শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
আজ মহান মে দিবস, শ্রমিক অধিকার আদায়ের ইতিহাসের দিন

৮ ঘণ্টা কর্মদিবসের সংগ্রামের স্মরণ

আজ মহান মে দিবস, শ্রমিক অধিকার আদায়ের ইতিহাসের দিন

আজ মহান মে দিবস। বিশ্বের শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের ঐতিহাসিক এই দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে বিশ্বব্যাপী। বাংলাদেশেও রাষ্ট্রীয়ভাবে দিবসটি পালনের নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এবারের প্রতিপাদ্য— ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নব প্রভাত’।মে দিবসের সূচনা ১৮৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে শ্রমিকদের ঐতিহাসিক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। শিল্প বিপ্লবের পর শ্রমিকদের দিনে ১০ থেকে ১৬ ঘণ্টা কাজ করতে বাধ্য করা হলে তারা ৮ ঘণ্টা কর্মদিবসের দাবিতে আন্দোলনে নামেন। ওই বছরের ১ মে দেশজুড়ে ধর্মঘট ও বিক্ষোভ শুরু হয়, যার কেন্দ্রবিন্দু ছিল শিকাগো।এই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ৪ মে সংঘটিত হে মার্কেট ঘটনা-এ বোমা বিস্ফোরণ ও পুলিশের গুলিতে বেশ কয়েকজন নিহত ও বহু মানুষ আহত হন। পরবর্তীতে কয়েকজন শ্রমিক নেতাকে বিতর্কিত বিচারে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলে তা বিশ্বব্যাপী প্রতিবাদের জন্ম দেয় এবং শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।১৮৮৯ সালে দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক শ্রমিক সম্মেলনে ১ মে-কে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর থেকে দিনটি বিশ্বজুড়ে শ্রমিক অধিকার ও ন্যায্যতার প্রতীক হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।বর্তমানে বিশ্বের ৮০টিরও বেশি দেশে ১ মে সরকারি ছুটির দিন হিসেবে পালিত হয়। বাংলাদেশেও সরকারি ছুটির পাশাপাশি নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করা হচ্ছে।এ উপলক্ষে শুক্রবার (১ মে) সকাল ১০টায় বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে মো. সাহাবুদ্দিন-এর। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। অন্যদিকে, রাজধানীর নয়া পল্টনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তারেক রহমান-এর। এতে আরও বক্তব্য দেবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানসহ শীর্ষ নেতারা।

আজ শুভ বুদ্ধপূর্ণিমা, দেশজুড়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে উদযাপন

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান উৎসব / আজ শুভ বুদ্ধপূর্ণিমা, দেশজুড়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে উদযাপন

দেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধপূর্ণিমা আজ শুক্রবার (১ মে)। যথাযোগ্য মর্যাদা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সারা দেশে দিনটি পালিত হচ্ছে।বৌদ্ধধর্ম মতে, গৌতম বুদ্ধ-এর জন্ম, বোধিলাভ ও মহাপরিনির্বাণ—এই তিনটি স্মরণীয় ঘটনা বৈশাখী পূর্ণিমা তিথিতে সংঘটিত হয়েছিল। এ কারণেই দিনটি বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।বুদ্ধপূর্ণিমা উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন বৌদ্ধবিহারে বুদ্ধপূজা, প্রদীপ প্রজ্বালন, শান্তি শোভাযাত্রা, প্রভাতফেরি, ধর্মীয় আলোচনা ও সমবেত প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ব মানবতার শান্তি ও মঙ্গল কামনায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।‘জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক’—এই অহিংসা ও মানবতার বাণীর প্রচারক গৌতম বুদ্ধের জীবনাদর্শ স্মরণে দিনটি পালন করেন ভক্তরা। বৌদ্ধধর্ম অনুযায়ী, আড়াই হাজার বছর আগে এই দিনে তার আবির্ভাব, বোধিপ্রাপ্তি এবং মহাপ্রয়াণ ঘটে।দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে অহিংসা, সাম্য, মৈত্রী ও করুণার শিক্ষা অনুসরণের আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে সংঘাত ও অসহিষ্ণুতার প্রেক্ষাপটে গৌতম বুদ্ধের মানবিকতা ও শান্তির বাণী অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।এ উপলক্ষে বাংলাদেশ বৌদ্ধ ফেডারেশন রাজধানীর মেরুল বাড্ডার আন্তর্জাতিক বৌদ্ধবিহারে দিনব্যাপী ধর্মীয় কর্মসূচি ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়া জাতীয় ও আঞ্চলিক গণমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত হচ্ছে বিশেষ প্রতিবেদন এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে প্রচারিত হচ্ছে দিনটির তাৎপর্য নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠান।

সংসদে তাহেরের দাবি, ‘আমিও শিশু মুক্তিযোদ্ধা’

রাষ্ট্রপতির ভাষণের আলোচনায় বিস্ফোরক মন্তব্য / সংসদে তাহেরের দাবি, ‘আমিও শিশু মুক্তিযোদ্ধা’

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর নায়েবে আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের নিজেকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তার পরিবার সীমান্ত পাড়ি দেওয়া মানুষদের আশ্রয় দিয়েছে এবং পাকিস্তানি সেনাদের গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করেছে।বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি করেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।বক্তব্যে তাহের বলেন, “বর্তমানে আমাদের রাজাকার-আলবদর হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু আমরা যারা এখানে বসে আছি, আমরা কেউ রাজাকার বা আলবদর ছিলাম না। যদি এভাবে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হয়, তবে আমিও একজন শিশু মুক্তিযোদ্ধা।”তিনি আরও বলেন, “আমাদের বাড়ি সীমান্তের কাছে ছিল এবং সেটি বেশ বড় ছিল। যারা ভারতে যাওয়ার জন্য সীমান্ত পার হতেন, তারা প্রথমে আমাদের বাড়িতে আশ্রয় নিতেন। আমরা তাদের খাবারের ব্যবস্থা করতাম। পাশাপাশি পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর টহল সম্পর্কে নজরদারি করতাম এবং পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে তাদের নিরাপদে সীমান্ত পার করে দিতাম।”এ সময় ‘টু-থার্ড মেজরিটি’ বা দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রভাব নিয়ে সরকারকে সতর্ক করেন তাহের। তিনি বলেন, অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস অনেক সময় ঔদ্ধত্যে রূপ নেয়, যা জনগণের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করতে পারে।তিনি উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের উদাহরণ টেনে ইন্দিরা গান্ধী, বেনজির ভুট্টো, শেখ মুজিবুর রহমান, জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়া-এর সময়ের উদাহরণ উল্লেখ করে বলেন, দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা সবসময় ইতিবাচক ফল বয়ে আনেনি। তাহের আরও বলেন, নির্বাচনের আগে ঐক্যমতের কথা বলা হলেও বর্তমানে সংসদে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। তিনি ‘হোস্টাইল এনভায়রনমেন্ট’ বা শত্রুতাপূর্ণ পরিবেশের কথা উল্লেখ করে বলেন, এমন পরিস্থিতি জাতির জন্য হতাশাজনক হতে পারে।

গ্রাম আদালত কার্যক্রম জোরদারে কুড়িগ্রামে অংশীজনদের বৈঠক

তৃণমূলে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে / গ্রাম আদালত কার্যক্রম জোরদারে কুড়িগ্রামে অংশীজনদের বৈঠক

কুড়িগ্রামে গ্রাম আদালত কার্যক্রম সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রচার-প্রচারণা জোরদারের লক্ষ্যে স্থানীয় অংশীজনদের নিয়ে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে কালেক্টরেট সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বি. এম. কুদরত-এ খুদা। জেলা ব্যবস্থাপক দৌলতুন্নেছার সঞ্চালনায় সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, গণমাধ্যম ও এনজিও প্রতিনিধিরা অংশ নেন।বক্তারা গ্রাম আদালতকে আরও কার্যকর ও জনমুখী করতে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে দ্রুত, সহজ ও স্বল্প ব্যয়ে বিরোধ নিষ্পত্তিতে গ্রাম আদালত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এজন্য ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা এবং জনগণের সম্পৃক্ততা বাড়ানো জরুরি।সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে ‘বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়)’ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জন্য সহজে ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।তিনি আরও জানান, দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষ গ্রাম আদালতের মাধ্যমে সহজেই বিচার পাচ্ছেন। এই কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সকল অংশীজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। সভায় গ্রাম আদালত কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত ও কার্যকর করতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা ও সুপারিশ তুলে ধরা হয়।

লঙ্কান ক্রিকেট বোর্ডে সাঙ্গাকারার নতুন দায়িত্ব, গঠিত অন্তর্বর্তী কমিটি

বোর্ড ভেঙে গঠন ট্রান্সফরমেশন কমিটি / লঙ্কান ক্রিকেট বোর্ডে সাঙ্গাকারার নতুন দায়িত্ব, গঠিত অন্তর্বর্তী কমিটি

বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড (এসএলসি) ভেঙে দিয়ে ট্রান্সফরমেশন কমিটি গঠন করেছে দেশটির সরকার। নতুন গঠিত ৯ সদস্যের অন্তর্বর্তী কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তি ক্রিকেটার কুমার সাঙ্গাকারা।এই কমিটিতে আরও রয়েছেন সাবেক ক্রিকেটার রোশান মহানামা এবং সিদাথ ওয়েত্তিমুনি।অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির প্রধান করা হয়েছে দেশটির বিরোধী দল সামাগি জানা বালাওয়েগয়ার সংসদ সদস্য এরান বিক্রমারত্নে-কে। দায়িত্ব পালনের স্বার্থে তিনি দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।দায়িত্ব গ্রহণ করে বিক্রমারত্নে বলেন, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের শাসনকাঠামোর পূর্ণাঙ্গ সংস্কারই তাদের প্রধান অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্যে একটি নতুন সংবিধান বাস্তবায়নের মাধ্যমে শক্তিশালী ও আধুনিক ভিত্তি গড়ে তোলা হবে। তিনি আরও জানান, কমিটির দ্বিতীয় লক্ষ্য হলো মাঠের পারফরম্যান্স উন্নয়ন। জাতীয় দলগুলোকে শক্তিশালী করতে প্রয়োজনীয় কাঠামো, বিশ্বমানের সুযোগ-সুবিধা এবং কার্যকর প্রণোদনা ব্যবস্থা গড়ে তোলার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

পহেলা মে মুক্তি: এমন কেন লাগে প্রেমের হাহাকারের নতুন গান ভাইরাল সম্ভাবনায়

মে মাসের শুরুতেই দর্শকদের জন্য বিশেষ উপহার / পহেলা মে মুক্তি: এমন কেন লাগে প্রেমের হাহাকারের নতুন গান ভাইরাল সম্ভাবনায়

পহেলা মে প্রকাশ পাচ্ছে নতুন গান এমন কেন লাগে, যা ইতোমধ্যেই দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি করেছে। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন আসির আরমান, সুর ও প্রযোজনা করেছেন অভিষেক ভট্টাচার্য এবং কথায় আছেন পুলক অনিল।গানটি নির্মিত হয়েছে আজান শিরোনামের একটি নাটকের জন্য, যেখানে প্রেমে পড়ার পর মানুষের মনের অদ্ভুত হাহাকার, অস্থিরতা এবং অচেনা অনুভূতিগুলোকে সুরের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।পরিচালক পুলক অনিল জানান, প্রতিটি গানের মধ্যেই একটি গল্প থাকে, আর সেই গল্পকে সুর ও কণ্ঠের মাধ্যমে জীবন্ত করে তুলেছেন অভিষেক ও আসির।গানটি নিয়ে নিজের অনুভূতি জানিয়ে আসির আরমান বলেন, পুরোনো বন্ধু অভিষেকের সঙ্গে কাজ করা সবসময়ই আনন্দের। এই গান তাদের বন্ধুত্বে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং মিউজিক্যাল এক্সপ্লোরেশনের নতুন দিক খুলে দিয়েছে।অভিষেক ভট্টাচার্য জানান, নাটকের শুটিং চলাকালেই এই গানের পরিকল্পনা শুরু হয়। পরবর্তীতে সুর, ব্যাকগ্রাউন্ড ও শিল্পী নির্বাচনসহ পুরো প্রক্রিয়াটি ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে। গানটিতে গিটার বাজিয়েছেন সজীব হায়দার এবং বেস গিটারে ছিলেন অমিত হাসান রুদ্র। মিক্সিং ও মাস্টারিং করেছেন এ জেড ইশরাক। প্রেমের অনুভূতি ও আবেগঘন সুরে সাজানো এই গানটি প্রকাশের পর শ্রোতাদের ভালো লাগবে বলেই আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অনলাইন জরিপ
২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৪ পিএম
সরকার ও বিরোধী দলকে জ্বালানি খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করা উচিত বলে মনে করেন অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

সরকার ও বিরোধী দলকে জ্বালানি খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করা উচিত বলে মনে করেন অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

সম্পাদকীয়

কোন পোস্ট নেই !

সাক্ষাৎকার

কোন পোস্ট নেই !

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !