ভারতের বেঙ্গালুরুতে এক মুসলিম দম্পতিকে ‘বাংলাদেশি নাগরিক’ আখ্যা দিয়ে হেনস্তা ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে এক চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বেলান্দুর এলাকার চিকিৎসক ডা. নাগেন্দ্রপ্পাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে অভিযোগের সত্যতা, পাশাপাশি ওই দম্পতির নাগরিকত্ব ও অভিবাসনসংক্রান্ত বিষয় এখনো যাচাই করছে পুলিশ।
পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, বেলান্দুর এলাকায় নিজস্ব ক্লিনিক পরিচালনা করেন ডা. নাগেন্দ্রপ্পা। অভিযোগ অনুযায়ী, বুধবার সকালে তিনি রাস্তায় নাসরিনা (২৩) ও তার স্বামী মোহাম্মদ বিলালকে থামিয়ে তাদের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন করেন।
নাসরিনার অভিযোগ, চিকিৎসক প্রথমে হিন্দিতে তাদের উদ্দেশে অশালীন মন্তব্য করেন। পরে তাকে টেনে-হিঁচড়ে লাঞ্ছিত করা হয়। একই সময় তার স্বামী বিলালের ওপরও হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, বিলালকে মারধরের পর পুলিশে জানালে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়।
এদিকে গ্রেপ্তারের আগে অভিযুক্ত চিকিৎসক নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনার একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। ওই ভিডিওতে তাকে দম্পতিকে বাংলাদেশি এবং আগে ভারত থেকে বিতাড়িত হওয়ার পর আবার ফিরে এসেছে বলে অভিযোগ করতে শোনা যায়।
পুলিশ জানিয়েছে, পুরো ঘটনা তদন্ত করে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
ভারতের বেঙ্গালুরুতে এক মুসলিম দম্পতিকে ‘বাংলাদেশি নাগরিক’ আখ্যা দিয়ে হেনস্তা ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে এক চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বেলান্দুর এলাকার চিকিৎসক ডা. নাগেন্দ্রপ্পাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে অভিযোগের সত্যতা, পাশাপাশি ওই দম্পতির নাগরিকত্ব ও অভিবাসনসংক্রান্ত বিষয় এখনো যাচাই করছে পুলিশ।
পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, বেলান্দুর এলাকায় নিজস্ব ক্লিনিক পরিচালনা করেন ডা. নাগেন্দ্রপ্পা। অভিযোগ অনুযায়ী, বুধবার সকালে তিনি রাস্তায় নাসরিনা (২৩) ও তার স্বামী মোহাম্মদ বিলালকে থামিয়ে তাদের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন করেন।
নাসরিনার অভিযোগ, চিকিৎসক প্রথমে হিন্দিতে তাদের উদ্দেশে অশালীন মন্তব্য করেন। পরে তাকে টেনে-হিঁচড়ে লাঞ্ছিত করা হয়। একই সময় তার স্বামী বিলালের ওপরও হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, বিলালকে মারধরের পর পুলিশে জানালে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়।
এদিকে গ্রেপ্তারের আগে অভিযুক্ত চিকিৎসক নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনার একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। ওই ভিডিওতে তাকে দম্পতিকে বাংলাদেশি এবং আগে ভারত থেকে বিতাড়িত হওয়ার পর আবার ফিরে এসেছে বলে অভিযোগ করতে শোনা যায়।
পুলিশ জানিয়েছে, পুরো ঘটনা তদন্ত করে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
