অনেকেই প্রতিদিন ৭–৮ ঘণ্টা ঘুমানোর পরও সকালে উঠে ক্লান্তি, ভারী মাথা বা ঝিমুনি অনুভব করেন। চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে বলা হয় ঘুমজনিত ক্লান্তি বা Sleep fatigue।
ঘুম শরীর ও মস্তিষ্ককে পুনরুদ্ধার করে, তবে ঘুমের মান খারাপ হলে পর্যাপ্ত সময় ঘুমিয়েও বিশ্রাম পাওয়া যায় না। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর পেছনে থাকতে পারে শারীরিক সমস্যা, মানসিক চাপ কিংবা জীবনযাপনের কিছু অভ্যাস।
নিচে ঘুমের পরও ক্লান্ত লাগার ৬টি প্রধান কারণ দেওয়া হলো—
ঘুমের সময় শ্বাসপ্রশ্বাস বারবার বন্ধ হয়ে যাওয়ার সমস্যা, যা গভীর ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়। এতে সকালে ঘুম থেকে উঠে মানুষ চরম ক্লান্ত অনুভব করে। এটি একটি গুরুতর ঘুমজনিত ব্যাধি Sleep Apnea।
ঘুম আসতে দেরি হওয়া বা বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়ার কারণে শরীর পর্যাপ্ত বিশ্রাম পায় না। ফলে সারাদিন ক্লান্তি, মাথা ভার ও মনোযোগ কমে যায়।
মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা ঘুমের গভীরতা নষ্ট করে। এতে মস্তিষ্ক বিশ্রাম নিতে পারে না এবং সকালে ক্লান্তি থেকেই যায়।
ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, কিডনি সমস্যা বা দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার মতো রোগ শরীরের শক্তি কমিয়ে দেয় এবং ঘুমের মানও খারাপ করে।
এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে দীর্ঘ সময় ঘুমানোর পরও অতিরিক্ত ঘুমঘুম ভাব থাকে। এতে শরীর ও মস্তিষ্ক স্বাভাবিকভাবে সক্রিয় হতে পারে না।
রাতে মোবাইল ব্যবহার, অনিয়মিত ঘুম, ভারী খাবার, কম পানি পান বা কম শারীরিক কার্যকলাপ—এসব ঘুমের গুণগত মান নষ্ট করে।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
অনেকেই প্রতিদিন ৭–৮ ঘণ্টা ঘুমানোর পরও সকালে উঠে ক্লান্তি, ভারী মাথা বা ঝিমুনি অনুভব করেন। চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে বলা হয় ঘুমজনিত ক্লান্তি বা Sleep fatigue।
ঘুম শরীর ও মস্তিষ্ককে পুনরুদ্ধার করে, তবে ঘুমের মান খারাপ হলে পর্যাপ্ত সময় ঘুমিয়েও বিশ্রাম পাওয়া যায় না। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর পেছনে থাকতে পারে শারীরিক সমস্যা, মানসিক চাপ কিংবা জীবনযাপনের কিছু অভ্যাস।
নিচে ঘুমের পরও ক্লান্ত লাগার ৬টি প্রধান কারণ দেওয়া হলো—
ঘুমের সময় শ্বাসপ্রশ্বাস বারবার বন্ধ হয়ে যাওয়ার সমস্যা, যা গভীর ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়। এতে সকালে ঘুম থেকে উঠে মানুষ চরম ক্লান্ত অনুভব করে। এটি একটি গুরুতর ঘুমজনিত ব্যাধি Sleep Apnea।
ঘুম আসতে দেরি হওয়া বা বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়ার কারণে শরীর পর্যাপ্ত বিশ্রাম পায় না। ফলে সারাদিন ক্লান্তি, মাথা ভার ও মনোযোগ কমে যায়।
মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা ঘুমের গভীরতা নষ্ট করে। এতে মস্তিষ্ক বিশ্রাম নিতে পারে না এবং সকালে ক্লান্তি থেকেই যায়।
ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, কিডনি সমস্যা বা দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার মতো রোগ শরীরের শক্তি কমিয়ে দেয় এবং ঘুমের মানও খারাপ করে।
এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে দীর্ঘ সময় ঘুমানোর পরও অতিরিক্ত ঘুমঘুম ভাব থাকে। এতে শরীর ও মস্তিষ্ক স্বাভাবিকভাবে সক্রিয় হতে পারে না।
রাতে মোবাইল ব্যবহার, অনিয়মিত ঘুম, ভারী খাবার, কম পানি পান বা কম শারীরিক কার্যকলাপ—এসব ঘুমের গুণগত মান নষ্ট করে।
