রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
মতবিরোধ নিয়েই হেফাজতের ডাকে বসছে ৭ ইসলামি দল

৩৫ প্রতিনিধি নিয়ে চট্টগ্রামে বৈঠক।

মতবিরোধ নিয়েই হেফাজতের ডাকে বসছে ৭ ইসলামি দল

কওমি ধারার সাতটি ইসলামি রাজনৈতিক দলের ঐক্য প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক বসছে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর)। চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির জামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাত দলের প্রতিনিধিদের এ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে সাত দলের প্রতিটি থেকে পাঁচজন করে মোট ৩৫ প্রতিনিধি অংশ নেবেন। হেফাজতের উদ্যোগে গঠিত উপকমিটি দলগুলোর পৃথক প্রস্তাব পর্যালোচনা করে যে সমন্বিত রূপরেখা তৈরি করেছে, সেটি বৈঠকে উপস্থাপনের কথা রয়েছে। ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে দলগুলোর মধ্যে বড় ধরনের আপত্তি না থাকলেও ঐক্যের কাঠামো, রাজনৈতিক কর্মকৌশল এবং অন্য কোনো জোটে একই সঙ্গে থাকা যাবে কি না’ এসব বিষয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। বিশেষ করে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস একই সঙ্গে অন্য রাজনৈতিক জোটে থেকেও সাত দলের ঐক্যে অংশ নেওয়ার পক্ষে অবস্থান জানিয়েছে। অন্যদিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একই সময়ে ভিন্ন রাজনৈতিক জোটে থাকা দলগুলোর সঙ্গে নতুন ঐক্যে যাওয়ার বিষয়ে আপত্তির কথা জানিয়েছে। সাত দলের প্রস্তাবেও ঐক্যের ধরন নিয়ে ভিন্নতা রয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাজনৈতিক সমঝোতা ও নির্বাচনী সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দলগুলোর নিজস্ব রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের স্বাধীনতা বজায় রাখার পক্ষে। খেলাফত মজলিস অন্য কোনো জোটে না থাকার পক্ষে মত দিয়েছে। বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন হেফাজতের তত্ত্বাবধানে ঐক্যের প্রস্তাব দিয়েছে। এ ছাড়া জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ও ইসলামী ঐক্যজোট তাদের নিজস্ব নীতি-আদর্শকে গুরুত্ব দিয়ে ঐক্যের কাঠামো নিয়ে প্রস্তাব দিয়েছে। বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টিও ঐক্যের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে সক্রিয় থাকার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। হেফাজতের উদ্যোগে সাত দলের ঐক্য প্রক্রিয়া শুরু হয় গত ১৬ জুলাই। এরপর দলগুলোর কাছ থেকে লিখিত প্রস্তাব নেওয়া হয় এবং সেগুলো সমন্বয়ের জন্য সাত সদস্যের একটি উপকমিটি কাজ করে। গত ১ সেপ্টেম্বর উপকমিটির বৈঠকে সমন্বিত রূপরেখা তৈরির কাজ শেষ হয়। তবে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের নেতৃত্বে হেফাজতের আমির থাকবেন না বলে সংশ্লিষ্ট নেতারা জানিয়েছেন। রাজনৈতিক দলের নেতারাই প্রস্তাবিত জোটের নেতৃত্ব দেবেন; হেফাজত আমির তাদের দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ দেবেন’ এমন তথ্য প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসেছে। রোববারের বৈঠকে সাত দলের প্রতিনিধিদের মতামতের ভিত্তিতে ঐক্যের রূপরেখা চূড়ান্ত করার উদ্যোগ রয়েছে। তবে বৈঠকেই সব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে কি না, তা আলোচনার অগ্রগতির ওপর নির্ভর করবে।

দিল্লিতে জমজমাট ‘ইলিশ ফেস্ট’, মাতল অতিথিরা

বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি / দিল্লিতে জমজমাট ‘ইলিশ ফেস্ট’, মাতল অতিথিরা

বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশকে ঘিরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণাঢ্য ‘ইলিশ ফেস্ট’। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনের মৈত্রী মিলনায়তনে আয়োজিত এ উৎসবে ভারতের রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক ও সংস্কৃতিসেবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।উৎসবে বাংলাদেশের ইলিশের নানা পদ পরিবেশনের পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী খাবার ও রন্ধনশৈলীর বৈচিত্র্য তুলে ধরা হয়। অতিথিরা ইলিশের স্বাদ গ্রহণের পাশাপাশি এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা বাঙালির আবেগ, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির নানা দিক উপভোগ করেন।অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ভারতীয় নাগরিকেরা ঢাকা থেকে প্রকাশিত ‘অ্যা ফিশ কল্ড ইলিশ’ বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন।বইটির মোড়ক উন্মোচনের পর বাংলাদেশ হাইকমিশনার মু. রিয়াজ হামিদুল্লাহ বলেন, ইলিশ বাংলাদেশের পরিচয়ের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বাংলাদেশের সমাজ ও অর্থনীতির সঙ্গেও ইলিশের গভীর সম্পর্ক রয়েছে।তিনি জানান, বাংলাদেশে ইলিশের পাঁচটি অভয়াশ্রম রয়েছে। ইলিশের প্রজনন ও উৎপাদন বাড়াতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এসব উদ্যোগের ফলে ইলিশ সংরক্ষণ ও উৎপাদন ক্রমশ বাড়ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও বিশিষ্ট সাংবাদিক এম. জে. আকবর, সাবেক কূটনীতিক ও রাজনীতিবিদ মণি শংকর আইয়ার, মানবাধিকারকর্মী ও সমাজচিন্তক সাইদা হামদি, ভারতের সাবেক রাষ্ট্রদূত রনেন সেন, বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী আশিস নন্দীসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকরা বলেন, ইলিশ ফেস্টের মাধ্যমে বাংলাদেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও আতিথেয়তা ভারতের বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে এ ধরনের সাংস্কৃতিক আয়োজন দুই দেশের জনগণের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও গভীর করতে ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন অতিথিরা।

‘এভাবে দেশ চলতে পারে না’: রাড্ডা সেন্টার নিয়ে নাহিদ

বিচারের দাবি এনসিপি নেতার / ‘এভাবে দেশ চলতে পারে না’: রাড্ডা সেন্টার নিয়ে নাহিদ

রাজধানীর মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ভঙ্গুরতার নিদর্শন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, ‘এভাবে একটি দেশ চলতে পারে না।’ নাহিদ ইসলামের অভিযোগ, রাতভর স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিতে ভাঙচুর ও লুটপাট চললেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা ছিল উদ্বেগজনক। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানান।পোস্টে তিনি আরও অভিযোগ করেন, স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, ভাঙচুর ও দখলদারির পেছনে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির এক নেতার ইন্ধন রয়েছে। তবে এ অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা নিশ্চিত হয়নি, তাই বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে যাচাই প্রয়োজন।নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ঘটনার নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, মুখোশ পরা দুই শতাধিক ব্যক্তি অস্ত্র নিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রবেশ করে নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করে। পরে চিকিৎসা সরঞ্জাম, ওষুধ, টিকা, নগদ অর্থসহ বিভিন্ন সামগ্রী লুট করা হয় এবং ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে একটি পাকা ও তিনটি আধাপাকা ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ঘটনায় দায়ের করা মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে প্রায় ৫০ বছর ধরে প্রসূতি মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা এবং টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছিল। হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

টুঙ্গিপাড়ায় চার দলীয় হাডুডু টুর্নামেন্টে সাংবাদিক জসিম মুন্সীর দলের জয়

উচ্ছ্বাসে জমে ওঠে ফাইনাল / টুঙ্গিপাড়ায় চার দলীয় হাডুডু টুর্নামেন্টে সাংবাদিক জসিম মুন্সীর দলের জয়

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বর্ণী ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে জমজমাট চার দলীয় হাডুডু টুর্নামেন্ট। সাংবাদিক জসিম মুন্সীর উদ্যোগে আয়োজিত এ খেলাকে ঘিরে শনিবার বিকেল থেকে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।টুর্নামেন্টে চারটি দল অংশ নেয়। খেলা শুরুর আগে লটারির মাধ্যমে দলগুলোর প্রতিপক্ষ নির্ধারণ করা হয়।প্রথম সেমিফাইনালে দক্ষিণ বর্ণী মুন্সীবাড়ি ও বর্ণী পূর্বপাড়া দল মুখোমুখি হয়। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে জয় পেয়ে ফাইনালে ওঠে দক্ষিণ বর্ণী মুন্সীবাড়ি।দ্বিতীয় সেমিফাইনালে দক্ষিণ বাশুড়িয়ার নেয়ামত শেখের দল মুখোমুখি হয় বর্ণী খাড়াপাড়ার হাবিবুরের দলের। উত্তেজনাপূর্ণ লড়াই শেষে জয় নিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নেয় নেয়ামত শেখের দল।পরে ফাইনালে মুখোমুখি হয় সাংবাদিক জসিম মুন্সীর দক্ষিণ বর্ণী মুন্সীবাড়ি দল ও দক্ষিণ বাশুড়িয়ার নেয়ামত শেখের দল। শুরু থেকেই দুই দলের খেলোয়াড়দের আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ম্যাচে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।শেষ পর্যন্ত ১ গোলের ব্যবধানে জয় পেয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় সাংবাদিক জসিম মুন্সীর দল। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ফাইনালের জয় নিশ্চিত করে শিরোপা নিজেদের করে নেয় দক্ষিণ বর্ণী মুন্সীবাড়ি।খেলাটি সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করেন স্থানীয়ভাবে পরিচিত হাডুডু খেলোয়াড় ও রেফারি কালু টাইগার। তাঁর দক্ষ রেফারিং, খেলোয়াড়দের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ এবং সতর্ক পরিচালনায় পুরো আয়োজন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।বর্ণী ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে খেলা দেখতে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। খেলোয়াড়দের নৈপুণ্য, আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ এবং ফাইনালের টানটান উত্তেজনায় পুরো মাঠ হয়ে ওঠে উৎসবমুখর।আয়োজক সাংবাদিক জসিম মুন্সী বলেন, গ্রামীণ জনপদে হাডুডুসহ দেশীয় খেলাধুলার ঐতিহ্য ধরে রাখা এবং তরুণদের মাঠমুখী করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও স্থানীয় খেলাধুলার উন্নয়নে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার চেষ্টা থাকবে বলে জানান তিনি। আয়োজকদের পক্ষ থেকে সুন্দরভাবে খেলা পরিচালনার জন্য রেফারি কালু টাইগারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। স্থানীয়দের কাছে ‘কালু টাইগার’ নামে পরিচিত এই হাডুডু খেলোয়াড় বর্তমানে বিভিন্ন ম্যাচে রেফারি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

সিটির রায়ের পর ক্ষতিপূরণ নিয়ে নড়েচড়ে বসছে ক্লাবগুলো

শাস্তির সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত হয়নি / সিটির রায়ের পর ক্ষতিপূরণ নিয়ে নড়েচড়ে বসছে ক্লাবগুলো

ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের রায় ঘিরে ইংলিশ ফুটবলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কা জানিয়েছে, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড সম্ভাব্য আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি পর্যালোচনা করছে। লিভারপুল, আর্সেনাল ও টটেনহামও আইনি পদক্ষেপের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিটির বিরুদ্ধে আনা ১১৫টি অভিযোগের মধ্যে ১১৪টিতে দায়ী সাব্যস্ত হওয়ার খবর সামনে এসেছে। তবে এখনো কোনো শাস্তি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হয়নি এবং ম্যানচেস্টার সিটি রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে বলে জানিয়েছে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে ২০১১-১২ ও ২০১৭-১৮ মৌসুম। ওই দুই মৌসুমেই সিটির পেছনে থেকে লিগ শেষ করেছিল ইউনাইটেড। ২০১১-১২ মৌসুমে সমান পয়েন্টের পর গোল ব্যবধানে সিটি শিরোপা জিতেছিল।লিভারপুল ২০১৯ ও ২০২২ সালে এবং আর্সেনাল ২০২৩ ও ২০২৪ সালে সিটির পেছনে থেকে মৌসুম শেষ করেছিল। মার্কার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব ক্লাবের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য ক্ষতিপূরণ দাবির বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে।তবে পুরোনো কোনো শিরোপা বাতিল বা অন্য ক্লাবকে দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সম্ভাব্য শাস্তি হিসেবে জরিমানা, পয়েন্ট কর্তন কিংবা আরও কঠোর ক্রীড়াগত ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। মার্কাও উল্লেখ করেছে, এসব এখনো সম্ভাব্য পরিস্থিতি; চূড়ান্ত শাস্তি নির্ধারণ করেনি সংশ্লিষ্ট স্বাধীন কমিশন। এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক খেলোয়াড় দাভিদ দে হেয়া ও রিও ফার্ডিনান্ড। তারা সম্ভাব্য পুরোনো শিরোপা নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করেছেন।অন্যদিকে লিভারপুলের অ্যান্ড্রু রবার্টসন ভিন্ন অবস্থান তুলে ধরে বলেছেন, আর্থিক বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের দায়ে সিটির খেলোয়াড়দের দায়ী করা উচিত নয়। এখন মূল বিষয় হলো সিটির বিরুদ্ধে চূড়ান্ত শাস্তি কী হয় এবং আপিলের পর সিদ্ধান্ত কী দাঁড়ায়। এরপরই অন্য ক্লাবগুলোর সম্ভাব্য ক্ষতিপূরণ বা আইনি পদক্ষেপ কতটা এগোয়, তা স্পষ্ট হতে পারে। 

নিজের বাংলোয় সেলুন-স্পা, অজয় দেবগনকে বিএমসির নোটিশ

আবাসিক সমিতির অভিযোগ / নিজের বাংলোয় সেলুন-স্পা, অজয় দেবগনকে বিএমসির নোটিশ

বলিউড অভিনেতা অজয় দেবগনের মুম্বাইয়ের জুহুর বাংলোয় সেলুন ও স্পা চালুর উদ্যোগ ঘিরে জটিলতা তৈরি হয়েছে। চলমান কাজ বন্ধ রাখতে ‘স্টপ ওয়ার্ক’ নোটিশ দিয়েছে বৃহন্মুম্বাই মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন (বিএমসি)।জুহুর কাপোল কোঅপারেটিভ হাউজিং সোসাইটিতে থাকা অজয় দেবগনের সম্পত্তিটি সেলুন ও স্পার কাজে ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এতে আপত্তি জানিয়ে বিএমসির কাছে অভিযোগ করে স্থানীয় আবাসিক সমিতি।অভিযোগ পাওয়ার পর বিএমসির কেওয়েস্ট ওয়ার্ড থেকে সম্পত্তিটির বাণিজ্যিক ব্যবহারের অনুমোদনসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র চাওয়া হয়। পৌর কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রাথমিক পর্যায়ে প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র দেখানো হয়নি। এরপরই সেখানে চলমান কাজ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়।স্থানীয় করপোরেটর সুধা সিং জানান, বিষয়টি বিএমসির বিল্ডিং অ্যান্ড ফ্যাক্টরি বিভাগের আওতাধীন। প্রাথমিকভাবে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির বাণিজ্যিক ব্যবহারের অনুমতি পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।বিএমসির নোটিশের জবাব দিতে চার সপ্তাহ সময় চেয়েছে দেবগন পরিবার। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, প্রস্তাবিত ব্যবহারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় অনুমতি ও ছাড়পত্র নেওয়া হয়েছে।এ কারণে এখন মূল বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে সম্পত্তিটির বাণিজ্যিক ব্যবহারের বৈধ অনুমোদন রয়েছে কি না।স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, সেলুন ও স্পা চালু হলে ওই এলাকায় মানুষের যাতায়াত বাড়তে পারে। এতে পার্কিং, নিরাপত্তা ও শব্দদূষণের পাশাপাশি সরু অভ্যন্তরীণ সড়কে যান চলাচলের ওপরও চাপ তৈরি হতে পারে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, অজয় দেবগনের ওই বাংলোর আয়তন প্রায় ৭ হাজার ৮০২ বর্গফুট। সম্পত্তিটির প্রস্তাবিত বাণিজ্যিক ব্যবহার নিয়ে এখন বিএমসি, আবাসিক সমিতি ও দেবগন পরিবারের মধ্যে অনুমোদনসংক্রান্ত বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে। এর আগে পান মসলা ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনে অজয় দেবগন, শাহরুখ খান ও টাইগার শ্রফের অংশগ্রহণ নিয়েও বিতর্ক হয়েছিল। এবার জুহুর বাংলোয় সেলুন-স্পা চালুর উদ্যোগে বিএমসির নোটিশের কারণে আবারও আলোচনায় এলেন অজয় দেবগন।

অনলাইন জরিপ
২৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ২ জন

সাক্ষাৎকার

কোন পোস্ট নেই !

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !