রোববার, ২৮ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
সৌদি আরবে ভয়াবহ হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল ১৪ জনের

আরামকোর হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত

সৌদি আরবে ভয়াবহ হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল ১৪ জনের

সৌদি আরবের পূর্ব উপকূলীয় শহর রাস তানুরা এলাকায় রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি সৌদি আরামকো পরিচালিত একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ১৪ জন সৌদি নাগরিক নিহত হয়েছেন।রোববার সৌদি রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এ তথ্য জানিয়েছে। তবে দুর্ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালির পশ্চিমে অবস্থিত রাস তানুরা এলাকায় হেলিকপ্টারটি দুর্ঘটনার শিকার হয়। এতে থাকা ১৪ জনই ঘটনাস্থলে নিহত হন। নিহত সবাই সৌদি নাগরিক বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য দেওয়া সম্ভব নয়।উল্লেখ্য, গত শুক্রবার দীর্ঘ প্রায় চার মাস পর উপসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র রাস তানুরা টার্মিনাল থেকে আবারও অপরিশোধিত তেল লোডিং কার্যক্রম শুরু করে সৌদি আরামকো।মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনা প্রশমনের পর সৌদি আরব তেল ও গ্যাস উৎপাদন এবং রপ্তানি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। এমন সময় আরামকোর এই হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা দেশটির জ্বালানি খাতে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স জানিয়েছে, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

এ বছরই দেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা, এনডিটিভিকে সাক্ষাৎকার

আওয়ামী লীগ নিয়ে মুখ খুললেন তিনি / এ বছরই দেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা, এনডিটিভিকে সাক্ষাৎকার

ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সব বাধা ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে তিনি চলতি বছরের মধ্যেই দেশে ফিরতে চান। তার ভাষায়, এটি ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষার বিষয় নয়; বরং বাংলাদেশের মানুষের রাজনৈতিক অধিকার, গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পৃক্ত।ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, তার বিরুদ্ধে দেওয়া রায় প্রকৃত বিচার নয়, বরং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত একটি প্রক্রিয়ার অংশ। তিনি অভিযোগ করেন, বিচারব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রতিশোধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করার চেষ্টা চলছে।আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক শক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দলটি কেবল একটি রাজনৈতিক সংগঠন নয়; বরং বাংলাদেশের মাটি, মানুষ ও ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। অতীতেও দলটি নিষেধাজ্ঞা ও নির্যাতনের মুখোমুখি হয়েছে, তবে প্রতিবারই জনগণের সমর্থনে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও নিরাপত্তা সংকটের মধ্যে রয়েছে। একই সঙ্গে অর্থনীতি দুর্বল হয়েছে, উগ্রবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সংখ্যালঘুরা হামলার শিকার হচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, আদিবাসীসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তার মতে, এসব হামলা শুধু একটি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে নয়, বরং বাংলাদেশের স্বাধীনতার চেতনার বিরুদ্ধেও আঘাত।আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, দলটির রাজনৈতিক পুনরুত্থান কোনো সরকারের অনুগ্রহের ওপর নির্ভর করে না; বরং জনগণের সমর্থনের ওপর নির্ভরশীল। তিনি দাবি করেন, নিষেধাজ্ঞা, মামলা ও দমন-পীড়নের মধ্যেও দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের সমর্থনে রাজনৈতিক কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে।সাক্ষাৎকারে তিনি আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, রাজনৈতিক মামলাগুলো প্রত্যাহার এবং স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।ভারতে অবস্থান প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ থাকলেও তার মন পড়ে থাকে বাংলাদেশে। দেশের মানুষ, দলীয় নেতাকর্মী এবং দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তিনি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছেন বলেও জানান।তিনি বলেন, “আমার শক্তি বাংলাদেশের মানুষ, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শ। সেই শক্তি নিয়েই আমি গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছি।”

এ বছরই আমি দেশে ফিরব: শেখ হাসিনা

এ বছরই আমি দেশে ফিরব: শেখ হাসিনা

দীর্ঘ প্রায় দুই বছর দেশের বাইরে থাকা বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছেন, সব ধরনের রাজনৈতিক প্রতিকূলতা, ষড়যন্ত্র এবং আইনি বাধা উপেক্ষা করে তিনি চলতি বছরই দেশে ফিরবেন। ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক বিশেষ ই-মেইল সাক্ষাৎকারে তিনি এই দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।নির্বাসিত জীবনে থাকা শেখ হাসিনা স্পষ্ট করেছেন, দেশে ফেরা তার ব্যক্তিগত কোনো উচ্চাকাঙ্ক্ষা নয়। বরং এটি বাংলাদেশের জনগণের রাজনৈতিক অধিকার, গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। তিনি বলেন, “আমি ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করি না। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার লক্ষ্যেই আমার এই সংগ্রাম।”তিনি মৃত্যুকে ভয় পান না জানিয়ে বলেন, ১৯৭৫ সালের ট্র্যাজেডি এবং ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মতো কঠিন সময় পার করেছেন। প্রতিবারই জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং এবারও সব বাধা অতিক্রম করে তিনি তার মাতৃভূমিতে ফিরে আসবেন।দলটির ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ কোনো কাগুজে সংগঠন নয়; এটি বাংলার মাটি ও মানুষের ইতিহাস এবং জাতীয় পরিচয়ের সঙ্গে গভীরভাবে মিশে আছে। ৭৭ বছরের ইতিহাসে দলটি বারবার কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছে, কিন্তু প্রতিবারই জনগণের শক্তিতে ঘুরে দাঁড়িয়েছে।তিনি অভিযোগ করেন, কিছু বাংলাদেশবিরোধী শক্তি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জনগণের একটি অংশকে বিভ্রান্ত করে ক্ষমতা পরিবর্তন করেছে। কিন্তু মানুষের হৃদয় থেকে আওয়ামী লীগকে মুছে ফেলা সম্ভব হয়নি।দলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ও হাজারো মামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পুনরুত্থান কোনো সরকারের দয়ার ওপর নির্ভর করে না। তিনি দাবি করেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে দলটির সমর্থনে মিছিল করছেন, যা আওয়ামী লীগের পুনর্জাগরণের স্পষ্ট লক্ষণ।শেখ হাসিনা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ৫ আগস্টের পর বাংলাদেশের মূল ভিত্তি—জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার ওপর আঘাত হানা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন ধ্বংস, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান নিষিদ্ধ এবং সংখ্যালঘু ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলা বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার অপচেষ্টার অংশ।বিএনপি বা অন্য কোনো শক্তির সঙ্গে গোপন সমঝোতার গুঞ্জনকে সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়েছেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ কারও রাজনৈতিক দয়া চায় না। গণতন্ত্র এবং জনগণের ভোটাধিকার কোনো গোপন দর-কষাকষির বিষয় নয়; এগুলো সাংবিধানিক অধিকার।”ভারতে অবস্থান করলেও তার মন পড়ে আছে বাংলাদেশে। তিনি জানান, বাবার সমাধি এবং প্রিয় দেশবাসীর কথা ভেবে তিনি প্রতিটি মুহূর্ত অস্থিরতায় পার করেন। তিনি বলেন, “আমি শেষ দিন পর্যন্ত সংগ্রাম চালিয়ে যাব। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, জনগণ আবারও গণতন্ত্র ফিরে পাবে এবং আওয়ামী লীগ জনগণের শক্তিতেই ঘুরে দাঁড়াবে।”

গোবিপ্রবিতে ১৭ শিক্ষক স্থায়ীভাবে বরখাস্ত, শিক্ষাছুটি শেষে যোগ না দেওয়ার অভিযোগ

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে / গোবিপ্রবিতে ১৭ শিক্ষক স্থায়ীভাবে বরখাস্ত, শিক্ষাছুটি শেষে যোগ না দেওয়ার অভিযোগ

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) ১৭ জন শিক্ষককে স্থায়ীভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এর মধ্যে ১৬ জনকে শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে যোগদান না করার অভিযোগে এবং একজনকে সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন ও নৈতিক অসদাচরণের অভিযোগে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।রোববার (২৮ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামান স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) মো. মাহবুবুল আলম প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেও উল্লেখ করা হয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, গত ২৩ জুন অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৩তম রিজেন্ট বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ১৬ শিক্ষক অনুমোদন ছাড়া বিদেশে অবস্থান করেন এবং শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক লিখিত নোটিশ পাওয়ার পরও কর্মস্থলে যোগদান করেননি। এ কারণে তাদের বিরুদ্ধে স্থায়ী চাকরিচ্যুতির সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।অফিস আদেশে আরও বলা হয়েছে, চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের ছুটিকালীন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রহণ করা সব ধরনের আর্থিক সুবিধা প্রচলিত বিধি অনুযায়ী ফেরত দিতে হবে।এদিকে, পৃথক সিদ্ধান্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা খাতুনকে সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন এবং নৈতিক অসদাচরণের অভিযোগে স্থায়ীভাবে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে।

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে / গোবিপ্রবিতে ১৭ শিক্ষক স্থায়ীভাবে বরখাস্ত, শিক্ষাছুটি শেষে যোগ না দেওয়ার অভিযোগ

উৎসবের আমেজে মুখর পুরো জেলা / কুড়িগ্রামে শুরু শিল্প ও বাণিজ্য মেলা ২০২৬, দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়

অভিভাবকদের অংশগ্রহণের আহ্বান স্বাস্থ্য বিভাগের / খানসামায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন, শুরু শিশুদের ক্যাপসুল বিতরণ

‘হয়রানিমূলক মামলা’ দাবি, দ্রুত অব্যাহতির আহ্বান / শিবপুরে প্রধান শিক্ষক আলমগীরের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

১৪৫ কেন্দ্রে চললো ক্যাম্পেইন / লাখাইয়ে ১ দিনে ২২ হাজারের বেশি শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল, অর্জন ৯৮%

বাংলাদেশে কেন ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা উন্মাদনা? জানাল দ্য গার্ডিয়ান

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ / বাংলাদেশে কেন ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা উন্মাদনা? জানাল দ্য গার্ডিয়ান

বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর বিশ্বকাপ এলেই বাংলাদেশ যেন রূপ নেয় এক টুকরো লাতিন আমেরিকায়। দেশের অলিগলি থেকে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঘর—সবখানেই দেখা যায় ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার পতাকা, জার্সি আর সমর্থকদের উচ্ছ্বাস। এই ব্যতিক্রমী ফুটবল সংস্কৃতির ইতিহাস ও পেছনের গল্প নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৭ কোটির বেশি মানুষের বাংলাদেশে জাতীয় দল কখনও বিশ্বকাপে খেলতে না পারলেও ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা কখনও কমেনি। বরং কয়েক দশক ধরে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনাকে নিজেদের দল হিসেবেই সমর্থন করে আসছেন বাংলাদেশিরা।২০০০ সালের শুরুর দিকে গ্রামের একটি সাদাকালো টেলিভিশন ঘিরে শতাধিক মানুষের বিশ্বকাপ দেখার স্মৃতি তুলে ধরেছেন প্রবাসী বাংলাদেশি শহিদুল পার্থ। তার ভাষায়, গোল হলেই দর্শকদের উচ্ছ্বাসে মনে হতো যেন খেলোয়াড়দের সঙ্গে তারাও মাঠে খেলছেন।গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, বাংলাদেশের ব্রাজিল-সমর্থনের শুরু মূলত ১৯৭০-এর দশকে। সে সময় ফুটবল সম্রাট পেলের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে ছিল। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের মানুষ ব্রাজিলের সংগ্রামী ইতিহাস এবং দারিদ্র্য জয় করে পেলের সাফল্যের গল্পে নিজেদের প্রতিচ্ছবি খুঁজে পেয়েছিলেন।অন্যদিকে ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে দিয়েগো ম্যারাডোনার নেতৃত্বে আর্জেন্টিনার সাফল্য এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশিদের মনে গভীর প্রভাব ফেলে। অনেকেই এটিকে সাবেক ঔপনিবেশিক শক্তির বিপক্ষে প্রতীকী বিজয় হিসেবে দেখেছিলেন।আশির দশকে বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) প্রথমবারের মতো রঙিন সম্প্রচারে বিশ্বকাপ দেখার অভিজ্ঞতাও দেশের ফুটবল সংস্কৃতিকে নতুন মাত্রা দেয়। সেই সময় থেকেই প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সমর্থনের ঐতিহ্য ছড়িয়ে পড়ে।প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী বাংলাদেশিরাও এখনও এই ফুটবল সংস্কৃতি ধরে রেখেছেন। বিশ্বকাপ ঘিরে তারা আয়োজন করেন ওয়াচ পার্টি, পতাকা উৎসব এবং পারিবারিক মিলনমেলা। অনেকেই মনে করেন, এই ফুটবল উন্মাদনা তাদের শেকড় ও দেশের সঙ্গে মানসিক বন্ধন অটুট রাখে।বাংলাদেশি-আমেরিকানদের মতে, ব্রাজিল কিংবা আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করা কেবল ফুটবলের বিষয় নয়; এটি তাদের সংস্কৃতি, পারিবারিক ঐতিহ্য এবং জাতীয় পরিচয়েরও একটি অংশ।

কোক স্টুডিও বাংলার নতুন গান ‘মেঘ’ আজ সন্ধ্যায়

অর্ণব-শোয়েবের কণ্ঠে বর্ষার নতুন সুর / কোক স্টুডিও বাংলার নতুন গান ‘মেঘ’ আজ সন্ধ্যায়

বাংলাদেশে বর্ষা মৌসুমের আবহে কোক স্টুডিও বাংলা সিজন-৪ নিয়ে এসেছে নতুন গান ‘মেঘ’। আষাঢ়ের প্রকৃতি, বর্ষার আবেগ এবং বাংলা শাস্ত্রীয় সংগীতের ঐতিহ্যকে আধুনিক সংগীতায়োজনে তুলে ধরা হয়েছে এ গানে। গানটি আজ (২৮ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মুক্তি পাবে।‘মেঘ’ গানটিতে একসঙ্গে কাজ করেছেন দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী শায়ান চৌধুরী অর্ণব এবং শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী ও সুরকার মোহাম্মদ শোয়েব। বর্ষার সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে থাকা শাস্ত্রীয় রাগ ‘মিয়াঁ কি মালহার’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মিত গানটিতে উঠে এসেছে বৃষ্টির প্রতীক্ষা, নতুন শুরুর আশা এবং জীবনের পুনর্জাগরণের অনুভূতি।গানটির অন্যতম আকর্ষণ হলো বাংলা সংস্কৃতির চিরায়ত উপাদানকে আধুনিকভাবে উপস্থাপন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে স্পোকেন ওয়ার্ড, আধুনিক সংগীতায়োজন এবং শাস্ত্রীয় আবহের সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে ব্যতিক্রমী এই পরিবেশনা।গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন মাশা ইসলাম, মোহাম্মদ শোয়েব এবং মৌসুমি। শাস্ত্রীয় সংগীত, সমকালীন সুর ও আধুনিক মিউজিক প্রোডাকশনের সমন্বয়ে কোক স্টুডিও বাংলা আবারও স্থানীয় সংগীত ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরার প্রয়াস চালিয়েছে।বাংলা সাহিত্য, সংগীত ও সংস্কৃতিতে বর্ষা চিরকালই অনুপ্রেরণার উৎস। সেই ঐতিহ্যকে নতুন সুর ও সংগীত ভাষায় উপস্থাপন করে ‘মেঘ’ শ্রোতাদের জন্য নিয়ে এসেছে এক ভিন্নধর্মী সংগীত অভিজ্ঞতা।কোক স্টুডিও বাংলা সিজন-৪-এর ‘মেঘ’ প্রকাশের পর কোক স্টুডিও বাংলার অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেল এবং বিভিন্ন ডিজিটাল স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে উপভোগ করা যাবে।

অনলাইন জরিপ
২৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

"অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগকে আপনি কতটা সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !