বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ৪০৪ শিক্ষকের গোপন গ্রুপ তৎপরতা

পরিবেশ তৈরির দাবিতে বিতর্ক

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ৪০৪ শিক্ষকের গোপন গ্রুপ তৎপরতা

দেশের ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ শিক্ষককে নিয়ে একটি টেলিগ্রাম গ্রুপে কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। শেখ হাসিনার দেশে ফেরার পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে আওয়ামী লীগপন্থি এই শিক্ষকরা গোপন তৎপরতা চালাচ্ছেন বলে দাবি করেছে একটি প্রতিবেদন।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ’ নামে একটি টেলিগ্রাম গ্রুপের মাধ্যমে বিভিন্ন কার্যক্রম সমন্বয় করা হচ্ছে। গ্রুপটির সঙ্গে যুক্ত ৪০৪ জন শিক্ষকের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।গ্রুপটির সভাপতি হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. এম অহিদুজ্জামান এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবর রহমানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গ্রুপে বিভিন্ন রাজনৈতিক বিষয়, জুলাই আন্দোলন-পরবর্তী পরিস্থিতি এবং আওয়ামী লীগ সমর্থিত বিভিন্ন সংবাদ শেয়ার করা হয়েছে। এছাড়া অনলাইনে বৈঠক ও মতবিনিময় সভার আয়োজনের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯২ জন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৮ জন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪২ জন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৪ জনসহ বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ওই গ্রুপে রয়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এম অহিদুজ্জামান বলেন, এটি কোনো রাজনৈতিক দলের বিষয় নয়; বরং পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অধিকার, হয়রানি ও অবস্থান নিয়ে আলোচনা করার জন্য সংগঠনটি কাজ করছে।তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের ও প্রগতিশীল চিন্তার শিক্ষকদের ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে আন্দোলনে যাওয়ার কথাও জানান তিনি।অন্যদিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবর রহমান এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন। ঘটনাটি প্রকাশের পর বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিষয়টি নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য সামনে আনা প্রয়োজন।

ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের বিক্ষোভ

রাজপথে প্রতিবাদ কর্মসূচি / ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের বিক্ষোভ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু), জবি ইনকিলাব মঞ্চ, ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তি ও বাম ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শাহবাগে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইনকিলাব মঞ্চ।মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে রাজধানীর শাহবাগ চত্বরে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে নেতৃত্ব দেন ইনকিলাব মঞ্চের নবনির্বাচিত আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল জাবের ও সদস্য সচিব ফাতিমা তাসনীম জুমা।মিছিলে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। এর মধ্যে ছিল—‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবর’, ‘ইনকিলাব ইনকিলাব, জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ’, ‘ছাত্রদলের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘দালালী না রাজপথ, রাজপথ’, ‘জগন্নাথের রক্ত বৃথা যেতে পারে না’সহ নানা স্লোগান।ইনকিলাব মঞ্চের নেতারা অভিযোগ করেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস নির্মাণ, আবাসন সংকট নিরসনসহ বিভিন্ন ন্যায্য দাবির আন্দোলনে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে পৃথক দুটি ক্যাম্পাসেও অতর্কিত হামলার অভিযোগ তোলেন তারা। বিক্ষোভ চলাকালে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, তারা শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে চান। তিনি মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের কোনো ধরনের উসকানি বা ‘পাতানো ফাঁদে’ পা না দেওয়ার আহ্বান জানান।

জবি-ঢাকা কলেজে হামলার অভিযোগ, ছাত্রশিবিরের তীব্র প্রতিবাদ

নিরাপত্তা চায় সংগঠন / জবি-ঢাকা কলেজে হামলার অভিযোগ, ছাত্রশিবিরের তীব্র প্রতিবাদ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি), ঢাকা কলেজ ও ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী, সাংবাদিক ও ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এ প্রতিবাদ জানান।বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ অনুষ্ঠান চলাকালে শিক্ষার্থীদের দাবি-সংবলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়। পরে জকসুর ভিপি, জিএস, এজিএসসহ শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।ছাত্রশিবিরের দাবি, এ ঘটনায় জকসুর ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম, জিএস আব্দুল আলিম আরিফ, এজিএস মাসুদ রানাসহ অন্তত ৫০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আহতদের চিকিৎসার সময় হাসপাতালেও হামলার অভিযোগ করা হয়েছে।এছাড়া ঢাকা কলেজে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির প্রস্তুতির সময় হামলার অভিযোগ তুলে ছাত্রশিবির জানায়, অনুষ্ঠানস্থলে থাকা নেতাকর্মীদের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়েছে।ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসায়ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, হলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া এবং অধ্যক্ষের ওপর হামলার অভিযোগ করেছে সংগঠনটি।বিবৃতিতে ছাত্রশিবির নেতারা বলেন, ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক ও সহনশীল পরিবেশ বজায় রাখা জরুরি। তারা অভিযোগ করেন, হামলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে। তারা অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার, আহতদের সুচিকিৎসা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসন ও সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

বাংলাদেশে পুরুষ নির্যাতন আইন প্রণয়নের দাবি সাংবাদিক রিদয় চৌধুরীর

ফেসবুক পোস্টে আবেগঘন বার্তা / বাংলাদেশে পুরুষ নির্যাতন আইন প্রণয়নের দাবি সাংবাদিক রিদয় চৌধুরীর

বাংলাদেশে পুরুষ নির্যাতনের বিরুদ্ধে পৃথক আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক রিদয় চৌধুরী। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি পুরুষদের পারিবারিক, মানসিক ও সামাজিক নির্যাতনের বিষয়গুলো নিয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেন।রিদয় চৌধুরী তার পোস্টে বলেন, দেশে নারী নির্যাতন প্রতিরোধে বিভিন্ন আইন ও সুরক্ষা ব্যবস্থা থাকলেও পুরুষদের অভিযোগ অনেক সময় যথাযথ গুরুত্ব পায় না। তার মতে, নির্যাতনের শিকার পুরুষদের জন্যও কার্যকর আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।তিনি লিখেছেন, “আমার মতো অনেক পুরুষ ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সমস্যার কারণে মানসিক কষ্টে ভোগেন। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি কার্যকর পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধ আইন প্রণয়ন জরুরি।”নিজের ব্যক্তিগত জীবনের প্রসঙ্গ তুলে রিদয় চৌধুরী জানান, তার স্ত্রী নিজ ইচ্ছায় ডিভোর্স দিয়ে চলে গেছেন। তিনি বলেন, তার স্ত্রী গর্ভবতী ছিলেন এবং দেড় মাসের সন্তান নষ্ট হয়ে যায়। এ ঘটনায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন বলেও উল্লেখ করেন।রিদয় চৌধুরী বলেন, “আমি আমার বউকে ভালোবাসি, আমি আমার বউকে ফিরে পেতে চাই।”তার এই পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে। অনেকেই তার দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেছেন, নির্যাতনের শিকার হলে নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্য সমান আইনি সহায়তা থাকা প্রয়োজন। অন্যদিকে কেউ কেউ বিদ্যমান আইনগুলোর যথাযথ প্রয়োগের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, পারিবারিক বা সামাজিক নির্যাতনের অভিযোগ নারী কিংবা পুরুষ যেই করুক না কেন, সবার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আইনের সঠিক প্রয়োগ ও কার্যকর বিচারব্যবস্থা প্রয়োজন।

মাদ্রিদের দাবানলে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে মেসি, দিলেন ৮০ হাজার ইউরো

পাশে দাঁড়ালেন ফুটবল জাদুকর / মাদ্রিদের দাবানলে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে মেসি, দিলেন ৮০ হাজার ইউরো

স্পেনের মাদ্রিদের সিয়েরা ওয়েস্তে অঞ্চলে ভয়াবহ দাবানলে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্গঠনে ৮০ হাজার ইউরো অনুদান দিয়েছেন আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ১৪ লাখ টাকা।মেসির অনুদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদ্রিদের আঞ্চলিক সরকারের প্রেসিডেন্ট ইসাবেল দিয়াস আয়ুসো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি জানান, মাদ্রিদের মানুষ আবারও মেসিকে স্বাগত জানাতে এবং তাকে প্রাপ্য সম্মান দিতে অপেক্ষা করছে।সিয়েরা ওয়েস্তে অঞ্চলের ভয়াবহ দাবানলে প্রায় ৩০ হাজার হেক্টর এলাকা পুড়ে গেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে স্থানীয় অবকাঠামো, প্রাকৃতিক পরিবেশ ও বিভিন্ন অর্থনৈতিক কার্যক্রম। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে আনতে চলছে পুনর্গঠন কার্যক্রম।মাদ্রিদ আঞ্চলিক সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পৌর এলাকাগুলোর জন্য বিশেষ অনুদান সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করেছে। সাধারণ মানুষ ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তা সহজ করতে কাইশাব্যাংকের সহযোগিতায় অনলাইন অনুদান ব্যবস্থাও চালু করা হয়েছে।স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এএস জানিয়েছে, মেসির এই সহায়তা শুধু পুনর্গঠন কাজেই নয়, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মনোবল বাড়াতেও ভূমিকা রাখবে।এর আগেও বিভিন্ন সংকটে সহায়তার হাত বাড়িয়েছেন মেসি। করোনাভাইরাস মহামারির সময় আর্জেন্টিনা ও স্পেনের চিকিৎসা খাতে অনুদান দিয়েছিলেন তিনি। এছাড়া ভ্যালেন্সিয়ার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তাতেও এগিয়ে এসেছিলেন এই বিশ্বসেরা ফুটবলার। ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত Leo Messi Foundation-এর মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও খেলাধুলা নিয়ে কাজ করে আসছেন মেসি। পাশাপাশি ২০১০ সাল থেকে UNICEF-এর শুভেচ্ছাদূত হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

ব্রেন টিউমারের চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন ইলিয়াস কাঞ্চন

ইলিয়াস কাঞ্চন, বললেন ‘ভালো আছি’ / ব্রেন টিউমারের চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন ইলিয়াস কাঞ্চন

উন্নত চিকিৎসার জন্য দীর্ঘ ১৫ মাস যুক্তরাজ্যে অবস্থানের পর দেশে ফিরেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা ও একুশে পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব ইলিয়াস কাঞ্চন।সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছান এই কিংবদন্তি অভিনেতা। বিমানবন্দরে স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও ভক্তদের ভালোবাসায় সিক্ত হন তিনি।দেশে ফিরে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, ভালো আছি। শরীরও এখন বেশ ভালো। সবার কাছে আমার একটাই অনুরোধ—আমার জন্য দোয়া করবেন।”গত বছরের এপ্রিলে উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যে যান তিনি। পরে আগস্টে লন্ডনের একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে তার মস্তিষ্কে জটিল অস্ত্রোপচার করা হয়। তবে চিকিৎসাজনিত ঝুঁকির কারণে টিউমারের পুরো অংশ অপসারণ সম্ভব হয়নি।অস্ত্রোপচারের পর দীর্ঘ চিকিৎসা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয় তাকে। চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তিনি মোট ৬০টি কেমোথেরাপি নেন।দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে ইলিয়াস কাঞ্চনের দেশে ফেরায় পরিবার, সহকর্মী ও অসংখ্য ভক্তদের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দ দেখা দিয়েছে।

অনলাইন জরিপ
২৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !