বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
নতুন পিএসসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া

রাষ্ট্রপতির আদেশে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ

নতুন পিএসসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া।বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সংবিধানের ১৩৮(১) অনুচ্ছেদে দেওয়া ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি জনস্বার্থে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুজ্জামান ভূঁইয়াকে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সভাপতি পদে নিয়োগ দিয়েছেন।সংবিধানের ১৩৯(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, তিনি দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ থেকে পাঁচ বছর অথবা ৬৫ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত যেটি আগে ঘটে পিএসসির চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালন করবেন।রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপপরিচালক (উপসচিব) মো. গোলাম রব্বানী প্রজ্ঞাপনটিতে স্বাক্ষর করেন।পিএসসিতে চেয়ারম্যান পদে পরিবর্তনজুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর পিএসসির তৎকালীন চেয়ারম্যান সোহরাব হোসাইনসহ কমিশনের অন্য সদস্যরা পদত্যাগ করেন। এর পরদিন ৯ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেমকে পিএসসির চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়।পরে গত ১৮ আগস্ট অধ্যাপক ড. মোবাশ্বের মোনেম পিএসসি চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতেই নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুজ্জামান ভূঁইয়াকে নিয়োগ দেওয়া হলো।

সরকারি বাসা বা বাড়ি বরাদ্দের ক্ষেত্রে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার

মন্ত্রণালয় ও বিভাগ করবে বরাদ্দ / সরকারি বাসা বা বাড়ি বরাদ্দের ক্ষেত্রে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার

সরকারি বাসা বা বাড়ি বরাদ্দের ক্ষেত্রে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এখন থেকে এ, বি ও সি শ্রেণির সরকারি বাসা সরাসরি বরাদ্দ দেবে না সরকারি আবাসন পরিদপ্তর।নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশ অ্যালোকেশন রুলস, ১৯৮২ অনুসরণ করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মাধ্যমে এসব বাসা বরাদ্দ দেওয়া হবে। একই সঙ্গে কোটা বিন্যাস ও সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবে সরকারি আবাসন পরিদপ্তর।মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. জহিরুল ইসলাম খানের স্বাক্ষর করা নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগে পাঠানো হয়েছে।নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশ অ্যালোকেশন রুলস, ১৯৮২-এর বিধি-৬ অনুযায়ী এ, বি ও সি শ্রেণির সরকারি বাসা বা বাড়ি বরাদ্দের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের। অন্যদিকে এসব আবাসনের কোটা বিন্যাস ও সমন্বয়ের দায়িত্ব সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের।এর আগে তিন মাসের বেশি সময় খালি থাকা এ, বি ও সি শ্রেণির কিছু বাসা রাজস্ব আদায় এবং সুষ্ঠু বরাদ্দ ব্যবস্থাপনার স্বার্থে আবাসন পুলে এনে প্রাধিকারভুক্ত কর্মচারীদের মধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হতো। খালি বাসার তথ্য জানিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে বরাদ্দের জন্য চিঠিও পাঠানো হয়েছিল।গত ৩০ জুন সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের বাসা বরাদ্দ কমিটি-১-এর সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় বিধি-৬ অনুযায়ী এ, বি ও সি শ্রেণির বাসা সরাসরি আবাসন পরিদপ্তর থেকে বরাদ্দ না দিয়ে যথাযথভাবে কোটা সমন্বয়ের সুপারিশ করা হয়।সেই সুপারিশ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

দুদকের অভিযোগের সঙ্গে খবরের মিল নেই: আসিফ

গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে নির্দিষ্ট তথ্য নেই / দুদকের অভিযোগের সঙ্গে খবরের মিল নেই: আসিফ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া দাবি করেছেন, তাকে ও আরও তিনজনকে নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযোগের সঙ্গে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত খবরের কোনো মিল নেই।বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।আসিফ মাহমুদ বলেন, সকাল থেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে দুদক তাকে ও আরও তিনজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে এমন খবর প্রকাশিত হতে দেখেছেন। তবে এসব প্রতিবেদনে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য বা সূত্র উল্লেখ করা হয়নি।তিনি বলেন, এ বিষয়ে অনেকেই তার মতামত জানতে চেয়েছেন। কিন্তু তিনি অপেক্ষা করছিলেন দুদকের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশের জন্য।আসিফ মাহমুদ জানান, বিকেলে দুদকের সংবাদ সম্মেলনে তাদের মুখপাত্র বক্তব্য দেন। একই সময়ে তাদের কাছেও নির্দিষ্ট অভিযোগের কাগজ আসে।তার দাবি, অভিযোগের কাগজ হাতে পাওয়ার পর তিনি দেখতে পান, সকাল থেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোর সঙ্গে দুদকের প্রকৃত অভিযোগের বিষয়বস্তুর কোনো মিল নেই।বিষয়টি নিয়ে তার বক্তব্যের বিস্তারিত পরবর্তী সময়ে জানানো হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়।বিস্তারিত আসছে...

র‍্যাব পরিচয়ে বিকাশকর্মীকে গাড়িতে তুলে টাকা-মোবাইল ছিনতাইয়ের অভিযোগ

দুই লাখ টাকা ও দুই মোবাইল নেওয়ার দাবি / র‍্যাব পরিচয়ে বিকাশকর্মীকে গাড়িতে তুলে টাকা-মোবাইল ছিনতাইয়ের অভিযোগ

গোপালগঞ্জে র‍্যাব সদস্য পরিচয়ে বিকাশের এক কর্মীকে প্রাইভেটকারে তুলে টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার সকালে সদর উপজেলার হরিদাসপুর ফকিরকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।এ ঘটনায় বিকাশের ডিস্ট্রিবিউশন সেলস সুপারভাইজার মো. হাচিবুর রহমান গোপালগঞ্জ সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এতে অজ্ঞাতপরিচয় চার থেকে পাঁচজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে ফেরার পথেঅভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিকাশের ডিস্ট্রিবিউশন সেলস অফিসার (ডিএসও) সামিউল ইসলাম সকাল সোয়া ১০টার দিকে গোপালগঞ্জের পূর্বালী ব্যাংক পিএলসি থেকে প্রতিষ্ঠানের দুই লাখ টাকা সংগ্রহ করেন।পরে মোটরসাইকেলে করে অফিসে ফেরার পথে সকাল আনুমানিক ১০টা ৪০ মিনিটে হরিদাসপুর ফকিরকান্দি এলাকায় একটি সাদা প্রাইভেটকার তাঁর মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে।গাড়িতে তুলে মারধরের অভিযোগঅভিযোগে বলা হয়েছে, গাড়ি থেকে র‍্যাবের পোশাক পরা কয়েকজন ব্যক্তি বের হয়ে নিজেদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয় দেন। এরপর অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সামিউলকে আটক করে হাতকড়া পরিয়ে জোর করে গাড়িতে তোলা হয়।সামিউলের অভিযোগের বরাত দিয়ে আরও বলা হয়েছে, গাড়ির ভেতরে তাঁর চোখ লাল গামছা দিয়ে বেঁধে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে সঙ্গে থাকা টাকা ও মালামাল দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়।দুই লাখ টাকা ও মোবাইল নেওয়ার দাবিঅভিযোগ অনুযায়ী, সামিউলের একটি ব্যাগ নিয়ে নেয় অভিযুক্তরা। ওই ব্যাগে বিকাশের দুই লাখ টাকা ও একটি Oppo Reno 6 মোবাইল ফোন ছিল।এ ছাড়া তাঁর কাছ থেকে একটি Realme Hot 60x মোবাইল ফোনও নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগপত্রে ফোন দুটির আনুমানিক মূল্য যথাক্রমে ৩২ হাজার ও ১৫ হাজার টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।সড়কের পাশে ফেলে যাওয়ার অভিযোগঅভিযোগে আরও বলা হয়, পরে সামিউলকে চোখ ও হাত বাঁধা অবস্থায় সদর উপজেলার কাশিয়ানী ইউনিয়নের কংশুর এলাকার একটি বাসস্ট্যান্ডের কাছে সড়কের ওপর ফেলে রেখে অভিযুক্তরা দ্রুত চলে যায়।ঘটনার পর বিকাশের আরেক ডিএসও রাজু বিশ্বাস বিষয়টি সহকর্মীদের জানান। পরে কয়েকজন সহকর্মী আশপাশের এলাকায় খোঁজাখুঁজি করে সামিউলকে পান। দুপুরের দিকে তিনি অফিসে ফিরে সহকর্মীদের কাছে ঘটনার বিস্তারিত জানান।পুলিশের বক্তব্য পাওয়া যায়নিঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে গোপালগঞ্জ সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।তবে এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানার পুলিশের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।

আর্জেন্টিনাকে বিদায়, মেসির নতুন অধ্যায় শুরু

এখনো একাধিক বড় লক্ষ্য / আর্জেন্টিনাকে বিদায়, মেসির নতুন অধ্যায় শুরু

জাতীয় দলের জার্সি তুলে রাখলেও এখনই ফুটবলকে বিদায় বলছেন না লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনার সঙ্গে ২১ বছরের সম্পর্কের ইতি টানার পর তার মূল মনোযোগ থাকবে ইন্টার মায়ামিকে ঘিরে। মাঠের নতুন লক্ষ্য পূরণের পাশাপাশি ফুটবলের বাইরেও নিজের ভবিষ্যৎ গুছিয়ে নিচ্ছেন আর্জেন্টাইন এই মহাতারকা।মেসির সঙ্গে ইন্টার মায়ামির চুক্তি রয়েছে ২০২৮ সালের মেজর লিগ সকার (এমএলএস) মৌসুম পর্যন্ত। তবে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার বিষয়টি নয়, নিজের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার ওপরই ক্যারিয়ারের শেষ সময় নির্ভর করবে বলে জানিয়েছে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘মার্কা’।জাতীয় দল থেকে অবসরের আগেও ক্লাব ফুটবলে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন মেসি। রোববার মন্ট্রিয়লের বিপক্ষে ইন্টার মায়ামির ৭-১ গোলের জয়ে একাই চার গোল করার পাশাপাশি একটি গোলে সহায়তা করেন তিনি। ১৮ গোল নিয়ে বর্তমানে এমএলএসের সর্বোচ্চ গোলদাতাও ৩৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।সামনে আরও শিরোপার লক্ষ্য‘মার্কা’র হিসাবে ব্যক্তিগত পুরস্কার বাদ দিলে ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত ৪৮টি শিরোপা জিতেছেন মেসি। সামনে সেই সংখ্যা আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে তার।ইন্টার মায়ামির হয়ে বর্তমানে ২০২৬ এমএলএস কাপ জয়ের লড়াইয়ে আছেন তিনি। এরপর ২০২৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলের সূচি পরিবর্তনের অংশ হিসেবে ফেব্রুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত আয়োজিত সংক্ষিপ্ত মৌসুমেও খেলতে পারেন মেসি।এ ছাড়া ২০২৭-২৮ মৌসুমের এমএলএস এবং ২০২৮ সালের কনকাকাফ চ্যাম্পিয়নস কাপে অংশ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে তার। কনকাকাফের এই মহাদেশীয় শিরোপা এখনো জিততে পারেনি ইন্টার মায়ামি। ক্লাবটির ইতিহাসে প্রথমবার এই ট্রফি এনে দেওয়া তাই মেসির ক্যারিয়ারের শেষদিকের অন্যতম বড় লক্ষ্য হতে পারে।নবম ব্যালন ডি’অরের সম্ভাবনাজাতীয় দলকে বিদায় বললেও ব্যক্তিগত পুরস্কারের দৌড় থেকে এখনই ছিটকে যাচ্ছেন না মেসি। ‘মার্কা’ অক্টোবরে তার নবম ব্যালন ডি’অর জয়ের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয়নি। তবে এটি এখনো সংবাদমাধ্যমটির নিজস্ব মূল্যায়ন।একই মাসে স্পেনের ওভিয়েদোতে প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস পুরস্কার গ্রহণ করার কথা রয়েছে মেসির। খেলাধুলায় অবদান ও দীর্ঘ ক্যারিয়ারের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালের এই সম্মাননার জন্য তাকে নির্বাচিত করা হয়েছে।মায়ামির মালিকানায় মেসি?২০২৮ সাল পর্যন্ত চুক্তি থাকলেও মেসি চাইলে তার আগেই ফুটবলকে বিদায় জানাতে পারেন। আবার শরীর ও মন সায় দিলে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও মাঠে থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।‘মার্কা’র দাবি, অবসরের সিদ্ধান্ত পুরোপুরি মেসির ওপরই ছেড়ে দেবে ইন্টার মায়ামি। খেলা ছাড়ার পর তাকে ক্লাবটির মালিকানা বা পরিচালনা কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার প্রস্তাবও দেওয়া হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো মেসি কিংবা ইন্টার মায়ামির পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।ফুটবলের বাইরেও বড় পরিকল্পনা২০২৭ সালের ২৪ জুন ৪০ বছরে পা দেবেন মেসি। ফুটবল ছাড়ার পর পরিবার ও ব্যবসায় আরও বেশি সময় দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের শুভেচ্ছাদূত হওয়ার পাশাপাশি পানীয়সহ বিভিন্ন ব্যবসায়ও তার বিনিয়োগ রয়েছে।ফুটবলের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক ধরে রাখতে চলতি বছর স্পেনের পঞ্চম স্তরের ক্লাব উনিও এসপোর্তিভা কর্নেয়া কিনেছেন মেসি। ক্লাবটির যুব ফুটবল কাঠামো শক্তিশালী করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এটিকে আরও উঁচু পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার।খেলোয়াড়ি জীবন শেষ হলে মেসি আবার কাতালুনিয়ায় বসবাস শুরু করতে পারেন বলেও জানিয়েছে ‘মার্কা’। বার্সেলোনার কাছের কাস্তেলদেফেলসে এখনো তার বাড়ি রয়েছে। সেখান থেকেই পরিবার, ব্যবসা এবং কর্নেয়ার কার্যক্রম দেখাশোনা করতে পারেন তিনি।আর্জেন্টিনার হয়ে খেলোয়াড়ি অধ্যায় শেষ হলেও দেশটির ফুটবলের সঙ্গে মেসির সম্পর্ক পুরোপুরি শেষ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। ভবিষ্যতে আর্জেন্টিনা ফুটবলের স্থায়ী শুভেচ্ছাদূত হিসেবেও তাকে দেখা যেতে পারে।জাতীয় দলের জার্সিতে আর দেখা যাবে না মেসিকে। তবে ইন্টার মায়ামির মাঠ, নতুন শিরোপার লক্ষ্য এবং ফুটবলের বাইরের পরিকল্পনা সব মিলিয়ে তার গল্পের শেষ এখনই হচ্ছে না। বরং শুরু হচ্ছে মেসির ক্যারিয়ারের নতুন এক অধ্যায়।

‘পাপ করেছি’ বলিনি, ভাইরাল ফটোকার্ডে ক্ষুব্ধ পপি

বক্তব্যটি সম্পূর্ণ মনগড়া দাবি পপির / ‘পাপ করেছি’ বলিনি, ভাইরাল ফটোকার্ডে ক্ষুব্ধ পপি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ফটোকার্ডের বক্তব্য নিয়ে ফের আলোচনায় চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভীন পপি। ওই ফটোকার্ডে তার নামে দাবি করা হয়, চলচ্চিত্রে অভিনয় করে ‘পাপ’ করেছেন তিনি এবং মৃত্যুর আগে সেই পাপ ধুয়েমুছে যেতে চান। তবে এমন কোনো কথা তিনি বলেননি বলে স্পষ্ট করেছেন পপি।সম্প্রতি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ওই ফটোকার্ডে লেখা হয়, ‘যতটা পাপ কামিয়েছি, তার সবটা ধুয়েমুছে সুন্দরভাবে মরতে চাই।’ বিষয়টি নজরে আসার পর এর প্রতিবাদ জানান এই অভিনেত্রী। তার দাবি, কোনো যাচাই ছাড়াই সম্পূর্ণ মনগড়া বক্তব্য তার নামে প্রচার করা হয়েছে।পপি বলেন, চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি সুনাম, সম্মান, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও দর্শকের ভালোবাসা পেয়েছেন। তাই অভিনয় কিংবা চলচ্চিত্রকে তিনি কখনোই ‘পাপ’ হিসেবে দেখেননি। প্রায় তিন দশকের চলচ্চিত্রজীবন নিয়ে বরং গর্বিত তিনি।নিজের বক্তব্য পরিষ্কার করে পপি বলেন, ‘আমি আমার বক্তব্যে একবারের জন্যও বলিনি যে চলচ্চিত্রে অভিনয় করে পাপ করেছি। মানুষ কি তার নিজের ভুল বা ভুলত্রুটির জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে ক্ষমা চাইতে পারে না?’তিনি আরও বলেন, মানুষ জেনে-না জেনে নানা ভুল করে। সেসব ভুলের জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে ক্ষমা চাওয়া অন্যায় নয়। নিজের জীবনের কোনো ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়ে শান্তিতে থাকতে চাইলে তা নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা বা জলঘোলা করার কিছু নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।চলচ্চিত্রকে ছোট করার প্রশ্নই নেইচলচ্চিত্রের প্রতি নিজের ভালোবাসার কথা জানিয়ে পপি বলেন, যে শিল্প তাকে যশ, খ্যাতি, সম্মান ও ভালোবাসা দিয়েছে, সেই চলচ্চিত্রকে ছোট করার প্রশ্নই আসে না। এই মাধ্যমে দীর্ঘদিন কঠোর পরিশ্রম করে উপার্জন করেছেন তিনি।একটি সিনেমা নির্মাণের পেছনে অভিনেতা-অভিনেত্রী, পরিচালক, প্রযোজক, টেকনিশিয়ানসহ অসংখ্য মানুষ কঠোর পরিশ্রম করেন। তাই চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত মানুষের উপার্জনকে ‘পাপ’ বা অন্যায়ের সঙ্গে যুক্ত করারও সুযোগ নেই বলে মনে করেন পপি।চলচ্চিত্রজীবনের অন্যতম বড় অর্জন হিসেবে দেশের কিংবদন্তি শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগকে দেখেন তিনি। রাজ্জাক, আলমগীর, কবরী, শাবানাসহ বহু গুণী শিল্পী, পরিচালক, প্রযোজক ও কলাকুশলীর সঙ্গে কাজ করেছেন পপি। তার কাছে চলচ্চিত্রের মানুষগুলো একটি পরিবারের মতো।জয়-বাপ্পারাজের প্রতিক্রিয়ায় কষ্টপপির নামে ছড়িয়ে পড়া ফটোকার্ডটি শেয়ার করেছিলেন অভিনয়শিল্পী ও উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয়। পরে সেখানে মন্তব্য করেন চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ।তাদের প্রতিক্রিয়ায় কষ্ট পেয়েছেন বলে জানান পপি। তার অভিযোগ, বক্তব্যের সত্যতা যাচাই না করেই সেটিকে সত্য ধরে নিয়ে মন্তব্য করা হয়েছে।পপি জানান, পরিবারকে ঘিরে অতীতে কিছু অভিমান থেকে তিনি কিছু কথা বলেছিলেন। অভিনয়জীবনে পরিবারের জন্য অনেক ত্যাগও করেছেন। কিন্তু সেই কথাগুলোকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে তাকে অপমানের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে মনে করেন তিনি।আবারও ফিরতে চান ক্যামেরার সামনেবর্তমানে নিয়মিত অভিনয়ে না থাকলেও দীর্ঘ ক্যারিয়ার নিয়ে কোনো আক্ষেপ নেই পপির। তার মতে, একজন শিল্পী রাতারাতি তৈরি হন না। দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, কষ্ট ও ত্যাগের মাধ্যমেই একজন শিল্পীর অবস্থান তৈরি হয়।ভবিষ্যতে পছন্দসই গল্প পেলে আবারও ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে চান তিনি। নিজের জীবন বা বায়োগ্রাফি নিয়ে নির্মিত কোনো সিনেমায় অভিনয়ের ইচ্ছাও রয়েছে তার। পাশাপাশি নিয়মিত অভিনয়ে না ফিরলেও প্রযোজক হিসেবে চলচ্চিত্রে ফেরার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এই অভিনেত্রী।ভক্ত ও সহকর্মীদের উদ্দেশে পপির অনুরোধ, তার নামে ছড়িয়ে পড়া কোনো বক্তব্য যাচাই না করে যেন কেউ বিশ্বাস না করেন। তার কাছে চলচ্চিত্র এখনো ভালোবাসা, সম্মান ও দীর্ঘ পরিশ্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

অনলাইন জরিপ
২৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !