বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

পদ্মায় অবৈধ বালু বাণিজ্য

পাবনায় চায়না কাটারে বালু উত্তোলন, ভাঙনে বিলীন জমি

পাবনায় চায়না কাটারে বালু উত্তোলন, ভাঙনে বিলীন জমি
ছবি : চেকপোস্ট

পাবনা সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের জোত কাকুরিয়া কলাবাগান এলাকায় পদ্মা নদী থেকে চায়না কাটার মেশিন দিয়ে অবাধে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। নদীর তীর ঘেঁষে এভাবে বালু তোলার কারণে এলাকায় তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, নদীভাঙনে ইতোমধ্যে শত শত বিঘা ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। বালু উত্তোলনের প্রতিবাদ করলে হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।

সরেজমিনে স্থানীয়রা জানান, জোত কাকুরিয়া কলাবাগান এলাকায় পদ্মা নদীতে একাধিক শক্তিশালী চায়না কাটার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। উত্তোলিত বালু ট্রলারে করে পাবনার বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও আশপাশের জেলাগুলোতে সরবরাহ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। স্থানীয়দের দাবি, ভোররাত থেকে দুপুর পর্যন্ত চলে বালু উত্তোলনের কাজ। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহলের মধ্যেও কার্যক্রম চলতে দেখা যায় বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।

একাধিক কৃষক জানান, অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে ভাঙন বাড়ছে। তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে আরও অভিযোগ পাওয়া গেছে, কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি এই বালু উত্তোলন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে পাবনার পুলিশ সুপার আশ্রাফ আলী জানান, বিষয়টি নিয়ে তারা অবগত হয়েছেন এবং খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পাবনা জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হওয়ার পর তদন্ত করে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে নদীপাড়ের বাসিন্দারা দ্রুত অভিযান চালিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ এবং ভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

#পাবনা_সংবাদ #অবৈধ_বালু_উত্তোলন #পদ্মা_নদী

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬


পাবনায় চায়না কাটারে বালু উত্তোলন, ভাঙনে বিলীন জমি

প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

পাবনা সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের জোত কাকুরিয়া কলাবাগান এলাকায় পদ্মা নদী থেকে চায়না কাটার মেশিন দিয়ে অবাধে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। নদীর তীর ঘেঁষে এভাবে বালু তোলার কারণে এলাকায় তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, নদীভাঙনে ইতোমধ্যে শত শত বিঘা ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। বালু উত্তোলনের প্রতিবাদ করলে হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।

সরেজমিনে স্থানীয়রা জানান, জোত কাকুরিয়া কলাবাগান এলাকায় পদ্মা নদীতে একাধিক শক্তিশালী চায়না কাটার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। উত্তোলিত বালু ট্রলারে করে পাবনার বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও আশপাশের জেলাগুলোতে সরবরাহ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। স্থানীয়দের দাবি, ভোররাত থেকে দুপুর পর্যন্ত চলে বালু উত্তোলনের কাজ। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহলের মধ্যেও কার্যক্রম চলতে দেখা যায় বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।

একাধিক কৃষক জানান, অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে ভাঙন বাড়ছে। তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে আরও অভিযোগ পাওয়া গেছে, কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি এই বালু উত্তোলন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে পাবনার পুলিশ সুপার আশ্রাফ আলী জানান, বিষয়টি নিয়ে তারা অবগত হয়েছেন এবং খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পাবনা জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হওয়ার পর তদন্ত করে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে নদীপাড়ের বাসিন্দারা দ্রুত অভিযান চালিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ এবং ভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত