ইয়াবার বিস্তার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণাকে সমাজের জন্য ভয়ংকর ক্ষতিকর হিসেবে উল্লেখ করেছেন দিরাই উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্যরা। মাদক ও অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় এসব বিষয় উঠে আসে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সনজীব সরকারের সভাপতিত্বে সভায় কমিটির সদস্যরা অংশ নেন।
সভায় বক্তারা বলেন, দিরাইয়ে ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়ছে মরণনেশা ইয়াবা। মাদকাসক্তি শুধু একজন ব্যক্তির জীবন ধ্বংস করে না, এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে পরিবার ও পুরো সমাজের ওপর।
যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে ইয়াবাসহ সব ধরনের মাদকের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান তারা।
দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, ইয়াবা ও ফেসবুকে মিথ্যাচার—দুটিই সমাজের জন্য ভয়ানক ক্ষতিকর। মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার পাশাপাশি জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সভায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বীর মুক্তিযোদ্ধা, স্থানীয় সংসদ সদস্য, তাঁর পরিবারসহ বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিকে জড়িয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য ছড়িয়ে সামাজিক অস্থিরতা ও বিদ্বেষ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বক্তারা।
এসব অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, মাদক ও অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. দেবাশীষ রায়, দিরাই থানার ওসি আমিনুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমির হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির তালুকদার, গোলাপ মিয়া, ফারুক সর্দার ও আব্দুল কুদ্দুস, দিরাই প্রেসক্লাবের সভাপতি জিয়াউর রহমান লিটন, ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন রশিদ লাভলু, লিটন চন্দ্র দাস, জহিরুল ইসলাম জুয়েলসহ কমিটির অন্যান্য সদস্য।
সভায় দিরাই উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক ও জুয়া নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা হয় এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় করণীয় নির্ধারণ করা হয়।

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
ইয়াবার বিস্তার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণাকে সমাজের জন্য ভয়ংকর ক্ষতিকর হিসেবে উল্লেখ করেছেন দিরাই উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্যরা। মাদক ও অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় এসব বিষয় উঠে আসে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সনজীব সরকারের সভাপতিত্বে সভায় কমিটির সদস্যরা অংশ নেন।
সভায় বক্তারা বলেন, দিরাইয়ে ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়ছে মরণনেশা ইয়াবা। মাদকাসক্তি শুধু একজন ব্যক্তির জীবন ধ্বংস করে না, এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে পরিবার ও পুরো সমাজের ওপর।
যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে ইয়াবাসহ সব ধরনের মাদকের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান তারা।
দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, ইয়াবা ও ফেসবুকে মিথ্যাচার—দুটিই সমাজের জন্য ভয়ানক ক্ষতিকর। মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার পাশাপাশি জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সভায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বীর মুক্তিযোদ্ধা, স্থানীয় সংসদ সদস্য, তাঁর পরিবারসহ বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিকে জড়িয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য ছড়িয়ে সামাজিক অস্থিরতা ও বিদ্বেষ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বক্তারা।
এসব অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, মাদক ও অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. দেবাশীষ রায়, দিরাই থানার ওসি আমিনুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমির হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির তালুকদার, গোলাপ মিয়া, ফারুক সর্দার ও আব্দুল কুদ্দুস, দিরাই প্রেসক্লাবের সভাপতি জিয়াউর রহমান লিটন, ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন রশিদ লাভলু, লিটন চন্দ্র দাস, জহিরুল ইসলাম জুয়েলসহ কমিটির অন্যান্য সদস্য।
সভায় দিরাই উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক ও জুয়া নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা হয় এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় করণীয় নির্ধারণ করা হয়।
