সদর উপজেলায় মোবাইল কোর্ট অভিযানে মাদকাসক্ত চার যুবককে গ্রেফতার করেছে প্রশাসন। বুধবার (১০ জুন) দিনব্যাপী এই অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শরীফুল ইসলাম। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ‘খ’ সার্কেলের সমন্বয়ে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে ইয়াবা ১টি এবং ৫ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনাস্থলেই জব্দকৃত মাদক ধ্বংস করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন
হাবীব মিয়া (২১), বড়পাড়া এলাকার মৃত আবুল মিয়ার ছেলে;
মো. ফখরুল আলম রিংকু (৩৮), উকিলপাড়া এলাকার মৃত হাজী আলী হায়দারের ছেলে;
নুর আলম (২২), বড়পাড়া এলাকার তাজুল ইসলামের ছেলে;
এবং মো. তাহমিদ উল বকস তাসিন, জামাইপাড়া এলাকার মো. নানু মিয়ার ছেলে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আতাউর রহমান সজিব জানান, আসামীদের কাছ থেকে ইয়াবা ও গাঁজা জব্দ করে তা ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়।
মাদক সেবনের দায়ে আদালত হাবীব মিয়াকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা জরিমানা, ফখরুল ইসলামকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা জরিমানা, এবং নুর আলম ও তাহমিদ উল বকসকে ১০ দিন করে কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা করে জরিমানা প্রদান করেন।
পরবর্তীতে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আসামীদের সুনামগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
সদর উপজেলায় মোবাইল কোর্ট অভিযানে মাদকাসক্ত চার যুবককে গ্রেফতার করেছে প্রশাসন। বুধবার (১০ জুন) দিনব্যাপী এই অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শরীফুল ইসলাম। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ‘খ’ সার্কেলের সমন্বয়ে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে ইয়াবা ১টি এবং ৫ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনাস্থলেই জব্দকৃত মাদক ধ্বংস করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন
হাবীব মিয়া (২১), বড়পাড়া এলাকার মৃত আবুল মিয়ার ছেলে;
মো. ফখরুল আলম রিংকু (৩৮), উকিলপাড়া এলাকার মৃত হাজী আলী হায়দারের ছেলে;
নুর আলম (২২), বড়পাড়া এলাকার তাজুল ইসলামের ছেলে;
এবং মো. তাহমিদ উল বকস তাসিন, জামাইপাড়া এলাকার মো. নানু মিয়ার ছেলে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আতাউর রহমান সজিব জানান, আসামীদের কাছ থেকে ইয়াবা ও গাঁজা জব্দ করে তা ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়।
মাদক সেবনের দায়ে আদালত হাবীব মিয়াকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা জরিমানা, ফখরুল ইসলামকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা জরিমানা, এবং নুর আলম ও তাহমিদ উল বকসকে ১০ দিন করে কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা করে জরিমানা প্রদান করেন।
পরবর্তীতে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আসামীদের সুনামগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
