গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের ৫১ জন নেতাকর্মী দলীয় পদ, সদস্যপদ ও সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।
রোববার (২ আগস্ট) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মুকসুদপুর পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পৃথক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তারা পদত্যাগের বিষয়টি জানান।
পদত্যাগকারীদের মধ্যে মুকসুদপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক বিল্লাল মোল্লা, সদস্য পলাশ মোল্লাসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা রয়েছেন।
এছাড়া পৌরসভার ৫, ৬, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা-কর্মীও পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। একই সঙ্গে উজানী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, মহারাজপুর ইউনিয়ন এবং গোবিন্দপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারাও পদত্যাগকারীদের তালিকায় রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগকারী নেতাকর্মীরা জানান, তারা নিজেদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে আওয়ামী লীগের সব ধরনের পদ-পদবি, সদস্যপদ ও সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। ভবিষ্যতে দলের সঙ্গে তাদের কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক থাকবে না বলেও তারা উল্লেখ করেন।
এদিকে পদত্যাগের বিষয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের ৫১ জন নেতাকর্মী দলীয় পদ, সদস্যপদ ও সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।
রোববার (২ আগস্ট) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মুকসুদপুর পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পৃথক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তারা পদত্যাগের বিষয়টি জানান।
পদত্যাগকারীদের মধ্যে মুকসুদপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক বিল্লাল মোল্লা, সদস্য পলাশ মোল্লাসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা রয়েছেন।
এছাড়া পৌরসভার ৫, ৬, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা-কর্মীও পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। একই সঙ্গে উজানী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, মহারাজপুর ইউনিয়ন এবং গোবিন্দপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারাও পদত্যাগকারীদের তালিকায় রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগকারী নেতাকর্মীরা জানান, তারা নিজেদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে আওয়ামী লীগের সব ধরনের পদ-পদবি, সদস্যপদ ও সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। ভবিষ্যতে দলের সঙ্গে তাদের কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক থাকবে না বলেও তারা উল্লেখ করেন।
এদিকে পদত্যাগের বিষয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
