হাসানুল হক ইনু-কে ‘টেনশন না করতে’ বলা দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃপক্ষ তাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে এবং বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়।
ট্রাইব্যুনালের ডেপুটি রেজিস্টার মাহমুদুল হাসান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, ডিএমপি থেকে প্রেষণে ট্রাইব্যুনালে কর্মরত কনস্টেবল মো. জামাল হোসেন ও কনস্টেবল মো. সোলাইমান হোসেন শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ২৯ এপ্রিল একটি মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় হাজতখানায় নেওয়ার সময় আসামি ইনুর সঙ্গে তাদের কথোপকথন ভিডিও ফুটেজে ধরা পড়ে। সেখানে ‘টেনশন কইরেন না, আমরা আছি তো স্যার’—এ ধরনের মন্তব্য শৃঙ্খলাবহির্ভূত আচরণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
ট্রাইব্যুনাল বলেছে, এ ধরনের আচরণ বিচারিক পরিবেশ ও নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ আটটি অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী মামলায় ইনুর বিচার চলছে। পরবর্তী শুনানি আগামী ৪ মে ধার্য রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
হাসানুল হক ইনু-কে ‘টেনশন না করতে’ বলা দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃপক্ষ তাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে এবং বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়।
ট্রাইব্যুনালের ডেপুটি রেজিস্টার মাহমুদুল হাসান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, ডিএমপি থেকে প্রেষণে ট্রাইব্যুনালে কর্মরত কনস্টেবল মো. জামাল হোসেন ও কনস্টেবল মো. সোলাইমান হোসেন শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ২৯ এপ্রিল একটি মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় হাজতখানায় নেওয়ার সময় আসামি ইনুর সঙ্গে তাদের কথোপকথন ভিডিও ফুটেজে ধরা পড়ে। সেখানে ‘টেনশন কইরেন না, আমরা আছি তো স্যার’—এ ধরনের মন্তব্য শৃঙ্খলাবহির্ভূত আচরণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
ট্রাইব্যুনাল বলেছে, এ ধরনের আচরণ বিচারিক পরিবেশ ও নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ আটটি অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী মামলায় ইনুর বিচার চলছে। পরবর্তী শুনানি আগামী ৪ মে ধার্য রয়েছে।
