রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর নবজাতক ওয়ার্ডে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (এসি) ছাড়াই চিকিৎসাসেবা চলছে। মাত্র ২৪টি শয্যার বিপরীতে প্রায় ৪০ জন নবজাতক ভর্তি থাকায় হাসপাতালটির এই ইউনিটে চিকিৎসা সংকট আরও প্রকট হয়ে উঠেছে।
সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা গেছে, অধিকাংশ শয্যাতেই দুইজন করে নবজাতকের চিকিৎসা চলছে। স্পর্শকাতর এই ওয়ার্ডে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য এসির পরিবর্তে ব্যবহার করা হচ্ছে শুধুমাত্র সিলিং ফ্যান।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নবজাতকদের জন্য নির্দিষ্ট তাপমাত্রা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে কম ওজনের শিশু ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত নবজাতকদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি আরও বেশি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী নবজাতক ওয়ার্ডে সাধারণত ২৫ থেকে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বজায় রাখা প্রয়োজন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নবজাতক ইউনিটে কিছু এসি থাকলেও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে সেখানে সংক্রমণের ঝুঁকি রয়ে গেছে। জানালা, ফ্লোরিং ও পরিবেশগত মান উন্নত না হওয়ায় কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
নবজাতক বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. জাকিয়া নাহার বলেন, নবজাতক ওয়ার্ডে এসি থাকা প্রায় বাধ্যতামূলক। অতিরিক্ত রোগী ও সীমিত অবকাঠামোর কারণে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও সংক্রমণ প্রতিরোধ বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, ওয়ার্ডে এসি স্থাপনের জন্য একাধিকবার সংশ্লিষ্ট বিভাগে চিঠি দেওয়া হলেও এখনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে রোগীর চাপ সামাল দিতে গিয়ে সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেই চিকিৎসাসেবা চালিয়ে যেতে হচ্ছে।
স্বজনদের অভিযোগ, এক শয্যায় একাধিক নবজাতক ও তাদের মায়েদের অবস্থানের কারণে ভোগান্তির পাশাপাশি সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ছে। তবুও বিকল্প না থাকায় বাধ্য হয়েই তারা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর নবজাতক ওয়ার্ডে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (এসি) ছাড়াই চিকিৎসাসেবা চলছে। মাত্র ২৪টি শয্যার বিপরীতে প্রায় ৪০ জন নবজাতক ভর্তি থাকায় হাসপাতালটির এই ইউনিটে চিকিৎসা সংকট আরও প্রকট হয়ে উঠেছে।
সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা গেছে, অধিকাংশ শয্যাতেই দুইজন করে নবজাতকের চিকিৎসা চলছে। স্পর্শকাতর এই ওয়ার্ডে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য এসির পরিবর্তে ব্যবহার করা হচ্ছে শুধুমাত্র সিলিং ফ্যান।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নবজাতকদের জন্য নির্দিষ্ট তাপমাত্রা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে কম ওজনের শিশু ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত নবজাতকদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি আরও বেশি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী নবজাতক ওয়ার্ডে সাধারণত ২৫ থেকে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বজায় রাখা প্রয়োজন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নবজাতক ইউনিটে কিছু এসি থাকলেও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে সেখানে সংক্রমণের ঝুঁকি রয়ে গেছে। জানালা, ফ্লোরিং ও পরিবেশগত মান উন্নত না হওয়ায় কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
নবজাতক বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. জাকিয়া নাহার বলেন, নবজাতক ওয়ার্ডে এসি থাকা প্রায় বাধ্যতামূলক। অতিরিক্ত রোগী ও সীমিত অবকাঠামোর কারণে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও সংক্রমণ প্রতিরোধ বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, ওয়ার্ডে এসি স্থাপনের জন্য একাধিকবার সংশ্লিষ্ট বিভাগে চিঠি দেওয়া হলেও এখনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে রোগীর চাপ সামাল দিতে গিয়ে সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেই চিকিৎসাসেবা চালিয়ে যেতে হচ্ছে।
স্বজনদের অভিযোগ, এক শয্যায় একাধিক নবজাতক ও তাদের মায়েদের অবস্থানের কারণে ভোগান্তির পাশাপাশি সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ছে। তবুও বিকল্প না থাকায় বাধ্য হয়েই তারা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
