সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

জাতীয়

জুলাই যোদ্ধাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার

অসভ্য ভাষাকে প্রতিবাদের কণ্ঠ হতে দেওয়া হবে না: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

অসভ্য ভাষাকে প্রতিবাদের কণ্ঠ হতে দেওয়া হবে না: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

অশালীন ও অসভ্য ভাষাকে প্রতিবাদের মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। তিনি বলেছেন, নতুন বাংলাদেশে এমন সংস্কৃতি কোনোভাবেই প্রতিষ্ঠিত হতে দেওয়া হবে না।

রোববার (২ আগস্ট) রাজধানীর সেগুনবাগিচার কচিকাঁচার মেলা মিলনায়তনে জাগ্রত জুলাই ফোরামের আয়োজনে ‘শহীদদের আত্মত্যাগ, আমাদের দায় ও নতুন বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ইশরাক হোসেন বলেন, নতুন বাংলাদেশের ধারণা সবার কাছে ভিন্ন হতে পারে। তবে রাজনীতিবিদদের দায়িত্ব হলো জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে এক জায়গায় এনে সবার কল্যাণে কাজ করা।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ কোনো ব্যক্তি বা দলের সম্পত্তি নয়। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ কোনো একক ব্যক্তি বা দলের অর্জন নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আহত ও শহীদদের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তরের মাধ্যমে আহতদের চিকিৎসা, ব্যয়ভার, পুনর্বাসন ও অন্যান্য সহায়তা নিশ্চিত করার কাজ চলছে।

তিনি জানান, গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধাদের বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়ার বিষয়টি আইন অনুযায়ী নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে কিছু প্রতিষ্ঠানের অসহযোগিতার অভিযোগ পাওয়া গেছে, যা সমাধানে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ইশরাক বলেন, জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সহায়তা দিতে হবে। তাদের আত্মত্যাগের কারণেই দেশে গণতন্ত্রের পরিবেশ ফিরে এসেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জুলাই যোদ্ধাদের তালিকা প্রণয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তালিকা তৈরিতে কিছু ক্ষেত্রে গাফিলতি ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ সামনে এসেছে। বিষয়টি যাচাইয়ে প্রয়োজন হলে বাইরের অডিট করা যেতে পারে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, যারা এখনো গেজেটভুক্ত হতে পারেননি, তাদের জন্য আলাদা ডেস্ক চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তদন্ত শেষে যোগ্যদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

রাজনীতিতে ভাষার ব্যবহার প্রসঙ্গে ইশরাক হোসেন বলেন, সমালোচনা করা যাবে, তবে গালাগালি ও অশালীন ভাষাকে স্বাভাবিক করে তোলা যাবে না। এমন সংস্কৃতি তরুণ সমাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি বলেন, তারা একটি শ্রদ্ধাশীল, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান, যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

#জুলাইগণঅভ্যুত্থান #ইশরাকহোসেন #নতুনবাংলাদেশ

চেকপোস্ট

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬


অসভ্য ভাষাকে প্রতিবাদের কণ্ঠ হতে দেওয়া হবে না: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬

featured Image

অশালীন ও অসভ্য ভাষাকে প্রতিবাদের মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। তিনি বলেছেন, নতুন বাংলাদেশে এমন সংস্কৃতি কোনোভাবেই প্রতিষ্ঠিত হতে দেওয়া হবে না।

রোববার (২ আগস্ট) রাজধানীর সেগুনবাগিচার কচিকাঁচার মেলা মিলনায়তনে জাগ্রত জুলাই ফোরামের আয়োজনে ‘শহীদদের আত্মত্যাগ, আমাদের দায় ও নতুন বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ইশরাক হোসেন বলেন, নতুন বাংলাদেশের ধারণা সবার কাছে ভিন্ন হতে পারে। তবে রাজনীতিবিদদের দায়িত্ব হলো জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে এক জায়গায় এনে সবার কল্যাণে কাজ করা।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ কোনো ব্যক্তি বা দলের সম্পত্তি নয়। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ কোনো একক ব্যক্তি বা দলের অর্জন নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আহত ও শহীদদের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তরের মাধ্যমে আহতদের চিকিৎসা, ব্যয়ভার, পুনর্বাসন ও অন্যান্য সহায়তা নিশ্চিত করার কাজ চলছে।

তিনি জানান, গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধাদের বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়ার বিষয়টি আইন অনুযায়ী নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে কিছু প্রতিষ্ঠানের অসহযোগিতার অভিযোগ পাওয়া গেছে, যা সমাধানে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ইশরাক বলেন, জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সহায়তা দিতে হবে। তাদের আত্মত্যাগের কারণেই দেশে গণতন্ত্রের পরিবেশ ফিরে এসেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জুলাই যোদ্ধাদের তালিকা প্রণয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তালিকা তৈরিতে কিছু ক্ষেত্রে গাফিলতি ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ সামনে এসেছে। বিষয়টি যাচাইয়ে প্রয়োজন হলে বাইরের অডিট করা যেতে পারে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, যারা এখনো গেজেটভুক্ত হতে পারেননি, তাদের জন্য আলাদা ডেস্ক চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তদন্ত শেষে যোগ্যদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

রাজনীতিতে ভাষার ব্যবহার প্রসঙ্গে ইশরাক হোসেন বলেন, সমালোচনা করা যাবে, তবে গালাগালি ও অশালীন ভাষাকে স্বাভাবিক করে তোলা যাবে না। এমন সংস্কৃতি তরুণ সমাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি বলেন, তারা একটি শ্রদ্ধাশীল, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান, যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত