বজ্রাঘাতে দেশের চার জেলায় মোট ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) বিকেল ও সন্ধ্যায় এসব পৃথক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে গাইবান্ধার সাঘাটায় মা-ছেলেসহ একাধিক কৃষক রয়েছেন।
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ভরতখালী ইউনিয়নের মান্দুরা গ্রামে বজ্রাঘাতে কল্পনা রাণী (৫৫) ও তার ছেলে সোহাগ চন্দ্র দাস (৩২) প্রাণ হারান। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঝড়বৃষ্টির সময় খড় ঘরে তুলতে গিয়ে তারা বজ্রপাতে আক্রান্ত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাদের মৃত্যু হয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় পৃথক ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। বিকেলে ঝড়বৃষ্টির সময় একজন টিউবওয়েলে পানি আনতে গেলে এবং আরেকজন আমবাগানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে প্রাণ হারান।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-এর একরামুল হোসাইন জানান, আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হলেও তাদের বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে কৃষক আনোয়ার হোসেন (৪৪) গরু আনতে গিয়ে বজ্রাঘাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান। স্থানীয়দের মতে, বজ্রপাতের তীব্রতায় তার শরীর গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
একই দিনে জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলায় ধান কাটার সময় সামছুদ্দিন (৬৫) নামে আরেক কৃষকের মৃত্যু হয়। বৃষ্টির সময় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করলেও বজ্রাঘাতে তিনি প্রাণ হারান।
একদিনে চার জেলায় একাধিক প্রাণহানির ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিশেষজ্ঞরা বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠে না যাওয়ার এবং নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
বজ্রাঘাতে দেশের চার জেলায় মোট ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) বিকেল ও সন্ধ্যায় এসব পৃথক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে গাইবান্ধার সাঘাটায় মা-ছেলেসহ একাধিক কৃষক রয়েছেন।
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ভরতখালী ইউনিয়নের মান্দুরা গ্রামে বজ্রাঘাতে কল্পনা রাণী (৫৫) ও তার ছেলে সোহাগ চন্দ্র দাস (৩২) প্রাণ হারান। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঝড়বৃষ্টির সময় খড় ঘরে তুলতে গিয়ে তারা বজ্রপাতে আক্রান্ত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাদের মৃত্যু হয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় পৃথক ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। বিকেলে ঝড়বৃষ্টির সময় একজন টিউবওয়েলে পানি আনতে গেলে এবং আরেকজন আমবাগানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে প্রাণ হারান।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-এর একরামুল হোসাইন জানান, আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হলেও তাদের বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে কৃষক আনোয়ার হোসেন (৪৪) গরু আনতে গিয়ে বজ্রাঘাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান। স্থানীয়দের মতে, বজ্রপাতের তীব্রতায় তার শরীর গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
একই দিনে জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলায় ধান কাটার সময় সামছুদ্দিন (৬৫) নামে আরেক কৃষকের মৃত্যু হয়। বৃষ্টির সময় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করলেও বজ্রাঘাতে তিনি প্রাণ হারান।
একদিনে চার জেলায় একাধিক প্রাণহানির ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিশেষজ্ঞরা বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠে না যাওয়ার এবং নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
