সড়ক দুর্ঘটনা ও হতাহতের হার কমাতে সরকার বিভিন্ন কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী। জাতীয় সংসদে এক লিখিত উত্তরে তিনি জানান, সড়ক পরিবহন আইন ও বিধিমালার আওতায় ইতোমধ্যে ‘মোটরযান গতিসীমা নির্দেশিকা, ২০২৪’ জারি করা হয়েছে।
এই নির্দেশিকার মাধ্যমে মহাসড়কসহ বিভিন্ন সড়কে সর্বোচ্চ গতিসীমা নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। একই সঙ্গে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে নিয়মিত মনিটরিং চালাচ্ছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর।
মন্ত্রী আরও জানান, ঝুঁকি কমাতে বিভিন্ন স্থানে স্পিড লিমিট সাইন, রাম্বল স্ট্রিপ, মিডিয়ান ও চ্যানেলাইজেশন ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি আইটিএস (ইন্টেলিজেন্ট ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম) প্রযুক্তির মাধ্যমে গতিসীমা লঙ্ঘনকারী যানবাহন শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এছাড়া হাইওয়ে পুলিশ, বিআরটিএ ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে সড়কে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা বা ‘ব্ল্যাক স্পট’ চিহ্নিত করে সেখানে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
সড়ক দুর্ঘটনা ও হতাহতের হার কমাতে সরকার বিভিন্ন কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী। জাতীয় সংসদে এক লিখিত উত্তরে তিনি জানান, সড়ক পরিবহন আইন ও বিধিমালার আওতায় ইতোমধ্যে ‘মোটরযান গতিসীমা নির্দেশিকা, ২০২৪’ জারি করা হয়েছে।
এই নির্দেশিকার মাধ্যমে মহাসড়কসহ বিভিন্ন সড়কে সর্বোচ্চ গতিসীমা নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। একই সঙ্গে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে নিয়মিত মনিটরিং চালাচ্ছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর।
মন্ত্রী আরও জানান, ঝুঁকি কমাতে বিভিন্ন স্থানে স্পিড লিমিট সাইন, রাম্বল স্ট্রিপ, মিডিয়ান ও চ্যানেলাইজেশন ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি আইটিএস (ইন্টেলিজেন্ট ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম) প্রযুক্তির মাধ্যমে গতিসীমা লঙ্ঘনকারী যানবাহন শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এছাড়া হাইওয়ে পুলিশ, বিআরটিএ ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে সড়কে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা বা ‘ব্ল্যাক স্পট’ চিহ্নিত করে সেখানে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
