নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের দোলাপাড়া এলাকায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে বিএনপি নেতা রেজাউল করিম (৪৪) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর এলাকায় শোক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে বুধবার (৩ জুন) বিকেলে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়।
রেজাউল করিম মাগুড়া দোলাপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল ওহাবের ছেলে এবং মাগুড়া ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।
জানা যায়, গত সোমবার (১ জুন) বিকেলে তিনি তার ফুফার বাড়িতে দাওয়াতে গেলে সেখানে পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হন। হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার রাতে তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার কারণে ওই এলাকার একাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রেজাউল করিমের ওপর হামলা চালায়। এতে তার মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। বুধবার বিকেলে মরদেহ রেখে হাজার হাজার নারী-পুরুষ বিক্ষোভ ও মানববন্ধনে অংশ নেন।
পরে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, মাগুড়া ইউনিয়ন বিএনপির ৬ নং ওয়ার্ড সভাপতি জাহেদুল ইসলাম, সেক্রেটারি এনামুল হক ও সমাজসেবক শাহ মুরাদ রুবেলসহ অনেকে। তারা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানান এবং কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।
পরবর্তীতে জানাযা পূর্ব সমাবেশে বক্তব্য দেন মাগুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান মিঠু ও সাবেক চেয়ারম্যান মাহামুদুল হোসেন শিহাব। জানাযা শেষে রেজাউল করিমকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ থানার ওসি লুৎফর রহমান জানান, ঘটনার পর একটি হত্যা মামলা (মামলা নং ১/২৬) দায়ের করা হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের দোলাপাড়া এলাকায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে বিএনপি নেতা রেজাউল করিম (৪৪) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর এলাকায় শোক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে বুধবার (৩ জুন) বিকেলে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়।
রেজাউল করিম মাগুড়া দোলাপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল ওহাবের ছেলে এবং মাগুড়া ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।
জানা যায়, গত সোমবার (১ জুন) বিকেলে তিনি তার ফুফার বাড়িতে দাওয়াতে গেলে সেখানে পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হন। হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার রাতে তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার কারণে ওই এলাকার একাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রেজাউল করিমের ওপর হামলা চালায়। এতে তার মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। বুধবার বিকেলে মরদেহ রেখে হাজার হাজার নারী-পুরুষ বিক্ষোভ ও মানববন্ধনে অংশ নেন।
পরে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, মাগুড়া ইউনিয়ন বিএনপির ৬ নং ওয়ার্ড সভাপতি জাহেদুল ইসলাম, সেক্রেটারি এনামুল হক ও সমাজসেবক শাহ মুরাদ রুবেলসহ অনেকে। তারা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানান এবং কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।
পরবর্তীতে জানাযা পূর্ব সমাবেশে বক্তব্য দেন মাগুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান মিঠু ও সাবেক চেয়ারম্যান মাহামুদুল হোসেন শিহাব। জানাযা শেষে রেজাউল করিমকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ থানার ওসি লুৎফর রহমান জানান, ঘটনার পর একটি হত্যা মামলা (মামলা নং ১/২৬) দায়ের করা হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
