রাজধানীর রামপুরায় শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে ‘কাইল্যা’ পলাশকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় ভয়ংকর কিলিং মিশনের তথ্য উঠে এসেছে। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, এই হত্যার নির্দেশ দেন আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব থেকেই এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, মোট ছয়জন এই মিশনে অংশ নেয়। এর মধ্যে চারজন ছিল জিসানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। ঘটনার আগে তারা এলাকাটি রেকি করে নিশ্চিত হয় যে পলাশ মসজিদে অবস্থান করছে। পরে ভাড়া করা দুই শুটার তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্তাধীন এবং কার নির্দেশে কারা জড়িত ছিল তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন বিদেশে অবস্থান করলেও জিসান রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় একটি শক্তিশালী অপরাধ নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করছিলেন। এর মধ্যে চাঁদাবাজি, ডিস ব্যবসা, টেন্ডারবাজি ও মাদক সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে পলাশ সম্প্রতি কারামুক্ত হয়ে রামপুরায় ফিরে আবারও নিজের প্রভাব বিস্তার শুরু করেন। এরপর থেকেই পুরনো ও নতুন প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে সংঘর্ষ ও উত্তেজনা বাড়তে থাকে। বিভিন্ন গ্রুপের মধ্যে দখল ও ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।
তদন্ত সূত্রে আরও জানা যায়, হত্যাচেষ্টার জন্য অস্ত্র ও গুলি সরবরাহ করে একটি পৃথক চক্র। পুরো অপারেশন পরিচালনায় একাধিক গ্রুপকে সমন্বয় করা হয় এবং ব্যাকআপ টিমও রাখা হয় ঘটনাস্থলের আশপাশে।
ঘটনার পর কয়েকজন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তারা আশা করছে, এই জিজ্ঞাসাবাদে পুরো নেটওয়ার্ক ও পরিকল্পনার আরও বিস্তারিত তথ্য বেরিয়ে আসবে।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
রাজধানীর রামপুরায় শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে ‘কাইল্যা’ পলাশকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় ভয়ংকর কিলিং মিশনের তথ্য উঠে এসেছে। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, এই হত্যার নির্দেশ দেন আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব থেকেই এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, মোট ছয়জন এই মিশনে অংশ নেয়। এর মধ্যে চারজন ছিল জিসানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। ঘটনার আগে তারা এলাকাটি রেকি করে নিশ্চিত হয় যে পলাশ মসজিদে অবস্থান করছে। পরে ভাড়া করা দুই শুটার তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্তাধীন এবং কার নির্দেশে কারা জড়িত ছিল তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন বিদেশে অবস্থান করলেও জিসান রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় একটি শক্তিশালী অপরাধ নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করছিলেন। এর মধ্যে চাঁদাবাজি, ডিস ব্যবসা, টেন্ডারবাজি ও মাদক সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে পলাশ সম্প্রতি কারামুক্ত হয়ে রামপুরায় ফিরে আবারও নিজের প্রভাব বিস্তার শুরু করেন। এরপর থেকেই পুরনো ও নতুন প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে সংঘর্ষ ও উত্তেজনা বাড়তে থাকে। বিভিন্ন গ্রুপের মধ্যে দখল ও ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।
তদন্ত সূত্রে আরও জানা যায়, হত্যাচেষ্টার জন্য অস্ত্র ও গুলি সরবরাহ করে একটি পৃথক চক্র। পুরো অপারেশন পরিচালনায় একাধিক গ্রুপকে সমন্বয় করা হয় এবং ব্যাকআপ টিমও রাখা হয় ঘটনাস্থলের আশপাশে।
ঘটনার পর কয়েকজন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তারা আশা করছে, এই জিজ্ঞাসাবাদে পুরো নেটওয়ার্ক ও পরিকল্পনার আরও বিস্তারিত তথ্য বেরিয়ে আসবে।
