মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

স্বাস্থ্য

ইন্টার্নশিপ সংকটে

আদ্-দ্বীন হাসপাতাল বন্ধ, অনিশ্চয়তায় ২৯৫ বিদেশি শিক্ষার্থী

আদ্-দ্বীন হাসপাতাল বন্ধ, অনিশ্চয়তায় ২৯৫ বিদেশি শিক্ষার্থী
রাজধানীর আদ্‌-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর মগবাজারে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের নিবন্ধন স্থগিত হওয়ার পর চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের ২৯৫ বিদেশি শিক্ষার্থী। ক্লিনিক্যাল ক্লাস ও ইন্টার্নশিপ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের ডিগ্রির ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

গত ১১ জুন ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় স্বাস্থ্যসেবা অধিদপ্তর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের নিবন্ধন স্থগিত করে। এরপর হাসপাতালভিত্তিক ক্লিনিক্যাল শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়, যা সরাসরি প্রভাব ফেলেছে মেডিকেল কলেজটির শিক্ষার্থীদের ওপর।

কলেজ সূত্রে জানা যায়, মোট ২৯৫ বিদেশি শিক্ষার্থীর মধ্যে ৮৬ জন ইন্টার্ন চিকিৎসক এবং ২০৯ জন অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী রয়েছেন। তাদের অধিকাংশই ভারতীয় নাগরিক। ভারতের মেডিকেল শিক্ষা নীতিমালা অনুযায়ী, বিদেশে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের একই প্রতিষ্ঠানের অধীন হাসপাতালে ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করতে হয়। অন্য হাসপাতালে ইন্টার্নশিপ করলে দেশে ফিরে ডিগ্রির স্বীকৃতি জটিলতায় পড়তে পারে।

এ অবস্থায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা অন্য হাসপাতালে মাইগ্রেশনের সুযোগ পেলেও বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য সেই সুযোগ কার্যত নেই। ফলে তাদের শিক্ষাজীবন ও পেশাগত ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন সংকট তৈরি হয়েছে।

সমাধানের আশায় সোমবার স্বাস্থ্যসেবা অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিদপ্তরে যান বিদেশি শিক্ষার্থী ও ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। তবে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করতে না পেরে হতাশ হয়ে ফিরে আসেন তারা।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, দীর্ঘ সময় ও বিপুল অর্থ ব্যয় করে পড়াশোনার শেষ পর্যায়ে এসে তারা অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন। দ্রুত হাসপাতাল চালু অথবা তাদের ডিগ্রির স্বীকৃতি অক্ষুণ্ন রেখে বিকল্প সমাধানের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এদিকে স্বাস্থ্যসেবা অধিদপ্তর জানিয়েছে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চাইলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করতে পারে। অন্যদিকে আদ্-দ্বীন কর্তৃপক্ষ মানবিক বিবেচনায় হাসপাতাল পুনরায় চালুর আবেদন করেছে এবং দ্রুত সংকট সমাধানের আশা প্রকাশ করেছে।

স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিদপ্তর বলছে, শিক্ষার্থীদের বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং কলেজ কর্তৃপক্ষ কী ধরনের একাডেমিক ব্যবস্থা নিচ্ছে সে বিষয়ে তথ্য চাওয়া হয়েছে।

#আদ্দ্বীন_মেডিকেল #বিদেশি_শিক্ষার্থী #ইন্টার্নশিপ_সংকট

চেকপোস্ট

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬


আদ্-দ্বীন হাসপাতাল বন্ধ, অনিশ্চয়তায় ২৯৫ বিদেশি শিক্ষার্থী

প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬

featured Image

রাজধানীর মগবাজারে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের নিবন্ধন স্থগিত হওয়ার পর চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের ২৯৫ বিদেশি শিক্ষার্থী। ক্লিনিক্যাল ক্লাস ও ইন্টার্নশিপ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের ডিগ্রির ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

গত ১১ জুন ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় স্বাস্থ্যসেবা অধিদপ্তর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের নিবন্ধন স্থগিত করে। এরপর হাসপাতালভিত্তিক ক্লিনিক্যাল শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়, যা সরাসরি প্রভাব ফেলেছে মেডিকেল কলেজটির শিক্ষার্থীদের ওপর।

কলেজ সূত্রে জানা যায়, মোট ২৯৫ বিদেশি শিক্ষার্থীর মধ্যে ৮৬ জন ইন্টার্ন চিকিৎসক এবং ২০৯ জন অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী রয়েছেন। তাদের অধিকাংশই ভারতীয় নাগরিক। ভারতের মেডিকেল শিক্ষা নীতিমালা অনুযায়ী, বিদেশে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের একই প্রতিষ্ঠানের অধীন হাসপাতালে ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করতে হয়। অন্য হাসপাতালে ইন্টার্নশিপ করলে দেশে ফিরে ডিগ্রির স্বীকৃতি জটিলতায় পড়তে পারে।

এ অবস্থায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা অন্য হাসপাতালে মাইগ্রেশনের সুযোগ পেলেও বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য সেই সুযোগ কার্যত নেই। ফলে তাদের শিক্ষাজীবন ও পেশাগত ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন সংকট তৈরি হয়েছে।

সমাধানের আশায় সোমবার স্বাস্থ্যসেবা অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিদপ্তরে যান বিদেশি শিক্ষার্থী ও ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। তবে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করতে না পেরে হতাশ হয়ে ফিরে আসেন তারা।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, দীর্ঘ সময় ও বিপুল অর্থ ব্যয় করে পড়াশোনার শেষ পর্যায়ে এসে তারা অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন। দ্রুত হাসপাতাল চালু অথবা তাদের ডিগ্রির স্বীকৃতি অক্ষুণ্ন রেখে বিকল্প সমাধানের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এদিকে স্বাস্থ্যসেবা অধিদপ্তর জানিয়েছে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চাইলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করতে পারে। অন্যদিকে আদ্-দ্বীন কর্তৃপক্ষ মানবিক বিবেচনায় হাসপাতাল পুনরায় চালুর আবেদন করেছে এবং দ্রুত সংকট সমাধানের আশা প্রকাশ করেছে।

স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিদপ্তর বলছে, শিক্ষার্থীদের বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং কলেজ কর্তৃপক্ষ কী ধরনের একাডেমিক ব্যবস্থা নিচ্ছে সে বিষয়ে তথ্য চাওয়া হয়েছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত