কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় এইচএসসি পরীক্ষার তিনটি কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা অনুপস্থিত থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে অন্য দপ্তরের কর্মকর্তাদের ফোনে ডেকে দায়িত্ব দিয়ে পরীক্ষা পরিচালনা করা হয়েছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা বিষয়ের পরীক্ষার দিন এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, নাগেশ্বরী সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ট্যাগ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন। তবে তিনি ছুটিতে থাকায় সকালে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম প্রশ্নপত্র সরবরাহ করেন। পরে পরীক্ষা শুরুর প্রায় আধা ঘণ্টা পর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জামাল হোসেনকে মুঠোফোনে ডেকে এনে ওই কেন্দ্রের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
জামাল হোসেন জানান, তিনি মূলত কচাকাটা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রের ট্যাগ কর্মকর্তা ছিলেন। অফিসে প্রতিবন্ধী জরিপের কাজ থাকায় ছুটিতে ছিলেন। পরে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার অনুরোধে নাগেশ্বরী সরকারি কলেজ কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করেন। তবে তার অনুপস্থিতিতে কচাকাটা কেন্দ্রে কাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, তা তিনি জানেন না।
তিনি আরও বলেন, প্রথমে দায়িত্ব নিতে অপারগতা প্রকাশ করলেও পরে অনুরোধের পর কেন্দ্রে গিয়ে দায়িত্ব পালন করেন।
এদিকে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন জানান, তিনি পূর্বনির্ধারিত ছুটিতে ছিলেন এবং বিষয়টি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে আগেই অবহিত করেছিলেন।
নাগেশ্বরী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ড. আনোয়ার হোসেন মণ্ডল বলেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছুটিতে থাকায় পরে যিনি দায়িত্ব নিতে আসেন, তাকে নিয়োগপত্র সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, কোনো লিখিত চিঠি হয়নি। তবে পরীক্ষা ইতোমধ্যে শুরু হয়ে যাওয়ায় সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করাই ছিল তাদের প্রধান লক্ষ্য।
অন্যদিকে, নাগেশ্বরী মহিলা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন প্রশিক্ষণে থাকায় সেখানে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম দায়িত্ব পালন করেন বলে জানান কলেজটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জালাল হোসেন।
কচাকাটা ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম বলেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অনুপস্থিত থাকায় পরে ফোনে পাঠানো দুই কর্মকর্তা কেন্দ্রে এসে দায়িত্ব পালন করেন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম বলেন, উপজেলায় পরীক্ষাকেন্দ্রের তুলনায় পর্যাপ্ত কর্মকর্তা না থাকায় জরুরি পরিস্থিতিতে তিনি নিজ উদ্যোগে কয়েকজন সহকারী কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কোনো নির্দেশনা ছিল না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় এইচএসসি পরীক্ষার তিনটি কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা অনুপস্থিত থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে অন্য দপ্তরের কর্মকর্তাদের ফোনে ডেকে দায়িত্ব দিয়ে পরীক্ষা পরিচালনা করা হয়েছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা বিষয়ের পরীক্ষার দিন এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, নাগেশ্বরী সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ট্যাগ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন। তবে তিনি ছুটিতে থাকায় সকালে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম প্রশ্নপত্র সরবরাহ করেন। পরে পরীক্ষা শুরুর প্রায় আধা ঘণ্টা পর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জামাল হোসেনকে মুঠোফোনে ডেকে এনে ওই কেন্দ্রের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
জামাল হোসেন জানান, তিনি মূলত কচাকাটা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রের ট্যাগ কর্মকর্তা ছিলেন। অফিসে প্রতিবন্ধী জরিপের কাজ থাকায় ছুটিতে ছিলেন। পরে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার অনুরোধে নাগেশ্বরী সরকারি কলেজ কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করেন। তবে তার অনুপস্থিতিতে কচাকাটা কেন্দ্রে কাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, তা তিনি জানেন না।
তিনি আরও বলেন, প্রথমে দায়িত্ব নিতে অপারগতা প্রকাশ করলেও পরে অনুরোধের পর কেন্দ্রে গিয়ে দায়িত্ব পালন করেন।
এদিকে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন জানান, তিনি পূর্বনির্ধারিত ছুটিতে ছিলেন এবং বিষয়টি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে আগেই অবহিত করেছিলেন।
নাগেশ্বরী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ড. আনোয়ার হোসেন মণ্ডল বলেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছুটিতে থাকায় পরে যিনি দায়িত্ব নিতে আসেন, তাকে নিয়োগপত্র সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, কোনো লিখিত চিঠি হয়নি। তবে পরীক্ষা ইতোমধ্যে শুরু হয়ে যাওয়ায় সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করাই ছিল তাদের প্রধান লক্ষ্য।
অন্যদিকে, নাগেশ্বরী মহিলা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন প্রশিক্ষণে থাকায় সেখানে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম দায়িত্ব পালন করেন বলে জানান কলেজটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জালাল হোসেন।
কচাকাটা ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম বলেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অনুপস্থিত থাকায় পরে ফোনে পাঠানো দুই কর্মকর্তা কেন্দ্রে এসে দায়িত্ব পালন করেন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম বলেন, উপজেলায় পরীক্ষাকেন্দ্রের তুলনায় পর্যাপ্ত কর্মকর্তা না থাকায় জরুরি পরিস্থিতিতে তিনি নিজ উদ্যোগে কয়েকজন সহকারী কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কোনো নির্দেশনা ছিল না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
