বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
চেকপোস্ট
প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য চালু হচ্ছে ‘শিশু স্বর্গ’ প্রকল্প

প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য চালু হচ্ছে ‘শিশু স্বর্গ’ প্রকল্প

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও কার্যকর পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে ‘শিশু স্বর্গ’ নামে নতুন একটি পাইলট প্রকল্প চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রাথমিকভাবে দেশের ১০টি জেলার ১০টি উপজেলায় এ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হবে।বুধবার (১৩ মে) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত প্রতিবন্ধীদের অধিকার, সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত এক উচ্চপর্যায়ের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন তারেক রহমান।সভায় তারেক রহমান বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের মর্যাদা রক্ষা ও তাদের সক্ষমতা মূল্যায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে শিক্ষা, চিকিৎসা ও নাগরিক সুবিধাসহ সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।তিনি বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিরা যেন সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিটি কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারেন, সে লক্ষ্যে বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।ভবন নির্মাণ নীতিমালার বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, হাসপাতাল, রেস্তোরাঁসহ সরকারি ও বেসরকারি সব স্থাপনায় প্রতিবন্ধীবান্ধব অবকাঠামো ও টয়লেট সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীদের সহজ চলাচলের জন্য দরজার নকশাও উপযোগী করার নির্দেশ দেন তিনি।এছাড়া নারীদের জন্য পরিকল্পিত নতুন ইলেকট্রিক বাস সার্ভিসে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ সুবিধা রাখারও নির্দেশনা দেওয়া হয়।সভায় সারা দেশের প্রতিবন্ধী স্কুলগুলোর কার্যক্রম নিবিড়ভাবে তদারকির ওপর জোর দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের প্রতিভা বিকাশে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতায় তাদের অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কে বিশেষ প্রচারণামূলক অনুষ্ঠান আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সভায় উপস্থিত ছিলেন মীর শাহে আলম, এম এ মুহিত, ইয়াসির খান চৌধুরী, ফারজানা শারমিন পুতুল, জোনায়েদ সাকি, ববি হাজ্জাজসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না বিভিন্ন এলাকায়

সকালেই লোডশেডিং / ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না বিভিন্ন এলাকায়

পবিত্র ঈদ উল আজহা উপলক্ষে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) Rajshahi-এর বিভিন্ন এলাকায় টানা ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।Northern Electricity Supply PLC (নেসকো) রাজশাহীর নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৩৩ কেভি ও ১১ কেভি লাইনের কাছাকাছি গাছের শাখা-প্রশাখা কর্তন এবং জরুরি উন্নয়নকাজের জন্য সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না সেগুলো হলো-মেহেরচন্ডি ৩৩ কেভি ও কড়াইতলা ফিডারের আওতাধীন কড়াইতলা মোড়, দয়ারাপাক মোড়, রেজা কোল্ড স্টোরেজ, পশ্চিম বুধপাড়া এবং উৎস ব্লক ফ্যাক্টরি এলাকা। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আসন্ন ঈদে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতেই এই সাময়িক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ কারণে গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।

নাগরিক নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ সরকার এনসিপির মানববন্ধন

জরুরি পদক্ষেপের দাবি / নাগরিক নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ সরকার এনসিপির মানববন্ধন

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কুবি কলা ও মানবিক অনুষদের নবনিযুক্ত ডিন অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুসরণ না করে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ তুলে দায়িত্ব গ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করেছেন।বুধবার ১৩ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অতিরিক্ত দায়িত্ব অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।জানা যায়, গত ১২ মে তিনি রেজিস্ট্রার বরাবর একটি চিঠি দিয়ে দায়িত্ব নিতে অপারগতার কথা জানান। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, ১০৯তম সিন্ডিকেট সভায় ডিন নিয়োগের সিদ্ধান্তে অস্পষ্টতা রয়েছে এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৬ অনুযায়ী এই নিয়োগ বিধিবহির্ভূত বলে মনে হয়েছে।ড. শরীফুল করীম বলেন, ডিন নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট বিধি অনুসরণ করা হয়নি। ভিসি একক ক্ষমতাবলে সিদ্ধান্ত নিতে পারলেও সেটির প্রেক্ষাপট ও আইনি ভিত্তি অফিস আদেশে উল্লেখ থাকা উচিত ছিল। কিন্তু এখানে তা অনুপস্থিত।তিনি আরও বলেন, বিশেষ পরিস্থিতিতে পূর্বে একক ক্ষমতায় ডিন পরিবর্তন না হলেও বর্তমানে কেন তা করা হলো, সেটি স্পষ্ট নয়। এছাড়া আইন বিশেষজ্ঞের মতামত ছাড়াই সিন্ডিকেটে এ সিদ্ধান্ত নেওয়ায় তিনি বিব্রতবোধ করছেন।এদিকে রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন জানান, ডিন নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ভিসি সাময়িকভাবে একক ক্ষমতাবলে অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব দিয়েছেন। আইন বিশেষজ্ঞের মতামত পাওয়ার পর নতুন করে ডিন নিয়োগ দেওয়া হবে।উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, এটি সম্পূর্ণ অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা এবং পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ প্রক্রিয়ায় ডিন নিয়োগ দেওয়া হবে। উল্লেখ্য, গত ১১ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অফিস আদেশে অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীমকে কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

অভিযোগের পরই নিখোঁজ শিশু, হবিগঞ্জ সরকারি শিশু পরিবার ঘিরে চাঞ্চল্য

ভিডিওতে খাবার আত্মসাৎ ও নির্যাতনের অভিযোগ / অভিযোগের পরই নিখোঁজ শিশু, হবিগঞ্জ সরকারি শিশু পরিবার ঘিরে চাঞ্চল্য

খাবার আত্মসাৎ, অনিয়ম ও নির্যাতনের অভিযোগ তোলার কয়েকদিনের মধ্যেই হবিগঞ্জ সরকারি শিশু পরিবার থেকে উজ্জ্বল মিয়া নামে এক শিশু নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় জেলাজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গত ছয় দিন ধরে তার কোনো সন্ধান না মেলায় উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে। একই সঙ্গে সরকারি শিশু পরিবারটির সার্বিক ব্যবস্থাপনা, শিশুদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার থেকে উজ্জ্বল মিয়ার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এ ঘটনায় সরকারি শিশু পরিবার কর্তৃপক্ষ হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিখোঁজ শিশুটিকে উদ্ধারে কাজ চলছে।সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে উজ্জ্বল মিয়ার একটি ভিডিও বক্তব্য। সেখানে সে সরকারি শিশু পরিবারের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, খাবার আত্মসাৎ এবং মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তোলে। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এরপর হঠাৎ করেই শিশুটির নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।সূত্র জানায়, উজ্জ্বল মিয়াকে ২০১৭ সালে প্রায় পাঁচ বছর বয়সে লাখাই উপজেলার একটি সড়ক থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে প্রথমে সিলেটের একটি সেফ হোমে রাখা হয়। পরবর্তীতে ২০২৪ সালে তাকে হবিগঞ্জ সরকারি শিশু পরিবারে স্থানান্তর করা হয়।ভিডিও বক্তব্যে উজ্জ্বল অভিযোগ করে, শিশুদের জন্য সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত মাছ ও মাংসের একটি অংশ বাইরে বিক্রি করে দেওয়া হয়। তার দাবি, ১০ কেজি মাছ বা মাংস বরাদ্দ এলেও শিশুদের দেওয়া হয় অর্ধেকেরও কম। এছাড়া নিম্নমানের পোশাক বেশি দামে ক্রয় দেখিয়ে হিসাব করা হয় বলেও অভিযোগ তোলে সে।শুধু তাই নয়, এসব অনিয়মের প্রতিবাদ করায় দায়িত্বপ্রাপ্ত ‘বড় ভাই’ পরিচয়ে কর্মরত এক কর্মচারী তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল ও মানসিক নির্যাতন করতেন বলেও অভিযোগ করে উজ্জ্বল। এমনকি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করলে তাকে “জেলে পাঠানো হবে” বলেও ভয়ভীতি দেখানো হয়েছিল বলে দাবি তার।এদিকে প্রতিষ্ঠানটিতে দীর্ঘদিন ধরে অব্যবস্থাপনার অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র। শিশুদের মধ্যে মোবাইল ফোন ব্যবহার, শৃঙ্খলার অভাব এবং মাদকাসক্তির ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, অনেক শিশুর হাতেই অবাধে মোবাইল ফোন দেখা যায়, যা কর্তৃপক্ষের তদারকির ঘাটতির ইঙ্গিত দেয়।জানা গেছে, ১০০ আসনের এই সরকারি প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে কাগজে-কলমে ৭১ জন শিশু রয়েছে। তাদের জন্য সরকারিভাবে মাথাপিছু মাসিক প্রায় পাঁচ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে খাবার, পোশাক, শিক্ষা ও খেলাধুলার উপকরণ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শিশু পরিবারের উপতত্ত্বাবধায়ক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) নিপুন রায়। তিনি বলেন, উজ্জ্বলের অভিযোগ ভিত্তিহীন। বরং সে প্রায়ই কর্মচারী ও অন্যান্য শিশুদের সঙ্গে অসদাচরণ করত।তিনি আরও জানান, গত বৃহস্পতিবার দায়িত্বে থাকা এক কর্মচারীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডা ও মারধরের ঘটনার পর উজ্জ্বল প্রতিষ্ঠান থেকে বের হয়ে যায়। এরপর থেকে সে আর ফিরে আসেনি। এর আগেও একবার সে প্রতিষ্ঠান থেকে পালিয়ে গিয়েছিল এবং পরে একটি গাড়ি ওয়াশ সেন্টার থেকে তাকে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল।অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শাওন বলেন, আমরা নিখোঁজ শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করছি। আমি বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছি। হবিগঞ্জে ফিরে এলে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে জানানো হবে।উজ্জ্বল মিয়ার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের দাবি, শুধুমাত্র শিশুটিকে উদ্ধারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে সরকারি শিশু পরিবারের সার্বিক অনিয়ম, শিশু নির্যাতন ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটিতে থাকা অন্যান্য শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতেরও জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

টাকা দিলে কেস ‘মিটবে’-অভিযোগে নতুন বিতর্কে সাকিব

নিষেধাজ্ঞা না উঠলে দেশে ফেরা কঠিন / টাকা দিলে কেস ‘মিটবে’-অভিযোগে নতুন বিতর্কে সাকিব

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান দাবি করেছেন, অর্থের বিনিময়ে মামলা থেকে তার নাম সরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, একটি মহল থেকে তাকে জানানো হয়েছে-১ কোটি টাকা দিলে তার নাম মামলা থেকে উঠিয়ে দেওয়া সম্ভব। তবে তিনি মনে করেন, যারা এ প্রস্তাব দিয়েছে তারা বিষয়টি বাস্তবসম্মতভাবে বোঝে না।সাকিব বলেন, কোনো মামলার নাম প্রত্যাহারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পুলিশের তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে। তাই টাকা দিয়ে এমন কিছু করা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তিনি আরও জানান, এফআইআরে বাদীপক্ষের যোগাযোগের জন্য যার নাম ছিল, তার মাধ্যমে কয়েকজনের মধ্যস্থতায় এই প্রস্তাব পৌঁছায়। তবে বিস্তারিত পরিচয় প্রকাশ করতে চাননি তিনি।এ ধরনের প্রস্তাবের জবাবে সাকিব বলেন, টাকা দেওয়া মানে তো আমি দোষ স্বীকার করছি-এমনটা কেন করব?দেশে ফেরার প্রসঙ্গে তিনি জানান, ইচ্ছা করলে ফিরতে পারেন, তবে নিরাপত্তা ও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হলে তা সম্ভব নয়। সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকির কথাও তুলে ধরেন তিনি। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর হত্যা ও দুর্নীতিসহ একাধিক মামলায় আসামি করা হয়েছে সাকিব আল হাসানকে।

অভিযোগের মুখে মুক্তি আটকালো হাসান জাহাঙ্গীরের সিনেমা

নাটক বলে চুক্তি, পরে সিনেমা-বিতর্কে নির্মাতা / অভিযোগের মুখে মুক্তি আটকালো হাসান জাহাঙ্গীরের সিনেমা

অভিনেতা ও নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীর পরিচালিত ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ চলচ্চিত্রের সেন্সর অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে। সহ-অভিনেত্রী জেবা জান্নাত-এর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।বুধবার (১৩ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন Bangladesh Film Development Corporation-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা রাহমান তানি।তিনি জানান, চলচ্চিত্রটি শুরুতে সেন্সর অনুমোদন পেলেও পরে অভিযোগ আসায় সেটি বাতিল করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ প্রকল্পটি নাটক হিসেবে চুক্তিবদ্ধ করা হয়েছিল, কিন্তু পরে তা সিনেমা হিসেবে মুক্তির পরিকল্পনা করা হয়।এই প্রজেক্টে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মৌসুমী। তিনিও বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন। এক অডিও বার্তায় তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে একটি ছোট গল্পভিত্তিক নাটক হিসেবে কাজটি শুরু হয়েছিল। পরে সেটিকে টেলিফিল্ম হিসেবে প্রচারের কথা বলা হলেও হঠাৎ সিনেমা হিসেবে মুক্তির খবর দেখে তিনি বিস্মিত হন।অভিযোগকারী জেবা জান্নাতের দাবি, তাকে নাটকের কথা বলে কাজ করানো হয়, কিন্তু পরবর্তীতে সেটিকে চলচ্চিত্র হিসেবে মুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়। এতে তিনি প্রতারিত বোধ করেন এবং বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানান। উল্লেখ্য, ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’-এ মৌসুমী, হাসান জাহাঙ্গীর ও জেবা জান্নাত গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন।

অনলাইন জরিপ
২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৪ পিএম
সরকার ও বিরোধী দলকে জ্বালানি খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করা উচিত বলে মনে করেন অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

সরকার ও বিরোধী দলকে জ্বালানি খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করা উচিত বলে মনে করেন অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

সম্পাদকীয়

কোন পোস্ট নেই !

সাক্ষাৎকার

কোন পোস্ট নেই !

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !