রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চেকপোস্ট
‘গুপ্ত’ শক্তি স্বৈরাচারকে ফের সামনে আনছে: তারেক রহমান

জনগণের সামনে আনতে হবে

‘গুপ্ত’ শক্তি স্বৈরাচারকে ফের সামনে আনছে: তারেক রহমান

স্বৈরাচারী শাসনের সময় যারা ‘গুপ্ত’ অবস্থানে ছিল, তাদের কেউ কেউ এখন ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচারকে সামনে এনে দেশে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।তিনি বলেছেন, বিভ্রান্তি ছড়িয়ে কেউ দেশে অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করলে তা মেনে নেওয়া হবে না। আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।তারেক রহমান বলেন, স্বৈরাচারের সময় যারা ‘গুপ্ত’ অবস্থানে লুকিয়ে ছিল, তাদের মধ্যেই এখন ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচার আশ্রয় নিয়ে অরাজকতা উসকে দেওয়ার চেষ্টা করছে কি না, সেই প্রশ্ন সামনে এসেছে। এমনটি হলে ওই ‘গুপ্ত’ শক্তি স্বৈরাচারকে আবার সামনে নিয়ে আসার কাজ করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।একটি বিরোধী রাজনৈতিক দলকে ইঙ্গিত করে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, এর পেছনে কারা রয়েছে, তা জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে।অরাজকতা করলে ব্যবস্থাদেশের বিভিন্ন সমস্যাকে কেন্দ্র করে কোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তি বিভ্রান্তি ছড়িয়ে অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করলে তা মেনে নেওয়া হবে না বলে সতর্ক করেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, বিএনপি জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার। গণতান্ত্রিক ধারা ও গণতান্ত্রিক নীতি-নৈতিকতা সমুন্নত রাখতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। তবে কেউ অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তারেক রহমান বলেন, ‘একটি নির্বাচিত সরকার হিসেবে পরিষ্কারভাবে বলতে চাই—প্রত্যেকের সীমার মধ্যে থাকা দরকার।’তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘গুপ্ত বাহিনী’ ১৯৭১ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে একে অন্যকে আড়াল ও আশ্রয় দিয়ে এসেছে। ১৯৮৬ ও ১৯৯৬ সালসহ বিভিন্ন সময় এবং বর্তমানেও তারা একে অন্যকে আড়াল করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।জ্বালানি সংকট নিয়ে দুঃখ প্রকাশদেশের বর্তমান সমস্যাগুলোর মধ্যে জ্বালানি সংকটকে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, বিএনপি সরকার একটি ‘ভঙ্গুর অর্থনীতি’ উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে। এর পাশাপাশি স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও যোগাযোগসহ বিভিন্ন খাতের সমস্যা মোকাবিলা করতে হচ্ছে সরকারকে। চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবও সামলাতে হচ্ছে।বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে সাধারণ মানুষ ও শিল্পকারখানার মালিকদের দুর্ভোগের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, অতীত সরকারের রেখে যাওয়া সমস্যাকে অজুহাত হিসেবে দেখাতে চান না। বরং বাস্তব পরিস্থিতি জনগণের সামনে তুলে ধরে এমন ব্যবস্থা নিতে চান, যাতে ভবিষ্যতে একই ধরনের জ্বালানি সংকট তৈরি না হয়।বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জ্বালানির দাম বাড়লেও জনগণের ওপর চাপ কম রাখার চেষ্টা করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শেষ পর্যন্ত জ্বালানির দাম কিছুটা বাড়াতে সরকার বাধ্য হয়েছে।নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দাবিবিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে বলে দাবি করেন তারেক রহমান।তিনি বলেন, নারীদের স্বাবলম্বী করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’, কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ এবং ইমাম, খতিব ও মুয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন এবং গ্রামের মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার কাজও শুরু হয়েছে।সরকারের বাজেটে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ কম রাখার চেষ্টা করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় ৬০টি পণ্যের ওপর কর বাড়ানো হয়নি; বরং কয়েকটি পণ্যের কর কমানো হয়েছে।‘২৪-এর কৃতিত্ব জনগণের’২০২৪ সালের আন্দোলনের সম্পূর্ণ কৃতিত্ব দেশের জনগণের বলে মন্তব্য করেন বিএনপি চেয়ারম্যান।তিনি বলেন, বিএনপি প্রকাশ্যে রাজপথে থেকে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন করেছে। কোনো কিছু গোপনে করা হয়নি। ২০২৪ সালের আন্দোলন সফল হওয়ার পুরো কৃতিত্ব জনগণের।গত ১৬ বছরের শাসনের সমালোচনা করে তারেক রহমান দাবি করেন, ওই সময়ে বিএনপির নেতা-কর্মীরা ব্যাপক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং দলের প্রায় ৫০ লাখের বেশি নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে ‘গায়েবি মামলা’ ছিল।তবে বিএনপির কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল এবং এখনো আছে বলেও স্বীকার করেন তিনি। তার ভাষ্য, সবকিছু বিচার-বিশ্লেষণ করে দেশের জনগণ দেখেছে—দীর্ঘদিন ধরে তাদের স্বার্থ রক্ষায় বিএনপি কাজ করেছে।‘সবাইকে এমপি-মন্ত্রী করা সম্ভব নয়’দলীয় নেতা-কর্মীদের শুধু পদ-পদবি পাওয়ার জন্য নয়, দেশের জন্য কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তারেক রহমান।তিনি বলেন, সবাইকে সংসদ সদস্য বা মন্ত্রী করা সম্ভব নয়। অধিকাংশ নেতা-কর্মী কর্মী হিসেবেই থাকবেন। তবে কাজের মাধ্যমে প্রত্যেকে নিজেকে একজন ‘সাচ্চা জাতীয়তাবাদী কর্মী’ হিসেবে প্রমাণ করতে পারেন।আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

‘গুপ্ত’ শক্তি স্বৈরাচারকে ফের সামনে আনছে: তারেক রহমান

জনগণের সামনে আনতে হবে / ‘গুপ্ত’ শক্তি স্বৈরাচারকে ফের সামনে আনছে: তারেক রহমান

স্বৈরাচারী শাসনের সময় যারা ‘গুপ্ত’ অবস্থানে ছিল, তাদের কেউ কেউ এখন ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচারকে সামনে এনে দেশে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।তিনি বলেছেন, বিভ্রান্তি ছড়িয়ে কেউ দেশে অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করলে তা মেনে নেওয়া হবে না। আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।তারেক রহমান বলেন, স্বৈরাচারের সময় যারা ‘গুপ্ত’ অবস্থানে লুকিয়ে ছিল, তাদের মধ্যেই এখন ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচার আশ্রয় নিয়ে অরাজকতা উসকে দেওয়ার চেষ্টা করছে কি না, সেই প্রশ্ন সামনে এসেছে। এমনটি হলে ওই ‘গুপ্ত’ শক্তি স্বৈরাচারকে আবার সামনে নিয়ে আসার কাজ করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।একটি বিরোধী রাজনৈতিক দলকে ইঙ্গিত করে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, এর পেছনে কারা রয়েছে, তা জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে।অরাজকতা করলে ব্যবস্থাদেশের বিভিন্ন সমস্যাকে কেন্দ্র করে কোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তি বিভ্রান্তি ছড়িয়ে অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করলে তা মেনে নেওয়া হবে না বলে সতর্ক করেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, বিএনপি জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার। গণতান্ত্রিক ধারা ও গণতান্ত্রিক নীতি-নৈতিকতা সমুন্নত রাখতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। তবে কেউ অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তারেক রহমান বলেন, ‘একটি নির্বাচিত সরকার হিসেবে পরিষ্কারভাবে বলতে চাই—প্রত্যেকের সীমার মধ্যে থাকা দরকার।’তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘গুপ্ত বাহিনী’ ১৯৭১ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে একে অন্যকে আড়াল ও আশ্রয় দিয়ে এসেছে। ১৯৮৬ ও ১৯৯৬ সালসহ বিভিন্ন সময় এবং বর্তমানেও তারা একে অন্যকে আড়াল করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।জ্বালানি সংকট নিয়ে দুঃখ প্রকাশদেশের বর্তমান সমস্যাগুলোর মধ্যে জ্বালানি সংকটকে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, বিএনপি সরকার একটি ‘ভঙ্গুর অর্থনীতি’ উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে। এর পাশাপাশি স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও যোগাযোগসহ বিভিন্ন খাতের সমস্যা মোকাবিলা করতে হচ্ছে সরকারকে। চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবও সামলাতে হচ্ছে।বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে সাধারণ মানুষ ও শিল্পকারখানার মালিকদের দুর্ভোগের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, অতীত সরকারের রেখে যাওয়া সমস্যাকে অজুহাত হিসেবে দেখাতে চান না। বরং বাস্তব পরিস্থিতি জনগণের সামনে তুলে ধরে এমন ব্যবস্থা নিতে চান, যাতে ভবিষ্যতে একই ধরনের জ্বালানি সংকট তৈরি না হয়।বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জ্বালানির দাম বাড়লেও জনগণের ওপর চাপ কম রাখার চেষ্টা করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শেষ পর্যন্ত জ্বালানির দাম কিছুটা বাড়াতে সরকার বাধ্য হয়েছে।নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দাবিবিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে বলে দাবি করেন তারেক রহমান।তিনি বলেন, নারীদের স্বাবলম্বী করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’, কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ এবং ইমাম, খতিব ও মুয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন এবং গ্রামের মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার কাজও শুরু হয়েছে।সরকারের বাজেটে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ কম রাখার চেষ্টা করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় ৬০টি পণ্যের ওপর কর বাড়ানো হয়নি; বরং কয়েকটি পণ্যের কর কমানো হয়েছে।‘২৪-এর কৃতিত্ব জনগণের’২০২৪ সালের আন্দোলনের সম্পূর্ণ কৃতিত্ব দেশের জনগণের বলে মন্তব্য করেন বিএনপি চেয়ারম্যান।তিনি বলেন, বিএনপি প্রকাশ্যে রাজপথে থেকে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন করেছে। কোনো কিছু গোপনে করা হয়নি। ২০২৪ সালের আন্দোলন সফল হওয়ার পুরো কৃতিত্ব জনগণের।গত ১৬ বছরের শাসনের সমালোচনা করে তারেক রহমান দাবি করেন, ওই সময়ে বিএনপির নেতা-কর্মীরা ব্যাপক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং দলের প্রায় ৫০ লাখের বেশি নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে ‘গায়েবি মামলা’ ছিল।তবে বিএনপির কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল এবং এখনো আছে বলেও স্বীকার করেন তিনি। তার ভাষ্য, সবকিছু বিচার-বিশ্লেষণ করে দেশের জনগণ দেখেছে—দীর্ঘদিন ধরে তাদের স্বার্থ রক্ষায় বিএনপি কাজ করেছে।‘সবাইকে এমপি-মন্ত্রী করা সম্ভব নয়’দলীয় নেতা-কর্মীদের শুধু পদ-পদবি পাওয়ার জন্য নয়, দেশের জন্য কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তারেক রহমান।তিনি বলেন, সবাইকে সংসদ সদস্য বা মন্ত্রী করা সম্ভব নয়। অধিকাংশ নেতা-কর্মী কর্মী হিসেবেই থাকবেন। তবে কাজের মাধ্যমে প্রত্যেকে নিজেকে একজন ‘সাচ্চা জাতীয়তাবাদী কর্মী’ হিসেবে প্রমাণ করতে পারেন।আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

দুদকের অভিযোগের সঙ্গে খবরের মিল নেই: আসিফ

গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে নির্দিষ্ট তথ্য নেই / দুদকের অভিযোগের সঙ্গে খবরের মিল নেই: আসিফ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া দাবি করেছেন, তাকে ও আরও তিনজনকে নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযোগের সঙ্গে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত খবরের কোনো মিল নেই।বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।আসিফ মাহমুদ বলেন, সকাল থেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে দুদক তাকে ও আরও তিনজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে এমন খবর প্রকাশিত হতে দেখেছেন। তবে এসব প্রতিবেদনে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য বা সূত্র উল্লেখ করা হয়নি।তিনি বলেন, এ বিষয়ে অনেকেই তার মতামত জানতে চেয়েছেন। কিন্তু তিনি অপেক্ষা করছিলেন দুদকের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশের জন্য।আসিফ মাহমুদ জানান, বিকেলে দুদকের সংবাদ সম্মেলনে তাদের মুখপাত্র বক্তব্য দেন। একই সময়ে তাদের কাছেও নির্দিষ্ট অভিযোগের কাগজ আসে।তার দাবি, অভিযোগের কাগজ হাতে পাওয়ার পর তিনি দেখতে পান, সকাল থেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোর সঙ্গে দুদকের প্রকৃত অভিযোগের বিষয়বস্তুর কোনো মিল নেই।বিষয়টি নিয়ে তার বক্তব্যের বিস্তারিত পরবর্তী সময়ে জানানো হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়।বিস্তারিত আসছে...

পুটিজুরী বন বিটে বাগানের শূন্যস্থানে চারা রোপণ পরিদর্শন সিলেটের ডিএফও’র

পুটিজুরী বন বিটে বাগানের শূন্যস্থানে চারা রোপণ পরিদর্শন সিলেটের ডিএফও’র

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী বন বিটে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাগানের শূন্যস্থানে চারা রোপণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোহাম্মদ আবদুর রহমান। এ সময় তিনি বাগান রক্ষণাবেক্ষণ, প্রাকৃতিক বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন।শনিবার সকালে শায়েস্তাগঞ্জ ফরেস্ট রেঞ্জের আওতাধীন বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী বন বিট এলাকায় ২০২৫ সালের ১০ এস-আর ও ১৫ এল-আর হেক্টর বাগান পরিদর্শন করেন সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুর রহমান।পরিদর্শনকালে তিনি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম দফা উইডিং (আগাছা পরিষ্কার) এবং বাগানের শূন্যস্থানে চারা রোপণ কার্যক্রমের অগ্রগতি ও সফলতা পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি বাগানের পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম আরও জোরদার করতে ফরেস্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা, বন বিট কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট স্টাফদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন।এ ছাড়া বাগানে খাড়া গাছের নিলামকৃত লটের গাছ আহরণ প্রক্রিয়া নিয়েও সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন তিনি। বনাঞ্চলের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার পাশাপাশি নিয়ম মেনে গাছ আহরণ এবং বাগানের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা।পরিদর্শন শেষে তিনি প্রাকৃতিক বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ, বাগানের নিয়মিত পরিচর্যা এবং নতুন করে চারা রোপণের মাধ্যমে বনভূমির শূন্যস্থান পূরণে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

জাতীয় দল ছাড়ার পর মেসিকে সম্মান জানাতে দশম মিনিটে হাততালির আয়োজন

রোজারিও সেন্ট্রাল সমর্থকদের একাংশের / জাতীয় দল ছাড়ার পর মেসিকে সম্মান জানাতে দশম মিনিটে হাততালির আয়োজন

আর্জেন্টিনার ফুটবল তারকা লিওনেল মেসিকে সম্মান জানানো নিয়ে রোজারিও ডার্বির আগে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। রোববার রোজারিও সেন্ট্রাল ও নিউয়েলস ওল্ড বয়েজের ম্যাচে মেসিকে হাততালি দেওয়া হবে কি না, তা নিয়েই দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে চলছে আলোচনা।জাতীয় দল থেকে মেসির অবসরের পর তাকে সম্মান জানাতে এ সপ্তাহান্তে ম্যাচের ১০ মিনিটে এক মিনিট হাততালির আয়োজন করা হয়েছে। ডেপোরটিভির তথ্য অনুযায়ী, ক্লাউসুরার অষ্টম রাউন্ডের পাশাপাশি আর্জেন্টিনার বিভিন্ন পর্যায়ের ফুটবলেও এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পুরুষ ও নারী ফুটবলের সঙ্গে ফুটসাল ও সৈকত ফুটবলও এর আওতায় রয়েছে।মেসিকে ঘিরে সমর্থকদের মতভেদরোববার নিজেদের মাঠ হিগান্তে দে আরোইতোতে নিউয়েলস ওল্ড বয়েজের মুখোমুখি হবে রোজারিও সেন্ট্রাল। মেসি নিউয়েলসের সমর্থক হওয়ায় ডার্বির আবহে তাকে সম্মান জানানোর বিষয়টি নতুন মাত্রা পেয়েছে।আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেন্ট্রাল সমর্থকদের বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এ নিয়ে চলছে পাল্টাপাল্টি মত। কেউ মেসিকে দুয়ো দেওয়ার পক্ষে, আবার কেউ হাততালিতে অংশ না নিয়ে নীরব থাকার কথা বলছেন।আরেকটি প্রস্তাবও এসেছে সমর্থকদের পক্ষ থেকে। ১০ মিনিটে মেসিকে হাততালি দেওয়ার পর ১১ মিনিটে গ্যালারিতে আনহেল দি মারিয়ার নামে স্লোগান দেওয়ার কথা ভাবছেন কেউ কেউ। আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী দি মারিয়ার সঙ্গে রোজারিও সেন্ট্রালের সম্পর্ক রয়েছে।প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভুলে সম্মানের আহ্বানতবে ক্লাবীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঊর্ধ্বে উঠে মেসিকে সম্মান জানানোর পক্ষেও রয়েছেন সেন্ট্রালের অনেক সমর্থক। আলোচনায় বারবার উঠে আসছে ২০২৩ সালের জুনের একটি ঘটনা।সেবার নিউয়েলসের মাঠে মাক্সি রদ্রিগেসের বিদায়ী ম্যাচে রোজারিও সেন্ট্রালের দি মারিয়াও উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছিলেন। সেই স্মৃতি সামনে এনে মেসির ক্ষেত্রেও একই ধরনের সম্মান দেখানোর পক্ষে মত দিয়েছেন অনেকে।তবে শেষ পর্যন্ত রোজারিও ডার্বির গ্যালারিতে মেসিকে ঘিরে কী প্রতিক্রিয়া দেখা যাবে, সেটি জানা যাবে ম্যাচের দিনই।

বয়স বাড়ার সঙ্গে বদলে যাওয়া সৌন্দর্য উপভোগ করতে চান অভিনেত্রী

নিয়মিত শুটিংয়ে অনীহা / বয়স বাড়ার সঙ্গে বদলে যাওয়া সৌন্দর্য উপভোগ করতে চান অভিনেত্রী

বয়স বাড়ার সঙ্গে চেহারায় বয়সের ছাপ পড়া নিয়ে অনেক তারকাই চিন্তিত থাকেন। তবে জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও মডেল শবনম ফারিয়া এ বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করেন। নিজের বয়স ও গ্ল্যামার নিয়ে সচেতন হলেও বয়স লুকিয়ে রাখার কোনো ইচ্ছা নেই তার।নিজের বয়স ও সৌন্দর্য নিয়ে ফারিয়া বলেন, ‘আমি কখনো এই কথায় সম্মতি দিই না যে, আমার বয়স ৩৫ কিন্তু আমাকে দেখতে ২৫ বছরের মতো লাগছে। আমি চাই যখন বয়স যেমন হবে, তখন আমাকে দেখতে তেমনই লাগুক।’তিনি আরও বলেন, ‘যখন ৬০ বছর হবে, তখন দেখতে যেন ষাটের মতোই লাগে। কারণ, প্রত্যেকটি বয়সের আলাদা সৌন্দর্য থাকে। আমি সেই সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাই।’বেছে বেছে কাজ করছেন ফারিয়ানাটক ও সিনেমায় সাবলীল অভিনয়ের মাধ্যমে ছোট পর্দায় নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন শবনম ফারিয়া। পরবর্তীতে ‘দেবী’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দাতেও প্রশংসিত হন তিনি।তবে বর্তমানে অভিনয়ে নিয়মিত নন এই অভিনেত্রী। বেছে বেছে কাজ করছেন এবং নিয়মিত অভিনয়ে ফেরার ইচ্ছাও নেই তার।এর কারণ জানিয়ে ফারিয়া বলেন, ‘এখন মাসে ২০/২২ দিন শুটিং করতে আর ভালো লাগে না। তবে ভালো গল্পে কাজ করতে বরাবরই আমার ভালো লাগে।’অর্থাৎ নিয়মিত কাজের চেয়ে গল্প ও চরিত্রের গুরুত্বকেই এখন বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন এই অভিনেত্রী।

অনলাইন জরিপ
২৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !