বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

বিশ্ব

যৌথ অভিযানে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় নেতানিয়াহু

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় নেতানিয়াহু
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

ইরানকে ঘিরে ভবিষ্যৎ সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর ওপর ছেড়ে দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু

সংবাদমাধ্যম -কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে প্রয়োজন হলে পূর্ণমাত্রার যৌথ সামরিক অভিযান চালাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। তবে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণে মূল সিদ্ধান্ত নেবেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু আরও দাবি করেন, সামরিক শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখা সম্ভব। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ইরান এখনও তাদের পারমাণবিক উপাদান দেশের বাইরে সরিয়ে নিতে সম্মত হয়নি, যদিও এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক চাপ ক্রমেই বাড়ছে।

সম্প্রতি লেবানন পরিস্থিতি নিয়ে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে উত্তপ্ত ফোনালাপের খবর প্রকাশিত হওয়ার পর সম্পর্ক নিয়ে নানা আলোচনা তৈরি হয়। এ প্রসঙ্গে নেতানিয়াহু বলেন, গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোতে তাদের মধ্যে মতৈক্য থাকলেও কৌশলগত কিছু বিষয়ে মাঝে মাঝে মতপার্থক্য দেখা দেয়।

তার ভাষায়, সবচেয়ে ভালো পরিবারেও যেমন মতভেদ হয়, আমাদের মধ্যেও তেমনটা হয়। তবে আমরা সবসময় বন্ধু হিসেবে সমাধানের পথ খুঁজে নিই।

সাক্ষাৎকারের শেষদিকে ট্রাম্পের ভূয়সী প্রশংসা করেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের ইতিহাসে “ইসরায়েলের সর্বকালের সবচেয়ে বড় বন্ধু”। আর সেই আস্থার কারণেই ইরান-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের চাবিকাঠি তার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

#ডোনাল্ড_ট্রাম্প #নেতানিয়াহু #ইরান_ইসরায়েল

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬


ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় নেতানিয়াহু

প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬

featured Image

ইরানকে ঘিরে ভবিষ্যৎ সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর ওপর ছেড়ে দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু

সংবাদমাধ্যম -কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে প্রয়োজন হলে পূর্ণমাত্রার যৌথ সামরিক অভিযান চালাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। তবে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণে মূল সিদ্ধান্ত নেবেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু আরও দাবি করেন, সামরিক শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখা সম্ভব। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ইরান এখনও তাদের পারমাণবিক উপাদান দেশের বাইরে সরিয়ে নিতে সম্মত হয়নি, যদিও এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক চাপ ক্রমেই বাড়ছে।

সম্প্রতি লেবানন পরিস্থিতি নিয়ে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে উত্তপ্ত ফোনালাপের খবর প্রকাশিত হওয়ার পর সম্পর্ক নিয়ে নানা আলোচনা তৈরি হয়। এ প্রসঙ্গে নেতানিয়াহু বলেন, গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোতে তাদের মধ্যে মতৈক্য থাকলেও কৌশলগত কিছু বিষয়ে মাঝে মাঝে মতপার্থক্য দেখা দেয়।

তার ভাষায়, সবচেয়ে ভালো পরিবারেও যেমন মতভেদ হয়, আমাদের মধ্যেও তেমনটা হয়। তবে আমরা সবসময় বন্ধু হিসেবে সমাধানের পথ খুঁজে নিই।

সাক্ষাৎকারের শেষদিকে ট্রাম্পের ভূয়সী প্রশংসা করেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের ইতিহাসে “ইসরায়েলের সর্বকালের সবচেয়ে বড় বন্ধু”। আর সেই আস্থার কারণেই ইরান-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের চাবিকাঠি তার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত