বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

রাজনীতি

বাংলাদেশ-ভারতকে বার্তা

সীমান্ত ইস্যুতে ব্যারিস্টার আরমানের চিঠির জবাব দিল জাতিসংঘ

সীমান্ত ইস্যুতে ব্যারিস্টার আরমানের চিঠির জবাব দিল জাতিসংঘ
ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম। ছবি : সংগৃহীত

সীমান্তে আটকে পড়া নারী ও শিশুসহ মানবিক সংকট ইস্যুতে বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেমের (ব্যারিস্টার আরমান) পাঠানো চিঠির জবাব দিয়েছে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী (ভারপ্রাপ্ত) ক্যারল ফ্লোর-স্মেরেচনিয়াক।

বুধবার বাংলাদেশে জাতিসংঘের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। সেখানে বলা হয়, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে আটকে পড়া নারী ও শিশুসহ বিপন্ন মানুষদের পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘ গভীরভাবে উদ্বিগ্ন এবং বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

জাতিসংঘের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী সাম্প্রতিক সময়ে কিছু মানুষকে ফেরত নেওয়ার ঘটনা একটি স্বস্তিদায়ক অগ্রগতি। একই সঙ্গে অভিবাসীদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও মানবাধিকার নিশ্চিত করাকে মৌলিক অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

জাতিসংঘ আরও জানায়, নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তির আলোকে বাংলাদেশ ও ভারত উভয় দেশই মানবিক দায়িত্ব পালনে অঙ্গীকারবদ্ধ। প্রয়োজনে আইওএমের মাধ্যমে সমন্বয় ও সহায়তা দিতে তারা প্রস্তুত।

এদিকে ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম বলেন, জাতিসংঘের দ্রুত সাড়া ও মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানানো হলেও পুশইন সম্পূর্ণভাবে বেআইনি এবং সীমান্ত হত্যা বন্ধ হওয়া জরুরি। তিনি বলেন, মানবিক সংকটের সমাধান আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই হতে হবে।

#মানবাধিকার #জাতিসংঘ #সীমান্ত_ইস্যু

চেকপোস্ট

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬


সীমান্ত ইস্যুতে ব্যারিস্টার আরমানের চিঠির জবাব দিল জাতিসংঘ

প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬

featured Image

সীমান্তে আটকে পড়া নারী ও শিশুসহ মানবিক সংকট ইস্যুতে বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেমের (ব্যারিস্টার আরমান) পাঠানো চিঠির জবাব দিয়েছে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী (ভারপ্রাপ্ত) ক্যারল ফ্লোর-স্মেরেচনিয়াক।

বুধবার বাংলাদেশে জাতিসংঘের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। সেখানে বলা হয়, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে আটকে পড়া নারী ও শিশুসহ বিপন্ন মানুষদের পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘ গভীরভাবে উদ্বিগ্ন এবং বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

জাতিসংঘের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী সাম্প্রতিক সময়ে কিছু মানুষকে ফেরত নেওয়ার ঘটনা একটি স্বস্তিদায়ক অগ্রগতি। একই সঙ্গে অভিবাসীদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও মানবাধিকার নিশ্চিত করাকে মৌলিক অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

জাতিসংঘ আরও জানায়, নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তির আলোকে বাংলাদেশ ও ভারত উভয় দেশই মানবিক দায়িত্ব পালনে অঙ্গীকারবদ্ধ। প্রয়োজনে আইওএমের মাধ্যমে সমন্বয় ও সহায়তা দিতে তারা প্রস্তুত।

এদিকে ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম বলেন, জাতিসংঘের দ্রুত সাড়া ও মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানানো হলেও পুশইন সম্পূর্ণভাবে বেআইনি এবং সীমান্ত হত্যা বন্ধ হওয়া জরুরি। তিনি বলেন, মানবিক সংকটের সমাধান আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই হতে হবে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত