বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
সারওয়ার আলম আমাদের চোখ খুলে দিয়েছেন: মন্ত্রী আরিফুল হক

শাহজালাল মাজারে স্বচ্ছতা

সারওয়ার আলম আমাদের চোখ খুলে দিয়েছেন: মন্ত্রী আরিফুল হক

সিলেটের সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের প্রশংসা করে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, “তিনি আমাদের চোখ খুলে দিয়েছেন।” একই সঙ্গে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী বলেন, মাজারের দানের অর্থ গণনা ও ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে সরকার ইতিবাচকভাবে দেখছে। তিনি জানান, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার এ বিষয়ে কাজ করবে এবং কোনো অনিয়মের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হবে না।আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, মাজারের অর্থ প্রকাশ্যে গণনার মতো পদক্ষেপে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। সরকারও সর্বাত্মক সহায়তা দেবে, যাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা যায়।জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমের বদলি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত প্রশাসনিক কার্যক্রমের অংশ। তবে সময়গত কারণে বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। উল্লেখ্য, গত ১৮ জুন হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে দানের তিনটি ডেগ সিলগালা করে জেলা প্রশাসন এবং অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে নতুন দানবাক্স স্থাপন করে। পরে এ নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করা হয়। বিদায়ের আগে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মাজারের দানের অর্থ প্রকাশ্যে গণনার উদ্যোগ নেওয়া হলে চার দিনে প্রায় সাড়ে ১৭ লাখ টাকা পাওয়া যায়।

রোহিঙ্গাদের জন্য ১৩৭ কোটি টাকার সহায়তা, চুক্তি সই অস্ট্রেলিয়া-ইউনিসেফের

চুক্তি সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী / রোহিঙ্গাদের জন্য ১৩৭ কোটি টাকার সহায়তা, চুক্তি সই অস্ট্রেলিয়া-ইউনিসেফের

মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবনমান উন্নয়নে ১৩৭ কোটি টাকার (১৬ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার) মানবিক সহায়তা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে অস্ট্রেলিয়া সরকার ও ইউনিসেফ।বুধবার (২৪ জুন) বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে চুক্তিতে সই করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।চুক্তির আওতায় পাওয়া অর্থ রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, পুষ্টি, শিশু সুরক্ষা, নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন এবং হাইজিন কার্যক্রমে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে অস্ট্রেলিয়া সরকারের এই সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি এ সহায়তার জন্য অস্ট্রেলিয়া সরকারকে ধন্যবাদ জানান এবং রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশন এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, এই চুক্তি মিয়ানমার ও বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য অস্ট্রেলিয়ার ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের ৩ হাজার ১৬২ কোটি টাকার (৩৭০ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার) মানবিক সহায়তা প্যাকেজের অংশ।এর আগে ২০১৭ সাল থেকে চলমান রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় অস্ট্রেলিয়া মোট ১০ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা (১.২৬ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার) মানবিক সহায়তা প্রদান করেছে।

গোপালগঞ্জে মাদক-সন্ত্রাসবিরোধী কর্মসূচিতে বিএনপির শক্ত অবস্থান

সমাজ থেকে সন্ত্রাস নির্মূলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান / গোপালগঞ্জে মাদক-সন্ত্রাসবিরোধী কর্মসূচিতে বিএনপির শক্ত অবস্থান

মাদক, সন্ত্রাস এবং সাম্প্রতিক নৈরাজ্যকর কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও প্রতিবাদ জানাতে গোপালগঞ্জে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে সদর উপজেলা বিএনপি। কর্মসূচিতে দলটির নেতারা সমাজ থেকে মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরেন।বুধবার (২৪ জুন) সকালে শহরের পাঁচুড়িয়া এলাকায় অবস্থিত উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে নেতাকর্মীরা সমবেত হন। পরে সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।মিছিল শেষে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বক্তব্য দেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর। তিনি মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি দলের নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও জোরদারের নির্দেশনা দেন।সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শরীফ রফিকুজ্জামান, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট কাজী আবুল খায়ের, বিএনপি নেতা জিয়াউল কবির বিপ্লব, অ্যাডভোকেট মো. তৌফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সিকদার শহিদুল ইসলাম লেলিন, সাধারণ সম্পাদক ফজলুর রহমান দারা এবং জেলা যুবদলের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন লিপটনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।বক্তারা বলেন, মাদক ও সন্ত্রাস সমাজের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব অপরাধ দমনে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।কর্মসূচিতে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। নেতারা মাদক, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে জনসম্পৃক্ত আন্দোলন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

নলছিটিতে কান্ডপাশা-শংকরপাশা সড়ক এখন মৃত্যুফাঁদ, চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

চলাচল এখন চরম ঝুঁকিপূর্ণ / নলছিটিতে কান্ডপাশা-শংকরপাশা সড়ক এখন মৃত্যুফাঁদ, চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

নলছিটি পৌরসভার কান্ডপাশা বটতলা থেকে শংকরপাশা মাধ্যমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত সড়কটি বর্তমানে চরম বেহাল অবস্থায় রয়েছে। একসময় কোনোভাবে হেঁটে চলাচল করা গেলেও সম্প্রতি অন্য একটি সড়কের নির্মাণকাজ এবং ব্যক্তিগত ইট পরিবহনের কারণে রাস্তাটির অবস্থা আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। এখন এটি কার্যত একটি মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে।দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়া এবং অতিরিক্ত মালবোঝাই ডাইসু চলাচলের ফলে সড়কটির বিভিন্ন অংশ সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বৃদ্ধ, গর্ভবতী নারী, শিশু ও সাধারণ পথচারীদের চলাচল দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বাজার থেকে মাথায় করে বহন করতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে, যা দিন দিন অসহনীয় হয়ে উঠছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, অতীতে উন্নয়ন খাতে বিপুল অর্থ ব্যয় হলেও এই এলাকার মানুষ কাঙ্ক্ষিত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। জুলাই অভ্যুত্থানের আগ থেকেই সড়কটি সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন ও একাধিক আবেদন করা হলেও এখনো কার্যকর কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি।সাবেক প্রশাসক নজরুল ইসলাম ও লাভলী ইয়াসমিন সড়কটির সংস্কারে উদ্যোগ নিয়েছিলেন এবং সমাধানের পথও খুঁজে বের করা হয়েছিল। তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে তারা দুজনই বদলি হওয়ায় উদ্যোগটি বাস্তবায়নের আগেই থেমে যায়। ফলে তিন থেকে চারটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ আজও চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।এলাকাবাসীর দাবি, স্থায়ী সংস্কারের আগে অন্তত বর্ষা মৌসুমের পূর্বে জরুরি ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো মেরামত করা হোক। একই সঙ্গে যে ঠিকাদারের নির্মাণকাজের কারণে সর্বশেষ সড়কটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, তার প্রতিও ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সংস্কারে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে জনগণের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

হাইড্রেশন ব্রেক নিয়ে বিতর্ক, মুখ খুললেন ফিফা সভাপতি

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ / হাইড্রেশন ব্রেক নিয়ে বিতর্ক, মুখ খুললেন ফিফা সভাপতি

২০২৬ বিশ্বকাপে চালু হওয়া বাধ্যতামূলক হাইড্রেশন ব্রেক নিয়ে চলমান বিতর্কের জবাব দিয়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। তিনি দাবি করেছেন, ম্যাচের মাঝপথে পানি পানের বিরতি রাখার সিদ্ধান্তের সঙ্গে কোনো বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য জড়িত নয়; এটি সম্পূর্ণভাবে খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই নেওয়া হয়েছে।নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচে প্রথমার্ধ ও দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি সময়ে দুইবার করে তিন মিনিটের হাইড্রেশন ব্রেক থাকবে। উত্তর আমেরিকার গরম আবহাওয়া এবং দীর্ঘ টুর্নামেন্টের শারীরিক চাপ কমাতে এই ব্যবস্থা চালু করেছে ফিফা।তবে নিয়মটি কার্যকর হওয়ার পর থেকেই বিতর্ক শুরু হয়েছে। অনেক সমর্থক ও বিশ্লেষকের মতে, এই বিরতি ম্যাচের স্বাভাবিক গতি ও উত্তেজনা ব্যাহত করছে। কিছু সম্প্রচারমাধ্যম বিরতির সময় বিজ্ঞাপন প্রচার করায় সমালোচনা আরও জোরালো হয়েছে।এ বিষয়ে ইনফান্তিনো বলেন, “এটি কোনো বাণিজ্যিক বিষয় নয়। আমরা এর মাধ্যমে অতিরিক্ত এক ডলারও আয় করছি না।” তিনি জানান, ফিফার বাণিজ্যিক চুক্তিগুলো টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই সম্পন্ন হয়েছে এবং এই বিরতি থেকে সংস্থার কোনো অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধা হচ্ছে না।ফিফা সভাপতির ভাষ্য, দীর্ঘ ৩৯ দিনের টুর্নামেন্টে একটি দল সর্বোচ্চ আটটি ম্যাচ খেলতে পারে। এমন ব্যস্ত সূচিতে খেলোয়াড়দের জন্য অল্প সময়ের বিশ্রাম ও পানি পান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে সব ম্যাচে একই নিয়ম প্রয়োগের মাধ্যমে প্রতিযোগিতার ভারসাম্যও বজায় রাখা সম্ভব হবে।তবে সমালোচনা থেমে নেই। থমাস টুখেল মনে করেন, এই বিরতি ম্যাচের ছন্দকে প্রত্যাশার চেয়েও বেশি প্রভাবিত করছে। অন্যদিকে মার্সেলো বিয়েলসা বলেছেন, এতে ফুটবলের ঐতিহ্যগত দুই অর্ধের কাঠামো ভেঙে খেলা চার ভাগে বিভক্ত হয়ে যাচ্ছে।অন্যদিকে লুইস দে লা ফুয়েন্তে এবং ভার্জিল ফন ডাইক গরম আবহাওয়ায় পানি পানের বিরতির প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করলেও তুলনামূলক ঠান্ডা আবহাওয়া বা ছাদযুক্ত স্টেডিয়ামেও একই নিয়ম প্রয়োগের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।ফিফা অবশ্য একরূপ নীতির পক্ষেই অবস্থান নিয়েছে। সংস্থাটির মতে, সব ম্যাচে একই নিয়ম কার্যকর থাকলে কোনো দল আবহাওয়ার কারণে বাড়তি সুবিধা বা অসুবিধার মুখোমুখি হবে না।

আমার সন্তান এখন এতিমের মতো’ আদালতে আবেগঘন বক্তব্য জাহের আলভীর

আমি বাঁচতে চাই সন্তানের জন্য / আমার সন্তান এখন এতিমের মতো’ আদালতে আবেগঘন বক্তব্য জাহের আলভীর

রিমান্ড শুনানিতে আদালতের অনুমতি নিয়ে আবেগঘন বক্তব্য দিয়েছেন অভিনেতা জাহের আলভী। তিনি বলেন, তিনি জামিনের জন্য নয়, বরং নিজের সন্তানের দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাওয়ার জন্য আদালতের কাছে আবেদন জানাচ্ছেন।আদালতে জাহের আলভী বলেন, আমি কাজে মনোযোগ দিতে চাই। অভিনয়ে ফিরতে চাই। আমার সন্তান তার মাকে হারিয়েছে। আমিও যদি না থাকি, তাহলে সে এতিমের মতো হয়ে যাবে। তাকে এখন সবচেয়ে বেশি সাপোর্ট দেওয়া দরকার। আমি এমন একটি পরিস্থিতির মধ্যে আছি, যেখানে বুঝতে পারছি না শোক পালন করবো নাকি মামলার আইনি প্রক্রিয়া সামলাবো।তিনি আরও বলেন, আমি বাঁচতে চাই আমার সন্তানের জন্য। এখন আমার সন্তানকে দেখভাল করার মতো আর কেউ নেই।স্ত্রী ইকরার সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে জাহের আলভী দাবি করেন, তাদের দাম্পত্য জীবন স্বাভাবিক ছিল। তিনি বলেন, আমার ও ইকরার সম্পর্ক খুবই স্মুথ ছিল। আত্মহত্যার মতো কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। সংসারে ছোটখাটো মনোমালিন্য সবার মধ্যেই থাকে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন তথ্য নিয়েও বক্তব্য দেন তিনি। আলভীর দাবি, তাকে ঘিরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হয়েছে।তিনি বলেন, আমি মিডিয়ায় কাজ করি। এখানে যেমন শুভাকাঙ্ক্ষী আছে, তেমনি হেটারও আছে। একটি এআই-জেনারেটেড মেহেদিওয়ালা ছবি ব্যবহার করে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চালানো হয়েছে। আসল ছবিটি আমার আইনজীবীর কাছে রয়েছে।এদিকে অভিনেত্রী ইফফাত আরা তিথির সঙ্গে নেপাল সফরের প্রসঙ্গও উঠে আসে শুনানিতে। এ বিষয়ে জাহের আলভী বলেন, আমার বিরুদ্ধে বলা হচ্ছে আমি নায়িকাকে নিয়ে নেপালে গিয়েছি। অথচ আমি ছয়টি নাটকের শুটিংয়ের কাজে প্রডাকশন টিমের সঙ্গে সেখানে গিয়েছিলাম। সেখানে শুধু তিথি নন, পুরো প্রডাকশন ইউনিট উপস্থিত ছিল।উল্লেখ্য, মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন। আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত অভিযোগ ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার আওতায় রয়েছে।

অনলাইন জরিপ
২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৪ পিএম
সরকার ও বিরোধী দলকে জ্বালানি খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করা উচিত বলে মনে করেন অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

সরকার ও বিরোধী দলকে জ্বালানি খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করা উচিত বলে মনে করেন অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !