চ্যালেঞ্জিং ব্যবসায়িক পরিবেশ সত্ত্বেও চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে শক্তিশালী আর্থিক অবস্থান ধরে রেখেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি।
জুলাই ২০২৫ থেকে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটি নিট মুনাফা করেছে ৬৪২ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। তবে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় মুনাফা কিছুটা কমেছে, যা মূলত ভ্যাট হার বৃদ্ধির কারণে হয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের ৫১তম সভায় তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে কোম্পানির সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হলো নগদ প্রবাহে বড় ধরনের উন্নতি। শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৩২ পয়সা, যেখানে আগের বছর একই সময়ে এটি ছিল ১ টাকা ৬৭ পয়সা ঋণাত্মক।
এই উন্নতির পেছনে রয়েছে গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ আদায় বৃদ্ধি এবং কার্যকর তারল্য ব্যবস্থাপনা।
এদিকে, রেফ্রিজারেটর ও এয়ার কন্ডিশনারসহ বিভিন্ন পণ্যে উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট ৭.৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করায় বিক্রয় ব্যয়ে চাপ তৈরি হয়েছে। তবে বাজার স্থিতিশীল রাখতে পণ্যের দাম বাড়ানো হয়নি।
আর্থিক প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ২৯ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২০ টাকা ৯০ পয়সা। একই সময়ে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) বেড়ে দাঁড়িয়েছে পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া ২৬৫ টাকা ৭০ পয়সা এবং পুনর্মূল্যায়নসহ ৩৬৬ টাকা ৮০ পয়সা।
কোম্পানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রিবেট কাঠামো পুনর্গঠন, প্রণোদনা ব্যবস্থা এবং দক্ষ ব্যয় ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে তারা বাজারের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। পাশাপাশি আগামী প্রান্তিকেও স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার আশা প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
চ্যালেঞ্জিং ব্যবসায়িক পরিবেশ সত্ত্বেও চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে শক্তিশালী আর্থিক অবস্থান ধরে রেখেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি।
জুলাই ২০২৫ থেকে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটি নিট মুনাফা করেছে ৬৪২ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। তবে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় মুনাফা কিছুটা কমেছে, যা মূলত ভ্যাট হার বৃদ্ধির কারণে হয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের ৫১তম সভায় তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে কোম্পানির সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হলো নগদ প্রবাহে বড় ধরনের উন্নতি। শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৩২ পয়সা, যেখানে আগের বছর একই সময়ে এটি ছিল ১ টাকা ৬৭ পয়সা ঋণাত্মক।
এই উন্নতির পেছনে রয়েছে গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ আদায় বৃদ্ধি এবং কার্যকর তারল্য ব্যবস্থাপনা।
এদিকে, রেফ্রিজারেটর ও এয়ার কন্ডিশনারসহ বিভিন্ন পণ্যে উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট ৭.৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করায় বিক্রয় ব্যয়ে চাপ তৈরি হয়েছে। তবে বাজার স্থিতিশীল রাখতে পণ্যের দাম বাড়ানো হয়নি।
আর্থিক প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ২৯ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২০ টাকা ৯০ পয়সা। একই সময়ে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) বেড়ে দাঁড়িয়েছে পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া ২৬৫ টাকা ৭০ পয়সা এবং পুনর্মূল্যায়নসহ ৩৬৬ টাকা ৮০ পয়সা।
কোম্পানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রিবেট কাঠামো পুনর্গঠন, প্রণোদনা ব্যবস্থা এবং দক্ষ ব্যয় ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে তারা বাজারের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। পাশাপাশি আগামী প্রান্তিকেও স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার আশা প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
