শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট
সর্বশেষ
আগস্টে বড় শোডাউনের প্রস্তুতি? তৃণমূলে সক্রিয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা

রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন আলোচনা

আগস্টে বড় শোডাউনের প্রস্তুতি? তৃণমূলে সক্রিয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা

আসন্ন আগস্ট মাসকে কেন্দ্র করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বড় ধরনের শক্তি প্রদর্শনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন আওয়ামী লীগের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা— এমন আলোচনা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে। বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নানা কৌশলে দলটির নেতাকর্মীরা পুনরায় সংঘটিত ও সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন।সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, নিষিদ্ধ ঘোষণার পরও বিভিন্ন জেলা, উপজেলা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যে কয়েকটি জেলায় এবং কিছু উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন কমিটি গঠনের খবরও আলোচনায় এসেছে।এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মীর মধ্যে নতুন করে সক্রিয় হওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা মধ্যম সারির কয়েকজন নেতা প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছেন। বিদেশে অবস্থানরত কিছু নেতাও দেশে ফিরেছেন বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা রয়েছে। তবে তারা আপাতত নীরব অবস্থানেই রয়েছেন।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, অন্তর্বর্তী সরকার ও প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক এবং অপপ্রচারমূলক কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে। এ বিষয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও বিশ্লেষক ভিন্ন ভিন্ন মতামত তুলে ধরছেন।রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী মনে করেন, ড. ইউনূসকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের পেছনে আঞ্চলিক ও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্বার্থ কাজ করতে পারে। তিনি ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তির ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।অন্যদিকে আব্দুল হালিম বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গ্রহণযোগ্য কোনো ব্যক্তিকে উদ্দেশ্য করে অযৌক্তিক ও লাগামহীন সমালোচনা দেশের ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। রাজনৈতিক সমালোচনা অবশ্যই যুক্তি ও গণতান্ত্রিক শালীনতার মধ্যে হওয়া উচিত বলেও তিনি মন্তব্য করেন।এ বিষয়ে কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন বলেন, আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক কৌশলে পুনরায় সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করতেই পারে, যা রাজনৈতিক বাস্তবতার অংশ। তবে যেকোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড অবশ্যই আইন ও সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই পরিচালিত হওয়া প্রয়োজন। দেশের মানুষ কোনো ধরনের হঠকারী বা সহিংস রাজনৈতিক পরিস্থিতি দেখতে চায় না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আগস্টকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মেরুকরণ, কর্মসূচি ও পাল্টা কর্মসূচির সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। তবে সামগ্রিক পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, তা নির্ভর করবে রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর।

বেনজীর ইস্যুতে নতুন মোড়: দুবাইয়ে ‘আইনি চাল’ নিয়ে তোলপাড়

আইনি কৌশল নিয়ে নতুন আলোচনা / বেনজীর ইস্যুতে নতুন মোড়: দুবাইয়ে ‘আইনি চাল’ নিয়ে তোলপাড়

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদকে ঘিরে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। একাধিক সূত্রের দাবি, তাকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ ঠেকাতে দুবাইয়ে আইনি কৌশল নেওয়া হয়েছে।সূত্রগুলো বলছে, দুবাইয়ে ঘনিষ্ঠ একজনের মাধ্যমে তার নামে আর্থিক অপরাধ সংক্রান্ত একটি মামলা করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট একটি পক্ষ দাবি করেছে, এটি প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া বিলম্বিত করার একটি আইনি কৌশল হতে পারে। তবে বেনজীর আহমেদের আইনি প্রতিনিধিরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে মূল মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে জামিন ও আইনি প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে। তারা আরও বলেন, মামলার সত্যতা বা উদ্দেশ্য নিয়ে এখনই নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।এদিকে বাংলাদেশ সরকার জানায়, ইন্টারপোল রেড নোটিশের ভিত্তিতে প্রক্রিয়াগতভাবে তাকে দেশে ফেরানোর উদ্যোগ চলছে এবং প্রয়োজনীয় নথি সংযুক্ত আরব আমিরাতের কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা বিভিন্ন দেশে স্থানীয় আইনি সহায়তা গ্রহণ করে থাকেন, যা পুরো প্রক্রিয়াকে দীর্ঘায়িত করতে পারে। সব মিলিয়ে দুবাইয়ে কথিত এই মামলার বিষয়টি এখন প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

আগস্টে বড় শোডাউনের প্রস্তুতি? তৃণমূলে সক্রিয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা

রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন আলোচনা / আগস্টে বড় শোডাউনের প্রস্তুতি? তৃণমূলে সক্রিয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা

আসন্ন আগস্ট মাসকে কেন্দ্র করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বড় ধরনের শক্তি প্রদর্শনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন আওয়ামী লীগের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা— এমন আলোচনা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে। বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নানা কৌশলে দলটির নেতাকর্মীরা পুনরায় সংঘটিত ও সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন।সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, নিষিদ্ধ ঘোষণার পরও বিভিন্ন জেলা, উপজেলা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যে কয়েকটি জেলায় এবং কিছু উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন কমিটি গঠনের খবরও আলোচনায় এসেছে।এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মীর মধ্যে নতুন করে সক্রিয় হওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা মধ্যম সারির কয়েকজন নেতা প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছেন। বিদেশে অবস্থানরত কিছু নেতাও দেশে ফিরেছেন বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা রয়েছে। তবে তারা আপাতত নীরব অবস্থানেই রয়েছেন।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, অন্তর্বর্তী সরকার ও প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক এবং অপপ্রচারমূলক কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে। এ বিষয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও বিশ্লেষক ভিন্ন ভিন্ন মতামত তুলে ধরছেন।রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী মনে করেন, ড. ইউনূসকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের পেছনে আঞ্চলিক ও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্বার্থ কাজ করতে পারে। তিনি ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তির ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।অন্যদিকে আব্দুল হালিম বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গ্রহণযোগ্য কোনো ব্যক্তিকে উদ্দেশ্য করে অযৌক্তিক ও লাগামহীন সমালোচনা দেশের ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। রাজনৈতিক সমালোচনা অবশ্যই যুক্তি ও গণতান্ত্রিক শালীনতার মধ্যে হওয়া উচিত বলেও তিনি মন্তব্য করেন।এ বিষয়ে কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন বলেন, আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক কৌশলে পুনরায় সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করতেই পারে, যা রাজনৈতিক বাস্তবতার অংশ। তবে যেকোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড অবশ্যই আইন ও সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই পরিচালিত হওয়া প্রয়োজন। দেশের মানুষ কোনো ধরনের হঠকারী বা সহিংস রাজনৈতিক পরিস্থিতি দেখতে চায় না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আগস্টকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মেরুকরণ, কর্মসূচি ও পাল্টা কর্মসূচির সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। তবে সামগ্রিক পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, তা নির্ভর করবে রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর।

মাধবপুরে আর্জেন্টিনার পতাকার আদলে গাছ, মেসি ভক্তদের ব্যতিক্রমী আয়োজন

মাধবপুরে আর্জেন্টিনার পতাকার আদলে গাছ, মেসি ভক্তদের ব্যতিক্রমী আয়োজন

ফুটবল বিশ্বকাপ বা আন্তর্জাতিক বড় টুর্নামেন্ট এলেই বাংলাদেশে ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনা নতুন মাত্রা পায়। বিশেষ করে আর্জেন্টিনা ও লিওনেল মেসির সমর্থকদের নানা ব্যতিক্রমী আয়োজন বরাবরই আলোচনায় থাকে। এবার হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার শাহপুর বাজারে দেখা মিলেছে তেমনই এক ভিন্নধর্মী উদ্যোগের।উপজেলার শাহজাহানপুর ইউনিয়নের শাহপুর বাজারজুড়ে আর্জেন্টিনার পতাকা টাঙিয়ে সাজানো হয়েছে পুরো এলাকা। শুধু তাই নয়, একটি গাছকেও আর্জেন্টিনার জাতীয় পতাকার আদলে রঙ ও সাজসজ্জায় আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা স্থানীয়দের পাশাপাশি পথচারীদেরও দৃষ্টি কাড়ছে।স্থানীয় আর্জেন্টিনা সমর্থকরা জানান, বিশ্বকাপের খেলা একসঙ্গে উপভোগ করতে তারা ঢাকা থেকে একটি বড় প্রজেক্টর এনে উন্মুক্ত স্থানে খেলা দেখার ব্যবস্থা করেছেন। প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে বাজারে ভিড় করছেন ফুটবলপ্রেমীরা।আর্জেন্টিনা সমর্থক হুমায়ুন কবির দাবি করেন, শাহপুর বাজারে টাঙানো আর্জেন্টিনার পতাকাটি হবিগঞ্জ জেলার মধ্যে সবচেয়ে বড়। তিনি বলেন, প্রিয় দল ও লিওনেল মেসির প্রতি ভালোবাসা থেকেই তাদের এই ব্যতিক্রমী আয়োজন।স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের আয়োজন শুধু ফুটবলপ্রেমীদেরই নয়, আশপাশের এলাকার মানুষের কাছেও উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করেছে।

নেইমার ছাড়াই বিশ্বকাপ লড়াই: ব্রাজিলের বড় সিদ্ধান্তে চমক

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ / নেইমার ছাড়াই বিশ্বকাপ লড়াই: ব্রাজিলের বড় সিদ্ধান্তে চমক

ব্রাজিলের তারকা ফরোয়ার্ড নেইমারের বিশ্বকাপ অভিষেক আবারও পিছিয়ে গেল। ডান পায়ের কাফ ইনজুরির কারণে তিনি হাইতির বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচেও মাঠে নামতে পারছেন না।ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (CBF) জানিয়েছে, নেইমার দলের সঙ্গে ফিলাডেলফিয়ায় যাচ্ছেন না। তিনি নিউ জার্সিতেই থেকে পুনর্বাসনের শেষ ধাপ সম্পন্ন করবেন।দলের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিউ জার্সির দ্য রিজ হোটেল ও কলাম্বিয়া পার্ক ট্রেনিং সেন্টারের সুবিধা ব্যবহার করে তাঁর চিকিৎসা ও পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া চালানো হবে। মেডিকেল স্টাফরা কোনো ধরনের ঝুঁকি নিতে চাচ্ছেন না।বিশ্বকাপ শুরুর আগে থেকেই ইনজুরিতে ভুগছেন নেইমার। মরক্কোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে তিনি খেলেননি। আংশিক অনুশীলনে ফিরলেও এখনো পুরোপুরি ম্যাচ ফিট নন।শুরুতে ধারণা করা হয়েছিল, হাইতির বিপক্ষে তিনি অন্তত বেঞ্চে থাকতে পারেন। তবে শেষ পর্যন্ত টিম ম্যানেজমেন্ট তাঁকে বিশ্রামে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।এটি নেইমারের বিশ্বকাপ যাত্রায় আরেকটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁর খেলা নিয়েও এখন অনিশ্চয়তা রয়েছে। এদিকে ব্রাজিল মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করেছে। বাংলাদেশ সময় শনিবার সকালে হাইতির বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে নামবে দলটি। তবে সেই ম্যাচেও সবচেয়ে বড় তারকা নেইমারকে ছাড়াই মাঠে নামতে হবে ব্রাজিলকে।

ফিফা বিশ্বকাপ গানে বাংলাদেশের ছোঁয়া, রাসেল আলীকে নিয়ে গর্বিত ওয়ারফেজ

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশি সাফল্য / ফিফা বিশ্বকাপ গানে বাংলাদেশের ছোঁয়া, রাসেল আলীকে নিয়ে গর্বিত ওয়ারফেজ

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে প্রকাশিত অফিসিয়াল গান ‘সির সির’-এ যুক্ত হয়ে আন্তর্জাতিক সংগীত অঙ্গনে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন প্রবাসী বাংলাদেশি সংগীতশিল্পী ও প্রযোজক রাসেল আলী।ফিফা সাউন্ডের অফিসিয়াল অ্যালবামে স্থান পাওয়া এই গানে তিনি কো-প্রডিউসার (সহ-প্রযোজক) এবং কো-রাইটার (সহ-গীতিকার) হিসেবে কাজ করেছেন। বিশ্বকাপের জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলিউড তারকা নোরা ফাতেহীর সঙ্গে মঞ্চ মাতান বাংলাদেশি-আমেরিকান সংগীতশিল্পী ও প্রযোজক সঞ্জয় দেব।এই বৈশ্বিক অর্জনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে রাসেল আলীর সাবেক ব্যান্ড ওয়ারফেজ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ব্যান্ডটি জানায়, বিশ্বকাপের মতো বৃহৎ মঞ্চে রাসেল আলীর অংশগ্রহণ বাংলাদেশের সংগীত অঙ্গনের জন্য এক বিরল গর্বের মুহূর্ত।ওয়ারফেজ তাদের বার্তায় আরও উল্লেখ করে, ব্যান্ডের শুরুর দিনগুলোতে রাসেলের অবদান ছিল অসাধারণ। তাদের প্রথম দুই অ্যালবামে কিবোর্ড ও গিটারে তার কাজ আজও স্মরণীয় হয়ে আছে।বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে বসবাসরত রাসেল আলী আন্তর্জাতিক সংগীত জগতে নিয়মিতভাবে কাজ করছেন। বিশ্বখ্যাত প্রযোজক ও সংগীত পরিচালকদের সঙ্গে তার এই সহযোগিতা তাকে বৈশ্বিক পর্যায়ে আরও পরিচিত করে তুলছে।‘সির সির’ গানটি নোরা ফাতেহী, ফরাসি শিল্পী ভেজেড্রিয়াম এবং সঞ্জয় দেবের কণ্ঠে প্রকাশের পর বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এর প্রতিটি সুরে বাংলাদেশের ছাপ রয়েছে বলে সংগীতপ্রেমীরা মন্তব্য করছেন।বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক আয়োজনে বাংলাদেশি সংগীতশিল্পীর এমন সাফল্য দেশের সংগীত অঙ্গনের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে।

অনলাইন জরিপ
২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৪ পিএম
সরকার ও বিরোধী দলকে জ্বালানি খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করা উচিত বলে মনে করেন অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

সরকার ও বিরোধী দলকে জ্বালানি খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করা উচিত বলে মনে করেন অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কোন পোস্ট নেই !