নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামে একাধিক বিয়ে ও তালাকের তথ্য গোপন করে প্রতারণার মাধ্যমে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে মোছা. শান্তনা বেগম নামে এক নারীর বিরুদ্ধে।
অভিযুক্ত শান্তনা বেগম চন্ডিপুর গ্রামের মৃত সাইদুর রহমানের মেয়ে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রথম স্বামী নুর আলমের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক চলাকালে শান্তনা বেগম হামিদুল নামের এক যুবককে বিয়ে করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, গত রোববার তিনি দ্বিতীয় স্বামী হামিদুলকে তালাক দিলেও সেই তথ্য গোপন রেখে তার বাড়িতে অবস্থান করেন। পরে বৃহস্পতিবার কৌশলে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নিয়ে সেখান থেকে চলে যান।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, শান্তনার এই প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে তার মা জহুরা বেগমেরও সহযোগিতা ছিল।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে শান্তনা বেগমের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
তবে তার মা জহুরা বেগম বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। আমার মেয়ে কোথায় আছে, তাও বলতে পারব না।
স্থানীয় সচেতন মহল অভিযোগটির সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
উল্লেখ্য, এ ঘটনায় উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা এখনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রমাণিত হয়নি। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামে একাধিক বিয়ে ও তালাকের তথ্য গোপন করে প্রতারণার মাধ্যমে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে মোছা. শান্তনা বেগম নামে এক নারীর বিরুদ্ধে।
অভিযুক্ত শান্তনা বেগম চন্ডিপুর গ্রামের মৃত সাইদুর রহমানের মেয়ে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রথম স্বামী নুর আলমের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক চলাকালে শান্তনা বেগম হামিদুল নামের এক যুবককে বিয়ে করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, গত রোববার তিনি দ্বিতীয় স্বামী হামিদুলকে তালাক দিলেও সেই তথ্য গোপন রেখে তার বাড়িতে অবস্থান করেন। পরে বৃহস্পতিবার কৌশলে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নিয়ে সেখান থেকে চলে যান।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, শান্তনার এই প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে তার মা জহুরা বেগমেরও সহযোগিতা ছিল।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে শান্তনা বেগমের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
তবে তার মা জহুরা বেগম বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। আমার মেয়ে কোথায় আছে, তাও বলতে পারব না।
স্থানীয় সচেতন মহল অভিযোগটির সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
উল্লেখ্য, এ ঘটনায় উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা এখনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রমাণিত হয়নি। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।
