দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে আনুমানিক ১ লাখ ৬৪ হাজার টাকা মূল্যের ২ হাজার ৫০ পিস ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট জব্দ করেছে ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি)।
শনিবার (৪ জুলাই) অচিন্তপুর বিওপির উদ্যোগে পরিচালিত মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযানে এসব ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অচিন্তপুর বিওপির একটি টহল দল উপজেলার চাপড়া গ্রামের চেয়ারম্যানপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মালিকবিহীন অবস্থায় পড়ে থাকা একটি পরিত্যক্ত প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। পরে প্যাকেটটি তল্লাশি করে ভারতীয় উৎপাদিত ২ হাজার ৫০ পিস নেশাজাতীয় ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।
উদ্ধার হওয়া ট্যাবলেটগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১ লাখ ৬৪ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি। তবে অভিযানের সময় এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
বিজিবি জানায়, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে।
স্থানীয়দের মতে, সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার রোধে বিজিবির ধারাবাহিক অভিযান ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। তারা এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে আনুমানিক ১ লাখ ৬৪ হাজার টাকা মূল্যের ২ হাজার ৫০ পিস ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট জব্দ করেছে ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি)।
শনিবার (৪ জুলাই) অচিন্তপুর বিওপির উদ্যোগে পরিচালিত মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযানে এসব ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অচিন্তপুর বিওপির একটি টহল দল উপজেলার চাপড়া গ্রামের চেয়ারম্যানপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মালিকবিহীন অবস্থায় পড়ে থাকা একটি পরিত্যক্ত প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। পরে প্যাকেটটি তল্লাশি করে ভারতীয় উৎপাদিত ২ হাজার ৫০ পিস নেশাজাতীয় ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।
উদ্ধার হওয়া ট্যাবলেটগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১ লাখ ৬৪ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি। তবে অভিযানের সময় এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
বিজিবি জানায়, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে।
স্থানীয়দের মতে, সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার রোধে বিজিবির ধারাবাহিক অভিযান ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। তারা এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
