছেন ভূমি কর্মকর্তা, ভাইরাল ভিডিওতে তোলপাড়

ভিডিও ঘিরে তদন্তের নির্দেশ / ঘুষের টাকা গুনছেন ভূমি কর্মকর্তা, ভাইরাল ভিডিওতে তোলপাড়

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর ‘খ’ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী কর্মকর্তা ইমরান শেখের টাকা নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে ছড়িয়ে পড়া ২ মিনিট ২২ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ইমরান শেখ নিজ কার্যালয়ের চেয়ারে বসে এক সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে টাকা গুনে নিচ্ছেন। এ সময় তাকে বোয়ালমারী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সম্পর্কে মন্তব্য করতেও শোনা যায়।ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘উনিও ৪০তম বিসিএস, আমিও ৪০তম বিসিএস। ওনার কপাল ভালো, উনি ক্যাডার হয়েছেন, আর আমি নন-ক্যাডার হয়েছি।’টাকা নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ইমরান শেখ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এটি ঘুষের টাকা নয়, বরং ব্যক্তিগত ধার দেওয়া টাকা ফেরত নেওয়ার দৃশ্য। তার দাবি, অনেকেই তার কাছ থেকে টাকা ধার নেন এবং পরবর্তীতে তা ফেরত দেন।তিনি আরও জানান, ভূমি অফিসের অন্য কর্মকর্তা ছুটিতে থাকায় বর্তমানে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন।তবে স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, সাতৈর ‘খ’ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে জমির নামজারি (মিউটেশন)সহ বিভিন্ন কাজে সরকারি ফির চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফির কয়েক গুণ বেশি টাকা দিতে হয় বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।এ বিষয়ে বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম রকিবুল হাসান জানান, কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার কারণে এর আগেও ইমরান শেখকে শোকজ করা হয়েছিল। ভাইরাল ভিডিওটির সত্যতা যাচাই ও তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, কোনো কর্মকর্তা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ক্রীড়াবিদরা কি আলাদা টুথপেস্ট ব্যবহার করেন? জানুন সত্য

গুরুত্ব পায় ঝুঁকি ও অভ্যাস / ক্রীড়াবিদরা কি আলাদা টুথপেস্ট ব্যবহার করেন? জানুন সত্য

ফুটবলারের বিশেষ বুট, ক্রিকেটারের মাপমতো ব্যাট—পেশাদার ক্রীড়াবিদদের জীবনের প্রায় প্রতিটি বিষয়েই থাকে পরিকল্পনা। তবে সকালে দাঁত মাজার টুথপেস্ট কি সাধারণ মানুষের চেয়ে আলাদা হয়? এমন প্রশ্ন অনেকের মনেই আসে।সম্প্রতি বাংলাদেশের বাজারে পাওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়ার তথ্য প্রকাশের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এলেও ক্রীড়াবিদদের ওপর এর আলাদা স্বাস্থ্যগত প্রভাব পরীক্ষা করা হয়নি।বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্রীড়াবিদদের জন্য আলাদা কোনো নির্দিষ্ট টুথপেস্ট নেই। তবে দাঁতের ক্ষয়ের ঝুঁকি বেশি হলে সাধারণ পেস্টের বদলে বেশি ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়।বিশ্ব দন্ত সংস্থা (এফডিআই)-এর নির্দেশনা অনুযায়ী, ক্রীড়াবিদদেরও দিনে অন্তত দুইবার দুই মিনিট করে ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত মাজা উচিত। খাবার গ্রহণের অন্তত ৩০ মিনিট পর দাঁত মাজা এবং সম্ভব না হলে পানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার করার পরামর্শ দেওয়া হয়।দাঁতের ঝুঁকি বেশি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে ২৮০০ বা ৫০০০ পিপিএম ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করা হতে পারে। এটি কোনো তারকার নিজস্ব পণ্য নয়, বরং দাঁতের ক্ষয় প্রতিরোধে চিকিৎসার অংশ।ক্রীড়াবিদদের দাঁতের সমস্যা বেশি হওয়ার পেছনে রয়েছে দীর্ঘ সময়ের অনুশীলন, ক্রীড়া পানীয়, উচ্চ শর্করাযুক্ত খাবার, পানিশূন্যতা ও মুখ শুকিয়ে যাওয়ার মতো কারণ। এসব কারণে দাঁতের এনামেল ক্ষয় ও মাড়ির সমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে।২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিকে অংশ নেওয়া ৩৯৯ জন ক্রীড়াবিদের ওপর করা এক গবেষণায় দেখা যায়, ৫৫ শতাংশের দাঁতে ক্ষয় এবং ৪৫ শতাংশের মাঝারি থেকে গুরুতর এনামেল ক্ষয়ের সমস্যা ছিল। অনেকেই জানিয়েছেন, দাঁতের সমস্যা তাদের অনুশীলন ও পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলেছে। এ কারণে বিশ্বের অনেক পেশাদার দল এখন খেলোয়াড়দের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার পাশাপাশি দাঁত ও মুখের স্বাস্থ্যও পর্যবেক্ষণ করে। সংস্পর্শমূলক খেলায় মাউথগার

রবীন্দ্র সরোবরে বর্ষা মঙ্গল উৎসব ১৪৩৩’ রঙিন সাংস্কৃতিক আয়োজন

নাচ-গানে জমল ‘বর্ষা মঙ্গল উৎসব / রবীন্দ্র সরোবরে বর্ষা মঙ্গল উৎসব ১৪৩৩’ রঙিন সাংস্কৃতিক আয়োজন

হাজার বছরের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও লোকজ জীবনধারা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার প্রত্যয়ে রাজধানীর ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে পালিত হয়েছে ‘বর্ষা মঙ্গল উৎসব ১৪৩৩’।শনিবার বিকেলে নাচ, গান ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে উৎসবের উদ্বোধন করে বর্ষা মঙ্গল পরিষদ।আয়োজকরা জানান, বাংলাদেশের বর্ষাকালের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও লোকজ জীবনধারাকে আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতে পহেলা বৈশাখের মতো ‘বর্ষা মঙ্গল উৎসব’কেও একটি সর্বজনীন ও জাতীয় সাংস্কৃতিক উৎসবে পরিণত করার লক্ষ্য রয়েছে।বর্ষা মঙ্গল পরিষদ জানায়, বর্তমান সময়ে নতুন প্রজন্মের সাংস্কৃতিক চর্চা থেকে দূরে সরে যাওয়া এবং দেশীয় সংস্কৃতির ওপর নানা প্রভাবের মধ্যে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।তাদের মতে, শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশ একটি অসাম্প্রদায়িক, মানবিক ও সৃজনশীল সমাজ গঠনের অন্যতম ভিত্তি।উৎসবজুড়ে বাংলাদেশের বর্ষার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে নান্দনিকভাবে উপস্থাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে ছিল বর্ষার গান, কবিতা আবৃত্তি, নৃত্য পরিবেশনা ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজন।

অনলাইন জরিপ
২৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !