অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের ৭ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১০ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল একযোগে পদত্যাগ করেছেন। সোমবার (২২ জুন) তারা কার্যালয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন, যা মঙ্গলবার (২৩ জুন) গণমাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়।
পদত্যাগকারীদের মধ্যে রয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী, শফিকুর রহমান, আবদুল করিম, ফরিদ উদ্দিন খান, গোলাম রহমান ভূঁইয়া, আসাদ উদ্দিন ও মুহাম্মদ তারিকুল ইসলাম। সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলদের মধ্যে রয়েছেন ইমরুল কায়েছ রানা, হুমায়ুন কবির তানিম, আবদুল কাইয়ুম ভূঁইয়া, আবদুল্লাহিল মারুফ ফাহিম, জোয়াদুর রহমান, শামসিল আরেফিন, মাহাবুবা আক্তার রলি, নূর নবী উজ্জ্বল, আল রেজা আমির ও রেজাউল ইসলাম।
পদত্যাগপত্রে তারা উল্লেখ করেন, জুলাই চার্টার বাস্তবায়ন নিয়ে মতবিরোধ, বিচার বিভাগের জন্য স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিল সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের গভীর উদ্বেগ রয়েছে।
তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব সিদ্ধান্ত সাংবিধানিক শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিবেকের তাড়নায় দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখা তাদের পক্ষে সম্ভব নয় বলেও তারা জানান।
এদিকে একযোগে এই পদত্যাগকে কেন্দ্র করে আইন অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের ৭ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১০ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল একযোগে পদত্যাগ করেছেন। সোমবার (২২ জুন) তারা কার্যালয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন, যা মঙ্গলবার (২৩ জুন) গণমাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়।
পদত্যাগকারীদের মধ্যে রয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী, শফিকুর রহমান, আবদুল করিম, ফরিদ উদ্দিন খান, গোলাম রহমান ভূঁইয়া, আসাদ উদ্দিন ও মুহাম্মদ তারিকুল ইসলাম। সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলদের মধ্যে রয়েছেন ইমরুল কায়েছ রানা, হুমায়ুন কবির তানিম, আবদুল কাইয়ুম ভূঁইয়া, আবদুল্লাহিল মারুফ ফাহিম, জোয়াদুর রহমান, শামসিল আরেফিন, মাহাবুবা আক্তার রলি, নূর নবী উজ্জ্বল, আল রেজা আমির ও রেজাউল ইসলাম।
পদত্যাগপত্রে তারা উল্লেখ করেন, জুলাই চার্টার বাস্তবায়ন নিয়ে মতবিরোধ, বিচার বিভাগের জন্য স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিল সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের গভীর উদ্বেগ রয়েছে।
তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব সিদ্ধান্ত সাংবিধানিক শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিবেকের তাড়নায় দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখা তাদের পক্ষে সম্ভব নয় বলেও তারা জানান।
এদিকে একযোগে এই পদত্যাগকে কেন্দ্র করে আইন অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
