সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

ব্যবসা-বাণিজ্য

কী হবে ই-কমার্স বাজার?

আলিবাবার বিনিয়োগ বন্ধের শঙ্কা, বন্ধের পথে দারাজ বাংলাদেশ?

আলিবাবার বিনিয়োগ বন্ধের শঙ্কা, বন্ধের পথে দারাজ বাংলাদেশ?
ছবি : সংগৃহীত

চীনের শীর্ষ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলিবাবা বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের ই-কমার্স খাতে নতুন বিনিয়োগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে এমন খবরে চাপে পড়েছে দেশীয় ই-কমার্স খাত, বিশেষ করে দারাজ বাংলাদেশ।

সূত্র অনুযায়ী, ২০১৮ সালে দারাজ গ্রুপ অধিগ্রহণের পর বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বড় বিনিয়োগ করেছিল আলিবাবা। তবে এখন কৌশলগত পরিবর্তনের অংশ হিসেবে তারা খুচরা ই-কমার্স থেকে সরে এসে এআই, ক্লাউড ও বিটুবি ব্যবসায় বেশি মনোযোগ দিচ্ছে।

এই পরিবর্তনের প্রভাব পড়ছে দারাজ বাংলাদেশে। একাধিক সূত্রের দাবি, প্রতিষ্ঠানটি এখন কঠিন সময় পার করছে এবং ব্যয় সংকোচনের অংশ হিসেবে ব্যাপক কর্মী ছাঁটাই চলছে। বর্তমানে কর্মী সংখ্যা কমিয়ে আনা হয়েছে এবং অনেকেই চাকরি হারিয়েছেন।

অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে, দারাজের ওপর চাপ বাড়ছে কারণ আগামী প্রান্তিকের মধ্যে ব্রেক-ইভেনে না এলে আলিবাবা আর কোনো ভর্তুকি দেবে না। ফলে নিজেদের আয় দিয়েই কার্যক্রম চালাতে হবে প্রতিষ্ঠানটিকে।

এর আগে থেকেই বেতন বকেয়া, বোনাস না দেওয়া, মার্চেন্টদের পাওনা আটকে থাকা এবং ডেলিভারি সেবায় বিঘ্নের মতো সমস্যা দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি অফিস স্পেস কমানো, সর্টিং সেন্টার বন্ধ করা এবং সম্পদ বিক্রির চেষ্টা চলছে বলেও জানা গেছে।

বর্তমানে দারাজ বাংলাদেশে প্রায় এক হাজার কর্মী কাজ করলেও তার বড় অংশ আউটসোর্সিং বা চুক্তিভিত্তিক। ব্যয় কমাতে এসব সংখ্যা আরও কমানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।

তবে দারাজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আলিবাবার বিনিয়োগ বন্ধের খবর সঠিক নয় এবং তারা এখনো ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যদি আলিবাবা সত্যিই বিনিয়োগ প্রত্যাহার করে, তাহলে বাংলাদেশের ই-কমার্স খাতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে।

#দারাজ #আলিবাবা #ইকমার্সবাংলাদেশ

চেকপোস্ট

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


আলিবাবার বিনিয়োগ বন্ধের শঙ্কা, বন্ধের পথে দারাজ বাংলাদেশ?

প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬

featured Image

চীনের শীর্ষ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলিবাবা বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের ই-কমার্স খাতে নতুন বিনিয়োগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে এমন খবরে চাপে পড়েছে দেশীয় ই-কমার্স খাত, বিশেষ করে দারাজ বাংলাদেশ।

সূত্র অনুযায়ী, ২০১৮ সালে দারাজ গ্রুপ অধিগ্রহণের পর বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বড় বিনিয়োগ করেছিল আলিবাবা। তবে এখন কৌশলগত পরিবর্তনের অংশ হিসেবে তারা খুচরা ই-কমার্স থেকে সরে এসে এআই, ক্লাউড ও বিটুবি ব্যবসায় বেশি মনোযোগ দিচ্ছে।

এই পরিবর্তনের প্রভাব পড়ছে দারাজ বাংলাদেশে। একাধিক সূত্রের দাবি, প্রতিষ্ঠানটি এখন কঠিন সময় পার করছে এবং ব্যয় সংকোচনের অংশ হিসেবে ব্যাপক কর্মী ছাঁটাই চলছে। বর্তমানে কর্মী সংখ্যা কমিয়ে আনা হয়েছে এবং অনেকেই চাকরি হারিয়েছেন।

অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে, দারাজের ওপর চাপ বাড়ছে কারণ আগামী প্রান্তিকের মধ্যে ব্রেক-ইভেনে না এলে আলিবাবা আর কোনো ভর্তুকি দেবে না। ফলে নিজেদের আয় দিয়েই কার্যক্রম চালাতে হবে প্রতিষ্ঠানটিকে।

এর আগে থেকেই বেতন বকেয়া, বোনাস না দেওয়া, মার্চেন্টদের পাওনা আটকে থাকা এবং ডেলিভারি সেবায় বিঘ্নের মতো সমস্যা দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি অফিস স্পেস কমানো, সর্টিং সেন্টার বন্ধ করা এবং সম্পদ বিক্রির চেষ্টা চলছে বলেও জানা গেছে।

বর্তমানে দারাজ বাংলাদেশে প্রায় এক হাজার কর্মী কাজ করলেও তার বড় অংশ আউটসোর্সিং বা চুক্তিভিত্তিক। ব্যয় কমাতে এসব সংখ্যা আরও কমানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।

তবে দারাজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আলিবাবার বিনিয়োগ বন্ধের খবর সঠিক নয় এবং তারা এখনো ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যদি আলিবাবা সত্যিই বিনিয়োগ প্রত্যাহার করে, তাহলে বাংলাদেশের ই-কমার্স খাতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত