সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

আইন আদালত

সম্পত্তি বিরোধের দাবি অভিযুক্ত পক্ষের

ভাগ্নিকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে কারাবাস, জামিনে মুক্ত এমডি

ভাগ্নিকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে কারাবাস, জামিনে মুক্ত এমডি
ছবি : চেকপোস্ট

নিজের ভাগ্নিকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় গ্রেপ্তারের পর কারাগারে থাকা ইসতি মেডিক্যাল বাংলাদেশ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ ফয়সাল জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। তবে মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২১ জুন ফয়সাল তার ভাগ্নিকে বাইরে ঘোরাতে নিয়ে যান। অভিযোগে বলা হয়, রাতের দিকে রাজধানীর আমেরিকান ক্লাব রোড এলাকায় গাড়ি চালানো শেখানোর কথা বলে ভুক্তভোগীর ওপর যৌন নিপীড়ন চালানো হয়। ঘটনার পর পারিবারিক সম্পর্কের অবনতি হওয়ার আশঙ্কায় ভুক্তভোগী বিষয়টি দীর্ঘদিন গোপন রাখেন।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সম্প্রতি ভুক্তভোগীর বড় বোনের বিয়ের অনুষ্ঠানে অভিযুক্ত বাসায় এলে তাকে দেখে ভুক্তভোগী প্রতিবাদ জানান। এরপর পরিবারের সদস্যরা পুরো বিষয়টি জানতে পারেন। পরে ভুক্তভোগীর বাবা রাজধানীর গুলশান থানায় মামলা দায়ের করেন।

অন্যদিকে, অভিযুক্তের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, মামলাটি মূলত পারিবারিক সম্পত্তি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে আদালতে বিচারিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

আইনগতভাবে মামলাটি এখনো বিচারাধীন। ফলে অভিযোগের সত্যতা বা অভিযুক্তের দায়-দায়িত্ব সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের রায়ের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে।

ঘটনাটি পারিবারিক সম্পর্ক, নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিয়ে নতুন করে জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। একই সঙ্গে বিচারিক প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

#বাংলাদেশ #আদালতসংবাদ #যৌন_নিপীড়ন

চেকপোস্ট

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬


ভাগ্নিকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে কারাবাস, জামিনে মুক্ত এমডি

প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬

featured Image

নিজের ভাগ্নিকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় গ্রেপ্তারের পর কারাগারে থাকা ইসতি মেডিক্যাল বাংলাদেশ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ ফয়সাল জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। তবে মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২১ জুন ফয়সাল তার ভাগ্নিকে বাইরে ঘোরাতে নিয়ে যান। অভিযোগে বলা হয়, রাতের দিকে রাজধানীর আমেরিকান ক্লাব রোড এলাকায় গাড়ি চালানো শেখানোর কথা বলে ভুক্তভোগীর ওপর যৌন নিপীড়ন চালানো হয়। ঘটনার পর পারিবারিক সম্পর্কের অবনতি হওয়ার আশঙ্কায় ভুক্তভোগী বিষয়টি দীর্ঘদিন গোপন রাখেন।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সম্প্রতি ভুক্তভোগীর বড় বোনের বিয়ের অনুষ্ঠানে অভিযুক্ত বাসায় এলে তাকে দেখে ভুক্তভোগী প্রতিবাদ জানান। এরপর পরিবারের সদস্যরা পুরো বিষয়টি জানতে পারেন। পরে ভুক্তভোগীর বাবা রাজধানীর গুলশান থানায় মামলা দায়ের করেন।

অন্যদিকে, অভিযুক্তের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, মামলাটি মূলত পারিবারিক সম্পত্তি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে আদালতে বিচারিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

আইনগতভাবে মামলাটি এখনো বিচারাধীন। ফলে অভিযোগের সত্যতা বা অভিযুক্তের দায়-দায়িত্ব সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের রায়ের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে।

ঘটনাটি পারিবারিক সম্পর্ক, নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিয়ে নতুন করে জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। একই সঙ্গে বিচারিক প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত