বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
১৩ লাখে চাকরির নিশ্চয়তার অভিযোগ, জাতীয় জাদুঘরে ফিরলেন সুমন

কর্তৃপক্ষের ভিন্ন দাবি

১৩ লাখে চাকরির নিশ্চয়তার অভিযোগ, জাতীয় জাদুঘরে ফিরলেন সুমন

তেরো লাখ টাকা ঘুষের বিনিময়ে চাকরির নিশ্চয়তা দেওয়ার অভিযোগে আলোচনায় আসা জাতীয় জাদুঘরের কর্মচারী মো. সুমন মিয়া আবারও জাতীয় জাদুঘরে ফিরেছেন। এর আগে ফোনালাপ ফাঁসের পর তাকে আহসান মঞ্জিল জাদুঘরে বদলি করা হয়েছিল।জাতীয় জাদুঘরের রেজিস্ট্রেশন সহকারী এবং কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা সুমন ওই ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনায় বিভাগীয় তদন্তের মুখেও পড়েন। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই তাকে ফের জাতীয় জাদুঘরের রেজিস্ট্রেশন শাখায় সংযুক্ত করা হয়েছে।গত ১২ আগস্ট জাতীয় জাদুঘরের প্রশাসন ও সংস্থাপন শাখা থেকে জারি করা অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।চলতি বছরের এপ্রিলে সুমন মিয়ার একটি ফোনালাপ ফাঁস হলে ১৬ থেকে ২০তম গ্রেডে ৪৮ জনের নিয়োগ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসে। ওই ফোনালাপে চাকরির জন্য ‘১৩ লাখ’ টাকা দেওয়ার কথা বলা এবং পরীক্ষায় পাস করার প্রয়োজন নেই—এমন বক্তব্যের অভিযোগ ওঠে।বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার পর ৩০ এপ্রিল জাতীয় জাদুঘর কর্তৃপক্ষ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে অভিযোগগুলোকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করে। একই সঙ্গে ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠনের কথা জানানো হয় এবং সুমন মিয়াকে আহসান মঞ্জিল জাদুঘরে বদলি করা হয়।তবে প্রায় সাড়ে তিন মাসের মধ্যে কোনো দৃশ্যমান শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ছাড়াই তাকে আবার জাতীয় জাদুঘরে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।বোনের নিয়োগ নিয়েও অভিযোগঅভিযোগ ওঠা ৪৮ নিয়োগের মধ্যে সুমন মিয়ার বোন মোছা. তাসলিমা আক্তারের নামও রয়েছে। তাকে টেলিফোন অপারেটর পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। তার অনলাইন আবেদনপত্রে সুমনের ইমেইল ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া প্রক্সি পরীক্ষার মাধ্যমে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।পরে তাসলিমা আক্তারকে ময়মনসিংহের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালায় বদলি করা হয়। সেখানে টেলিফোন অপারেটরের কোনো পদ না থাকার বিষয়টিও সামনে এসেছে।নারী কর্মীকে বদলির অভিযোগফোনালাপ ফাঁসের ঘটনায় জুয়েল রানা নামের এক ব্যক্তিকে চট্টগ্রামের জিয়া স্মৃতি জাদুঘরে বদলি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি তার স্ত্রী ও আউটসোর্সিংয়ে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কর্মরত সোনিয়া আক্তারকেও আহসান মঞ্জিল জাদুঘরে বদলি করা হয়। ওই সময় সোনিয়া আক্তার অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।সুমন মিয়ার বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।যা বলছে কর্তৃপক্ষসুমনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তে গঠিত তিন সদস্যের কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন জাতীয় জাদুঘরের কিপার (পরিচালক) মো. মনিরুল ইসলাম। কমিটির সদস্যসচিব ছিলেন ঊর্ধ্বতন নিরাপত্তা কর্মকর্তা মালেক মিলন এবং সদস্য ছিলেন ঊর্ধ্বতন হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা সমিরন রায়।তদন্তের অগ্রগতি জানতে চাইলে কমিটির সদস্যরা আহ্বায়কের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। মো. মনিরুল ইসলাম এ বিষয়ে মহাপরিচালক ও সচিবের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক তানজিম ইবনে ওয়াহাব অভিযোগগুলোকে ‘মিথ্যা ও বানোয়াট’ দাবি করেন। তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই সুমনকে ফেরানোর বিষয়ে তিনি বলেন, তদন্তে তার ব্যাপারে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে বলেই তাকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তবে আরও তদন্ত চলছে বলেও জানান তিনি।

১৩ লাখে চাকরির নিশ্চয়তার অভিযোগ, জাতীয় জাদুঘরে ফিরলেন সুমন

কর্তৃপক্ষের ভিন্ন দাবি / ১৩ লাখে চাকরির নিশ্চয়তার অভিযোগ, জাতীয় জাদুঘরে ফিরলেন সুমন

তেরো লাখ টাকা ঘুষের বিনিময়ে চাকরির নিশ্চয়তা দেওয়ার অভিযোগে আলোচনায় আসা জাতীয় জাদুঘরের কর্মচারী মো. সুমন মিয়া আবারও জাতীয় জাদুঘরে ফিরেছেন। এর আগে ফোনালাপ ফাঁসের পর তাকে আহসান মঞ্জিল জাদুঘরে বদলি করা হয়েছিল।জাতীয় জাদুঘরের রেজিস্ট্রেশন সহকারী এবং কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা সুমন ওই ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনায় বিভাগীয় তদন্তের মুখেও পড়েন। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই তাকে ফের জাতীয় জাদুঘরের রেজিস্ট্রেশন শাখায় সংযুক্ত করা হয়েছে।গত ১২ আগস্ট জাতীয় জাদুঘরের প্রশাসন ও সংস্থাপন শাখা থেকে জারি করা অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।চলতি বছরের এপ্রিলে সুমন মিয়ার একটি ফোনালাপ ফাঁস হলে ১৬ থেকে ২০তম গ্রেডে ৪৮ জনের নিয়োগ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসে। ওই ফোনালাপে চাকরির জন্য ‘১৩ লাখ’ টাকা দেওয়ার কথা বলা এবং পরীক্ষায় পাস করার প্রয়োজন নেই—এমন বক্তব্যের অভিযোগ ওঠে।বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার পর ৩০ এপ্রিল জাতীয় জাদুঘর কর্তৃপক্ষ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে অভিযোগগুলোকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করে। একই সঙ্গে ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠনের কথা জানানো হয় এবং সুমন মিয়াকে আহসান মঞ্জিল জাদুঘরে বদলি করা হয়।তবে প্রায় সাড়ে তিন মাসের মধ্যে কোনো দৃশ্যমান শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ছাড়াই তাকে আবার জাতীয় জাদুঘরে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।বোনের নিয়োগ নিয়েও অভিযোগঅভিযোগ ওঠা ৪৮ নিয়োগের মধ্যে সুমন মিয়ার বোন মোছা. তাসলিমা আক্তারের নামও রয়েছে। তাকে টেলিফোন অপারেটর পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। তার অনলাইন আবেদনপত্রে সুমনের ইমেইল ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া প্রক্সি পরীক্ষার মাধ্যমে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।পরে তাসলিমা আক্তারকে ময়মনসিংহের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালায় বদলি করা হয়। সেখানে টেলিফোন অপারেটরের কোনো পদ না থাকার বিষয়টিও সামনে এসেছে।নারী কর্মীকে বদলির অভিযোগফোনালাপ ফাঁসের ঘটনায় জুয়েল রানা নামের এক ব্যক্তিকে চট্টগ্রামের জিয়া স্মৃতি জাদুঘরে বদলি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি তার স্ত্রী ও আউটসোর্সিংয়ে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কর্মরত সোনিয়া আক্তারকেও আহসান মঞ্জিল জাদুঘরে বদলি করা হয়। ওই সময় সোনিয়া আক্তার অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।সুমন মিয়ার বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।যা বলছে কর্তৃপক্ষসুমনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তে গঠিত তিন সদস্যের কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন জাতীয় জাদুঘরের কিপার (পরিচালক) মো. মনিরুল ইসলাম। কমিটির সদস্যসচিব ছিলেন ঊর্ধ্বতন নিরাপত্তা কর্মকর্তা মালেক মিলন এবং সদস্য ছিলেন ঊর্ধ্বতন হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা সমিরন রায়।তদন্তের অগ্রগতি জানতে চাইলে কমিটির সদস্যরা আহ্বায়কের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। মো. মনিরুল ইসলাম এ বিষয়ে মহাপরিচালক ও সচিবের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক তানজিম ইবনে ওয়াহাব অভিযোগগুলোকে ‘মিথ্যা ও বানোয়াট’ দাবি করেন। তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই সুমনকে ফেরানোর বিষয়ে তিনি বলেন, তদন্তে তার ব্যাপারে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে বলেই তাকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তবে আরও তদন্ত চলছে বলেও জানান তিনি।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসির কাছে জামায়াতের ৯ দাবি

নিরপেক্ষ নির্বাচন ও আচরণবিধিতে জোর / স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসির কাছে জামায়াতের ৯ দাবি

চলতি বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য করতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে ৯ দফা দাবি ও পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন ভবনে ইসির সঙ্গে জামায়াতের ছয় সদস্যের কেন্দ্রীয় সচিবালয় ও নির্বাচন পরিচালনাসংক্রান্ত প্রতিনিধি দলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার দলের দাবিগুলো তুলে ধরেন।তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও সর্বজনগ্রহণযোগ্য করতে তারা ৯টি দাবি জানিয়েছে। কয়েকটি বিষয়ে কমিশনের ‘অসহায়ত্ব’ প্রকাশের সমালোচনা করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, নির্বাচন কমিশন কোনো বিশেষ রাজনৈতিক সরকারের চাপের মুখে কাজ করছে কি না।শিক্ষকদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ চায় জামায়াতজামায়াতের অন্যতম দাবি, বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য ঘোষণা সংক্রান্ত ইসির অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে।গোলাম পরওয়ার বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পাশাপাশি রাজনীতি ও ভোটাধিকার প্রয়োগ করে আসছেন। সদ্য অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তারা অংশ নিয়েছেন।তাই শুধু স্থানীয় নির্বাচনে শিক্ষকদের প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা সংবিধানের ২৭ ও ২৮ অনুচ্ছেদে থাকা সমঅধিকার নীতির পরিপন্থি এবং বৈষম্যমূলক বলে দাবি করেন তিনি।নিষিদ্ধ দলের নেতাদের প্রার্থী হওয়া ঠেকানোর দাবিযেসব রাজনৈতিক দলের রাজনীতি ও কার্যক্রম সরকার নিষিদ্ধ করেছে, সেসব দলের পদধারী নেতারা যেন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে না পারেন—এ দাবিও জানিয়েছে জামায়াত।তাদের যুক্তি, নিষিদ্ধ দলের পদধারী কোনো ব্যক্তির নির্বাচনে অংশ নেওয়াও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অংশ। তবে সাধারণ সমর্থকদের বিষয়ে কোনো নিষেধাজ্ঞার দাবি জানায়নি দলটি।ইসির কর্মকর্তার নিয়োগ নিয়েও আপত্তিসম্প্রতি ইসি সচিবালয়ে নিয়োগ পাওয়া অতিরিক্ত সচিব শামসুল আলমের নিয়োগ নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে জামায়াত।গোলাম পরওয়ারের দাবি, ওই কর্মকর্তা বিএনপির নির্বাচনবিষয়ক সাব-কমিটির সক্রিয় সদস্য ছিলেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এমন রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।জামায়াত জানায়, আগের বৈঠকেও তারা এ বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছিল। কমিশন বিষয়টি নিয়ে তাদের উদ্বেগের সত্যতা স্বীকার করলেও নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ না হওয়ায় সরকারকে বিষয়টি জানানো হবে বলে জানিয়েছে।প্রশাসকদের প্রার্থী না করার দাবিউপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষগুলোতে সম্প্রতি নিয়োগ পাওয়া প্রশাসকদের নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে জামায়াত।দলটির অভিযোগ, সরকারি অর্থ, এডিপি বরাদ্দ ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে আসন্ন নির্বাচনে দলীয় সুবিধা নেওয়ার সুযোগ তৈরি করতেই এসব নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে এসব পদে থাকা প্রশাসকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ স্থায়ীভাবে বাতিলের দাবি জানিয়েছে দলটি। এমনকি তফসিল ঘোষণার পর পদত্যাগ করলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্বাচনে অযোগ্য রাখার নিয়ম করার দাবি জানানো হয়েছে।এ ছাড়া মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ব্যক্তিদের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ ঠেকাতে কঠোর আচরণবিধি প্রণয়নেরও দাবি জানিয়েছে জামায়াত।স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রতীক নয়স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে না হওয়ায় এবার কোনো প্রার্থীকে দলীয়ভাবে মনোনয়ন দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন গোলাম পরওয়ার।তিনি বলেন, আগ্রহী প্রার্থীরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। জাতীয় নির্বাচনের জন্য গঠিত ১১ দলীয় ঐক্যের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, ওই ঐক্য জাতীয় নির্বাচনকেন্দ্রিক। স্থানীয় নির্বাচনে শরিক দলগুলো যার যার মতো করে অংশ নেবে। এ ক্ষেত্রে দলগত অংশগ্রহণে কোনো বাধা বা সমঝোতার শর্ত থাকবে না।

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জামালপুরে আলোচনা সভা ও কেক কাটা অনুষ্ঠিত

নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান / বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জামালপুরে আলোচনা সভা ও কেক কাটা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জামালপুরে আলোচনা সভা ও কেক কাটার আয়োজন করা হয়েছে।মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৮টায় শহরের স্টেশন রোডের লম্বাগাছ সংলগ্ন দলীয় কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী, জেলা বিএনপির নেতা, জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সম্পাদক এবং জিয়া সাইবার ফোর্স (জেডসিএফ) কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এম শুভ পাঠান।অনুষ্ঠানে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। পরে কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেন নেতাকর্মীরা।আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ও তারেক রহমান যুব পরিষদ জামালপুর জেলা শাখার সভাপতি আরিফুল হাসান খান মুক্তা, সিনিয়র সহ-সভাপতি মাসুদ রানা মাসুম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রাজু, সড়ক পরিবহন শ্রমিক দল জামালপুর জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়ার হোসেন শিপু, মাসুদ রানা পারভেজসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।প্রধান অতিথির বক্তব্যে এম শুভ পাঠান বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীরা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানান। পাশাপাশি দলের আগামী দিনের কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আর্জেন্টিনাকে বিদায়, মেসির নতুন অধ্যায় শুরু

এখনো একাধিক বড় লক্ষ্য / আর্জেন্টিনাকে বিদায়, মেসির নতুন অধ্যায় শুরু

জাতীয় দলের জার্সি তুলে রাখলেও এখনই ফুটবলকে বিদায় বলছেন না লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনার সঙ্গে ২১ বছরের সম্পর্কের ইতি টানার পর তার মূল মনোযোগ থাকবে ইন্টার মায়ামিকে ঘিরে। মাঠের নতুন লক্ষ্য পূরণের পাশাপাশি ফুটবলের বাইরেও নিজের ভবিষ্যৎ গুছিয়ে নিচ্ছেন আর্জেন্টাইন এই মহাতারকা।মেসির সঙ্গে ইন্টার মায়ামির চুক্তি রয়েছে ২০২৮ সালের মেজর লিগ সকার (এমএলএস) মৌসুম পর্যন্ত। তবে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার বিষয়টি নয়, নিজের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার ওপরই ক্যারিয়ারের শেষ সময় নির্ভর করবে বলে জানিয়েছে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘মার্কা’।জাতীয় দল থেকে অবসরের আগেও ক্লাব ফুটবলে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন মেসি। রোববার মন্ট্রিয়লের বিপক্ষে ইন্টার মায়ামির ৭-১ গোলের জয়ে একাই চার গোল করার পাশাপাশি একটি গোলে সহায়তা করেন তিনি। ১৮ গোল নিয়ে বর্তমানে এমএলএসের সর্বোচ্চ গোলদাতাও ৩৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।সামনে আরও শিরোপার লক্ষ্য‘মার্কা’র হিসাবে ব্যক্তিগত পুরস্কার বাদ দিলে ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত ৪৮টি শিরোপা জিতেছেন মেসি। সামনে সেই সংখ্যা আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে তার।ইন্টার মায়ামির হয়ে বর্তমানে ২০২৬ এমএলএস কাপ জয়ের লড়াইয়ে আছেন তিনি। এরপর ২০২৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলের সূচি পরিবর্তনের অংশ হিসেবে ফেব্রুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত আয়োজিত সংক্ষিপ্ত মৌসুমেও খেলতে পারেন মেসি।এ ছাড়া ২০২৭-২৮ মৌসুমের এমএলএস এবং ২০২৮ সালের কনকাকাফ চ্যাম্পিয়নস কাপে অংশ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে তার। কনকাকাফের এই মহাদেশীয় শিরোপা এখনো জিততে পারেনি ইন্টার মায়ামি। ক্লাবটির ইতিহাসে প্রথমবার এই ট্রফি এনে দেওয়া তাই মেসির ক্যারিয়ারের শেষদিকের অন্যতম বড় লক্ষ্য হতে পারে।নবম ব্যালন ডি’অরের সম্ভাবনাজাতীয় দলকে বিদায় বললেও ব্যক্তিগত পুরস্কারের দৌড় থেকে এখনই ছিটকে যাচ্ছেন না মেসি। ‘মার্কা’ অক্টোবরে তার নবম ব্যালন ডি’অর জয়ের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয়নি। তবে এটি এখনো সংবাদমাধ্যমটির নিজস্ব মূল্যায়ন।একই মাসে স্পেনের ওভিয়েদোতে প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস পুরস্কার গ্রহণ করার কথা রয়েছে মেসির। খেলাধুলায় অবদান ও দীর্ঘ ক্যারিয়ারের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালের এই সম্মাননার জন্য তাকে নির্বাচিত করা হয়েছে।মায়ামির মালিকানায় মেসি?২০২৮ সাল পর্যন্ত চুক্তি থাকলেও মেসি চাইলে তার আগেই ফুটবলকে বিদায় জানাতে পারেন। আবার শরীর ও মন সায় দিলে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও মাঠে থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।‘মার্কা’র দাবি, অবসরের সিদ্ধান্ত পুরোপুরি মেসির ওপরই ছেড়ে দেবে ইন্টার মায়ামি। খেলা ছাড়ার পর তাকে ক্লাবটির মালিকানা বা পরিচালনা কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার প্রস্তাবও দেওয়া হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো মেসি কিংবা ইন্টার মায়ামির পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।ফুটবলের বাইরেও বড় পরিকল্পনা২০২৭ সালের ২৪ জুন ৪০ বছরে পা দেবেন মেসি। ফুটবল ছাড়ার পর পরিবার ও ব্যবসায় আরও বেশি সময় দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের শুভেচ্ছাদূত হওয়ার পাশাপাশি পানীয়সহ বিভিন্ন ব্যবসায়ও তার বিনিয়োগ রয়েছে।ফুটবলের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক ধরে রাখতে চলতি বছর স্পেনের পঞ্চম স্তরের ক্লাব উনিও এসপোর্তিভা কর্নেয়া কিনেছেন মেসি। ক্লাবটির যুব ফুটবল কাঠামো শক্তিশালী করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এটিকে আরও উঁচু পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার।খেলোয়াড়ি জীবন শেষ হলে মেসি আবার কাতালুনিয়ায় বসবাস শুরু করতে পারেন বলেও জানিয়েছে ‘মার্কা’। বার্সেলোনার কাছের কাস্তেলদেফেলসে এখনো তার বাড়ি রয়েছে। সেখান থেকেই পরিবার, ব্যবসা এবং কর্নেয়ার কার্যক্রম দেখাশোনা করতে পারেন তিনি।আর্জেন্টিনার হয়ে খেলোয়াড়ি অধ্যায় শেষ হলেও দেশটির ফুটবলের সঙ্গে মেসির সম্পর্ক পুরোপুরি শেষ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। ভবিষ্যতে আর্জেন্টিনা ফুটবলের স্থায়ী শুভেচ্ছাদূত হিসেবেও তাকে দেখা যেতে পারে।জাতীয় দলের জার্সিতে আর দেখা যাবে না মেসিকে। তবে ইন্টার মায়ামির মাঠ, নতুন শিরোপার লক্ষ্য এবং ফুটবলের বাইরের পরিকল্পনা সব মিলিয়ে তার গল্পের শেষ এখনই হচ্ছে না। বরং শুরু হচ্ছে মেসির ক্যারিয়ারের নতুন এক অধ্যায়।

‘আমি কেন চলচ্চিত্রকে পাপ বলব?’ পপির বিস্ফোরক জবাব

ভুলভাবে বক্তব্য ছড়ানোর অভিযোগ / ‘আমি কেন চলচ্চিত্রকে পাপ বলব?’ পপির বিস্ফোরক জবাব

চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভীন পপিকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি মন্তব্য নিয়ে সম্প্রতি তোলপাড় শুরু হয়েছে। ভাইরাল ওই পোস্টে দাবি করা হয়, জীবনের ‘সব পাপ ধুয়ে-মুছে’ ধর্মীয় অনুশীলনের মধ্য দিয়ে বাকি জীবন কাটাতে চান এই অভিনেত্রী। বিষয়টি নিয়ে শোবিজ অঙ্গনের অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে নানা মন্তব্য করেন।তবে ভাইরাল হওয়া ওই দাবিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিকৃত বলে জানিয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী পপি।গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে পপি বলেন, কখনোই চলচ্চিত্রকে পাপের জায়গা হিসেবে দেখেননি তিনি। বরং চলচ্চিত্রকে নিজের জীবনের সবচেয়ে সম্মানজনক ও পবিত্র জায়গা হিসেবে দেখেন।পপির ভাষায়, “ফিল্ম আমার পেশা, আমার দ্বিতীয় পরিবার। এ ইন্ডাস্ট্রি থেকেই উপার্জন করেছি, পরিবার চালিয়েছি। আমি কেন চলচ্চিত্রকে পাপ বলব?”অভিনেত্রী জানান, একটি ব্যক্তিগত বিষয়ে পরিবারের প্রতি ক্ষোভ থেকে বলা কিছু কথাকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। পরিবারের জন্য নিজের অনেক কিছু ত্যাগ করার প্রসঙ্গেই তিনি কথাগুলো বলেছিলেন বলে দাবি করেন।তিনি বলেন, জীবনে কিছু মানুষকে নিজের স্বার্থের কথা না ভেবে পরিবারের জন্য লালন-পালন করেছেন। সেই প্রসঙ্গে বলা কথাগুলো সামাজিক মাধ্যমে ভিন্ন অর্থে ছড়িয়ে তাকে অপমান করা হয়েছে।পপি আরও বলেন, একজন শিল্পীর দীর্ঘ ক্যারিয়ার, শ্রম ও ত্যাগকে সম্মান করা সবার দায়িত্ব। প্রায় তিন দশক ধরে চলচ্চিত্রের সঙ্গে তার পথচলা। এই সময়ের সঙ্গে ইন্ডাস্ট্রির অসংখ্য মানুষের অবদান ও স্মৃতি জড়িয়ে আছে। তাই যতদিন বেঁচে থাকবেন, চলচ্চিত্রের প্রতি তার শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা অটুট থাকবে বলেও জানান তিনি।১৯৯৭ সালে ‘কুলি’ সিনেমার মাধ্যমে ঢাকাই চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় পপির। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে অসংখ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শকের পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন তিনি। অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে অর্জন করেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও।বর্তমানে সংসার ও সন্তানকে সময় দেওয়ার পাশাপাশি ধর্মীয় অনুশীলনেও মনোযোগী পপি। নিয়মিত নামাজ-রোজা পালনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণ পারিবারিক জীবন কাটাচ্ছেন এই অভিনেত্রী।

অনলাইন জরিপ
২৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !