ইসলামে বিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত এবং সামাজিক শৃঙ্খলা ও আত্মিক প্রশান্তির মাধ্যম। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, আল্লাহ মানুষের জন্য তাদের মধ্য থেকেই জীবনসঙ্গী সৃষ্টি করেছেন যাতে তারা শান্তি ও ভালোবাসা লাভ করে।
হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) যুব সমাজকে সামর্থ্য থাকলে দ্রুত বিয়ে করার নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে দৃষ্টি ও চরিত্রের পবিত্রতা বজায় থাকে।
অনেকেই উপযুক্ত সময়ে বিয়ে করতে চাইলেও বিভিন্ন কারণে তা বিলম্বিত হয়। এ অবস্থায় ইসলামিক দৃষ্টিতে আল্লাহর কাছে দোয়া ও কিছু আমলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
দ্রুত বিয়ের জন্য ৩টি আমল
১. বেশি বেশি দোয়া করা
আল্লাহর কাছে আন্তরিকভাবে দোয়া করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল। কোরআনে বলা হয়েছে, আল্লাহ বান্দার ডাকে সাড়া দেন এবং তাঁর প্রার্থনা উপেক্ষা করেন না।
২. কোরআনি দোয়া পড়া
দ্রুত বিয়ের জন্য এই দোয়া পড়া যেতে পারে:
“রব্বানা হাব লানা মিন আজওয়াজিনা ওয়া জুররিইয়াতিনা কুররাতা আইউন…” (সুরা ফুরকান: ৭৪)
এটি ফরজ ও নফল নামাজের পর কিংবা যেকোনো সময় পড়া যেতে পারে।
৩. নফল নামাজ (সালাতুল হাজত)
কঠিন পরিস্থিতিতে রাসুলুল্লাহ (সা.) নফল নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য চাইতেন। বিয়ের মতো প্রয়োজন পূরণের জন্য সালাতুল হাজত পড়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ইসলামিক শিক্ষায় বলা হয়, ধৈর্য, দোয়া ও ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহ বান্দার প্রয়োজন সহজ করে দেন।

বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
ইসলামে বিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত এবং সামাজিক শৃঙ্খলা ও আত্মিক প্রশান্তির মাধ্যম। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, আল্লাহ মানুষের জন্য তাদের মধ্য থেকেই জীবনসঙ্গী সৃষ্টি করেছেন যাতে তারা শান্তি ও ভালোবাসা লাভ করে।
হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) যুব সমাজকে সামর্থ্য থাকলে দ্রুত বিয়ে করার নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে দৃষ্টি ও চরিত্রের পবিত্রতা বজায় থাকে।
অনেকেই উপযুক্ত সময়ে বিয়ে করতে চাইলেও বিভিন্ন কারণে তা বিলম্বিত হয়। এ অবস্থায় ইসলামিক দৃষ্টিতে আল্লাহর কাছে দোয়া ও কিছু আমলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
দ্রুত বিয়ের জন্য ৩টি আমল
১. বেশি বেশি দোয়া করা
আল্লাহর কাছে আন্তরিকভাবে দোয়া করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল। কোরআনে বলা হয়েছে, আল্লাহ বান্দার ডাকে সাড়া দেন এবং তাঁর প্রার্থনা উপেক্ষা করেন না।
২. কোরআনি দোয়া পড়া
দ্রুত বিয়ের জন্য এই দোয়া পড়া যেতে পারে:
“রব্বানা হাব লানা মিন আজওয়াজিনা ওয়া জুররিইয়াতিনা কুররাতা আইউন…” (সুরা ফুরকান: ৭৪)
এটি ফরজ ও নফল নামাজের পর কিংবা যেকোনো সময় পড়া যেতে পারে।
৩. নফল নামাজ (সালাতুল হাজত)
কঠিন পরিস্থিতিতে রাসুলুল্লাহ (সা.) নফল নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য চাইতেন। বিয়ের মতো প্রয়োজন পূরণের জন্য সালাতুল হাজত পড়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ইসলামিক শিক্ষায় বলা হয়, ধৈর্য, দোয়া ও ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহ বান্দার প্রয়োজন সহজ করে দেন।
