স্পেনের উত্তর আফ্রিকান ভূখণ্ড সেউতায় গত ২৪ ঘণ্টায় সমুদ্র ও স্থলপথে প্রায় ৫০ হাজার অভিবাসী প্রবেশ করেছে। নজিরবিহীন এই ঘটনায় সীমান্ত ব্যবস্থাপনা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক অনুমানে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মরক্কো সীমান্ত পেরিয়ে ৪৯ হাজারের বেশি মানুষ সেউতায় প্রবেশ করেছে। ঝুঁকিপূর্ণ এই যাত্রায় সমুদ্র থেকে অন্তত ১৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, এক দিনে এত বিপুল সংখ্যক মানুষের সীমান্ত অতিক্রম ইউরোপীয় সীমান্ত নিরাপত্তার ইতিহাসে বিরল ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় ইউরোপজুড়ে নতুন করে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সংকট তৈরি হয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া, নিরাপত্তা বাহিনী ও জলকামান মোতায়েন করেছে স্পেন ও মরক্কো। সীমান্ত এলাকায় অভিবাসী ও নিরাপত্তারক্ষীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।
স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফার্নান্দো গ্র্যান্ডে-মারলাস্কা জরুরি বৈঠকের জন্য সেউতা সফরে যাচ্ছেন। তারা স্থানীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন।
মরক্কোর কাছাকাছি অবস্থিত সেউতা ও মেলিলা হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের আফ্রিকার সঙ্গে একমাত্র স্থল সীমান্ত। দীর্ঘদিন ধরে ইউরোপে প্রবেশের আশায় থাকা অভিবাসীদের জন্য এই দুটি এলাকা গুরুত্বপূর্ণ রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
সীমান্ত পরিস্থিতি সামাল দিতে মরক্কো কর্তৃপক্ষ ভারী জলকামানবাহী যান মোতায়েন করেছে। সংঘর্ষের সময় একটি যাত্রীবাহী বাস ও অন্তত সাতটি ব্যক্তিগত গাড়ি আগুনে পুড়ে যায় বলে জানা গেছে।

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬
স্পেনের উত্তর আফ্রিকান ভূখণ্ড সেউতায় গত ২৪ ঘণ্টায় সমুদ্র ও স্থলপথে প্রায় ৫০ হাজার অভিবাসী প্রবেশ করেছে। নজিরবিহীন এই ঘটনায় সীমান্ত ব্যবস্থাপনা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক অনুমানে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মরক্কো সীমান্ত পেরিয়ে ৪৯ হাজারের বেশি মানুষ সেউতায় প্রবেশ করেছে। ঝুঁকিপূর্ণ এই যাত্রায় সমুদ্র থেকে অন্তত ১৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, এক দিনে এত বিপুল সংখ্যক মানুষের সীমান্ত অতিক্রম ইউরোপীয় সীমান্ত নিরাপত্তার ইতিহাসে বিরল ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় ইউরোপজুড়ে নতুন করে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সংকট তৈরি হয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া, নিরাপত্তা বাহিনী ও জলকামান মোতায়েন করেছে স্পেন ও মরক্কো। সীমান্ত এলাকায় অভিবাসী ও নিরাপত্তারক্ষীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।
স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফার্নান্দো গ্র্যান্ডে-মারলাস্কা জরুরি বৈঠকের জন্য সেউতা সফরে যাচ্ছেন। তারা স্থানীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন।
মরক্কোর কাছাকাছি অবস্থিত সেউতা ও মেলিলা হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের আফ্রিকার সঙ্গে একমাত্র স্থল সীমান্ত। দীর্ঘদিন ধরে ইউরোপে প্রবেশের আশায় থাকা অভিবাসীদের জন্য এই দুটি এলাকা গুরুত্বপূর্ণ রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
সীমান্ত পরিস্থিতি সামাল দিতে মরক্কো কর্তৃপক্ষ ভারী জলকামানবাহী যান মোতায়েন করেছে। সংঘর্ষের সময় একটি যাত্রীবাহী বাস ও অন্তত সাতটি ব্যক্তিগত গাড়ি আগুনে পুড়ে যায় বলে জানা গেছে।
