মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
রক্তপাত নয়, সমঝোতার রাজনীতি চাই: রাষ্ট্রপতি

আলোচনায় দেশ এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান

রক্তপাত নয়, সমঝোতার রাজনীতি চাই: রাষ্ট্রপতি

হানাহানি ও সংঘাত এড়িয়ে আলাপ-আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ আহ্বান জানান।রাষ্ট্রপতি বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে কোনো সংঘাত-সংঘর্ষ চান না। দেশে কোনো রক্তপাত নয়, সমঝোতার রাজনীতি দেখতে চান। যারা নিষ্ঠার সঙ্গে মানুষের জন্য কাজ করেন, তাদের সমর্থন করার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক বিভেদ ভুলে সবাইকে বাংলাদেশি হিসেবে একসঙ্গে বসবাসের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি সংঘর্ষে না জড়ানোর আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, হানাহানি ও সংঘর্ষ নয়, আলাপ-আলোচনা এবং সমঝোতার মাধ্যমেই দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।অনুষ্ঠানে যুবসমাজের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি বলেন, তরুণদের নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে। শুধু চাকরি ও ঠিকাদারির পেছনে না ছুটে নিজেদের সক্ষমতা তৈরি করতে হবে।তিনি বলেন, সবাইকে নিয়ে এমন একটি সমাজ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসা থাকবে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় প্রয়োজনে জীবনের বিনিময়েও কাজ করার প্রত্যয় থাকতে হবে।মানুষের মধ্যে বিভেদ নয়, পারস্পরিক ভালোবাসা ও সহযোগিতার মাধ্যমে একটি সুন্দর সমাজ গড়ে তোলার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।বাবা-মায়ের কবর জিয়ারতএর আগে দুই দিনের সরকারি সফরে নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে যান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সফরের প্রথম দিন রোববার দুপুরে পৌর শহরের সেনুয়া কবরস্থানে গিয়ে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন তিনি।কবরের পাশে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকার পর দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন রাষ্ট্রপতি। এ সময় পরিবারের সদস্য, ঘনিষ্ঠ স্বজন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।পরে শহরের কালিবাড়ি এলাকায় নিজ বাড়িতে যান তিনি। সেখানে দুপুরের খাবার ও বিশ্রাম শেষে বিকেলে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে নাগরিক কমিটির আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।সংবর্ধনা শেষে নিজ বাসভবনে ফিরে গণ্যমান্য ব্যক্তি, আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয়দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে রাষ্ট্রপতির। রাতে তিনি নিজ বাসভবনেই থাকবেন।সফরের দ্বিতীয় ও শেষ দিন সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে গণ্যমান্য ব্যক্তি, আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয়দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে তার।

রক্তপাত নয়, সমঝোতার রাজনীতি চাই: রাষ্ট্রপতি

আলোচনায় দেশ এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান / রক্তপাত নয়, সমঝোতার রাজনীতি চাই: রাষ্ট্রপতি

হানাহানি ও সংঘাত এড়িয়ে আলাপ-আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ আহ্বান জানান।রাষ্ট্রপতি বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে কোনো সংঘাত-সংঘর্ষ চান না। দেশে কোনো রক্তপাত নয়, সমঝোতার রাজনীতি দেখতে চান। যারা নিষ্ঠার সঙ্গে মানুষের জন্য কাজ করেন, তাদের সমর্থন করার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক বিভেদ ভুলে সবাইকে বাংলাদেশি হিসেবে একসঙ্গে বসবাসের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি সংঘর্ষে না জড়ানোর আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, হানাহানি ও সংঘর্ষ নয়, আলাপ-আলোচনা এবং সমঝোতার মাধ্যমেই দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।অনুষ্ঠানে যুবসমাজের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি বলেন, তরুণদের নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে। শুধু চাকরি ও ঠিকাদারির পেছনে না ছুটে নিজেদের সক্ষমতা তৈরি করতে হবে।তিনি বলেন, সবাইকে নিয়ে এমন একটি সমাজ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসা থাকবে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় প্রয়োজনে জীবনের বিনিময়েও কাজ করার প্রত্যয় থাকতে হবে।মানুষের মধ্যে বিভেদ নয়, পারস্পরিক ভালোবাসা ও সহযোগিতার মাধ্যমে একটি সুন্দর সমাজ গড়ে তোলার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।বাবা-মায়ের কবর জিয়ারতএর আগে দুই দিনের সরকারি সফরে নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে যান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সফরের প্রথম দিন রোববার দুপুরে পৌর শহরের সেনুয়া কবরস্থানে গিয়ে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন তিনি।কবরের পাশে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকার পর দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন রাষ্ট্রপতি। এ সময় পরিবারের সদস্য, ঘনিষ্ঠ স্বজন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।পরে শহরের কালিবাড়ি এলাকায় নিজ বাড়িতে যান তিনি। সেখানে দুপুরের খাবার ও বিশ্রাম শেষে বিকেলে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে নাগরিক কমিটির আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।সংবর্ধনা শেষে নিজ বাসভবনে ফিরে গণ্যমান্য ব্যক্তি, আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয়দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে রাষ্ট্রপতির। রাতে তিনি নিজ বাসভবনেই থাকবেন।সফরের দ্বিতীয় ও শেষ দিন সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে গণ্যমান্য ব্যক্তি, আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয়দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে তার।

