মানিকগঞ্জের আলোচিত মা-ছেলে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রধান আসামিসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তাররা হলেন প্রধান আসামি মো. ইউসুফ মোল্লা (৪২) এবং হত্যাকাণ্ডের সহযোগী ও পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত মো. সুমন হোসেন (২৩)।
বুধবার (৩ জুন) মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম (বিপিএম-সেবা) এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ মে রাত আনুমানিক ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে দৌলতপুর উপজেলার বাচামারা ইউনিয়নের কাচারীপাড়া গ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। এতে নিহত হন আমেনা খাতুন ও তার ১৫ মাস বয়সী ছেলে আসলাম হোসেন আসাদ। হামলায় গুরুতর আহত হন পরিবারের প্রধান আব্দুস সালাম মোল্লা।
তদন্তে জানা যায়, দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধের কারণে ইউসুফ মোল্লা তার বড় ভাইকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। ঘটনার রাতে বড় ভাই বাড়ি ফেরার পর প্রথমে ঘরে প্রবেশ করে ভাবি ও ভাতিজার ওপর হামলা চালানো হয়। হাতুড়ির আঘাতে ঘটনাস্থলেই মা ও ছেলের মৃত্যু হয়।
পুলিশ সুপার জানান, মূল লক্ষ্য ছিল বড় ভাইকে হত্যা করা। তবে হামলার সময় নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়ে ভাবি ও শিশুর মৃত্যু ঘটে। পরে বড় ভাইও গুরুতর আহত হন।
ঘটনার পর ৩১ মে দৌলতপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরে জেলা গোয়েন্দা শাখার নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করা হয়।
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২ জুন রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা মহানগরের শাহ আলী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিবি পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইউসুফ মোল্লা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন এবং সুমন হোসেন পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত ছিলেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
পুলিশ আরও জানায়, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি হাতুড়ি উদ্ধার করা হয়েছে এবং আরও দুইজন সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গ্রেপ্তারদের আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
মানিকগঞ্জের আলোচিত মা-ছেলে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রধান আসামিসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তাররা হলেন প্রধান আসামি মো. ইউসুফ মোল্লা (৪২) এবং হত্যাকাণ্ডের সহযোগী ও পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত মো. সুমন হোসেন (২৩)।
বুধবার (৩ জুন) মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম (বিপিএম-সেবা) এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ মে রাত আনুমানিক ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে দৌলতপুর উপজেলার বাচামারা ইউনিয়নের কাচারীপাড়া গ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। এতে নিহত হন আমেনা খাতুন ও তার ১৫ মাস বয়সী ছেলে আসলাম হোসেন আসাদ। হামলায় গুরুতর আহত হন পরিবারের প্রধান আব্দুস সালাম মোল্লা।
তদন্তে জানা যায়, দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধের কারণে ইউসুফ মোল্লা তার বড় ভাইকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। ঘটনার রাতে বড় ভাই বাড়ি ফেরার পর প্রথমে ঘরে প্রবেশ করে ভাবি ও ভাতিজার ওপর হামলা চালানো হয়। হাতুড়ির আঘাতে ঘটনাস্থলেই মা ও ছেলের মৃত্যু হয়।
পুলিশ সুপার জানান, মূল লক্ষ্য ছিল বড় ভাইকে হত্যা করা। তবে হামলার সময় নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়ে ভাবি ও শিশুর মৃত্যু ঘটে। পরে বড় ভাইও গুরুতর আহত হন।
ঘটনার পর ৩১ মে দৌলতপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরে জেলা গোয়েন্দা শাখার নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করা হয়।
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২ জুন রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা মহানগরের শাহ আলী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিবি পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইউসুফ মোল্লা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন এবং সুমন হোসেন পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত ছিলেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
পুলিশ আরও জানায়, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি হাতুড়ি উদ্ধার করা হয়েছে এবং আরও দুইজন সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গ্রেপ্তারদের আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
