জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) ভুয়া পরিচয় ও জাল কাগজপত্র ব্যবহারের অভিযোগে রংপুরের গঙ্গাচড়া থানা পুলিশ মো. লিওন মিয়া নামে এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারীর বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনসহ দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গঙ্গাচড়া উপজেলার কচুয়া এলাকায় লিওন নিজেকে এনএসআই-এর ‘জুনিয়র ফিল্ড অফিসার’ পরিচয় দিয়ে মধ্য কচুয়ার মোকাররম হোসেনের মেয়ে মাহফুজা আক্তার রিয়া মনিকে বিয়ে করেন।
সরকারি গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তা পরিচয় বিশ্বাস করে মেয়ের পরিবার বিয়েতে সম্মতি দেয়। এ সময় তিনি একটি ভুয়া পরিচয়পত্র ব্যবহার করেন, যেখানে নাম ‘SOMRAT HOSSAIN SAMIM’ এবং ইস্যুর তারিখ ৮ জুলাই ২০২১ উল্লেখ ছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
বিয়ের কিছুদিন পর তার আচরণে সন্দেহ হলে পরিবার খোঁজখবর শুরু করে। পরে জানা যায়, তিনি নিজের পরিচয় গোপন করতে জাল এনআইডি ও অঙ্গীকারনামা ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে।
স্থানীয়দের দাবি, লিওন আগের একটি বিয়ের তথ্যও গোপন করেছিলেন। সম্প্রতি তার প্রথম স্ত্রী সন্তানসহ শ্বশুরবাড়িতে উপস্থিত হলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে অনলাইন জুয়া ও বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর ছবুর জানান, ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) ভুয়া পরিচয় ও জাল কাগজপত্র ব্যবহারের অভিযোগে রংপুরের গঙ্গাচড়া থানা পুলিশ মো. লিওন মিয়া নামে এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারীর বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনসহ দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গঙ্গাচড়া উপজেলার কচুয়া এলাকায় লিওন নিজেকে এনএসআই-এর ‘জুনিয়র ফিল্ড অফিসার’ পরিচয় দিয়ে মধ্য কচুয়ার মোকাররম হোসেনের মেয়ে মাহফুজা আক্তার রিয়া মনিকে বিয়ে করেন।
সরকারি গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তা পরিচয় বিশ্বাস করে মেয়ের পরিবার বিয়েতে সম্মতি দেয়। এ সময় তিনি একটি ভুয়া পরিচয়পত্র ব্যবহার করেন, যেখানে নাম ‘SOMRAT HOSSAIN SAMIM’ এবং ইস্যুর তারিখ ৮ জুলাই ২০২১ উল্লেখ ছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
বিয়ের কিছুদিন পর তার আচরণে সন্দেহ হলে পরিবার খোঁজখবর শুরু করে। পরে জানা যায়, তিনি নিজের পরিচয় গোপন করতে জাল এনআইডি ও অঙ্গীকারনামা ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে।
স্থানীয়দের দাবি, লিওন আগের একটি বিয়ের তথ্যও গোপন করেছিলেন। সম্প্রতি তার প্রথম স্ত্রী সন্তানসহ শ্বশুরবাড়িতে উপস্থিত হলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে অনলাইন জুয়া ও বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর ছবুর জানান, ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
