কুড়িগ্রামে গ্রাম আদালত কার্যক্রম সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রচার-প্রচারণা জোরদারের লক্ষ্যে স্থানীয় অংশীজনদের নিয়ে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে কালেক্টরেট সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বি. এম. কুদরত-এ খুদা। জেলা ব্যবস্থাপক দৌলতুন্নেছার সঞ্চালনায় সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, গণমাধ্যম ও এনজিও প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
বক্তারা গ্রাম আদালতকে আরও কার্যকর ও জনমুখী করতে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে দ্রুত, সহজ ও স্বল্প ব্যয়ে বিরোধ নিষ্পত্তিতে গ্রাম আদালত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এজন্য ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা এবং জনগণের সম্পৃক্ততা বাড়ানো জরুরি।
সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে ‘বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়)’ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জন্য সহজে ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি আরও জানান, দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষ গ্রাম আদালতের মাধ্যমে সহজেই বিচার পাচ্ছেন। এই কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সকল অংশীজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
সভায় গ্রাম আদালত কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত ও কার্যকর করতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা ও সুপারিশ তুলে ধরা হয়।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
কুড়িগ্রামে গ্রাম আদালত কার্যক্রম সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রচার-প্রচারণা জোরদারের লক্ষ্যে স্থানীয় অংশীজনদের নিয়ে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে কালেক্টরেট সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বি. এম. কুদরত-এ খুদা। জেলা ব্যবস্থাপক দৌলতুন্নেছার সঞ্চালনায় সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, গণমাধ্যম ও এনজিও প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
বক্তারা গ্রাম আদালতকে আরও কার্যকর ও জনমুখী করতে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে দ্রুত, সহজ ও স্বল্প ব্যয়ে বিরোধ নিষ্পত্তিতে গ্রাম আদালত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এজন্য ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা এবং জনগণের সম্পৃক্ততা বাড়ানো জরুরি।
সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে ‘বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়)’ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জন্য সহজে ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি আরও জানান, দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষ গ্রাম আদালতের মাধ্যমে সহজেই বিচার পাচ্ছেন। এই কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সকল অংশীজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
সভায় গ্রাম আদালত কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত ও কার্যকর করতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা ও সুপারিশ তুলে ধরা হয়।
