শিশু মৃত্যুর ঘটনায় লাইসেন্স বাতিলকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা. শেখ মহিউদ্দিন।
তিনি বলেছেন, হাসপাতালের নিবন্ধন বাতিলের সিদ্ধান্তকে তিনি “ফাঁসি দেওয়া হয়েছে” হিসেবে অভিহিত করেন। সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
ডা. শেখ মহিউদ্দিন দাবি করেন, শিশু মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো পরিষ্কার নয় এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনেও স্পষ্টভাবে কারণ উল্লেখ করা হয়নি। মৃত শিশুদের ময়নাতদন্তও হয়নি বলে তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনে যেসব বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলোর ভিত্তিতে ইতোমধ্যে সংস্কার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড মনিটরিং যন্ত্রসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনা হয়েছে এবং শিশু ওয়ার্ড সংস্কারের কাজ চলছে।
এর আগে গত ২৭ মে আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে তদন্তে চিকিৎসক, নার্স ও কর্তৃপক্ষের অবহেলার বিষয়টি উঠে আসে।
১১ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হাসপাতালটির নিবন্ধন বাতিল করে। একই সঙ্গে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ, আজীবন চিকিৎসা সুবিধা এবং পরিবারের একজনকে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
শিশু মৃত্যুর ঘটনায় লাইসেন্স বাতিলকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা. শেখ মহিউদ্দিন।
তিনি বলেছেন, হাসপাতালের নিবন্ধন বাতিলের সিদ্ধান্তকে তিনি “ফাঁসি দেওয়া হয়েছে” হিসেবে অভিহিত করেন। সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
ডা. শেখ মহিউদ্দিন দাবি করেন, শিশু মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো পরিষ্কার নয় এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনেও স্পষ্টভাবে কারণ উল্লেখ করা হয়নি। মৃত শিশুদের ময়নাতদন্তও হয়নি বলে তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনে যেসব বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলোর ভিত্তিতে ইতোমধ্যে সংস্কার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড মনিটরিং যন্ত্রসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনা হয়েছে এবং শিশু ওয়ার্ড সংস্কারের কাজ চলছে।
এর আগে গত ২৭ মে আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে তদন্তে চিকিৎসক, নার্স ও কর্তৃপক্ষের অবহেলার বিষয়টি উঠে আসে।
১১ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হাসপাতালটির নিবন্ধন বাতিল করে। একই সঙ্গে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ, আজীবন চিকিৎসা সুবিধা এবং পরিবারের একজনকে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