‘লংমার্চে গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা’, রিজভীর অভিযোগ

বিএনপির সমালোচনা / ‘লংমার্চে গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা’, রিজভীর অভিযোগ

বিরোধী দলের ‘লংমার্চ’ কর্মসূচিকে রাজপথের ষড়যন্ত্র আখ্যা দিয়ে গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত অনানুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।রিজভী বলেন, সংসদে নিজেদের দাবি ও প্রস্তাব তুলে না ধরে বিরোধী দল লংমার্চের কর্মসূচি নিয়ে রাজপথে নেমেছে। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে অশ্রাব্য ও আপত্তিকর বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।তিনি বলেন, এসব বক্তব্যের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হলে বিরোধী দল সেটিকে দমন-পীড়ন হিসেবে উপস্থাপন করছে। তার দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক পরিবেশকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।জ্বালানি সংকট ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও বিরোধী দলের সমালোচনা করেন রিজভী। তিনি বলেন, সংকট নিয়ে সমালোচনা করা হলেও সমাধানে গঠনমূলক কোনো প্রস্তাব সংসদে দেওয়া হচ্ছে না। বরং রাজপথে আন্দোলনের পথ বেছে নেওয়া হয়েছে।দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির বিভিন্ন ইতিবাচক দিক তুলে না ধরে তা আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।রিজভী বলেন, বিএনপির পাঁচ দিনব্যাপী প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে ব্যবহৃত বিলবোর্ড ও ব্যানার দ্রুত খুলে ফেলার আহ্বান জানান।পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

দেওয়ানবাগের মাহফিলে সৈয়দ জুবায়ের কামাল, পীর-মাশায়েখের উপস্থিতি ঘিরে নতুন আলোচনা

দেওয়ানবাগের মাহফিলে সৈয়দ জুবায়ের কামাল, পীর-মাশায়েখের উপস্থিতি ঘিরে নতুন আলোচনা

দেওয়ানবাগকে ঘিরে অতীতে বিভিন্ন আলেম-উলামা ও পীর-মাশায়েখের পক্ষ থেকে প্রকাশিত কঠোর সমালোচনা ও ধর্মীয় আপত্তির প্রেক্ষাপটে রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত একটি মাহফিলে কয়েকজন সুফিপন্থি হিসেবে পরিচিত পীর-মাশায়েখের উপস্থিতি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।বিশেষ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার খান্দুরা দরবার শরীফের পীর সৈয়দ জুবায়ের কামালের উপস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও নানা প্রশ্ন উঠেছে।জানা গেছে, গত ৯ সেপ্টেম্বর রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে পীর-মাশায়েখ ও সুফিদের নিয়ে আয়োজিত মীলাদুন্নবীর একটি মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ওই অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে মাইজভান্ডার ও খান্দুরা দরবার শরীফের পীর সৈয়দ জুবায়ের কামালসহ কয়েকজন পীর-মাশায়েখকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়।ভিডিওতে আরও দেখা যায়, তারা আয়োজকদের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও কোলাকুলি করছেন। পাশাপাশি একই স্থানে বসে খাবার গ্রহণের দৃশ্যও রয়েছে।ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে, দেওয়ানবাগকে ঘিরে অতীতে যখন বিভিন্ন আলেম-উলামা ও পীর-মাশায়েখের পক্ষ থেকে নানা ধরনের ধর্মীয় আপত্তি ও সমালোচনা প্রকাশ করা হয়েছে, তখন সুফিপন্থি হিসেবে পরিচিত এসব পীর-মাশায়েখ কী উদ্দেশ্যে ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হলেন?কারও কারও প্রশ্ন, এটি কি শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ ও সামাজিক সম্পর্কের অংশ, নাকি এর পেছনে রয়েছে কোনো মতাদর্শিক কিংবা সাংগঠনিক যোগাযোগ?আবার কেউ কেউ জানতে চাইছেন, অনুষ্ঠানে উপস্থিতির মাধ্যমে তারা কি দেওয়ানবাগের কোনো কার্যক্রম বা মতাদর্শের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছেন?সবচেয়ে বেশি আলোচনা দেখা যাচ্ছে সৈয়দ জুবায়ের কামালকে ঘিরে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন পোস্ট ও মন্তব্যে তার ধর্মীয় ও মতাদর্শিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। কেউ কেউ তার সুন্নিপন্থি অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এবং জানতে চাইছেন-তিনি আসলে কোন মতাদর্শ অনুসরণ করেন?তবে এসব প্রশ্ন ও মন্তব্যের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কোনো দাবি বা মন্তব্যকে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ ছাড়া সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা যায় না। একইভাবে, কোনো অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়া, কুশল বিনিময় কিংবা একই সঙ্গে খাবার গ্রহণের দৃশ্য থেকেই কোনো ব্যক্তির আকিদা, মতাদর্শ বা ধর্মীয় পরিচয় সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোও সমীচীন নয়।এখন মূল প্রশ্ন-সৈয়দ জুবায়ের কামালসহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত পীর-মাশায়েখরা কোন উদ্দেশ্যে সেখানে গিয়েছিলেন? আয়োজকদের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কী? এবং দেওয়ানবাগের বিভিন্ন মতাদর্শিক অবস্থানের বিষয়ে তাদের নিজস্ব অবস্থান কী?এসব প্রশ্নের উত্তর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যের মাধ্যমে পরিষ্কার হতে পারে। বিশেষ করে সৈয়দ জুবায়ের কামালের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা বা অবস্থান জানানো হলে চলমান আলোচনা ও কৌতূহলের অবসান ঘটতে পারে।একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে এরই মধ্যে ধর্মীয় অঙ্গনে তৈরি হয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল। এটি নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ, নাকি এর পেছনে রয়েছে বৃহত্তর কোনো মতাদর্শিক কিংবা সাংগঠনিক যোগাযোগ এখন সেই প্রশ্নের উত্তরই খুঁজছেন অনেকে।

জাতীয় দল ছাড়ার পর মেসিকে সম্মান জানাতে দশম মিনিটে হাততালির আয়োজন

রোজারিও সেন্ট্রাল সমর্থকদের একাংশের / জাতীয় দল ছাড়ার পর মেসিকে সম্মান জানাতে দশম মিনিটে হাততালির আয়োজন

আর্জেন্টিনার ফুটবল তারকা লিওনেল মেসিকে সম্মান জানানো নিয়ে রোজারিও ডার্বির আগে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। রোববার রোজারিও সেন্ট্রাল ও নিউয়েলস ওল্ড বয়েজের ম্যাচে মেসিকে হাততালি দেওয়া হবে কি না, তা নিয়েই দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে চলছে আলোচনা।জাতীয় দল থেকে মেসির অবসরের পর তাকে সম্মান জানাতে এ সপ্তাহান্তে ম্যাচের ১০ মিনিটে এক মিনিট হাততালির আয়োজন করা হয়েছে। ডেপোরটিভির তথ্য অনুযায়ী, ক্লাউসুরার অষ্টম রাউন্ডের পাশাপাশি আর্জেন্টিনার বিভিন্ন পর্যায়ের ফুটবলেও এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পুরুষ ও নারী ফুটবলের সঙ্গে ফুটসাল ও সৈকত ফুটবলও এর আওতায় রয়েছে।মেসিকে ঘিরে সমর্থকদের মতভেদরোববার নিজেদের মাঠ হিগান্তে দে আরোইতোতে নিউয়েলস ওল্ড বয়েজের মুখোমুখি হবে রোজারিও সেন্ট্রাল। মেসি নিউয়েলসের সমর্থক হওয়ায় ডার্বির আবহে তাকে সম্মান জানানোর বিষয়টি নতুন মাত্রা পেয়েছে।আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেন্ট্রাল সমর্থকদের বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এ নিয়ে চলছে পাল্টাপাল্টি মত। কেউ মেসিকে দুয়ো দেওয়ার পক্ষে, আবার কেউ হাততালিতে অংশ না নিয়ে নীরব থাকার কথা বলছেন।আরেকটি প্রস্তাবও এসেছে সমর্থকদের পক্ষ থেকে। ১০ মিনিটে মেসিকে হাততালি দেওয়ার পর ১১ মিনিটে গ্যালারিতে আনহেল দি মারিয়ার নামে স্লোগান দেওয়ার কথা ভাবছেন কেউ কেউ। আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী দি মারিয়ার সঙ্গে রোজারিও সেন্ট্রালের সম্পর্ক রয়েছে।প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভুলে সম্মানের আহ্বানতবে ক্লাবীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঊর্ধ্বে উঠে মেসিকে সম্মান জানানোর পক্ষেও রয়েছেন সেন্ট্রালের অনেক সমর্থক। আলোচনায় বারবার উঠে আসছে ২০২৩ সালের জুনের একটি ঘটনা।সেবার নিউয়েলসের মাঠে মাক্সি রদ্রিগেসের বিদায়ী ম্যাচে রোজারিও সেন্ট্রালের দি মারিয়াও উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছিলেন। সেই স্মৃতি সামনে এনে মেসির ক্ষেত্রেও একই ধরনের সম্মান দেখানোর পক্ষে মত দিয়েছেন অনেকে।তবে শেষ পর্যন্ত রোজারিও ডার্বির গ্যালারিতে মেসিকে ঘিরে কী প্রতিক্রিয়া দেখা যাবে, সেটি জানা যাবে ম্যাচের দিনই।

হঠাৎ দীপা খন্দকারের আবেগঘন পোস্ট, চাইলেন ক্ষমা

কারো মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে ক্ষমা করবেন’ / হঠাৎ দীপা খন্দকারের আবেগঘন পোস্ট, চাইলেন ক্ষমা

হঠাৎ করেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন একটি বার্তা দিয়েছেন দেশের জনপ্রিয় জ্যেষ্ঠ অভিনেত্রী দীপা খন্দকার। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সবার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি।শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে নিজের অনুভূতির কথা জানান এই অভিনেত্রী।স্ট্যাটাসে দীপা খন্দকার লেখেন, ‘কারো মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে, কারো স্বার্থে আঘাত দিয়ে থাকলে ক্ষমা করবেন। আমি শুধু আমার প্রাপ্যটুকু নিয়ে ভালো থাকতে চাই। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।’তার এমন আবেগঘন পোস্ট ঘিরে অনুরাগী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। অনেকেই জানতে চাইছেন, হঠাৎ কী কারণে এমন বার্তা দিলেন তিনি।তবে নিজের পোস্টে ক্ষমা চাওয়ার কারণ বা কোনো ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি দীপা খন্দকার। ফলে তার এই বার্তার পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।দীর্ঘদিনের অভিনয় ক্যারিয়ারদীপা খন্দকার বাংলাদেশের টেলিভিশন নাটক ও বিজ্ঞাপনের পরিচিত মুখ। নব্বইয়ের দশকে ‘কাকতাড়ুয়া’ নাটকের মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি পান তিনি।এরপর দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ছোট পর্দা ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শকের ভালোবাসা পেয়েছেন এই অভিনেত্রী।২০০৬ সালে অভিনেতা শাহেদ আলীকে বিয়ে করেন দীপা খন্দকার। অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও তাকে দেখা যায়।হঠাৎ দেওয়া তার এই আবেগঘন পোস্টের কারণ নিয়ে এখনো কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে ভক্তদের কৌতূহলও বাড়ছে।

অনলাইন জরিপ
২৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !