হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার মুড়িয়াউক গ্রামে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুরুতর আহত বাচ্চু মিয়া (৬৮) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শুক্রবার হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
নিহত বাচ্চু মিয়া সিংহগ্রামের মৃত কটু মিয়ার ছেলে। তিনি মুড়িয়াউক গ্রামে বিয়ে করে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২ জুন তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাবুল মিয়া ও আক্তার মিয়ার পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই সংঘর্ষে আক্তার মিয়ার পক্ষের বাচ্চু মিয়া গুরুতর আহত হন।
পরবর্তীতে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ১৭ দিন পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পুনরায় হাসপাতালে নেওয়া হলে তিনি মারা যান।
লাখাই থানার ওসি শরীফ আহমেদ জানান, ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় যাতে নতুন করে কোনো সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার পুলিশ জানায়, মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার মুড়িয়াউক গ্রামে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুরুতর আহত বাচ্চু মিয়া (৬৮) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শুক্রবার হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
নিহত বাচ্চু মিয়া সিংহগ্রামের মৃত কটু মিয়ার ছেলে। তিনি মুড়িয়াউক গ্রামে বিয়ে করে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২ জুন তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাবুল মিয়া ও আক্তার মিয়ার পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই সংঘর্ষে আক্তার মিয়ার পক্ষের বাচ্চু মিয়া গুরুতর আহত হন।
পরবর্তীতে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ১৭ দিন পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পুনরায় হাসপাতালে নেওয়া হলে তিনি মারা যান।
লাখাই থানার ওসি শরীফ আহমেদ জানান, ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় যাতে নতুন করে কোনো সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার পুলিশ জানায়, মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
