মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে আতঙ্ক,

হবিগঞ্জে স্কুল ভবনের ছাদ ধস: অল্পের জন্য রক্ষা পেল শিক্ষার্থীরা

হবিগঞ্জে স্কুল ভবনের ছাদ ধস: অল্পের জন্য রক্ষা পেল শিক্ষার্থীরা
ছবি : চেকপোস্ট

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরাঙ্গের চক বাবুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান চলাকালে ভবনের ছাদের একটি অংশ ধসে পড়েছে। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

ঘটনার পর বিদ্যালয়জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নিরাপত্তার শঙ্কায় অনেক শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে আসা বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানিয়েছেন অভিভাবকরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রোববার (২৬ জুলাই) সকালে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চলার সময় হঠাৎ ভবনের ছাদের একটি অংশ খসে পড়ে। বিকট শব্দে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা আতঙ্কিত হয়ে দ্রুত শ্রেণিকক্ষ থেকে বেরিয়ে আসেন। তবে ছাদ ধসে পড়ার সময় ওই স্থানে কোনো শিক্ষার্থী না থাকায় বড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগেও বিদ্যালয় ভবনের বিভিন্ন অংশ থেকে পলেস্তারা ও ছাদের অংশ খসে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকলেও ভবন সংস্কার বা নতুন ভবন নির্মাণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

বিদ্যালয়ের জমিদাতা সদস্য বাবুল মিয়া বলেন, ঘটনার পর থেকে ভয়ে অনেক শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে আসছে না। দ্রুত সংস্কার বা নতুন ভবন নির্মাণ না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, হবিগঞ্জের ৯টি উপজেলায় মোট ১ হাজার ৫২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ২৫৯টি বিদ্যালয়ের ভবন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ এসব ভবনের অনেকগুলোতেই প্রায় ২৫ বছরেও নতুন ভবন নির্মাণ হয়নি।

তথ্য অনুযায়ী, জেলার ২০টি বিদ্যালয়কে অতি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব ঝুঁকিপূর্ণ ও অতি ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ে প্রায় ৩৫ হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে।

এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের প্রকৌশলগত পরীক্ষা, সংস্কার এবং প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছে।

হবিগঞ্জ সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তিনি অবগত আছেন। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ক্লাস না নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আপাতত বিদ্যালয়ের সামনে খোলা জায়গায় টিন দিয়ে অস্থায়ী শ্রেণিকক্ষ তৈরি করে পাঠদান চালানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। দ্রুত নির্মাণকাজ শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

#হবিগঞ্জ #স্কুল_ভবন_ধস #শিক্ষার্থীদের_নিরাপত্তা

চেকপোস্ট

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬


হবিগঞ্জে স্কুল ভবনের ছাদ ধস: অল্পের জন্য রক্ষা পেল শিক্ষার্থীরা

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬

featured Image

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরাঙ্গের চক বাবুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান চলাকালে ভবনের ছাদের একটি অংশ ধসে পড়েছে। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

ঘটনার পর বিদ্যালয়জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নিরাপত্তার শঙ্কায় অনেক শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে আসা বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানিয়েছেন অভিভাবকরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রোববার (২৬ জুলাই) সকালে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চলার সময় হঠাৎ ভবনের ছাদের একটি অংশ খসে পড়ে। বিকট শব্দে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা আতঙ্কিত হয়ে দ্রুত শ্রেণিকক্ষ থেকে বেরিয়ে আসেন। তবে ছাদ ধসে পড়ার সময় ওই স্থানে কোনো শিক্ষার্থী না থাকায় বড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগেও বিদ্যালয় ভবনের বিভিন্ন অংশ থেকে পলেস্তারা ও ছাদের অংশ খসে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকলেও ভবন সংস্কার বা নতুন ভবন নির্মাণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

বিদ্যালয়ের জমিদাতা সদস্য বাবুল মিয়া বলেন, ঘটনার পর থেকে ভয়ে অনেক শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে আসছে না। দ্রুত সংস্কার বা নতুন ভবন নির্মাণ না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, হবিগঞ্জের ৯টি উপজেলায় মোট ১ হাজার ৫২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ২৫৯টি বিদ্যালয়ের ভবন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ এসব ভবনের অনেকগুলোতেই প্রায় ২৫ বছরেও নতুন ভবন নির্মাণ হয়নি।

তথ্য অনুযায়ী, জেলার ২০টি বিদ্যালয়কে অতি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব ঝুঁকিপূর্ণ ও অতি ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ে প্রায় ৩৫ হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে।

এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের প্রকৌশলগত পরীক্ষা, সংস্কার এবং প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছে।

হবিগঞ্জ সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তিনি অবগত আছেন। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ক্লাস না নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আপাতত বিদ্যালয়ের সামনে খোলা জায়গায় টিন দিয়ে অস্থায়ী শ্রেণিকক্ষ তৈরি করে পাঠদান চালানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। দ্রুত নির্মাণকাজ শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত