হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় পুলিশের অভিযানে ৩৩ পিস ইয়াবা ও নগদ ৬ লাখ টাকা জব্দ করা হয়েছে। এ সময় মাদক কারবারি হিসেবে অভিযুক্ত মজনু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে অভিযানের সময় আরেক অভিযুক্ত আরশ মিয়া পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২ জুন) দিবাগত রাতে লাখাই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মুন্না মিয়া, এএসআই প্রদীপ সূত্রধর, অরবিন্দুসহ সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করেন। লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফ আহমেদের দিকনির্দেশনায় উপজেলার মোড়াকরি ইউনিয়নের মোড়াকরি গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়।
অভিযানের সময় মোড়াকরি গ্রামের আরজু মিয়ার ছেলে মজনু মিয়া ও আরশ মিয়ার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৩৩ পিস ইয়াবা এবং মাদক বিক্রির নগদ ৬ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। এ সময় মজনু মিয়াকে আটক করা হলেও আরশ মিয়া পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান।
আটক মজনু মিয়াকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শরীফ আহমেদ জানান, উদ্ধার হওয়া ইয়াবা ও নগদ অর্থ জব্দ করা হয়েছে এবং আটক ও পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি আরও জানান, আটক আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হবে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় পুলিশের অভিযানে ৩৩ পিস ইয়াবা ও নগদ ৬ লাখ টাকা জব্দ করা হয়েছে। এ সময় মাদক কারবারি হিসেবে অভিযুক্ত মজনু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে অভিযানের সময় আরেক অভিযুক্ত আরশ মিয়া পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২ জুন) দিবাগত রাতে লাখাই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মুন্না মিয়া, এএসআই প্রদীপ সূত্রধর, অরবিন্দুসহ সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করেন। লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফ আহমেদের দিকনির্দেশনায় উপজেলার মোড়াকরি ইউনিয়নের মোড়াকরি গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়।
অভিযানের সময় মোড়াকরি গ্রামের আরজু মিয়ার ছেলে মজনু মিয়া ও আরশ মিয়ার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৩৩ পিস ইয়াবা এবং মাদক বিক্রির নগদ ৬ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। এ সময় মজনু মিয়াকে আটক করা হলেও আরশ মিয়া পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান।
আটক মজনু মিয়াকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শরীফ আহমেদ জানান, উদ্ধার হওয়া ইয়াবা ও নগদ অর্থ জব্দ করা হয়েছে এবং আটক ও পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি আরও জানান, আটক আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হবে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
