রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলক, বড় বাধা দক্ষ শিক্ষক সংকট

প্রস্তুতি ছাড়া বাস্তবায়ন কঠিন

তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলক, বড় বাধা দক্ষ শিক্ষক সংকট

২০২৮ সাল থেকে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই তৃতীয় ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা করছে সরকার। শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক শ্রমবাজারের জন্য প্রস্তুত করা এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ দক্ষতা বাড়ানোই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। তবে বাস্তবায়নের পথে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে দক্ষ শিক্ষকের সংকট।দেশের প্রায় ২০ হাজারের বেশি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে গণিত, ইংরেজি ও বিজ্ঞানের মতো মৌলিক বিষয়েই দক্ষ শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে। সেখানে জাপানিজ, কোরিয়ান, ম্যান্ডারিন, আরবি, ফ্রেঞ্চ বা জার্মানের মতো বিদেশি ভাষার শিক্ষক নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা।সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, কারিগরি শিক্ষার সঙ্গে ভাষাগত দক্ষতা যুক্ত করে শিক্ষার্থীদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার ও উচ্চশিক্ষার সুযোগ বিবেচনায় বিভিন্ন ভাষায় দক্ষ শিক্ষার্থীদের বিদেশে পড়াশোনায় উৎসাহিত করতে ঋণ সুবিধার পরিকল্পনাও রয়েছে।দক্ষ ভাষা শিক্ষক কোথায়?বাংলাদেশ ব্যুরো অব এডুকেশনাল ইনফরমেশন অ্যান্ড স্ট্যাটিসটিকসের (ব্যানবেইস) তথ্য অনুযায়ী, দেশে সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে প্রায় ২০ হাজারের বেশি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে একজন করে বিদেশি ভাষার শিক্ষক নিয়োগ করাও বর্তমান বাস্তবতায় কঠিন।শিক্ষাবিদদের মতে, ভাষা শেখানো শুধু বইনির্ভর বিষয় নয়। প্রয়োজন প্রশিক্ষিত শিক্ষক, ব্যবহারিক পরিবেশ এবং নিয়মিত অনুশীলনের সুযোগ। এসব নিশ্চিত না হলে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কার্যকর ফল দেবে না।রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক আক্তার বানু বলেন, ভাষা শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ হলেও সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে প্রয়োজনীয় জনবল তৈরি করা। পর্যাপ্ত শিক্ষক ছাড়া বাধ্যতামূলক করলে শিক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে।ইংরেজির অভিজ্ঞতা, নতুন ভাষায় শঙ্কাশিক্ষাবিদরা বলছেন, বাংলাদেশের ভাষা শিক্ষার বড় সমস্যা হলো ভাষাকে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে না দেখে পরীক্ষার বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা।মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) ‘ন্যাশনাল অ্যাসেসমেন্ট অব সেকেন্ডারি স্টুডেন্টস ২০২৩’ প্রতিবেদনে দেখা যায়, অষ্টম শ্রেণির অনেক শিক্ষার্থী বাংলা ও ইংরেজিতে কাঙ্ক্ষিত দক্ষতা অর্জন করতে পারেনি। এমন পরিস্থিতিতে তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলক করলে অনেক শিক্ষার্থীর জন্য তা মানসিক চাপ তৈরি করতে পারে।বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, শুরুতে তৃতীয় ভাষাকে ঐচ্ছিক বিষয় হিসেবে চালু করা যেতে পারে। শিক্ষার্থীদের আগ্রহ ও ফলাফল বিবেচনা করে পরে বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে।এনসিটিবির প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্নজাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) জানিয়েছে, নতুন কোনো বিষয় পাঠ্যক্রমে যুক্ত করতে গবেষণা, পরীক্ষামূলক কার্যক্রম এবং বাস্তবতা যাচাই প্রয়োজন।এনসিটিবির কর্মকর্তারা জানান, ২০২৭ সালের পাঠ্যক্রম ইতোমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে। তাই ২০২৮ সাল থেকে তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলক করার আগে আরও পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির প্রয়োজন হবে।এনসিটিবির সচিব শাহ মুহাম্মদ ফিরোজ আল ফেরদৌস বলেন, তৃতীয় ভাষার ক্ষেত্রে কোন ভাষাগুলো নির্বাচন করা হবে, আঞ্চলিক চাহিদা নাকি শিক্ষার্থীদের পছন্দ—এসব বিষয় নিয়ে গবেষণা প্রয়োজন।বাংলা বইয়ে আসছে তৃতীয় ভাষার অধ্যায়২০২৭ সালের পাঠ্যক্রমে আলাদা বই হিসেবে তৃতীয় ভাষা যুক্ত না হলেও বাংলা বইয়ে এ বিষয়ে একটি অধ্যায় যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তৃতীয় ভাষার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা হবে।এনসিটিবির সদস্য (শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক মুহাম্মদ ফাতিহুল কাদীর জানান, ‘তৃতীয় ভাষার গুরুত্ব’ শিরোনামে একটি অধ্যায় যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে ভবিষ্যতের পাঠ্যক্রম পরিবর্তনের জন্য শিক্ষার্থীরা প্রস্তুত হতে পারে।বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষা কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগদেশের ২৫টি পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আধুনিক ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এসব কেন্দ্রে জাপানিজ, কোরিয়ান, চাইনিজ, আরবি, ফ্রেঞ্চ ও জার্মানসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ভাষা শেখানো হবে।বিশেষজ্ঞদের মতে, স্কুল পর্যায়ে তৃতীয় ভাষা চালুর আগে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে দক্ষ শিক্ষক তৈরির ব্যবস্থা শক্তিশালী করা জরুরি। তাহলেই এই উদ্যোগ বাস্তব অর্থে সফল হতে পারে।

তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলক, বড় বাধা দক্ষ শিক্ষক সংকট

প্রস্তুতি ছাড়া বাস্তবায়ন কঠিন / তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলক, বড় বাধা দক্ষ শিক্ষক সংকট

২০২৮ সাল থেকে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই তৃতীয় ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা করছে সরকার। শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক শ্রমবাজারের জন্য প্রস্তুত করা এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ দক্ষতা বাড়ানোই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। তবে বাস্তবায়নের পথে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে দক্ষ শিক্ষকের সংকট।দেশের প্রায় ২০ হাজারের বেশি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে গণিত, ইংরেজি ও বিজ্ঞানের মতো মৌলিক বিষয়েই দক্ষ শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে। সেখানে জাপানিজ, কোরিয়ান, ম্যান্ডারিন, আরবি, ফ্রেঞ্চ বা জার্মানের মতো বিদেশি ভাষার শিক্ষক নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা।সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, কারিগরি শিক্ষার সঙ্গে ভাষাগত দক্ষতা যুক্ত করে শিক্ষার্থীদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার ও উচ্চশিক্ষার সুযোগ বিবেচনায় বিভিন্ন ভাষায় দক্ষ শিক্ষার্থীদের বিদেশে পড়াশোনায় উৎসাহিত করতে ঋণ সুবিধার পরিকল্পনাও রয়েছে।দক্ষ ভাষা শিক্ষক কোথায়?বাংলাদেশ ব্যুরো অব এডুকেশনাল ইনফরমেশন অ্যান্ড স্ট্যাটিসটিকসের (ব্যানবেইস) তথ্য অনুযায়ী, দেশে সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে প্রায় ২০ হাজারের বেশি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে একজন করে বিদেশি ভাষার শিক্ষক নিয়োগ করাও বর্তমান বাস্তবতায় কঠিন।শিক্ষাবিদদের মতে, ভাষা শেখানো শুধু বইনির্ভর বিষয় নয়। প্রয়োজন প্রশিক্ষিত শিক্ষক, ব্যবহারিক পরিবেশ এবং নিয়মিত অনুশীলনের সুযোগ। এসব নিশ্চিত না হলে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কার্যকর ফল দেবে না।রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক আক্তার বানু বলেন, ভাষা শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ হলেও সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে প্রয়োজনীয় জনবল তৈরি করা। পর্যাপ্ত শিক্ষক ছাড়া বাধ্যতামূলক করলে শিক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে।ইংরেজির অভিজ্ঞতা, নতুন ভাষায় শঙ্কাশিক্ষাবিদরা বলছেন, বাংলাদেশের ভাষা শিক্ষার বড় সমস্যা হলো ভাষাকে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে না দেখে পরীক্ষার বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা।মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) ‘ন্যাশনাল অ্যাসেসমেন্ট অব সেকেন্ডারি স্টুডেন্টস ২০২৩’ প্রতিবেদনে দেখা যায়, অষ্টম শ্রেণির অনেক শিক্ষার্থী বাংলা ও ইংরেজিতে কাঙ্ক্ষিত দক্ষতা অর্জন করতে পারেনি। এমন পরিস্থিতিতে তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলক করলে অনেক শিক্ষার্থীর জন্য তা মানসিক চাপ তৈরি করতে পারে।বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, শুরুতে তৃতীয় ভাষাকে ঐচ্ছিক বিষয় হিসেবে চালু করা যেতে পারে। শিক্ষার্থীদের আগ্রহ ও ফলাফল বিবেচনা করে পরে বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে।এনসিটিবির প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্নজাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) জানিয়েছে, নতুন কোনো বিষয় পাঠ্যক্রমে যুক্ত করতে গবেষণা, পরীক্ষামূলক কার্যক্রম এবং বাস্তবতা যাচাই প্রয়োজন।এনসিটিবির কর্মকর্তারা জানান, ২০২৭ সালের পাঠ্যক্রম ইতোমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে। তাই ২০২৮ সাল থেকে তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলক করার আগে আরও পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির প্রয়োজন হবে।এনসিটিবির সচিব শাহ মুহাম্মদ ফিরোজ আল ফেরদৌস বলেন, তৃতীয় ভাষার ক্ষেত্রে কোন ভাষাগুলো নির্বাচন করা হবে, আঞ্চলিক চাহিদা নাকি শিক্ষার্থীদের পছন্দ—এসব বিষয় নিয়ে গবেষণা প্রয়োজন।বাংলা বইয়ে আসছে তৃতীয় ভাষার অধ্যায়২০২৭ সালের পাঠ্যক্রমে আলাদা বই হিসেবে তৃতীয় ভাষা যুক্ত না হলেও বাংলা বইয়ে এ বিষয়ে একটি অধ্যায় যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তৃতীয় ভাষার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা হবে।এনসিটিবির সদস্য (শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক মুহাম্মদ ফাতিহুল কাদীর জানান, ‘তৃতীয় ভাষার গুরুত্ব’ শিরোনামে একটি অধ্যায় যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে ভবিষ্যতের পাঠ্যক্রম পরিবর্তনের জন্য শিক্ষার্থীরা প্রস্তুত হতে পারে।বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষা কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগদেশের ২৫টি পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আধুনিক ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এসব কেন্দ্রে জাপানিজ, কোরিয়ান, চাইনিজ, আরবি, ফ্রেঞ্চ ও জার্মানসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ভাষা শেখানো হবে।বিশেষজ্ঞদের মতে, স্কুল পর্যায়ে তৃতীয় ভাষা চালুর আগে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে দক্ষ শিক্ষক তৈরির ব্যবস্থা শক্তিশালী করা জরুরি। তাহলেই এই উদ্যোগ বাস্তব অর্থে সফল হতে পারে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে সিদ্ধান্ত তারেক রহমানের: ফখরুল

বিএনপির স্থায়ী কমিটি / রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে সিদ্ধান্ত তারেক রহমানের: ফখরুল

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নেবেন বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।শনিবার (১ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।এর আগে বিএনপির চেয়ারম্যানের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে স্থায়ী কমিটির এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বৈঠকে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, সালাহউদ্দিন আহমেদ, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বেগম সেলিমা রহমান এবং অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনসহ গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পরে মির্জা ফখরুল জানান, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়িত্ব দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর দেওয়া হয়েছে।

নাচোল-গোমস্তাপুর-ভোলাহাটে বিনামূল্যে হুইলচেয়ার বিতরণ

সহায়তা পেলেন প্রতিবন্ধীরা / নাচোল-গোমস্তাপুর-ভোলাহাটে বিনামূল্যে হুইলচেয়ার বিতরণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট উপজেলায় অসহায় ও শারীরিক প্রতিবন্ধী মানুষের মাঝে বিনামূল্যে হুইলচেয়ার বিতরণ করেছে সুন্নাতুন নবী হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশন।২০২৬ সালের এ মানবিক কর্মসূচির আওতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের হাতে হুইলচেয়ার তুলে দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. মু. মিজানুর রহমান।অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এমপি ড. মু. মিজানুর রহমান বলেন, শারীরিক প্রতিবন্ধকতা থাকলেও তারা যেন স্বাবলম্বী ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন, সেটিই সবার লক্ষ্য হওয়া উচিত। তিনি সমাজের সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।হুইলচেয়ার বিতরণ অনুষ্ঠানে ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সুধীসমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।বিনামূল্যে হুইলচেয়ার পেয়ে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্যরা ফাউন্ডেশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সাফ ফুটবল ড্র: শ্রীলঙ্কা-ভুটান বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ

‘এ’ গ্রুপে স্বাগতিক বাংলাদেশ / সাফ ফুটবল ড্র: শ্রীলঙ্কা-ভুটান বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬ এর গ্রুপ পর্বের ড্র সম্পন্ন হয়েছে। ড্র অনুযায়ী, স্বাগতিক বাংলাদেশ ‘এ’ গ্রুপে খেলবে শ্রীলঙ্কা ও ভুটানের বিপক্ষে।শনিবার (১ আগস্ট) ভুটানে অনুষ্ঠিত সাফ কংগ্রেসের অংশ হিসেবে টুর্নামেন্টের ড্র অনুষ্ঠিত হয়। একই দিনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টানা পঞ্চম মেয়াদে সাফ সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন কাজী সালাউদ্দিন।ড্র অনুযায়ী, ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে ভারত, পাকিস্তান ও মালদ্বীপ। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তান একই গ্রুপে থাকায় তাদের মুখোমুখি লড়াই ঘিরে ইতোমধ্যেই তৈরি হয়েছে বাড়তি আগ্রহ।আগামী ৪ থেকে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বড় ফুটবল আসর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬। টুর্নামেন্টের সব ম্যাচ রাজধানীতেই আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এর আগে ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক লোগো উন্মোচন করা হয়। এদিকে, নেপালের অংশগ্রহণ এখনো অনিশ্চিত। ফিফার নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটির ফুটবল কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হলে নেপালকে ছাড়াই এবারের সাফ আয়োজন করা হবে।

অ্যাকশন দৃশ্যে দুর্ঘটনা, রাশমিকাকে নিতে হলো বিশ্রাম

৬ সপ্তাহ বিশ্রামে / অ্যাকশন দৃশ্যে দুর্ঘটনা, রাশমিকাকে নিতে হলো বিশ্রাম

নতুন সিনেমার শুটিং করতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। অ্যাকশন ও নৃত্যদৃশ্যের শুটিংয়ের সময় দুর্ঘটনায় তার হিপ টেন্ডন ছিঁড়ে গেছে।দুর্ঘটনার পর দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা জানান, আপাতত তাকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে। অন্তত ছয় সপ্তাহ কোনো ধরনের শুটিং বা শারীরিক পরিশ্রম থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।জানা গেছে, রাশমিকা বর্তমানে একাধিক সিনেমার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এর মধ্যে ‘রাণাবলী’ ও ‘মাইসা’ ছবির শুটিং চলছিল। তবে কোন সিনেমার শুটিংয়ের সময় তিনি আহত হয়েছেন, তা নিশ্চিত করা হয়নি।চিকিৎসকদের মতে, হিপ টেন্ডনের এ ধরনের গুরুতর আঘাত সাধারণত পেশাদার ক্রীড়াবিদদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। একজন অভিনেত্রীর ক্ষেত্রে এমন চোট তুলনামূলক বিরল হওয়ায় সম্পূর্ণ সুস্থ হতে তাকে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।এই দুর্ঘটনার কারণে রাশমিকার আসন্ন সিনেমাগুলোর শুটিং সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে বলে জানা গেছে। চিকিৎসকদের ছাড়পত্র পাওয়ার পরই তিনি আবার ক্যামেরার সামনে ফিরবেন। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি অভিনেতা বিজয় দেবরাকোন্ডার সঙ্গে বিয়ে হয় রাশমিকা মান্দানার। বর্তমানে স্বামীর সঙ্গে ‘রাণাবলী’ সিনেমায় অভিনয় করছেন তিনি। এর আগে ‘ডিয়ার কমরেড’ ও ‘গীতা গোবিন্দম’ সিনেমায় এই জুটির অভিনয় দর্শকদের প্রশংসা পেয়েছে।

অনলাইন জরিপ
২৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !