গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার কুশলী ইউনিয়নে কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি পাটবীজ বাড়ির পেছনে পড়ে থাকার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা কৃষি বিভাগ তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছে।
অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন কুশলী ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ফায়েক শেখ। স্থানীয়দের দাবি, তার বাড়ির পেছনে সরকারি পাটবীজের একাধিক প্যাকেট পড়ে থাকতে দেখা গেছে। এসব বীজ কৃষকদের মাঝে বিতরণ না করে ফেলে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি সদস্য ফায়েক শেখ বলেন, তার কাছে ৬০ জন কৃষকের জন্য পাটবীজ বরাদ্দ ছিল। বরাদ্দের চেয়েও বেশি কৃষকের মধ্যে তিনি বীজ বিতরণ করেছেন। বাড়ির পেছনে থাকা কিছু বীজ গত বছরের এবং কিছু চলতি বছরের নষ্ট বীজ হতে পারে বলেও দাবি করেন তিনি। কীভাবে এত বীজ সেখানে জমা হয়েছে, তা তিনি জানেন না বলে জানান।
কুশলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইশতিয়াক হোসেন বলেন, সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য একাধিকবার তার কাছ থেকে সরকারি পাটবীজ নিয়েছেন। তবে সেগুলো সঠিকভাবে কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে কি না, তা তার জানা নেই। তদন্তে অনিয়ম প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাকিব ইসলাম জানান, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে। বীজগুলো কেন বাড়ির পেছনে পড়ে ছিল এবং এর পেছনে কোনো অনিয়ম রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, সরকারি কৃষি সহায়তা প্রকৃত কৃষকদের কাছে না পৌঁছে অপচয়ের শিকার হয়েছে। তারা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে স্থানীয় এক কৃষকের পরিবারের পক্ষ থেকেও অভিযোগ করা হয়েছে, প্রকৃত কৃষকরা সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তবে এসব অভিযোগ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রমাণিত হয়নি।
উপজেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, তদন্ত শেষে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার কুশলী ইউনিয়নে কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি পাটবীজ বাড়ির পেছনে পড়ে থাকার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা কৃষি বিভাগ তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছে।
অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন কুশলী ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ফায়েক শেখ। স্থানীয়দের দাবি, তার বাড়ির পেছনে সরকারি পাটবীজের একাধিক প্যাকেট পড়ে থাকতে দেখা গেছে। এসব বীজ কৃষকদের মাঝে বিতরণ না করে ফেলে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি সদস্য ফায়েক শেখ বলেন, তার কাছে ৬০ জন কৃষকের জন্য পাটবীজ বরাদ্দ ছিল। বরাদ্দের চেয়েও বেশি কৃষকের মধ্যে তিনি বীজ বিতরণ করেছেন। বাড়ির পেছনে থাকা কিছু বীজ গত বছরের এবং কিছু চলতি বছরের নষ্ট বীজ হতে পারে বলেও দাবি করেন তিনি। কীভাবে এত বীজ সেখানে জমা হয়েছে, তা তিনি জানেন না বলে জানান।
কুশলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইশতিয়াক হোসেন বলেন, সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য একাধিকবার তার কাছ থেকে সরকারি পাটবীজ নিয়েছেন। তবে সেগুলো সঠিকভাবে কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে কি না, তা তার জানা নেই। তদন্তে অনিয়ম প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাকিব ইসলাম জানান, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে। বীজগুলো কেন বাড়ির পেছনে পড়ে ছিল এবং এর পেছনে কোনো অনিয়ম রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, সরকারি কৃষি সহায়তা প্রকৃত কৃষকদের কাছে না পৌঁছে অপচয়ের শিকার হয়েছে। তারা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে স্থানীয় এক কৃষকের পরিবারের পক্ষ থেকেও অভিযোগ করা হয়েছে, প্রকৃত কৃষকরা সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তবে এসব অভিযোগ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রমাণিত হয়নি।
উপজেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, তদন্ত শেষে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
