মিয়ানমারের কারারুদ্ধ সাবেক নেত্রী অং সান সু চি-এর সাজা আরও সাড়ে চার মাস কমিয়েছে দেশটির সামরিক সরকার। ফলে তার মোট ২৭ বছরের দণ্ড কমে এখন ১৮ বছরের কিছু বেশি সময়ে দাঁড়িয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা রয়টার্স কে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তার আইনজীবীরা।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৮০ বছর বয়সী সু চি উসকানি, দুর্নীতি, ভোট জালিয়াতি ও রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘনসহ একাধিক অভিযোগে দণ্ডিত হন। যদিও তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।
এর আগে সামরিক সরকার নিয়ন্ত্রিত আদালত তাকে ৩৩ বছরের কারাদণ্ড দেয়, যা পরে কমিয়ে ২৭ বছর করা হয়। চলতি বছরের ১৭ এপ্রিল মিয়ানমারের নববর্ষ উপলক্ষে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার সময় প্রথম দফায় তার সাজা কমানো হয়।
বর্তমান প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং এর সাধারণ ক্ষমার আওতায় সু চির সাজা এক-ষষ্ঠাংশ কমানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী। তবে বাকি সাজা তিনি গৃহবন্দি অবস্থায় কাটাতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নেই।
এদিকে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এমআরটিভি জানিয়েছে, গত ১৭ এপ্রিল প্রায় ৪ হাজার ৩৩৫ বন্দিকে সাধারণ ক্ষমা দেওয়া হয়। একই ঘোষণায় সু চির সহযোগী ও সাবেক প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট মুক্তি পান।
মানবাধিকার সংস্থা অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনার্স জানিয়েছে, ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে ৩০ হাজারের বেশি মানুষকে রাজনৈতিক কারণে আটক করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
মিয়ানমারের কারারুদ্ধ সাবেক নেত্রী অং সান সু চি-এর সাজা আরও সাড়ে চার মাস কমিয়েছে দেশটির সামরিক সরকার। ফলে তার মোট ২৭ বছরের দণ্ড কমে এখন ১৮ বছরের কিছু বেশি সময়ে দাঁড়িয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা রয়টার্স কে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তার আইনজীবীরা।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৮০ বছর বয়সী সু চি উসকানি, দুর্নীতি, ভোট জালিয়াতি ও রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘনসহ একাধিক অভিযোগে দণ্ডিত হন। যদিও তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।
এর আগে সামরিক সরকার নিয়ন্ত্রিত আদালত তাকে ৩৩ বছরের কারাদণ্ড দেয়, যা পরে কমিয়ে ২৭ বছর করা হয়। চলতি বছরের ১৭ এপ্রিল মিয়ানমারের নববর্ষ উপলক্ষে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার সময় প্রথম দফায় তার সাজা কমানো হয়।
বর্তমান প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং এর সাধারণ ক্ষমার আওতায় সু চির সাজা এক-ষষ্ঠাংশ কমানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী। তবে বাকি সাজা তিনি গৃহবন্দি অবস্থায় কাটাতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নেই।
এদিকে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এমআরটিভি জানিয়েছে, গত ১৭ এপ্রিল প্রায় ৪ হাজার ৩৩৫ বন্দিকে সাধারণ ক্ষমা দেওয়া হয়। একই ঘোষণায় সু চির সহযোগী ও সাবেক প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট মুক্তি পান।
মানবাধিকার সংস্থা অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনার্স জানিয়েছে, ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে ৩০ হাজারের বেশি মানুষকে রাজনৈতিক কারণে আটক করা হয়েছে।
