বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের হাঁটার ধরনে পরিবর্তন আসে এটি এতদিন স্বাভাবিক শারীরিক পরিবর্তন হিসেবে ধরা হলেও নতুন গবেষণা বলছে এর পেছনে রয়েছে শরীরের একটি নির্দিষ্ট ‘সেফটি মেকানিজম’।
সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, বয়স বাড়লে শরীর হাঁটার সময় দক্ষতার চেয়ে নিরাপত্তাকে বেশি গুরুত্ব দিতে শুরু করে। এর ফলে হাঁটার গতি ধীর হয়ে যায় এবং ভারসাম্য রক্ষায় বেশি শক্তি ব্যয় হয়।
গবেষকরা জানান, বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে স্নায়ুতন্ত্র পেশিগুলোকে এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করে যাতে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমে। বিশেষ করে গোড়ালির আশপাশের পেশিগুলো বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে, যা শরীরকে স্থিতিশীল রাখে।
ফলে হাঁটা কিছুটা ধীর হলেও নিরাপত্তা বাড়ে। তবে এর ফলে দীর্ঘ সময় হাঁটার পর ক্লান্তিও বেশি অনুভূত হতে পারে বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়স বাড়ার সঙ্গে এই পরিবর্তন স্বাভাবিক হলেও নিয়মিত ব্যায়াম, ভারসাম্য অনুশীলন এবং সক্রিয় জীবনধারা বজায় রাখলে এর প্রভাব অনেকটাই কমানো সম্ভব।
তারা আরও বলেন, প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটা হৃদ্যন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে ভূমিকা রাখে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের হাঁটার ধরনে পরিবর্তন আসে এটি এতদিন স্বাভাবিক শারীরিক পরিবর্তন হিসেবে ধরা হলেও নতুন গবেষণা বলছে এর পেছনে রয়েছে শরীরের একটি নির্দিষ্ট ‘সেফটি মেকানিজম’।
সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, বয়স বাড়লে শরীর হাঁটার সময় দক্ষতার চেয়ে নিরাপত্তাকে বেশি গুরুত্ব দিতে শুরু করে। এর ফলে হাঁটার গতি ধীর হয়ে যায় এবং ভারসাম্য রক্ষায় বেশি শক্তি ব্যয় হয়।
গবেষকরা জানান, বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে স্নায়ুতন্ত্র পেশিগুলোকে এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করে যাতে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমে। বিশেষ করে গোড়ালির আশপাশের পেশিগুলো বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে, যা শরীরকে স্থিতিশীল রাখে।
ফলে হাঁটা কিছুটা ধীর হলেও নিরাপত্তা বাড়ে। তবে এর ফলে দীর্ঘ সময় হাঁটার পর ক্লান্তিও বেশি অনুভূত হতে পারে বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়স বাড়ার সঙ্গে এই পরিবর্তন স্বাভাবিক হলেও নিয়মিত ব্যায়াম, ভারসাম্য অনুশীলন এবং সক্রিয় জীবনধারা বজায় রাখলে এর প্রভাব অনেকটাই কমানো সম্ভব।
তারা আরও বলেন, প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটা হৃদ্যন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে ভূমিকা রাখে।
