বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলা-সারজিস ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আহত, সাংবাদিকদের গাড়ি ভাঙচুর

জুলাই পদযাত্রায় সংঘর্ষ

হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলা-সারজিস ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আহত, সাংবাদিকদের গাড়ি ভাঙচুর

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জুলাই পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে হামলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ সময় সাংবাদিকদের কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলারও অভিযোগ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব সালেহ উদ্দিন সিফাত অভিযোগ করে বলেন, হবিগঞ্জে জুলাই পদযাত্রায় দলের নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা অতর্কিত হামলা চালায়। এতে সাংবাদিক ও এনসিপির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন।তিনি আরও দাবি করেন, হামলায় সারজিস আলম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীও আহত হয়েছেন। এছাড়া এনসিপির মিডিয়া টিমের একটি মাইক্রোবাস হবিগঞ্জ জেলা সার্কিট হাউজের ভেতরে নিয়ে ভাঙচুর করা হয়। হামলাকারীরা শুধু গাড়ি ভাঙচুরই করেনি, মোবাইল ফোন ও ক্যামেরাও নিয়ে গেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনার একটি ভিডিও তাদের কাছে রয়েছে বলেও জানান সিফাত।এ ঘটনায় আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত বিএনপির স্থানীয় নেতাদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনটিতে সংযুক্ত করা হবে।ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

দেশের সব সয়াবিন তেলে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক, গবেষণায় চাঞ্চল্য

ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা শনাক্ত / দেশের সব সয়াবিন তেলে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক, গবেষণায় চাঞ্চল্য

বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি হওয়া খোলা ও বোতলজাত—দুই ধরনের সয়াবিন তেলেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি)-এর পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে।গবেষণায় ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে সংগ্রহ করা ৬০টি সয়াবিন তেলের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় প্রতিটি নমুনাতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে। প্রতি লিটার সয়াবিন তেলে গড়ে ৫৩ হাজার ৯২২টি মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা শনাক্ত হয়েছে।আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক জার্নাল ‘জার্নাল অব ফুড কম্পোজিশন অ্যান্ড অ্যানালাইসিস’-এ প্রকাশিত এ গবেষণায় সয়াবিন তেলে ছয় ধরনের প্লাস্টিক পলিমারের উপস্থিতির তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।গবেষণায় শনাক্ত পলিমারের মধ্যে রয়েছে—লো ডেনসিটি পলিইথিলিন (এলডিপিই), হাই ডেনসিটি পলিইথিলিন (এইচডিপিই), পলিপ্রোপিলিন (পিপি), পলিইথিলিন টেরেফথালেট (পিইটি), পলিইউরেথেন (পিইউ) ও নাইলন।গবেষণা অনুযায়ী, ব্র্যান্ডেড সয়াবিন তেলে প্রতি লিটারে গড়ে ৪৮ হাজার ৬৭টি এবং নন-ব্র্যান্ডেড বা খোলা সয়াবিন তেলে গড়ে ৫৯ হাজার ৭৭৮টি মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে। অর্থাৎ খোলা তেলে দূষণের মাত্রা তুলনামূলক বেশি।গবেষকদের মতে, খোলা অবস্থায় বিক্রি, পুনর্ব্যবহৃত প্লাস্টিকের পাত্রে সংরক্ষণ, অপর্যাপ্ত স্বাস্থ্যবিধি ও পরিবেশগত দূষণ মাইক্রোপ্লাস্টিকের উৎস হতে পারে। অন্যদিকে বোতলজাত তেলেও উৎপাদন, পরিশোধন, প্যাকেজিং ও পরিবহনের বিভিন্ন ধাপে প্লাস্টিক কণা মিশে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।গবেষণায় দেখা গেছে, শনাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিকের ৮২ দশমিক ৫ শতাংশই ছিল ফাইবার বা তন্তুজাতীয় কণা। এছাড়া ফ্র্যাগমেন্ট, ফিল্ম, ফোম, পেলেট ও বিড ধরনের কণাও পাওয়া গেছে।গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি শুধু সয়াবিন তেলের মাধ্যমে প্রতিদিন গড়ে ১৭ দশমিক ৬৫টি এবং বছরে প্রায় ৬ হাজার ৪৪১টি মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা গ্রহণ করতে পারেন। শিশুদের ক্ষেত্রে এই পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে।তবে গবেষকরা জানিয়েছেন, মাইক্রোপ্লাস্টিকের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে আরও বিস্তৃত গবেষণা প্রয়োজন। তাদের মতে, খাদ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ ও প্যাকেজিং ব্যবস্থায় মান নিয়ন্ত্রণ বাড়ানো এবং নিয়মিত পরীক্ষার ব্যবস্থা করা জরুরি।

১২ প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ নিয়ে নাহিদের প্রশ্ন, তীব্র সমালোচনা

রাজনৈতিক প্রভাবমুক্তির আহ্বান / ১২ প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ নিয়ে নাহিদের প্রশ্ন, তীব্র সমালোচনা

সরকারের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ ও নির্বাচন কমিশনের পদায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।বুধবার (২৮ জুলাই) গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের মিলনায়তনে ‘ন্যাশনাল হেলথ অ্যালায়েন্স’ আয়োজিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অবদান রাখা চিকিৎসকদের স্মৃতিচারণা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, সরকার সম্প্রতি প্রায় ১২টি প্রতিষ্ঠানে প্রচলিত প্রথার বাইরে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে। তার দাবি, এসব গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞদের পরিবর্তে রাজনৈতিক বিবেচনায় ব্যক্তিদের পদায়ন করা হয়েছে।তিনি বলেন, শিল্প, বনসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত বোর্ড ও সংস্থায় নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতাকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক পুরস্কার দেওয়ার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।নির্বাচন কমিশনের নিয়োগ প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, একটি দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সঙ্গে যুক্ত থাকা কোনো ব্যক্তিকে কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হলে কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়।তিনি আরও বলেন, এমন বিতর্কিত কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিতব্য স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিরোধী দল ও সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না।জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে চিকিৎসকদের ভূমিকার প্রশংসা করে নাহিদ ইসলাম দেশের সব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রেখে প্রাতিষ্ঠানিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

পাবনায় বিএনপি-জামায়াত মুখোমুখি, পুলিশের হস্তক্ষেপে সংঘর্ষ এড়াল

দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি / পাবনায় বিএনপি-জামায়াত মুখোমুখি, পুলিশের হস্তক্ষেপে সংঘর্ষ এড়াল

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় জুমার নামাজে ইমামতি নিয়ে সৃষ্ট বিরোধকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা মুখোমুখি অবস্থান নিলেও পুলিশের হস্তক্ষেপে সংঘর্ষ এড়ানো গেছে।মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাত পৌনে ৮টার দিকে সাঁথিয়া পৌর এলাকার তিন রাস্তার মোড়ে এ উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষের মাঝে অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার সাঁথিয়া পৌর এলাকার আফতাবনগর জামে মসজিদে পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন জুমার নামাজে ইমামতি করতে চাইলে বিএনপি সমর্থকেরা আপত্তি জানান। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।এরপর থেকে বিষয়টি নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও কর্মসূচি চলছিল। মঙ্গলবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির নেতারা অভিযোগ করেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।এর প্রতিবাদে বিকেলে সাঁথিয়া পৌর এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করে জামায়াত। পরে সন্ধ্যায় পাল্টা কর্মসূচির ঘোষণা দেয় বিএনপি।রাতে বিএনপির নেতাকর্মীরা মিছিল বের করার প্রস্তুতি নিলে তিন রাস্তার মোড়ে অবস্থান নেয় জামায়াতের কিছু নেতাকর্মী ও সমর্থক। এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষকে শান্ত করে। পরে বিএনপি সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ মিছিল করে ফিরে যায়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।সাঁথিয়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম মল্লিক অভিযোগ করেন, তাদের কর্মসূচিতে বাধা দিতে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা অস্ত্র নিয়ে অবস্থান নিয়েছিলেন।তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাঁথিয়া উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আনিসুর রহমান। তিনি বলেন, হামলার কোনো পরিকল্পনা ছিল না; স্থানীয় কিছু কর্মী-সমর্থক প্রতিবাদ জানাতে জড়ো হয়েছিলেন।সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জানান, দুই পক্ষের অবস্থানের কারণে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

আর্জেন্টিনাকে সুবিধা দেওয়া লাল কার্ড ভুল ছিল: আইএফএবি

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ / আর্জেন্টিনাকে সুবিধা দেওয়া লাল কার্ড ভুল ছিল: আইএফএবি

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সুইজারল্যান্ডের ফরোয়ার্ড ব্রিল এমবোলোর পাওয়া লাল কার্ডের সিদ্ধান্ত ভুল ছিল বলে জানিয়েছে ফুটবলের আইন প্রণয়নকারী সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড (আইএফএবি)।২৭ জুলাই প্রকাশিত আইএফএবির ৩৪ নম্বর পরিপত্রে ভুল খেলোয়াড়কে কার্ড দেখানোর ক্ষেত্রে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) ক্ষমতা স্পষ্ট করা হয়েছে। সংস্থাটির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এমবোলোর ঘটনায় ভিএআর নির্ধারিত সীমার বাইরে গিয়ে মূল সিদ্ধান্তের অপরাধই পরিবর্তন করে ফেলেছিল।গত ১১ জুলাই বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও সুইজারল্যান্ডের ম্যাচের ৭১তম মিনিটে ঘটনাটি ঘটে। এমবোলোর সঙ্গে আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেসের সংঘর্ষের পর রেফারি জোয়াও পিনেইরো পারেদেসকে হলুদ কার্ড দেখান।পরে ভিএআর ভুল খেলোয়াড়কে কার্ড দেখানোর বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য রেফারিকে ডাকে। রিপ্লে দেখে পারেদেসের কার্ড বাতিল করেন রেফারি। এরপর পড়ে গিয়ে ফাউল আদায়ের চেষ্টা করার অভিযোগে এমবোলোকেও হলুদ কার্ড দেখানো হয়। এটি ছিল তার দ্বিতীয় হলুদ কার্ড, ফলে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।ঘটনার সময় ম্যাচের স্কোর ছিল ১-১। ১০ জন নিয়ে বাকি সময় লড়াই করেও নির্ধারিত সময়ে সমতা ধরে রাখে সুইজারল্যান্ড। তবে অতিরিক্ত সময়ে দুই গোল করে আর্জেন্টিনা ৩-১ ব্যবধানে জয় পেয়ে সেমিফাইনালে ওঠে।আইএফএবি জানিয়েছে, ভিএআর কোনো হলুদ কার্ডের ক্ষেত্রে শুধু একই অপরাধের জন্য সঠিক খেলোয়াড় শনাক্ত করতে পারে। কিন্তু প্রথম সিদ্ধান্তের অপরাধ বদলে সম্পূর্ণ নতুন অপরাধ নির্ধারণ করার সুযোগ নেই।অর্থাৎ ভিএআর পারেদেসের কার্ডটি সঠিক খেলোয়াড়কে দেওয়া হয়েছিল কি না, তা যাচাই করতে পারলেও এমবোলোর বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ এনে হলুদ কার্ড দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে পারে না।ম্যাচের পর সুইজারল্যান্ডের কোচ মুরাত ইয়াকিন ওই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, রেফারির ভুল সিদ্ধান্ত ম্যাচের গতিপথ বদলে দিয়েছে।আইএফএবি জানিয়েছে, ভবিষ্যতে ভিএআরের মাধ্যমে অভিনয়ের ঘটনা শনাক্ত করার নিয়ম নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হবে। তবে বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী এমন ঘটনায় ভিএআর হস্তক্ষেপ করতে পারে না। তবে এমবোলোর বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত ভুল হলেও ম্যাচের ফল পরিবর্তন বা অন্য কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানায়নি আইএফএবি।

সাবেক সহকারী নিয়ে বিপাকে অহনা, দিলেন সতর্কবার্তা

ফেসবুকে পোস্ট ভাইরাল / সাবেক সহকারী নিয়ে বিপাকে অহনা, দিলেন সতর্কবার্তা

দেশীয় নাটকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অহনা রহমান তার সাবেক অ্যাসিস্ট্যান্ট আফিফাকে নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। নিজের পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন মানুষের কাছে টাকা দাবি করার অভিযোগ এনে ফেসবুকে সতর্কবার্তা দিয়েছেন এই অভিনেত্রী।সোমবার (২৭ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে অহনা বিষয়টি তুলে ধরেন এবং আফিফাকে শেষবারের মতো সতর্ক করেন।অহনা জানান, এক নারী রাতের বেলায় তার বাসার নিচে এসে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দেন। নিরাপত্তাকর্মীরা ফোন করলেও রাতে কেউ তা গ্রহণ করেননি। পরে ওই নারী সকাল পর্যন্ত ভবনের নিরাপত্তাকর্মীদের কক্ষে অবস্থান করেন।অভিনেত্রী তার পোস্টে দাবি করেন, পরে জানতে পারেন ওই নারীর নাম আফিফা। তিনি স্বল্প সময়ের জন্য তার অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করেছিলেন। বর্তমানে আফিফা বিভিন্ন মানুষের কাছে নিজেকে অহনার বোন পরিচয় দিয়ে টাকা চাইছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।অহনা রহমান বলেন, আফিফাকে এর আগেও একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছে। এবারও সতর্ক করে দিয়ে তিনি জানান, ভবিষ্যতে তাকে বা তার কোনো সহযোগীকে দিয়ে হয়রানি করা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ফেসবুক পোস্টে অভিনেত্রীর এই সতর্কবার্তার পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে।

অনলাইন জরিপ
২৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !