শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

বিশ্ব

যুদ্ধবিরতি ও গাজা পুনর্গঠনের

সেনা প্রত্যাহার ছাড়া অস্ত্র ছাড়বে না হামাস

সেনা প্রত্যাহার ছাড়া অস্ত্র ছাড়বে না হামাস
ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস। ছবি : সংগৃহীত

গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত অস্ত্র সমর্পণ করবে না বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, কাতার, তুরস্ক ও মিশরের মধ্যস্থতায় আলোচনার পর নিরস্ত্রীকরণ ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট করেছে হামাস।

হামাসের অন্যতম মুখপাত্র ও আলোচক দলের সদস্য গাজী হামাদ বলেন, গাজা যুদ্ধবিরতির সম্ভাব্য চুক্তি শুধু অস্ত্র সমর্পণের বিষয় নয়, এটি একটি ‘সমন্বিত প্যাকেজ’।

তিনি জানান, প্রস্তাবিত চুক্তিতে রয়েছে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান বন্ধ, গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার, একটি জাতীয় কমিটি গঠন, আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েন এবং গাজার পুনর্গঠন।

ভারী অস্ত্রের বিষয়ে গাজী হামাদ বলেন, হামাস জাতীয় কমিটির তত্ত্বাবধানে অস্ত্র রাখার বিষয়ে প্রস্তুত রয়েছে। তবে এর আগে কয়েকটি শর্ত পূরণ করতে হবে।

হামাসের শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপ বাস্তবায়ন, গাজা থেকে ধাপে ধাপে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার, জাতীয় কমিটির কার্যক্রম শুরু, আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েন এবং অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর নিরস্ত্রীকরণ।

গাজী হামাদ আরও বলেন, ফিলিস্তিনি জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই তারা আলোচনায় কিছু ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাদের মূল লক্ষ্য হলো গাজাবাসীকে চলমান সংঘাত ও ক্ষতিকর পরিস্থিতি থেকে রক্ষা করা।

#গাজা_যুদ্ধ #হামাস #ইসরায়েল_ফিলিস্তিন

চেকপোস্ট

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬


সেনা প্রত্যাহার ছাড়া অস্ত্র ছাড়বে না হামাস

প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬

featured Image

গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত অস্ত্র সমর্পণ করবে না বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, কাতার, তুরস্ক ও মিশরের মধ্যস্থতায় আলোচনার পর নিরস্ত্রীকরণ ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট করেছে হামাস।

হামাসের অন্যতম মুখপাত্র ও আলোচক দলের সদস্য গাজী হামাদ বলেন, গাজা যুদ্ধবিরতির সম্ভাব্য চুক্তি শুধু অস্ত্র সমর্পণের বিষয় নয়, এটি একটি ‘সমন্বিত প্যাকেজ’।

তিনি জানান, প্রস্তাবিত চুক্তিতে রয়েছে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান বন্ধ, গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার, একটি জাতীয় কমিটি গঠন, আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েন এবং গাজার পুনর্গঠন।

ভারী অস্ত্রের বিষয়ে গাজী হামাদ বলেন, হামাস জাতীয় কমিটির তত্ত্বাবধানে অস্ত্র রাখার বিষয়ে প্রস্তুত রয়েছে। তবে এর আগে কয়েকটি শর্ত পূরণ করতে হবে।

হামাসের শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপ বাস্তবায়ন, গাজা থেকে ধাপে ধাপে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার, জাতীয় কমিটির কার্যক্রম শুরু, আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েন এবং অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর নিরস্ত্রীকরণ।

গাজী হামাদ আরও বলেন, ফিলিস্তিনি জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই তারা আলোচনায় কিছু ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাদের মূল লক্ষ্য হলো গাজাবাসীকে চলমান সংঘাত ও ক্ষতিকর পরিস্থিতি থেকে রক্ষা করা।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত