বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

বিশ্ব

ভাইরাল ভিডিও

ইরানি ড্রোনে ইয়ামালের ছবি, মার্কিন ঘাঁটি ঘিরে চাঞ্চল্য

ইরানি ড্রোনে ইয়ামালের ছবি, মার্কিন ঘাঁটি ঘিরে চাঞ্চল্য
ইরানের ‘শাহেদ’ ড্রোনে ফিলিস্তিনি পতাকা হাতে স্প্যানিশ ফুটবল তারকা লামিন ইয়ামাল। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

স্পেনের তরুণ ফুটবল তারকা লামিন ইয়ামালের ছবি এবার মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক উত্তেজনার আলোচনায় উঠে এসেছে। মার্কিন সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে হামলার আগে একটি ইরানি ‘শাহেদ’ ড্রোনের গায়ে ইয়ামালের ফিলিস্তিন পতাকাসহ ছবি দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম প্রেস টিভির অফিসিয়াল টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত একটি ভিডিও ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

ভিডিওতে দেখা যায়, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) একটি দূরপাল্লার আত্মঘাতী ‘শাহেদ’ ড্রোন উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ড্রোনটির সামনের অংশে স্প্যানিশ ফুটবলার লামিন ইয়ামালের একটি ছবি লাগানো রয়েছে বলে ভিডিওতে দেখা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ছবিতে ইয়ামালকে ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে দেখা যাচ্ছে। গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতির প্রতীক হিসেবেই ড্রোনে তার ছবি ব্যবহার করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

বিশ্বকাপ জয়ের পর ইয়ামালকে ঘিরে ফিলিস্তিনিদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যায়। এর আগেও ফিলিস্তিন ইস্যুতে নিজের অবস্থান প্রকাশ করেছিলেন এই তরুণ ফুটবল তারকা।

এদিকে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়ামালের অবস্থানের সমালোচনা করে অভিযোগ করেছিলেন, তিনি ইসরায়েলবিরোধী মনোভাব উসকে দিচ্ছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ইয়ামালের মত প্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নেন।

গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই স্পেন ও ইসরায়েলের কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি ঘটে। ২০২৪ সালে স্পেন ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইয়ামালের ছবি ব্যবহার করে প্রকাশিত এই ভিডিও সামরিক বার্তার পাশাপাশি একটি রাজনৈতিক প্রতীক হিসেবেও আলোচনায় এসেছে।

#মধ্যপ্রাচ্যসংঘাত #লামিনইয়ামাল #ইরানড্রোন

চেকপোস্ট

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬


ইরানি ড্রোনে ইয়ামালের ছবি, মার্কিন ঘাঁটি ঘিরে চাঞ্চল্য

প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬

featured Image

স্পেনের তরুণ ফুটবল তারকা লামিন ইয়ামালের ছবি এবার মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক উত্তেজনার আলোচনায় উঠে এসেছে। মার্কিন সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে হামলার আগে একটি ইরানি ‘শাহেদ’ ড্রোনের গায়ে ইয়ামালের ফিলিস্তিন পতাকাসহ ছবি দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম প্রেস টিভির অফিসিয়াল টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত একটি ভিডিও ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

ভিডিওতে দেখা যায়, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) একটি দূরপাল্লার আত্মঘাতী ‘শাহেদ’ ড্রোন উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ড্রোনটির সামনের অংশে স্প্যানিশ ফুটবলার লামিন ইয়ামালের একটি ছবি লাগানো রয়েছে বলে ভিডিওতে দেখা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ছবিতে ইয়ামালকে ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে দেখা যাচ্ছে। গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতির প্রতীক হিসেবেই ড্রোনে তার ছবি ব্যবহার করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

বিশ্বকাপ জয়ের পর ইয়ামালকে ঘিরে ফিলিস্তিনিদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যায়। এর আগেও ফিলিস্তিন ইস্যুতে নিজের অবস্থান প্রকাশ করেছিলেন এই তরুণ ফুটবল তারকা।

এদিকে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়ামালের অবস্থানের সমালোচনা করে অভিযোগ করেছিলেন, তিনি ইসরায়েলবিরোধী মনোভাব উসকে দিচ্ছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ইয়ামালের মত প্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নেন।

গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই স্পেন ও ইসরায়েলের কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি ঘটে। ২০২৪ সালে স্পেন ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইয়ামালের ছবি ব্যবহার করে প্রকাশিত এই ভিডিও সামরিক বার্তার পাশাপাশি একটি রাজনৈতিক প্রতীক হিসেবেও আলোচনায় এসেছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত