শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
জুলাই কবিতা নিয়ে বাংলা একাডেমিতে তুমুল বিতর্ক, তোপের মুখে মোহন রায়হান

কবিতা ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে

জুলাই কবিতা নিয়ে বাংলা একাডেমিতে তুমুল বিতর্ক, তোপের মুখে মোহন রায়হান

বাংলা একাডেমির স্বরচিত কবিতাপাঠ অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে কবিতা পাঠকে কেন্দ্র করে বিতর্কে জড়িয়েছেন কবি মোহন রায়হান। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তার কবিতায় জুলাই আন্দোলনকে ব্যঙ্গ করা হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ জানান উপস্থিত কয়েকজন কবি-সাহিত্যিক।ঘটনার সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে কবি আহমেদ ইসহাক মোহন রায়হানের হাত থেকে মাইক্রোফোন নিয়ে প্রতিবাদ জানান। তিনি অভিযোগ করেন, কবিতায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মূল্যবোধের বিরোধী বক্তব্য রয়েছে।পরে কবি সাইয়্যেদ জামিল বলেন, প্রতিবাদ করা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। একই সঙ্গে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বজায় রেখে মোহন রায়হানকে কবিতা শেষ করার সুযোগ দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে ‘জুলাই এখন’ শিরোনামের কবিতা পাঠ করেন মোহন রায়হান। হট্টগোলের মধ্যেও তিনি কবিতা শেষ করেন এবং পরে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন।‘জুলাইবিরোধী কবিতা নয়’: মোহন রায়হানমোহন রায়হানের দাবি, তার কবিতাকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, কবিতাটি জুলাইয়ের বিরুদ্ধে নয়, বরং জুলাইয়ের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা নিয়ে লেখা।তার ভাষ্য, কবিতায় জুলাইয়ের অর্জন, শহীদদের স্বপ্ন এবং বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, একটি পক্ষ পুরো কবিতা না শুনেই বিরোধিতা করেছে।প্রতিবাদকারীদের অভিযোগকবি আহমেদ ইসহাকের দাবি, মোহন রায়হানের কবিতায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে নেতিবাচক বক্তব্য ছিল। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত অনেকেই এ কারণে প্রতিবাদ করেছেন।তার মতে, জুলাইয়ের মূল্যবোধের বিপরীত কোনো বক্তব্য মেনে নেওয়া হবে না এবং প্রতিবাদ করা তাদের অধিকার।বাংলা একাডেমির মহাপরিচালকের মন্তব্যবাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজম বলেন, একটি কবিতাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি দেখিয়েছে যে জুলাই এখনো জীবন্ত বিষয়।তিনি বলেন, কবিতার শেষাংশে জুলাইয়ের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে, তবে শুরুতে যে আপত্তি উঠেছে সেটিরও যৌক্তিকতা রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।এর আগে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫ নিয়েও বিতর্কে ছিলেন মোহন রায়হান। মনোনয়ন পাওয়ার পর নানা অভিযোগের কারণে তার পুরস্কার প্রদান প্রক্রিয়া নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছিল।

জুলাই কবিতা নিয়ে বাংলা একাডেমিতে তুমুল বিতর্ক, তোপের মুখে মোহন রায়হান

কবিতা ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে / জুলাই কবিতা নিয়ে বাংলা একাডেমিতে তুমুল বিতর্ক, তোপের মুখে মোহন রায়হান

বাংলা একাডেমির স্বরচিত কবিতাপাঠ অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে কবিতা পাঠকে কেন্দ্র করে বিতর্কে জড়িয়েছেন কবি মোহন রায়হান। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তার কবিতায় জুলাই আন্দোলনকে ব্যঙ্গ করা হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ জানান উপস্থিত কয়েকজন কবি-সাহিত্যিক।ঘটনার সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে কবি আহমেদ ইসহাক মোহন রায়হানের হাত থেকে মাইক্রোফোন নিয়ে প্রতিবাদ জানান। তিনি অভিযোগ করেন, কবিতায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মূল্যবোধের বিরোধী বক্তব্য রয়েছে।পরে কবি সাইয়্যেদ জামিল বলেন, প্রতিবাদ করা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। একই সঙ্গে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বজায় রেখে মোহন রায়হানকে কবিতা শেষ করার সুযোগ দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে ‘জুলাই এখন’ শিরোনামের কবিতা পাঠ করেন মোহন রায়হান। হট্টগোলের মধ্যেও তিনি কবিতা শেষ করেন এবং পরে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন।‘জুলাইবিরোধী কবিতা নয়’: মোহন রায়হানমোহন রায়হানের দাবি, তার কবিতাকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, কবিতাটি জুলাইয়ের বিরুদ্ধে নয়, বরং জুলাইয়ের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা নিয়ে লেখা।তার ভাষ্য, কবিতায় জুলাইয়ের অর্জন, শহীদদের স্বপ্ন এবং বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, একটি পক্ষ পুরো কবিতা না শুনেই বিরোধিতা করেছে।প্রতিবাদকারীদের অভিযোগকবি আহমেদ ইসহাকের দাবি, মোহন রায়হানের কবিতায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে নেতিবাচক বক্তব্য ছিল। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত অনেকেই এ কারণে প্রতিবাদ করেছেন।তার মতে, জুলাইয়ের মূল্যবোধের বিপরীত কোনো বক্তব্য মেনে নেওয়া হবে না এবং প্রতিবাদ করা তাদের অধিকার।বাংলা একাডেমির মহাপরিচালকের মন্তব্যবাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজম বলেন, একটি কবিতাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি দেখিয়েছে যে জুলাই এখনো জীবন্ত বিষয়।তিনি বলেন, কবিতার শেষাংশে জুলাইয়ের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে, তবে শুরুতে যে আপত্তি উঠেছে সেটিরও যৌক্তিকতা রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।এর আগে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫ নিয়েও বিতর্কে ছিলেন মোহন রায়হান। মনোনয়ন পাওয়ার পর নানা অভিযোগের কারণে তার পুরস্কার প্রদান প্রক্রিয়া নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছিল।

সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে বিচার দাবি মামুনুল হকের

পদত্যাগে শেষ নয় / সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে বিচার দাবি মামুনুল হকের

সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত শেষে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের (বিকেএম) আমির মাওলানা মামুনুল হক।শুক্রবার (২৪ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ আরও আগেই হওয়া উচিত ছিল। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকেই তিনি রাষ্ট্রপতি পদে থাকার নৈতিক ও রাজনৈতিক বৈধতা হারিয়েছেন বলে মন্তব্য করেন মামুনুল হক।তিনি বলেন, ওই সময় থেকেই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অংশীজন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস তার পদত্যাগের দাবি জানিয়ে আসছিল।বিএনপির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলে মামুনুল হক বলেন, রাজনৈতিক স্বার্থে বিএনপি দীর্ঘদিন সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের দাবির পক্ষে অবস্থান নেয়নি। পরে বিএনপির অবস্থান পরিবর্তনের পর তিনি পদত্যাগে বাধ্য হয়েছেন। এর পেছনে রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ ছিল কি না, তা নিয়েও জনমনে প্রশ্ন রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।মামুনুল হক আরও বলেন, শেখ হাসিনার পদত্যাগ ইস্যুতে সাহাবুদ্দিনের দেওয়া বক্তব্যে অসঙ্গতি ছিল। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে থেকে এমন পরস্পরবিরোধী বক্তব্য তার নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।তিনি অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার, সংবিধান লঙ্ঘন এবং বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে সাহাবুদ্দিনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি এস আলম গ্রুপের ব্যাংকিং অনিয়ম ও আর্থিক কেলেঙ্কারিতে সহযোগিতার অভিযোগেরও তদন্ত দাবি করেন তিনি।বিকেএম আমির বলেন, শুধু পদত্যাগের মাধ্যমে দায় শেষ হয় না। সব অভিযোগের স্বচ্ছ ও বিচারিক তদন্ত করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ক্ষমতার অপব্যবহার, সংবিধান লঙ্ঘন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার এবং জনগণের অধিকার হরণের সঙ্গে জড়িত সবার বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। মামুনুল হকের দাবি, দেশের মানুষ কোনো রাজনৈতিক সমঝোতা নয়, বরং ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছে।

কালীগঞ্জে বাল্য বিয়ের অপরাধে কনের পিতাকে ছয় মাসের কারাদন্ড

বয়স জালিয়াতি করে বিয়ে / কালীগঞ্জে বাল্য বিয়ের অপরাধে কনের পিতাকে ছয় মাসের কারাদন্ড

গাজীপুরের কালীগঞ্জে অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের বিয়ে আয়োজনের অপরাধে কনের বাবাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে কালীগঞ্জ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মুনশুরপুর এলাকায় কনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে এ রায় দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সরওয়ার লিমা।জানা গেছে, মুনশুরপুর গ্রামের রাকিব হোসেনের মেয়ে ও মসলিন কটন মিলস উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী চাঁদনী আক্তারের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের খৈসাইর গ্রামের আরিফ মিয়ার বিয়ের আয়োজন করা হয়।জন্ম নিবন্ধন অনুযায়ী চাঁদনীর জন্ম তারিখ ১২ অক্টোবর ২০১৪ হলেও অভিযোগ রয়েছে, নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে বয়স বাড়িয়ে ১০ অক্টোবর ২০০৭ দেখানো হয়।শুক্রবার দুপুরে বরপক্ষ কনের বাড়িতে এলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রশাসন সেখানে অভিযান চালায়। পরে বাল্য বিয়ে নিরোধ আইন-২০১৭ এর ৮ ধারায় বিয়ের আয়োজনের অপরাধে কনের বাবা রাকিব হোসেনকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অভিযানের সময় বেঞ্চ সহকারী মাহবুবুল ইসলাম ও কালীগঞ্জ থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ভারত-বাংলাদেশ সিরিজ হলে বদলাবে আফগানিস্তান টি-টোয়েন্টির সূচি

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ / ভারত-বাংলাদেশ সিরিজ হলে বদলাবে আফগানিস্তান টি-টোয়েন্টির সূচি

ভারতের আসন্ন বাংলাদেশ সফর নিয়ে নতুন করে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে ছয় ম্যাচের সাদা বলের এই সিরিজ মাঠে গড়ালে প্রভাব পড়তে পারে ভারত-আফগানিস্তান তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের সূচিতে।ক্রিকেটভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ক্রিকবাজ জানিয়েছে, ভারতের বিপক্ষে সিরিজ আয়োজনের বিষয়টি নিজেদের অংশীদারদের নিশ্চিত করেছে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি)। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ১৩, ১৫ ও ১৭ সেপ্টেম্বর দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে ম্যাচ তিনটি আয়োজনের কথা রয়েছে।তবে একই সময়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ভারতের বিপক্ষে ছয় ম্যাচের সিরিজ আয়োজনের চেষ্টা করছে। বিসিবির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভারত সফর আয়োজন করা হতে পারে। ফলে ১৩ সেপ্টেম্বর আফগানিস্তানের বিপক্ষে ভারতের প্রথম টি-টোয়েন্টি খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা।বাংলাদেশ সিরিজ চূড়ান্ত হলে আফগানিস্তান-ভারত টি-টোয়েন্টি সিরিজ কয়েক দিন পিছিয়ে যেতে পারে। তবে দীর্ঘ সময় পিছিয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই। কারণ ২৪ সেপ্টেম্বর শুরু হবে এশিয়ান গেমস এবং ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে আফগানিস্তানের ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ রয়েছে।দীর্ঘদিন অনিশ্চয়তায় থাকা ভারত-বাংলাদেশ ক্রিকেট সিরিজ নিয়ে সাম্প্রতিক কূটনৈতিক অগ্রগতির পর নতুন আশার সৃষ্টি হয়েছে। সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারতের আমন্ত্রণ জানানোর ঘটনাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।তবে এখনো দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে সিরিজ আয়োজনের চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি। বিসিবির সম্প্রচারস্বত্ব বিক্রির প্রক্রিয়াও এখনো শুরু হয়নি। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) সরকারের পরামর্শের ভিত্তিতেই বাংলাদেশ সফরের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।এদিকে আফগানিস্তান-ভারত সিরিজের ভেন্যু হিসেবে দিল্লিকে বেছে নেওয়া হয়েছে। প্রথমে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ বিবেচনায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত ভারতের মাটিতেই ম্যাচ আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।এই সিরিজ হলে আফগানিস্তান প্রথমবারের মতো ভারতকে আতিথ্য দেবে। তবে ম্যাচগুলো ভারতের মাঠে হওয়ায় স্বাগতিক দল হিসেবে কাগজে আফগানিস্তানের নাম থাকবে। সম্প্রচারের ক্ষেত্রেও থাকবে ভিন্নতা। আফগানিস্তান স্বাগতিক হওয়ায় ভারতের মাটিতে ম্যাচ হলেও জিওস্টারের স্বয়ংক্রিয় সম্প্রচারস্বত্ব থাকবে না। ডিজিটাল স্বত্ব পেয়েছে ফ্যানকোড, আর টেলিভিশন স্বত্বের জন্য জি ও সনি স্পোর্টস সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছে।

‘প্রথম বিয়েই বড় ভুল’, ডলি সায়ন্তনীকে নিয়ে মুখ খুললেন রবি চৌধুরী

গান নিয়ে দিলেন রহস্যময় উত্তর / ‘প্রথম বিয়েই বড় ভুল’, ডলি সায়ন্তনীকে নিয়ে মুখ খুললেন রবি চৌধুরী

দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী রবি চৌধুরী। ক্যারিয়ারের শুরুতে নানা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এগিয়ে আসা এই গায়ক প্রথম অ্যালবাম ‘প্রেম দাও’ দিয়েই ব্যাপক পরিচিতি পান। অ্যালবামটি সাফল্যের পাশাপাশি তাকে এনে দেয় দেশ-বিদেশে স্টেজ শোর ব্যস্ততা।তবে সফল এই শিল্পীর জীবনে এমন কিছু ঘটনা রয়েছে, যেগুলোকে তিনি এখনো ভুল হিসেবে মনে করেন। সম্প্রতি এশিয়া পোস্টের সেলিব্রিটি শো ‘এপি স্টার’-এ নিজের জীবনের সবচেয়ে বড় ভুলের কথা বলতে গিয়ে রবি চৌধুরী জানান, তার প্রথম বিয়েটিই ছিল সেই ভুল।রবি বলেন, “আমার প্রথম বিয়েটা জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল। সুযোগ থাকলে সেই অতীত পুরোপুরি মুছে ফেলতে চাইতাম। কিন্তু সেটা তো আর সম্ভব না। তাই সেই পচা অতীত নিয়ে এখন আর কথা না বলাই ভালো।”উল্লেখ্য, নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে সংগীতশিল্পী ডলি সায়ন্তনীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের পর বিয়ে করেন রবি চৌধুরী। ২০০১ সালে তাদের বিয়ে হলেও দাম্পত্য জীবনের নানা জটিলতায় অল্প সময়ের মধ্যেই বিচ্ছেদ ঘটে।বিচ্ছেদের পর রবি চৌধুরীর জনপ্রিয় গান ‘কাল নাগিনী’ শ্রোতাদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলে। গানটি কি সাবেক স্ত্রী ডলি সায়ন্তনীকে উদ্দেশ করেই লেখা হয়েছিল—এমন প্রশ্নের জবাবে রহস্য রেখে উত্তর দেন এই গায়ক।তিনি বলেন, “সবসময় তো আর বন্দুক দিয়ে মারতে হয় না, মাঝে মাঝে কলম দিয়েও মারা যায়। গানটি আমার নিজের লেখা। তবে কাকে নিয়ে গেয়েছিলাম, সেটা এখন আর না বলাই ভালো।”রবি চৌধুরীর এই মন্তব্যের পর আবারও আলোচনায় এসেছে তার ব্যক্তিজীবন ও ক্যারিয়ারের নানা অধ্যায়।

অনলাইন জরিপ
২৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !