বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
জনগণের বিশ্বাসই রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ: প্রশাসনকে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতায় জনআস্থা গড়ার ওপর গুরুত্ব

জনগণের বিশ্বাসই রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ: প্রশাসনকে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

জনগণের বিশ্বাসই রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও বিভাগীয় কমিশনারদের উদ্দেশে বলেন, দেশ ও জনগণের কল্যাণে নিরপেক্ষতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করতে হবে।বুধবার (৬ মে) রাতে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার ও প্রশাসনের স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতার মাধ্যমেই জনগণের আস্থা গড়ে ওঠে। এ বিষয়ে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের আরও যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, প্রশাসন কেবল আইন প্রয়োগের যন্ত্র নয়, এটি জনগণের সেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। জনগণের সমস্যা সমাধানে মানবিক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, দেশের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডকে কাজে লাগাতে পারলে এটি ভবিষ্যতে বড় সম্পদে পরিণত হবে।প্রধানমন্ত্রী জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের “মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনিক প্রতিনিধি” হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, সরকারি নীতিমালা ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।তিনি আরও বলেন, জনগণ যেন সরকারি দপ্তরে গিয়ে হয়রানির শিকার না হন, বরং সম্মান ও সেবার মাধ্যমে রাষ্ট্রের মালিকানা অনুভব করতে পারেন—এটি নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব। অনুষ্ঠানে জনপ্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন পর্যায়ের প্রশাসনিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

কোস্টগার্ডের বহরে যুক্ত হচ্ছে অত্যাধুনিক হেলিকপ্টার, বাড়ছে সমুদ্র নিরাপত্তা

নতুন প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ / কোস্টগার্ডের বহরে যুক্ত হচ্ছে অত্যাধুনিক হেলিকপ্টার, বাড়ছে সমুদ্র নিরাপত্তা

বাংলাদেশের সমুদ্র ও উপকূলীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের বহরে যুক্ত করা হচ্ছে অত্যাধুনিক নজরদারি হেলিকপ্টার।সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এ বিষয়ে ঘোষণা দেন। তিনি জানান, আধুনিক জাহাজ, ড্রোন, উন্নত নজরদারি প্রযুক্তি এবং জনবল বৃদ্ধির মাধ্যমে কোস্টগার্ডকে একটি পূর্ণাঙ্গ আধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।পরিকল্পনা অনুযায়ী, উপকূলীয় ও গভীর সমুদ্র এলাকায় দ্রুত নজরদারি, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনার জন্য এসব হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হবে।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, হেলিকপ্টার যুক্ত হলে মাদক পাচার, মানব পাচার, অবৈধ মৎস্য আহরণ ও জলদস্যুতা দমনে কোস্টগার্ডের সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।হেলিকপ্টারগুলোতে উন্নত সেন্সর, রাডার এবং রিয়েল-টাইম ডাটা ট্রান্সমিশন প্রযুক্তি থাকবে, যা সমুদ্র এলাকায় দ্রুত শনাক্তকরণ ও সমন্বিত অভিযান পরিচালনায় সহায়তা করবে।এছাড়া একটি সমন্বিত ‘মেরিটাইম সার্ভেইলেন্স সিস্টেম’ গড়ে তোলার কাজও চলছে। এর মাধ্যমে উপকূলীয় জলসীমা, প্রধান নৌপথ এবং সমুদ্রবন্দরগুলোতে সার্বক্ষণিক ডিজিটাল নজরদারি চালানো সম্ভব হবে।এরই মধ্যে কোস্টগার্ডে ড্রোন প্রযুক্তি, অফশোর টহল জাহাজ, ফাস্ট পেট্রোল ক্রাফট এবং উচ্চগতির বোট যুক্ত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জাইকার অর্থায়নে আরও কিছু আধুনিক জাহাজ নির্মাণ প্রকল্প চলমান রয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, হেলিকপ্টার ও সমন্বিত নজরদারি ব্যবস্থা যুক্ত হলে বাংলাদেশ সমুদ্র নিরাপত্তায় একটি আধুনিক ‘মেরিটাইম ডোমেইন অ্যাওয়ারনেস’ সক্ষমতা অর্জন করবে। সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বঙ্গোপসাগরে অপরাধ দমন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রম আরও দ্রুত ও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে।

৭ই মে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা ২০০৭ সালের ঐতিহাসিক মুহূর্ত

হাজারো নেতাকর্মীর ঢল ধানমন্ডি ৩২ / ৭ই মে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা ২০০৭ সালের ঐতিহাসিক মুহূর্ত

২০০৭ সালের ৭ই মে ছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ দিন। ওই দিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যক্তিগত সফর শেষে ৫২ দিন পর দেশে ফেরেন তৎকালীন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।সেই সময় দেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিল অস্থির ও জটিল। এর আগে তাঁর দেশে ফেরার ওপর নিষেধাজ্ঞার কথাও উঠে আসে। এসব পরিস্থিতির মধ্যেই বিকেল ৫টার কিছু পরে তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।বিমানবন্দরে নেমেই তিনি দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানান। তবে রাজনীতি নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করলেও তৎকালীন সরকারের প্রতি এক ধরনের সতর্কবার্তা দেন তিনি।সেদিন শুরুতে বিমানবন্দর এলাকায় সীমিত সংখ্যক মানুষ থাকলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি বদলে যায়। মুহূর্তেই পুরো এলাকা হাজারো নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে জনসমুদ্রে পরিণত হয়। ব্যানার–ফেস্টুন নিষিদ্ধ থাকলেও মানুষের আবেগে ভেসে যায় পুরো আয়োজন।এরপর গাড়িবহর ও মিছিলসহ তিনি ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কে বঙ্গবন্ধু ভবনের উদ্দেশ্যে রওনা হন এবং প্রায় তিন ঘণ্টা পর সেখানে পৌঁছান। সেখানে তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে তিনি সুধা সদনে ফিরে যান। দিনটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি আলোচিত ও স্মরণীয় ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আছে।

পাবনায় দায়িত্ব নিলেন নবাগত পুলিশ সুপার ছুফি উল্লাহ

বিদায়ী এসপির অভ্যর্থনায় দায়িত্বভার গ্রহণ / পাবনায় দায়িত্ব নিলেন নবাগত পুলিশ সুপার ছুফি উল্লাহ

পাবনা জেলার নবাগত পুলিশ সুপার হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মোঃ ছুফি উল্লাহ।বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে তিনি পাবনা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে উপস্থিত হলে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভ্যর্থনা জানান বিদায়ী পুলিশ সুপার মোঃ আনোয়ার জাহিদ।পরে নবাগত পুলিশ সুপার জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে পরিচিত হন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে জেলার দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ মশিউর রহমান মন্ডল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোঃ রেজিনুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ শরিফুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সুজানগর সার্কেল) সাদিক আহমেদ এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বেড়া সার্কেল) লাবিব আব্দুল্লাহসহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা, সদস্য ও সিভিল স্টাফরা। জেলা পুলিশের নতুন নেতৃত্বকে ঘিরে পাবনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

রবিনহো জুনিয়রকে চড় মারার ঘটনায় ক্ষমা চাইলেন নেইমার

স্বীকারোক্তি ব্রাজিল তারকার / রবিনহো জুনিয়রকে চড় মারার ঘটনায় ক্ষমা চাইলেন নেইমার

ব্রাজিলের তারকা ফুটবলার নেইমার জুনিয়র তরুণ সতীর্থ রবিনহো জুনিয়রের সঙ্গে অনুশীলনের সময় ঘটে যাওয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে ক্লাব সান্তোস-এর অনুশীলনে।ঘটনার সময় রবিনহো জুনিয়র ড্রিবল করে নেইমারকে কাটিয়ে গেলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন নেইমার। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি ১৮ বছর বয়সী ওই খেলোয়াড়কে চড় মারেন এবং ধাক্কা দেন। পরে সতীর্থরা দুজনকে আলাদা করেন। বিষয়টি নিয়ে ক্লাবের পক্ষ থেকে তদন্তও শুরু হয়েছে।পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নেইমার বলেন, “আমি আগেই রবিনহো ও তার পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়েছি। আমার প্রতিক্রিয়া অতিরিক্ত ছিল, এটা ভিন্নভাবে সামলানো যেত। আমি ভুল করেছি।”তিনি আরও জানান, দলের সবার সামনেই তিনি রবিনহোর কাছে ক্ষমা চান এবং বিষয়টি সেখানেই মিটমাট হয়েছে বলে তারা ভেবেছিলেন। তবে বিষয়টি অতিরঞ্জিতভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন এই ব্রাজিল তারকা।অন্যদিকে রবিনহো জুনিয়রও জানিয়েছেন, ঘটনাটি সত্য হলেও নেইমার দ্রুতই ক্ষমা চেয়েছেন এবং তিনি তা গ্রহণ করেছেন। তিনি বলেন, নেইমার তার ছোটবেলার আইডল, তাই ঘটনাটি তাকে কষ্ট দিয়েছে, তবে বিষয়টি এখন শেষ।ঘটনার পরের ম্যাচে গোল করার পর নেইমার সতীর্থ রবিনহো জুনিয়নকে জড়িয়ে ধরে উদযাপন করেন, যা সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত দেয়। ক্লাব কোচ কুকাওও পুরো ঘটনাকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন।

ব্যক্তিগত প্রশ্নে ক্ষুব্ধ প্রভা, ভক্তদের কঠোর সতর্কবার্তা

ব্যক্তিগত সীমা মানার আহ্বান / ব্যক্তিগত প্রশ্নে ক্ষুব্ধ প্রভা, ভক্তদের কঠোর সতর্কবার্তা

ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদীয়া জাহান প্রভা ভক্তদের ব্যক্তিগত প্রশ্ন, বিশেষ করে বিয়ে ও সন্তান প্রসঙ্গ নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ বিষয়ে সরাসরি প্রতিক্রিয়া জানান।প্রভা বলেন, ভক্তদের সঙ্গে হঠাৎ দেখা হলে সেটি আনন্দের মুহূর্ত হলেও, সেই সময় ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রশ্ন করা অস্বস্তিকর ও অসম্মানজনক হয়ে ওঠে। তার মতে, এটি শুধুই কৌতূহল নয়, বরং ব্যক্তিগত পরিসরে অনধিকার প্রবেশ।তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, বিয়ে, জন্ম কিংবা মৃত্যু এগুলো মানুষের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নয়, বরং সৃষ্টিকর্তার হাতে নির্ধারিত বিষয়। তাই এসব নিয়ে অযথা প্রশ্ন করা অনেক সময় কষ্টদায়ক হতে পারে।নিজের অভিজ্ঞতার ইঙ্গিত দিয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, মানুষের জীবনের বাইরে অনেক অজানা সংগ্রাম থাকে, যা বাইরে থেকে বোঝা সম্ভব নয়। তাই কাউকে বিচার না করে তার ব্যক্তিগত জায়গাটুকু সম্মান করা উচিত বলে তিনি মনে করেন। এছাড়া তিনি সমাজে ক্যারিয়ারমুখী নারীদের নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণার বিষয়েও কথা বলেন। অনেকেই মনে করেন, তারা সংসার বা সন্তান চান না—যা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। বরং প্রত্যেক নারীই নিজের মতো করে একটি পরিপূর্ণ জীবনের স্বপ্ন দেখেন।

অনলাইন জরিপ
২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৪ পিএম
সরকার ও বিরোধী দলকে জ্বালানি খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করা উচিত বলে মনে করেন অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

সরকার ও বিরোধী দলকে জ্বালানি খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করা উচিত বলে মনে করেন অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

সম্পাদকীয়

কোন পোস্ট নেই !

সাক্ষাৎকার

কোন পোস্ট নেই !

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !