জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়) উপাচার্যের একান্ত সচিবকে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযুক্ত শিক্ষক হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. সৈয়দ নাজমুল হুদা। ভুক্তভোগী হিসেবে অভিযোগ করেছেন উপাচার্যের একান্ত সচিব মাহবুব আলম।
ঘটনাটি ঘটে বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ওই সময় অভিযুক্ত শিক্ষক ও ভুক্তভোগীকে উত্তেজিত অবস্থায় দেখা যায়।
এক পর্যায়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মাহবুব আলমের মোবাইল ফোন নিয়ে ছাত্রদলের আহ্বায়কের হাতে দেন এবং ফোনটি পরীক্ষা করতে বলেন। তবে পরবর্তীতে ফোনটি আবার ভুক্তভোগীর কাছে ফেরত দেওয়া হয়।
ঘটনার পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে।
মাহবুব আলম বলেন, তিনি প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েছেন এবং প্রশাসনই পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক ক্যাম্পাসে অনুপস্থিত রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে তার ছুটির বিষয়ে প্রশাসনের কেউ অবগত নন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
অভিযোগের বিষয়ে ড. সৈয়দ নাজমুল হুদা বলেন, ভুক্তভোগী রেকর্ডিং চালু করেছিলেন, তাই তিনি ফোনটি নিয়েছিলেন এবং পরে তা ফেরত দিতে বলেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান জানান, অভিযুক্ত শিক্ষক কোনো ছুটির আবেদন করেননি এবং তাকে আবেদন করতে বলা হয়েছে।
এদিকে সিন্ডিকেট সদস্য ড. মুহাম্মদ শাহজালাল বলেন, বিষয়টি আগে মিটমাট করা হয়েছিল এবং সেখানে কোনো মারধরের ঘটনা দেখেননি।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়) উপাচার্যের একান্ত সচিবকে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযুক্ত শিক্ষক হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. সৈয়দ নাজমুল হুদা। ভুক্তভোগী হিসেবে অভিযোগ করেছেন উপাচার্যের একান্ত সচিব মাহবুব আলম।
ঘটনাটি ঘটে বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ওই সময় অভিযুক্ত শিক্ষক ও ভুক্তভোগীকে উত্তেজিত অবস্থায় দেখা যায়।
এক পর্যায়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মাহবুব আলমের মোবাইল ফোন নিয়ে ছাত্রদলের আহ্বায়কের হাতে দেন এবং ফোনটি পরীক্ষা করতে বলেন। তবে পরবর্তীতে ফোনটি আবার ভুক্তভোগীর কাছে ফেরত দেওয়া হয়।
ঘটনার পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে।
মাহবুব আলম বলেন, তিনি প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েছেন এবং প্রশাসনই পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক ক্যাম্পাসে অনুপস্থিত রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে তার ছুটির বিষয়ে প্রশাসনের কেউ অবগত নন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
অভিযোগের বিষয়ে ড. সৈয়দ নাজমুল হুদা বলেন, ভুক্তভোগী রেকর্ডিং চালু করেছিলেন, তাই তিনি ফোনটি নিয়েছিলেন এবং পরে তা ফেরত দিতে বলেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান জানান, অভিযুক্ত শিক্ষক কোনো ছুটির আবেদন করেননি এবং তাকে আবেদন করতে বলা হয়েছে।
এদিকে সিন্ডিকেট সদস্য ড. মুহাম্মদ শাহজালাল বলেন, বিষয়টি আগে মিটমাট করা হয়েছিল এবং সেখানে কোনো মারধরের ঘটনা দেখেননি।
