গোপালগঞ্জে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে একজন পেশাদার অনলাইন জুয়ার এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেন। অভিযানে তাদের কাছ থেকে চারটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
ডিবি সূত্রে জানা যায়, রোববার (৩০ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গোপালগঞ্জ সদর থানা এলাকার পৌরসভাধীন এফএনএফ শপিং মলের পেছনের একটি বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। বাড়িটি বদিউল ইসলাম ওরফে বদি নামে এক ব্যক্তির বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে চারজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের ব্যবহৃত চারটি মোবাইল ফোন জব্দ করে ডিবি।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে মোবাইল ফোনগুলো পরীক্ষা করে অনলাইন জুয়ার বিভিন্ন অ্যাপ পাওয়া যায়। এর মধ্যে বদিউল ইসলাম বদির ফোনে ২৩টি, মো. সাইফুর রহমানের ফোনে ৬৪টি, মো. ইমরান খানের ফোনে ৪টি এবং মো. বিল্লাল বিশ্বাসের ফোনে ২২টি অনলাইন জুয়ার অ্যাপ ইনস্টল ছিল।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন বদিউল ইসলাম বদি (৪৯), মো. সাইফুর রহমান ওরফে সাইফুল, সাইদুল ওরফে জসিম (৪২), মো. ইমরান খান (৪৪) এবং মো. বিল্লাল বিশ্বাস (৩৮)।
তবে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখানে চারজন গ্রেপ্তারের কথা বলা হলেও পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকাশের আগে গ্রেপ্তারের সংখ্যা ও নামের তালিকাটি সংশ্লিষ্ট পুলিশ সূত্র থেকে যাচাই করা প্রয়োজন।
ডিবির দাবি, আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনলাইন জুয়ার অ্যাপ ব্যবহার করে জুয়ায় অংশ নিয়ে আসছিলেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ অনলাইন জুয়ার এজেন্ট হিসেবেও কাজ করতেন বলে প্রাথমিক তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জ সদর থানায় ২০২৬ সালের জুয়া প্রতিরোধ আইনে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মামলার পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
গোপালগঞ্জে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে একজন পেশাদার অনলাইন জুয়ার এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেন। অভিযানে তাদের কাছ থেকে চারটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
ডিবি সূত্রে জানা যায়, রোববার (৩০ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গোপালগঞ্জ সদর থানা এলাকার পৌরসভাধীন এফএনএফ শপিং মলের পেছনের একটি বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। বাড়িটি বদিউল ইসলাম ওরফে বদি নামে এক ব্যক্তির বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে চারজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের ব্যবহৃত চারটি মোবাইল ফোন জব্দ করে ডিবি।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে মোবাইল ফোনগুলো পরীক্ষা করে অনলাইন জুয়ার বিভিন্ন অ্যাপ পাওয়া যায়। এর মধ্যে বদিউল ইসলাম বদির ফোনে ২৩টি, মো. সাইফুর রহমানের ফোনে ৬৪টি, মো. ইমরান খানের ফোনে ৪টি এবং মো. বিল্লাল বিশ্বাসের ফোনে ২২টি অনলাইন জুয়ার অ্যাপ ইনস্টল ছিল।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন বদিউল ইসলাম বদি (৪৯), মো. সাইফুর রহমান ওরফে সাইফুল, সাইদুল ওরফে জসিম (৪২), মো. ইমরান খান (৪৪) এবং মো. বিল্লাল বিশ্বাস (৩৮)।
তবে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখানে চারজন গ্রেপ্তারের কথা বলা হলেও পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকাশের আগে গ্রেপ্তারের সংখ্যা ও নামের তালিকাটি সংশ্লিষ্ট পুলিশ সূত্র থেকে যাচাই করা প্রয়োজন।
ডিবির দাবি, আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনলাইন জুয়ার অ্যাপ ব্যবহার করে জুয়ায় অংশ নিয়ে আসছিলেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ অনলাইন জুয়ার এজেন্ট হিসেবেও কাজ করতেন বলে প্রাথমিক তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জ সদর থানায় ২০২৬ সালের জুয়া প্রতিরোধ আইনে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মামলার পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
