সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
৪৬ বছর পেরিয়ে ৪৭ বছরে বেড়া প্রেস ক্লাব, বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

প্রেস ক্লাবের ৪৭তম বর্ষে পদার্পণ

৪৬ বছর পেরিয়ে ৪৭ বছরে বেড়া প্রেস ক্লাব, বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা ও সমৃদ্ধির ৪৬ বছর-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ৪৭তম বর্ষে পদার্পণ করেছে পাবনার ঐতিহ্যবাহী গণমাধ্যম সংগঠন বেড়া প্রেস ক্লাব। ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার (২৯ জুন) দিনব্যাপী র‍্যালি, কেক কাটা, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।১৯৮০ সালের ২৯ জুন প্রতিষ্ঠিত সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকাল ৮টায় ইছামতী সিনেমা হল মার্কেটের তৃতীয় তলায় অবস্থিত প্রেস ক্লাব কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। ব্যান্ড পার্টি ও আতশবাজির মধ্য দিয়ে র‍্যালিটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। পরে অতিথি ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটা হয়।এরপর প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক মো. শামসুল ইসলাম চৌধুরী (সজীব)। প্রধান অতিথি ছিলেন সদ্য বিদায়ী সভাপতি ডা. মো. আব্দুল হান্নান।বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সদ্য বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক মো. মহসিন মল্লিক, গ্যালাক্সি স্কুল অ্যান্ড কলেজের চেয়ারম্যান এস এম রিফাত শাহরিয়ার, ক্রিসেন্ট হাসপাতালের পরিচালক মো. মারুফ চৌধুরী এবং বেড়া প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাকালীন কোষাধ্যক্ষ বসন্ত দাস।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব আবুজর গিফারী।আলোচনা সভায় বক্তারা বেড়া প্রেস ক্লাবের ৪৬ বছরের গৌরবময় পথচলার স্মৃতিচারণ করেন এবং ভবিষ্যতেও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা, জনস্বার্থ রক্ষা ও এলাকার উন্নয়নে ক্লাবের ভূমিকা আরও শক্তিশালী হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।সবশেষে প্রেস ক্লাবের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি, দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

আজ ২৯ হাজার ৬২১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

একযোগে বৃক্ষরোপণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে / আজ ২৯ হাজার ৬২১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

দেশের ২৯ হাজার ৬২১টি মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আজ সোমবার (২৯ জুন) একযোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে দুপুর ২টায় এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে।শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বিশেষ কারণে পূর্বনির্ধারিত সকাল ১০টার পরিবর্তে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি দুপুর ২টায় অনুষ্ঠিত হবে।সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের লক্ষ্যমাত্রা এবং ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক এই সবুজায়ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় আগামী পাঁচ বছরে দেশের স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় ৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।এ কর্মসূচির আওতায় মোট ১৮ হাজার ৯০৭টি বিদ্যালয়, ১ হাজার ৪৪৬টি স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ৯ হাজার ২৬৮টি মাদ্রাসায় একযোগে বৃক্ষরোপণ করা হবে।শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে প্রতিবছর ৫ হাজার টাকা করে বিশেষ জলবায়ু সচেতনতা অনুদান দেওয়া হচ্ছে। এ বছর প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে একটি ফলদ, একটি বনজ এবং একটি ঔষধি গাছ রোপণ করা হবে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বড় পর্দায় সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেবেন। পাশাপাশি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশগ্রহণকারীরা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন।অনুষ্ঠানকে ঘিরে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ উপলক্ষে জলবায়ু সচেতনতা বিষয়ক ব্যানার-ফেস্টুন টাঙানো এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য র্যালিরও আয়োজন করা হবে।

এ বছরই আমি দেশে ফিরব: শেখ হাসিনা

এ বছরই আমি দেশে ফিরব: শেখ হাসিনা

দীর্ঘ প্রায় দুই বছর দেশের বাইরে থাকা বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছেন, সব ধরনের রাজনৈতিক প্রতিকূলতা, ষড়যন্ত্র এবং আইনি বাধা উপেক্ষা করে তিনি চলতি বছরই দেশে ফিরবেন। ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক বিশেষ ই-মেইল সাক্ষাৎকারে তিনি এই দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।নির্বাসিত জীবনে থাকা শেখ হাসিনা স্পষ্ট করেছেন, দেশে ফেরা তার ব্যক্তিগত কোনো উচ্চাকাঙ্ক্ষা নয়। বরং এটি বাংলাদেশের জনগণের রাজনৈতিক অধিকার, গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। তিনি বলেন, “আমি ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করি না। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার লক্ষ্যেই আমার এই সংগ্রাম।”তিনি মৃত্যুকে ভয় পান না জানিয়ে বলেন, ১৯৭৫ সালের ট্র্যাজেডি এবং ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মতো কঠিন সময় পার করেছেন। প্রতিবারই জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং এবারও সব বাধা অতিক্রম করে তিনি তার মাতৃভূমিতে ফিরে আসবেন।দলটির ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ কোনো কাগুজে সংগঠন নয়; এটি বাংলার মাটি ও মানুষের ইতিহাস এবং জাতীয় পরিচয়ের সঙ্গে গভীরভাবে মিশে আছে। ৭৭ বছরের ইতিহাসে দলটি বারবার কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছে, কিন্তু প্রতিবারই জনগণের শক্তিতে ঘুরে দাঁড়িয়েছে।তিনি অভিযোগ করেন, কিছু বাংলাদেশবিরোধী শক্তি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জনগণের একটি অংশকে বিভ্রান্ত করে ক্ষমতা পরিবর্তন করেছে। কিন্তু মানুষের হৃদয় থেকে আওয়ামী লীগকে মুছে ফেলা সম্ভব হয়নি।দলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ও হাজারো মামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পুনরুত্থান কোনো সরকারের দয়ার ওপর নির্ভর করে না। তিনি দাবি করেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে দলটির সমর্থনে মিছিল করছেন, যা আওয়ামী লীগের পুনর্জাগরণের স্পষ্ট লক্ষণ।শেখ হাসিনা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ৫ আগস্টের পর বাংলাদেশের মূল ভিত্তি—জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার ওপর আঘাত হানা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন ধ্বংস, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান নিষিদ্ধ এবং সংখ্যালঘু ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলা বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার অপচেষ্টার অংশ।বিএনপি বা অন্য কোনো শক্তির সঙ্গে গোপন সমঝোতার গুঞ্জনকে সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়েছেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ কারও রাজনৈতিক দয়া চায় না। গণতন্ত্র এবং জনগণের ভোটাধিকার কোনো গোপন দর-কষাকষির বিষয় নয়; এগুলো সাংবিধানিক অধিকার।”ভারতে অবস্থান করলেও তার মন পড়ে আছে বাংলাদেশে। তিনি জানান, বাবার সমাধি এবং প্রিয় দেশবাসীর কথা ভেবে তিনি প্রতিটি মুহূর্ত অস্থিরতায় পার করেন। তিনি বলেন, “আমি শেষ দিন পর্যন্ত সংগ্রাম চালিয়ে যাব। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, জনগণ আবারও গণতন্ত্র ফিরে পাবে এবং আওয়ামী লীগ জনগণের শক্তিতেই ঘুরে দাঁড়াবে।”

তিস্তার পানি বেড়ে গঙ্গাচড়ায় ১২০০ পরিবার পানিবন্দি

রংপুরে চার ইউনিয়ন প্লাবিত / তিস্তার পানি বেড়ে গঙ্গাচড়ায় ১২০০ পরিবার পানিবন্দি

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে উপজেলার চারটি ইউনিয়নের চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে প্রায় ১ হাজার ২০০ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।পানিবন্দি এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে কোলকোন্দ ইউনিয়নের বিনবিনিয়া, চর মটুকপুর ও চর চিলাখাল, লক্ষীটারী ইউনিয়নের পশ্চিম ইচলী ও বাগেরহাট, মর্নেয়া ইউনিয়নের নীলারপাড়, নরসিংহ চর ও মর্নেয়া এলাকা এবং নোহালী ইউনিয়নের চর বাগডহরা ও মিনা বাজার।স্থানীয় সূত্র জানায়, নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বিভিন্ন সড়ক তলিয়ে গেছে। অনেক বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়ায় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।লক্ষীটারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী জানান, তাঁর ইউনিয়নের প্রায় ৩০০ পরিবার পানিবন্দি রয়েছে। পানি আরও বাড়লে পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে।উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সজীবুল করিম বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও সহায়তা দিতে প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে।এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানান, আগামী দুই দিন তিস্তা নদীর পানি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে রংপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

শেষ মুহূর্তের গোলে ইতিহাস গড়ল কানাডা, প্রথমবার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয়

দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় কানাডা / শেষ মুহূর্তের গোলে ইতিহাস গড়ল কানাডা, প্রথমবার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয়

যোগ করা সময়ের নাটকীয় এক গোলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে কানাডা। লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে শেষ ৩২-এর ম্যাচে স্টিফেন ইউস্তাকিওর একমাত্র গোলেই ইতিহাস গড়ে সহ-আয়োজক দলটি।ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর অপেক্ষায় থাকলেও যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে আসে নির্ধারক গোল। দক্ষিণ আফ্রিকার রক্ষণ থেকে ক্লিয়ার হওয়া বল বক্সের বাইরে পেয়ে বুক দিয়ে নিয়ন্ত্রণে এনে জোরালো শট নেন স্টিফেন ইউস্তাকিও। গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামসের নাগালের বাইরে চলে যাওয়া বল জালে জড়াতেই উল্লাসে ফেটে পড়ে কানাডার খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও সমর্থকরা।পুরো ম্যাচজুড়েই আক্রমণে এগিয়ে ছিল কানাডা। প্রথমার্ধে কর্নার থেকে ময়িজ বোম্বিতোর হেড গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দেন অবারি মোদিবা। পরে তাজন বুকানানের প্রচেষ্টাও রুখে দেন গোলরক্ষক উইলিয়ামস।বিরতির আগে রিচি লারেয়াকে বক্সে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় কানাডা পেনাল্টির দাবি তুললেও ভিএআর পর্যালোচনার পর রেফারি আগের সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন।দ্বিতীয়ার্ধেও একাধিক সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা পাচ্ছিল না কানাডা। তানি ওলুওয়াসেয়ির শট দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন উইলিয়ামস। ফিরতি বলে জোনাথন ডেভিডের প্রচেষ্টাও শেষ মুহূর্তে রুখে দেন এমবেকেজেলি এমবোকাজি।৭৫ মিনিটে চোট কাটিয়ে মাঠে নামেন আলফোনসো ডেভিস। তাঁর উপস্থিতিতে কানাডার আক্রমণে নতুন গতি আসে। ডেভিসের পাস থেকে প্রমিস ডেভিড ভালো সুযোগ পেলেও লক্ষ্যে শট রাখতে পারেননি।দক্ষিণ আফ্রিকা পুরো ম্যাচে রক্ষণে শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকলেও আক্রমণে তেমন কার্যকর হতে পারেনি। মফোকেং, মাসেকো ও অ্যাপোলিস কয়েকবার চেষ্টা করলেও কানাডার রক্ষণ ভাঙতে ব্যর্থ হন।ম্যাচের পরিসংখ্যানেও কানাডার আধিপত্য স্পষ্ট ছিল। তুলনামূলক কম সময় বল দখলে রেখেও তারা বেশি শট, লক্ষ্যে বেশি শট এবং বেশি গোলের সুযোগ তৈরি করে। শেষ পর্যন্ত ইউস্তাকিওর দুর্দান্ত গোলেই সেই আধিপত্যের প্রতিফলন ঘটে।এই জয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জয় তুলে নিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে কানাডা। অন্যদিকে প্রথমবার নকআউটে ওঠা দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হলো হতাশার হার দিয়ে।শেষ ষোলোর পরবর্তী ম্যাচে কানাডা মুখোমুখি হবে নেদারল্যান্ডস ও মরক্কোর মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ী দলের।

৫০ পেরিয়েও চিরতরুণ মহেশ বাবু, জানুন ফিটনেসের গোপন রহস্য

মহেশ বাবুর ফিটনেস রুটিন / ৫০ পেরিয়েও চিরতরুণ মহেশ বাবু, জানুন ফিটনেসের গোপন রহস্য

দক্ষিণী সুপারস্টার মহেশ বাবুকে দেখে বোঝার উপায় নেই, তিনি ৫০ বছর পেরিয়ে গেছেন। বড় পর্দায় এখনো তিনি যেন এক টগবগে তরুণ। বয়সকে হার মানানো তাঁর ফিটনেস ও তারুণ্যের রহস্য জানতে ভক্তদের আগ্রহের শেষ নেই।সম্প্রতি এস এস রাজামৌলির নতুন সিনেমার প্রচারে হায়দরাবাদে অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার সঙ্গে উপস্থিত হয়ে নতুন করে আলোচনায় আসেন মহেশ বাবু। সিনেমায় ‘রুদ্র’ চরিত্রে তাঁর লুক দেখে ভক্তরা মুগ্ধ হন। এরপর থেকেই তাঁর ফিটনেস রুটিন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা।ভারতীয় এক গণমাধ্যমে মহেশ বাবুর ফিটনেস ট্রেইনার কুমার মান্নভা জানান, ফিটনেস তাঁর কাছে কোনো নির্দিষ্ট সিনেমার প্রস্তুতি নয়; বরং এটি দৈনন্দিন জীবনযাপনের অংশ। সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন তিনি নিয়মিত ব্যায়াম করেন এবং প্রতিদিন প্রায় এক থেকে দেড় ঘণ্টা সময় দেন শরীরচর্চায়।মহেশ বাবুর ব্যায়ামের রুটিনে রয়েছে কার্ডিও, স্কোয়াট, স্ট্রেংথ ট্রেনিং ও স্ট্রেচিং। বিশেষ করে স্ট্রেচিং তাঁর অন্যতম পছন্দের অনুশীলন, যা শরীরের নমনীয়তা ও পেশির কার্যকারিতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।শুধু ব্যায়াম নয়, সুষম খাদ্যাভ্যাসও তাঁর ফিটনেসের অন্যতম ভিত্তি। ট্রেইনারের মতে, কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর চর্বির ভারসাম্য বজায় রেখে তিনি প্রতিদিন ৫ থেকে ৬ বার অল্প অল্প করে খাবার খান। পাশাপাশি পুষ্টিকর সাপ্লিমেন্ট শেকও গ্রহণ করেন, যা অতিরিক্ত ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করে।প্রতিদিন সকালের নাশতায় থাকে ওটস, সেদ্ধ ডিম, শুকনো ফল ও মৌসুমি ফল। দুপুরে তিনি ব্রাউন রাইস, মাছ কিংবা মাংসের সঙ্গে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খান। রাতের খাবারেও থাকে ব্রাউন ব্রেড, সেদ্ধ ডিম অথবা চিকেন স্টুর মতো হালকা কিন্তু পুষ্টিকর খাবার।ট্রেইনার কুমার মান্নভা বলেন, মহেশ বাবু সারা বছরই শরীরচর্চা ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ থাকেন। নিয়মিত ব্যায়াম এবং খাদ্যনিয়ন্ত্রণই তাঁর সুস্বাস্থ্যের মূল রহস্য।আজকের ব্যস্ত জীবনে দ্রুত ফল পাওয়ার আশায় অনেকেই শর্টকাট পথ খুঁজলেও, মহেশ বাবুর উদাহরণ দেখায়-সুস্থ ও ফিট থাকতে নিয়মিত ব্যায়াম, সুষম খাদ্য এবং শৃঙ্খলিত জীবনযাপনের বিকল্প নেই।

অনলাইন জরিপ
২৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !