বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও জ্বালানি সম্পদের ওপর চাপ কমাতে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী গোপালগঞ্জে রাত ৮টার মধ্যে দোকানপাট ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে অভিযান ও তদারকি চালানো হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্যবসায়ীদের সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত শপিংমল, মার্কেট ও বিভিন্ন ধরনের দোকান খোলা রাখার সুযোগ রয়েছে।
সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নের পাশাপাশি দোকানপাট ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত আলোকসজ্জা, অপ্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক বাতি এবং বিলবোর্ডের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের পর দোকানপাটের বৈদ্যুতিক সংযোগ ও আলোকসজ্জা বন্ধ রাখতে হবে। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতনতা বাড়ানো গেলে জাতীয় পর্যায়ে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ব্যবহার কমানোর মাধ্যমে জ্বালানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপও কমানো সম্ভব।
তাই নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার পাশাপাশি ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে বিদ্যুৎ ব্যবহারে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও জ্বালানি সম্পদের ওপর চাপ কমাতে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী গোপালগঞ্জে রাত ৮টার মধ্যে দোকানপাট ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে অভিযান ও তদারকি চালানো হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্যবসায়ীদের সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত শপিংমল, মার্কেট ও বিভিন্ন ধরনের দোকান খোলা রাখার সুযোগ রয়েছে।
সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নের পাশাপাশি দোকানপাট ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত আলোকসজ্জা, অপ্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক বাতি এবং বিলবোর্ডের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের পর দোকানপাটের বৈদ্যুতিক সংযোগ ও আলোকসজ্জা বন্ধ রাখতে হবে। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতনতা বাড়ানো গেলে জাতীয় পর্যায়ে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ব্যবহার কমানোর মাধ্যমে জ্বালানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপও কমানো সম্ভব।
তাই নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার পাশাপাশি ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে বিদ্যুৎ ব্যবহারে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
