মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

কিডনি দিয়ে ১০ লাখের প্রতিশ্রুতি, টাকা না পেয়ে দিনমজুরের মামলা

কিডনি দিয়ে ১০ লাখের প্রতিশ্রুতি, টাকা না পেয়ে দিনমজুরের মামলা
ছবি : চেকপোস্ট

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের এক দিনমজুর কিডনি দিয়ে প্রতিশ্রুত অর্থ না পাওয়ার অভিযোগে মামলা করেছেন। তার অভিযোগ, কিডনি দেওয়ার জন্য নেপালে নিয়ে গিয়ে অস্ত্রোপচার করা হলেও চুক্তি অনুযায়ী টাকা পরিশোধ করা হয়নি।

ভুক্তভোগী মন্টু মিয়া জয়পুরহাট আমলি আদালত-৫-এ মামলার আবেদন করেন। আদালতের নির্দেশে মামলাটি কালাই থানায় এফআইআর হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম।

মামলায় ৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৩-৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এজাহারে মন্টু মিয়া অভিযোগ করেন, সংসারের খরচ চালাতে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা ও স্থানীয় ব্যক্তিদের কাছ থেকে ঋণ নিয়েছিলেন তিনি। ঋণের কিস্তি পরিশোধে সমস্যায় পড়লে স্থানীয় কয়েকজন তাকে কিডনি দেওয়ার প্রস্তাব দেন।

তার অভিযোগ, তাকে বলা হয়েছিল ঢাকার এক নারীর কিডনি নষ্ট হয়েছে এবং তার জন্য ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে কিডনি প্রয়োজন। প্রস্তাবে রাজি হওয়ার পর আসামিরা তাকে ঢাকায় নিয়ে পাসপোর্ট তৈরি করে দেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারির শুরুতে তাকে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। পরে ভারত হয়ে নেপালে নিয়ে গিয়ে একটি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার একটি কিডনি নেওয়া হয়।

মন্টুর দাবি, দেশে ফিরিয়ে আনার পর প্রতিশ্রুত বাকি ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা আর দেওয়া হয়নি। স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে টাকা দাবি করলেও আসামিরা তা অস্বীকার করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ ঘটনায় মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইনে মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কালাই থানার ওসি রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

#কিডনি_প্রতারণা #মানব_অঙ্গ_পাচার #জয়পুরহাট_মামলা

চেকপোস্ট

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬


কিডনি দিয়ে ১০ লাখের প্রতিশ্রুতি, টাকা না পেয়ে দিনমজুরের মামলা

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬

featured Image

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের এক দিনমজুর কিডনি দিয়ে প্রতিশ্রুত অর্থ না পাওয়ার অভিযোগে মামলা করেছেন। তার অভিযোগ, কিডনি দেওয়ার জন্য নেপালে নিয়ে গিয়ে অস্ত্রোপচার করা হলেও চুক্তি অনুযায়ী টাকা পরিশোধ করা হয়নি।

ভুক্তভোগী মন্টু মিয়া জয়পুরহাট আমলি আদালত-৫-এ মামলার আবেদন করেন। আদালতের নির্দেশে মামলাটি কালাই থানায় এফআইআর হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম।

মামলায় ৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৩-৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এজাহারে মন্টু মিয়া অভিযোগ করেন, সংসারের খরচ চালাতে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা ও স্থানীয় ব্যক্তিদের কাছ থেকে ঋণ নিয়েছিলেন তিনি। ঋণের কিস্তি পরিশোধে সমস্যায় পড়লে স্থানীয় কয়েকজন তাকে কিডনি দেওয়ার প্রস্তাব দেন।

তার অভিযোগ, তাকে বলা হয়েছিল ঢাকার এক নারীর কিডনি নষ্ট হয়েছে এবং তার জন্য ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে কিডনি প্রয়োজন। প্রস্তাবে রাজি হওয়ার পর আসামিরা তাকে ঢাকায় নিয়ে পাসপোর্ট তৈরি করে দেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারির শুরুতে তাকে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। পরে ভারত হয়ে নেপালে নিয়ে গিয়ে একটি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার একটি কিডনি নেওয়া হয়।

মন্টুর দাবি, দেশে ফিরিয়ে আনার পর প্রতিশ্রুত বাকি ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা আর দেওয়া হয়নি। স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে টাকা দাবি করলেও আসামিরা তা অস্বীকার করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ ঘটনায় মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইনে মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কালাই থানার ওসি রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত