বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

জাতীয়

টিকা সংকট ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে তীব্র আলোচনা

হাম নিয়ে সতর্কতা না পাওয়ার দাবি সায়েদুরের

হাম নিয়ে সতর্কতা না পাওয়ার দাবি সায়েদুরের
অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান। ছবি : সংগৃহীত

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব ও শিশুমৃত্যুর ঘটনায় স্বাস্থ্য খাতের ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (স্বাস্থ্য) অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান দাবি করেছেন, হাম পরিস্থিতি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে কোনো সরকারি বা বেসরকারি সংস্থা আগে থেকে সতর্ক করেনি।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আইইডিসিআর, সিডিসি কিংবা কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থাও এ বিষয়ে লাল সংকেত দেয়নি। তবে এই দাবির সঙ্গে একমত নয় ইউনিসেফ।

জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ জানিয়েছে, তারা একাধিকবার বৈঠক ও চিঠির মাধ্যমে সরকারকে টিকা সংকট, রোগের ঝুঁকি এবং সম্ভাব্য মৃত্যুহার বৃদ্ধি নিয়ে সতর্ক করেছিল।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের ৬১ জেলায় হাম ছড়িয়ে পড়েছে। গত ৫০ দিনে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা ৪৭ হাজার ছাড়িয়েছে এবং মৃত্যুর সংখ্যা ৩১১ জনে পৌঁছেছে।

সায়েদুর রহমান বলেন, অতীতের টিকাদান ক্যাম্পেইন ও ভ্যাকসিন সরবরাহ প্রক্রিয়া কিছু প্রশাসনিক ও সময়গত চ্যালেঞ্জের কারণে বাধাগ্রস্ত হয়। তিনি দাবি করেন, অনেক ক্ষেত্রেই আন্দোলন, জনবল সংকট এবং সামাজিক ভ্যাকসিনবিরোধী প্রচারণা টিকাদানের কাভারেজ কমিয়েছে।

তবে ইউনিসেফের মতে, সময়মতো যথাযথ সতর্কতা ও কার্যকর পদক্ষেপ নিলে বর্তমান পরিস্থিতি এড়ানো যেত।

তিনি আরও বলেন, টিকা কেনা, অর্থনৈতিক অনুমোদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বিভিন্ন প্রশাসনিক ধাপ থাকায় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সময় লেগেছে। তবে এসব সিদ্ধান্তে স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, টিকাদান কার্যক্রমে সমন্বয়হীনতা এবং নীতি বাস্তবায়নে ধীরগতি এই সংকটকে আরও জটিল করেছে। তবে দায় নির্ধারণের চেয়ে দ্রুত নিয়ন্ত্রণ ও টিকাদান জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন জনস্বাস্থ্যবিদরা।

#শিশুমৃত্যু #হামসংকট #স্বাস্থ্যখাতবিতর্ক

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬


হাম নিয়ে সতর্কতা না পাওয়ার দাবি সায়েদুরের

প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬

featured Image

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব ও শিশুমৃত্যুর ঘটনায় স্বাস্থ্য খাতের ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (স্বাস্থ্য) অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান দাবি করেছেন, হাম পরিস্থিতি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে কোনো সরকারি বা বেসরকারি সংস্থা আগে থেকে সতর্ক করেনি।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আইইডিসিআর, সিডিসি কিংবা কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থাও এ বিষয়ে লাল সংকেত দেয়নি। তবে এই দাবির সঙ্গে একমত নয় ইউনিসেফ।

জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ জানিয়েছে, তারা একাধিকবার বৈঠক ও চিঠির মাধ্যমে সরকারকে টিকা সংকট, রোগের ঝুঁকি এবং সম্ভাব্য মৃত্যুহার বৃদ্ধি নিয়ে সতর্ক করেছিল।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের ৬১ জেলায় হাম ছড়িয়ে পড়েছে। গত ৫০ দিনে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা ৪৭ হাজার ছাড়িয়েছে এবং মৃত্যুর সংখ্যা ৩১১ জনে পৌঁছেছে।

সায়েদুর রহমান বলেন, অতীতের টিকাদান ক্যাম্পেইন ও ভ্যাকসিন সরবরাহ প্রক্রিয়া কিছু প্রশাসনিক ও সময়গত চ্যালেঞ্জের কারণে বাধাগ্রস্ত হয়। তিনি দাবি করেন, অনেক ক্ষেত্রেই আন্দোলন, জনবল সংকট এবং সামাজিক ভ্যাকসিনবিরোধী প্রচারণা টিকাদানের কাভারেজ কমিয়েছে।

তবে ইউনিসেফের মতে, সময়মতো যথাযথ সতর্কতা ও কার্যকর পদক্ষেপ নিলে বর্তমান পরিস্থিতি এড়ানো যেত।

তিনি আরও বলেন, টিকা কেনা, অর্থনৈতিক অনুমোদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বিভিন্ন প্রশাসনিক ধাপ থাকায় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সময় লেগেছে। তবে এসব সিদ্ধান্তে স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, টিকাদান কার্যক্রমে সমন্বয়হীনতা এবং নীতি বাস্তবায়নে ধীরগতি এই সংকটকে আরও জটিল করেছে। তবে দায় নির্ধারণের চেয়ে দ্রুত নিয়ন্ত্রণ ও টিকাদান জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন জনস্বাস্থ্যবিদরা।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত