মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে দীর্ঘ সময় বৈশ্বিক স্মার্টফোন বাজার থেকে প্রায় হারিয়ে যাওয়া চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান Huawei আবারও নতুন কৌশলে বাজারে ফিরেছে। তবে এই প্রত্যাবর্তনের কেন্দ্রে থাকা ‘জি-বক্স’ নামের থার্ড পার্টি প্ল্যাটফর্ম ঘিরে এখন তৈরি হয়েছে বড় ধরনের নিরাপত্তা ও ডেটা গোপনীয়তার প্রশ্ন।
নিষেধাজ্ঞার কারণে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, গুগল, ইউটিউবসহ পশ্চিমা অ্যাপগুলো সরাসরি হুয়াওয়ে ডিভাইসে কাজ করে না। এই ঘাটতি পূরণে ‘জি-বক্স’ ব্যবহার করে ক্লোনিং বা ভার্চুয়াল পরিবেশের মাধ্যমে এসব অ্যাপ চালানোর সুযোগ দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
তবে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের দাবি, এই ব্যবস্থাটি অফিসিয়াল বা ভেরিফায়েড নয়। ফলে ব্যবহারকারীর লগইন তথ্য, কন্টাক্ট, গ্যালারি, এমনকি ডিভাইস আইডি সবই ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে জি-বক্সের প্রাইভেসি পলিসিতে ডেটা ট্র্যাকিং ও থার্ড পার্টির সঙ্গে তথ্য শেয়ার করার ইঙ্গিত থাকায় উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এটি একটি ভার্চুয়াল কম্প্যাটিবিলিটি লেয়ার, যেখানে অ্যাপের আসল ডেভেলপার বা কোম্পানির কোনো সরাসরি নিয়ন্ত্রণ নেই। ফলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বা ভবিষ্যতে ডেটা লিক হলে দায় কার তা নিয়েও রয়েছে অস্পষ্টতা।
অন্যদিকে হুয়াওয়ের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, তাদের নিজস্ব অ্যাপ ইকোসিস্টেম তৈরি করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো থার্ড পার্টি ডেভেলপারদের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হচ্ছে। তবে এই পুরো প্রক্রিয়া নিয়েই স্বচ্ছতার ঘাটতি রয়েছে বলে মনে করছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা।
ব্যবহারকারীদের বড় অংশ বিষয়টি না জেনেই নতুন হুয়াওয়ে ডিভাইস ব্যবহার করছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, থার্ড পার্টি প্ল্যাটফর্মে অ্যাপ ব্যবহারের ফলে ব্যাংকিং ও সংবেদনশীল ডেটা আরও ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
সব মিলিয়ে হুয়াওয়ের এই নতুন ‘ফিরে আসা’ যেমন বাজারে কৌতূহল তৈরি করেছে, তেমনি জি-বক্স ঘিরে ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্নও সামনে এনেছে।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে দীর্ঘ সময় বৈশ্বিক স্মার্টফোন বাজার থেকে প্রায় হারিয়ে যাওয়া চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান Huawei আবারও নতুন কৌশলে বাজারে ফিরেছে। তবে এই প্রত্যাবর্তনের কেন্দ্রে থাকা ‘জি-বক্স’ নামের থার্ড পার্টি প্ল্যাটফর্ম ঘিরে এখন তৈরি হয়েছে বড় ধরনের নিরাপত্তা ও ডেটা গোপনীয়তার প্রশ্ন।
নিষেধাজ্ঞার কারণে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, গুগল, ইউটিউবসহ পশ্চিমা অ্যাপগুলো সরাসরি হুয়াওয়ে ডিভাইসে কাজ করে না। এই ঘাটতি পূরণে ‘জি-বক্স’ ব্যবহার করে ক্লোনিং বা ভার্চুয়াল পরিবেশের মাধ্যমে এসব অ্যাপ চালানোর সুযোগ দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
তবে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের দাবি, এই ব্যবস্থাটি অফিসিয়াল বা ভেরিফায়েড নয়। ফলে ব্যবহারকারীর লগইন তথ্য, কন্টাক্ট, গ্যালারি, এমনকি ডিভাইস আইডি সবই ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে জি-বক্সের প্রাইভেসি পলিসিতে ডেটা ট্র্যাকিং ও থার্ড পার্টির সঙ্গে তথ্য শেয়ার করার ইঙ্গিত থাকায় উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এটি একটি ভার্চুয়াল কম্প্যাটিবিলিটি লেয়ার, যেখানে অ্যাপের আসল ডেভেলপার বা কোম্পানির কোনো সরাসরি নিয়ন্ত্রণ নেই। ফলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বা ভবিষ্যতে ডেটা লিক হলে দায় কার তা নিয়েও রয়েছে অস্পষ্টতা।
অন্যদিকে হুয়াওয়ের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, তাদের নিজস্ব অ্যাপ ইকোসিস্টেম তৈরি করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো থার্ড পার্টি ডেভেলপারদের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হচ্ছে। তবে এই পুরো প্রক্রিয়া নিয়েই স্বচ্ছতার ঘাটতি রয়েছে বলে মনে করছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা।
ব্যবহারকারীদের বড় অংশ বিষয়টি না জেনেই নতুন হুয়াওয়ে ডিভাইস ব্যবহার করছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, থার্ড পার্টি প্ল্যাটফর্মে অ্যাপ ব্যবহারের ফলে ব্যাংকিং ও সংবেদনশীল ডেটা আরও ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
সব মিলিয়ে হুয়াওয়ের এই নতুন ‘ফিরে আসা’ যেমন বাজারে কৌতূহল তৈরি করেছে, তেমনি জি-বক্স ঘিরে ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্নও সামনে এনেছে।
