কাটা লাগা’ গানের মাধ্যমে ২০০২ সালে রাতারাতি তারকা বনে যাওয়া বলিউড অভিনেত্রী ও মডেল শেফালি জরিওয়ালার মৃত্যুর এক বছর পূর্ণ হলেও তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনও রহস্যে ঘেরা। ২০২৫ সালের ২৭ জুন মাত্র ৪২ বছর বয়সে নিজ বাসভবনে তার মৃত্যু হয়। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ হিসেবে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট বলা হলেও তদন্ত ঘিরে নানা প্রশ্ন এখনও আলোচনায় রয়েছে।
শেফালির মৃত্যুর পর থেকেই বলিউডে শুরু হয় ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা। তদন্তে জানা যায়, মৃত্যুর দিন বাসায় পূজা থাকায় তিনি উপোস করেছিলেন। তবে একই দিন দুপুরে তিনি অ্যান্টি-এজিং ইনজেকশন এবং ভিটামিন সি আইভি ড্রিপ নিয়েছিলেন বলে তদন্তে উঠে আসে।
এ ঘটনাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিনোদন অঙ্গনে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে যে, বয়স ধরে রাখা ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ানোর জন্য নিয়মিত বিভিন্ন ইনজেকশন ও ওষুধ ব্যবহার করতেন শেফালি। যদিও তার স্বামী পরাগ ত্যাগী এসব দাবি অস্বীকার করেছেন।
তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ ও ফরেনসিক দল শেফালির বাসা থেকে গ্লুটাথিয়ন এবং বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ইনজেকশন উদ্ধার করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এবং খালি পেটে এ ধরনের সৌন্দর্যবর্ধক ইনজেকশন বা ডিটক্স আইভি ড্রিপ নেওয়া হৃদ্যন্ত্রের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
শেফালির অকালমৃত্যু বিনোদন জগতে নারীদের ওপর চিরযৌবন ও নিখুঁত সৌন্দর্য ধরে রাখার সামাজিক চাপ নিয়েও নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। অভিনেত্রী গুল পানাগ ও মিনি মাথুর বলেন, এ ধরনের সাপ্লিমেন্ট বা ট্রিটমেন্ট অনেক তারকাই নেন, তবে তা অবশ্যই চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে হওয়া উচিত।
অন্যদিকে, শেফালির মৃত্যুর পর শোকাহত পরিবারের প্রতি পাপারাজ্জিদের অতিরিক্ত আগ্রহ ও সংবেদনহীন আচরণেরও তীব্র সমালোচনা করেছিলেন বরুণ ধাওয়ান, প্রিয়াঙ্কা চোপড়াসহ বলিউডের একাধিক তারকা।
একসময় ‘কাটা লাগা’ গানের মাধ্যমে কোটি দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়া শেফালি জরিওয়ালার আকস্মিক মৃত্যু আজও তার ভক্তদের মনে গভীর শোক এবং অসংখ্য অমীমাংসিত প্রশ্ন রেখে গেছে।

রোববার, ২৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
কাটা লাগা’ গানের মাধ্যমে ২০০২ সালে রাতারাতি তারকা বনে যাওয়া বলিউড অভিনেত্রী ও মডেল শেফালি জরিওয়ালার মৃত্যুর এক বছর পূর্ণ হলেও তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনও রহস্যে ঘেরা। ২০২৫ সালের ২৭ জুন মাত্র ৪২ বছর বয়সে নিজ বাসভবনে তার মৃত্যু হয়। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ হিসেবে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট বলা হলেও তদন্ত ঘিরে নানা প্রশ্ন এখনও আলোচনায় রয়েছে।
শেফালির মৃত্যুর পর থেকেই বলিউডে শুরু হয় ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা। তদন্তে জানা যায়, মৃত্যুর দিন বাসায় পূজা থাকায় তিনি উপোস করেছিলেন। তবে একই দিন দুপুরে তিনি অ্যান্টি-এজিং ইনজেকশন এবং ভিটামিন সি আইভি ড্রিপ নিয়েছিলেন বলে তদন্তে উঠে আসে।
এ ঘটনাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিনোদন অঙ্গনে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে যে, বয়স ধরে রাখা ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ানোর জন্য নিয়মিত বিভিন্ন ইনজেকশন ও ওষুধ ব্যবহার করতেন শেফালি। যদিও তার স্বামী পরাগ ত্যাগী এসব দাবি অস্বীকার করেছেন।
তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ ও ফরেনসিক দল শেফালির বাসা থেকে গ্লুটাথিয়ন এবং বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ইনজেকশন উদ্ধার করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এবং খালি পেটে এ ধরনের সৌন্দর্যবর্ধক ইনজেকশন বা ডিটক্স আইভি ড্রিপ নেওয়া হৃদ্যন্ত্রের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
শেফালির অকালমৃত্যু বিনোদন জগতে নারীদের ওপর চিরযৌবন ও নিখুঁত সৌন্দর্য ধরে রাখার সামাজিক চাপ নিয়েও নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। অভিনেত্রী গুল পানাগ ও মিনি মাথুর বলেন, এ ধরনের সাপ্লিমেন্ট বা ট্রিটমেন্ট অনেক তারকাই নেন, তবে তা অবশ্যই চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে হওয়া উচিত।
অন্যদিকে, শেফালির মৃত্যুর পর শোকাহত পরিবারের প্রতি পাপারাজ্জিদের অতিরিক্ত আগ্রহ ও সংবেদনহীন আচরণেরও তীব্র সমালোচনা করেছিলেন বরুণ ধাওয়ান, প্রিয়াঙ্কা চোপড়াসহ বলিউডের একাধিক তারকা।
একসময় ‘কাটা লাগা’ গানের মাধ্যমে কোটি দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়া শেফালি জরিওয়ালার আকস্মিক মৃত্যু আজও তার ভক্তদের মনে গভীর শোক এবং অসংখ্য অমীমাংসিত প্রশ্ন রেখে গেছে।
