রাজনৈতিক ইতিহাসে শাপলা গণহত্যা একটি বড় ক্ষত তৈরি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (জাতীয় নাগরিক পার্টি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
মঙ্গলবার (১২ মে) রাজধানীর কাকরাইলে এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, শাপলা গণহত্যার পর তৎকালীন সরকারকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা গেলে পরবর্তীতে জুলাই গণহত্যার মতো ঘটনা ঘটত না।
তিনি দাবি করেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতিই দেশে পরবর্তী সহিংস ঘটনার পথ তৈরি করেছে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, সে সময় রাজনৈতিক দলগুলোর আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন ছিল। পাশাপাশি গণমাধ্যমের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ ছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, ভুক্তভোগীদের অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল, যা ইতিহাসে নথিভুক্ত রয়েছে।
মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের বিষয়ে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মাদ্রাসার ছাত্রদের “জঙ্গি” হিসেবে দেখার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তাদের দেশের মুক্তির আন্দোলনেও ভূমিকা রয়েছে।
তিনি মানবাধিকার লঙ্ঘন, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।
সীমান্ত ইস্যুতে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে বলেন, সীমান্তে হত্যা ও কাঁটাতারের মতো বিষয় বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের পথে বাধা সৃষ্টি করে।
তিনি সরকারের উদ্দেশে বলেন, সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রের, আর ব্যর্থ হলে জনগণই সেই দায়িত্ব নিতে বাধ্য হবে।

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
রাজনৈতিক ইতিহাসে শাপলা গণহত্যা একটি বড় ক্ষত তৈরি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (জাতীয় নাগরিক পার্টি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
মঙ্গলবার (১২ মে) রাজধানীর কাকরাইলে এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, শাপলা গণহত্যার পর তৎকালীন সরকারকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা গেলে পরবর্তীতে জুলাই গণহত্যার মতো ঘটনা ঘটত না।
তিনি দাবি করেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতিই দেশে পরবর্তী সহিংস ঘটনার পথ তৈরি করেছে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, সে সময় রাজনৈতিক দলগুলোর আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন ছিল। পাশাপাশি গণমাধ্যমের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ ছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, ভুক্তভোগীদের অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল, যা ইতিহাসে নথিভুক্ত রয়েছে।
মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের বিষয়ে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মাদ্রাসার ছাত্রদের “জঙ্গি” হিসেবে দেখার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তাদের দেশের মুক্তির আন্দোলনেও ভূমিকা রয়েছে।
তিনি মানবাধিকার লঙ্ঘন, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।
সীমান্ত ইস্যুতে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে বলেন, সীমান্তে হত্যা ও কাঁটাতারের মতো বিষয় বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের পথে বাধা সৃষ্টি করে।
তিনি সরকারের উদ্দেশে বলেন, সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রের, আর ব্যর্থ হলে জনগণই সেই দায়িত্ব নিতে বাধ্য হবে।
